Friday, 30 January 2015
Darun.....
Mohammad Salahuddin
অনেক হিন্দু ধর্মালম্বি আস্ফালন করে বলেন যে ভারতে নাকি মুসলিমদেরকে প্রেসিডেন্ট,প্রধান বিচারপতি করা হয়েছে,এটা নাকি তাদের ঔদার্যবোধের প্রমান,কিন্তু এর পেছনে কি ধরনের চাণক্য বুদ্ধি কাজ করেছেও তথা আইওয়াশ করেছে তা অনেকেই জানেন না(ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে চাণক্য পণ্ডিতের জন্মস্থান আজকের পাকিস্তানে)
সে যাই হোক না কেন,দেখা যাক ভারতের এই (মুসলিম!!!) রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান বিচারপতিদের পরিচয়।
ভারতের প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রপতি হিসেবে চালানো হচ্ছে জাকির হোসাইনকে।যে কথাটি অনেকেই জানেন না সেটা হল জাকির হোসাইন ছিলেন একজন ফারসি অগ্নি উপাসক ধর্মের মানুষ,ফারসি নাম দিয়ে তাঁকে মুসলিম হিসেবে চালানো হচ্ছে।শুধু তাই নয় জাকির হোসাইন ছিলেন একজন চরম রকমের ধর্মবিদ্বেষী সেকুলার মানুষ।
মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ নামের এক ব্যাক্তিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান বিচারপতি উভয় পদে আসিন হতে দেখা গেছে।এই ব্যাক্তিটি বিয়ে করেছিলেন পুস্পা শাহ নাম্নী এক হিন্দু নারীকে।আপনারা সাইফ,সালমানের বাবা সেলিম খান,শাহরুখদের উদাহরণ দেখেছেন তারা হিন্দু নারী বিয়ে করে কি রকম মুসলিম হিসেবে আছে।
এপিজে আবুল কালাম এই তালিকার সবচেয়ে কুৎসিত উদাহরণ,যেই ব্যাক্তিটি ৭ বছর বয়সের পর থেকে কোনদিন মসজিদে যায়নি(Wings of Fire পড়ে দেখুন)।সকালে উঠে প্রতিদিন রামায়ন পড়ে,নিয়মিত মুর্তিপুজা করে,তাঁকে হিন্দু পেজগুলিতো বটেই আরএসএস ও হিন্দু বলেই দাবি করে।
প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া মির্জা হামিদুল্লাহ বেগ এবং আলতামাস কবির ছিল শিয়া ধর্মালম্বি।আর আজিজ মুসাব্বের আহমাদি ছিল কাদিয়ানি ধর্মের মানুষ।
এভাবেই এদেরকে মুসলিম হিসেবে চালানো হচ্ছে।
ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরসিদ ছিল কাদিয়ানি এবং কমিউনিস্ত রাজনীতির সাথে জড়িত।তার মেয়ে হিন্দু ছেলে বিয়ে করেছে।
বিজেপির কেন্দ্রিয় রাজনীতির সাথে জড়িত মুখতার আব্বাস নাকভি এবং শাহনেওয়াজ হুসাইন দুজনই শিয়া এবং হিন্দু নারী বিয়ে করেছে,সিকান্দার বখতের হালও হুবহু একই।মুখতার আব্বাস নাকভি বলেছিল যারা “বন্দে মাতরম” গাইবে না তাদের ভারতে থাকার অধিকার নেই, বুঝে দেখেন কত নেককার মুসলিম এরা।
ভারতের শিয়ারা কিভাবে মুসলিমদের উপরে ষড়যন্ত্র করেছে তা অনেকেই জানেন না
হযরত আওরঙ্গজেব(রহঃ)এর মৃত্যুর পরে ভারতে মুসরিক মারাঠা শক্তি প্রবল হয়ে ওঠে।তারা একের পর এক দক্ষিণ থেকে মধ্য ভারত জয় করে ফেলে।তারা ইসলামকে নির্মুল করতে বদ্ধপরিকর হয়ে ওঠে।তাদের সাথে যোগ দেয় শিখরাও।তখন শাহ অয়ালিইল্লাহ(রহঃ)এর আহবানে আফগান মহানায়ক আহমাদ শাহ আবদালি ১৭৬১ সালে মারাঠাদের মূল নেতাদের বলতে গেলে সবাইকে সহ ১ লক্ষ মারাঠা সেনাকে জাহান্নামের টিকেট ধরিয়ে দেন,১৭৬২ সালে ১২ হাজার শিখ সেনাকে হত্যা করে ১ লাখ শিখকে তিনি হত্যা করে শিখদের তেরোটা বাজিয়েছিলেন।কিন্তু যে কথাটি সবাই জানে না সেটা হল ভারতের শিয়ারাও সে সময়ে গাজি সালাউদ্দিন(রহঃ)এর বিরুদ্ধে ক্রসেডারদের সহায়তার ভুমিকার মত,১২৫৮ সালের হালাকু খানকে সহায়তার ভুমিকার মত ৫০০ বছর পরেও মুসলিমদের বিরুদ্ধে কুফরি শক্তিকে সহায়তা করেছিল।তাই শাহ অয়ালিইল্লাহ(রহঃ)মারাঠাদের মত শিয়াদের বিরুদ্ধেও জিহাদ ঘোষণা করেছিলেন।কারন এই শিয়ারা তখন মুসলিমদের বিরুদ্ধে মারাঠাদের সহায়তা করছিল এবং তারাও মুসলিম নিধনে মেতে উঠেছিল,তাই শাহ ওয়ালিউল্লাহ(রহঃ) আবদালিকে লেখা চিঠিতে মারাঠাদের সাথে শিয়াদের অত্যাচারের কথা এবং তাদের বিরুদ্ধেও মারাঠাদের মত জিহাদের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছিলেন।
ভারতের গত সংসদ নির্বাচনের আগে বিজেপি নেতা সুব্রামনিয়াম স্বামী বলেছিল যে শিয়া,কাদিয়ানি,সুফিরা বিজেপিকে সমর্থন করে,মোদী যে গুজরাটের শিয়া এলাকাগুলিতে সমর্থন পাচ্ছে সেকথাও ভারতের পত্রপত্রিকায় উঠে এসেছে বিভিন্ন সময়।বিভিন্ন সময়ে বিজেপি যে দাড়িটুপি ওয়ালা “মুসলিমদের” কে মোদীর সাথে এক অনুষ্ঠানে দেখিয়েছে তারা আসলে ছিল শিয়াদের বোহরা সম্প্রদায়ভুক্ত যারা আসলে অমুসলিম।শিয়া নেতা কালবে জাওয়াদ ও বিজেপিকে সমর্থন দেবার কথা প্রচ্ছন্নভাবে বলেছে নির্বাচনের আগে।এরা বিজেপিকে সমর্থন করে কারন তারা আসলে অমুসলিম। গুজরাতে মুসলিমদের দাঙ্গায় মার খাবার আরেকটি প্রধান কারন হচ্ছে গুজরাটে শিয়াদের সংখ্যা ভারতের অন্যান্য জায়গা থেকে তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি।হিন্দু এবং শিয়া মিলে গুজরাটে অমুসলিম জনসংখ্যা ৯০ ভাগের কাছাকাছি।তাই দাঙ্গাতে প্রশাসনের শত্রুতা এবং ৯০ ভাগ অমুসলিমের হামলার সামনে মুসলিমরা বিপদে পড়বে এটাই স্বাভাবিক।
মুলত এভাবেই শিয়া,কাদিয়ানি,সুফি,কমিউনিস্টদেরকে মুসলিম হিসেবে চালিয়ে মুসলিমদের প্রতি সুবিচার করার এবং মুসলিমদের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান বিচারপতি করার গোয়েবলসিয় প্রতারনা এভাবেই চলছে ভারতে।
ভারতের সাচার কমিশন রিপোর্তের মাধ্যমে বোঝা গেছে যে মুসলিমদের অবস্থা ভারতে কত করুণ।ব্রিটিশ আমলে ১৯৪৭ সালে ভারতের সরকারি চাকরীর ৩৪ ভাগ ছিল মুসলিমদের হাতে।কিন্তু ব্রিটিশরা চলে যাবার পর থেকে ভারতে মুসলিমের প্রতি বৈষম্য চালু হয় এবং সরকারি চাকরি থেকে মুসলিমদের অদৃশ্য হওয়া শুরু হয়।হিন্দুরা অনেকে বলে যে ভারতের মুসলিমরা নাকি ধর্মিয় গোঁড়ামির কারনে শিক্ষা থেকে পিছিয়ে আছে!!!কথাটা যে কতটা বানোয়াট তার প্রমান পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে যে পরিমাণ মুসলিম ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার তৈরি হয়েছে ভারতে তার ২০ ভাগের এক ভাগ মুসলিম ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার তৈরি হল না কেন?ভারতের মুসলিমরা কি পাকিস্তান/বাংলাদেশের মুসলিমদের চেয়ে বেশি ধার্মিক নাকি বেশী স্বাধীনভাবে ইসলাম পালন করতে পারে?আরএসএস বজরং শিবসেনার কারনে তো ভারতের মুসলিমরা ইসলাম নিয়ে টিকে থাকতেই হিমসিম খাচ্ছে,তাহলে কি করে ভারতের মুসলিমরা পাকিস্থান/ভারতের চেয়ে বেশি গোঁড়া মুসলিম হবে যে তারা শিক্ষা গ্রহণ করবে না?
আপনারা যারা পাশ্চাত্যে আছেন তারা পাশ্চাত্যে বসবাসরত অনেক মুসলিম পাকিস্তানি/বাংলাদেসি ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার পাবেন,কিন্তু ভারত থেকে আসা কোন মুসলিম ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার দেখেছেন পাশ্চাত্যে?দেখলেও কালেভদ্রে,অথবা সে সিয়া/কাদিয়ানি,এর কারন হিন্দুদের ইসলাম বিদ্বেষ, পাকিস্তানের পরমাণু বিজ্ঞানি আবদুল কাদিরের জন্ম ছিল ভারতের ভুপালে,পাকিস্তানে সেনাপ্রধান/রাষ্ট্রপতি/প্রধানমন্ত্রী এসেছে ভারতের মুসলিমদের মধ্যে থেকে,দেশভাগের আগে ভারতের আইসিএস মুসলিম অফিসারদের বেশিরভাগ এসেছিলেন এখনকার ভারত থেকে,তারাই পাকিস্থান/বাংলাদেসের উন্নয়নে অনেক ভুমিকা রেখেছিলেন দেশভাগের পরে আর আজ ভারতের সরকারি চাকরি,শিক্ষা সব জায়গাতে মুসলিমদের কোন অবস্থান নেই কেন?কেন ভারতের মুসলিমরা পাকিস্তান আর বাংলাদেশের মুসলিমদের থেকে পিছিয়ে পড়ল যেখানে কিনা ভারতের মুসলিমরা ব্রিটিশ আমলের আগে এগিয়েছিল?মাউন্তব্যাতেন পুর্ববঙ্গকে বলেছিলেন নোংরা ডোবা,যেখানে শিক্ষা/অবকাঠামো কিছু ছিল না,ব্রিটিশ আমলে পুর্ববঙ্গের মুসলিমদের চেয়ে এখনকার ভারতের মুসলিমরা শিক্ষা/অর্থ সবকিছুতে এগিয়ে ছিল,কিন্তু ব্রিটিশ আমলের পরে এই করুণ অবস্থা কেন হলো ভারতের মুসলিমদের?,আসল কারনটা হল ব্রিটিশ আমলের আগে পুর্ববঙ্গের মুসলিমরা ছিল হিন্দু জমিদারদের থাবার ভেতরে,ব্রিটিশ আমলের পরে হিন্দুদের বিদায়ের পরেই পুর্ববঙ্গের মুসলিমরা স্বাধীনভাবে বাঁচার/শিক্ষার সুযোগ পেয়েছিল,কিন্তু পুর্ববঙ্গের মুসলিমদের চেয়ে ভারতের মুসলিমরা ব্রিটিশ আমলের আগে শিক্ষায়/অর্থসম্পদে এগিয়ে থাকলেও ব্রিটিশ আমলের পরে ভারতীয় মুসলিমরা হিন্দু শাসনের জোয়ালে যাবার কারনে সবদিক থেকে নিগৃহীত হয়েছে।
Nabiji
Md Raihan Sharif wrote a new note: প্রসঙ্গ : মুহাম্মদ (সাঃ) ও আয়েশার বিয়ে.
হাদিস অনুযায়ী মুহাম্মদ (সাঃ) আনুমানিক ৫৩ বছর বয়সে ৯ বছর বয়সের আয়েশাকে বিয়ে করে ঘরে তোলেন। এর উপর ভিত্তি করে ইসলামবিদ্বেষীরা যে কত রকমের ব্যঙ্গ-চিত্র আর ব্যঙ্গ-কাহিনী ফেঁদে প্রচার করেছে, তার কোনো হিসাব নাই। ইসলামকে হেয় করার জন্য এটিই সম্ভবত সবচেয়ে বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে প্রথমেই ব্যাপারটাকে এভাবে চিন্তা করে দেখুন: ধরা যাক, আপনার বাবা'র বিরুদ্ধে স্বয়ং আপনার মা'র কোনো অভিযোগ নেই। আপনার নানা-নানী'র কোনো অভিযোগ নেই। এমনকি পাড়া-প্রতিবেশী ও দেশবাসীরও কোনো অভিযোগ নেই। অথচ আজ থেকে চৌদ্দশ' বছর পর আফ্রিকার কিছু লোকজন 'নারীবাদী' সেজে আপনার মা'র জন্য মায়াকান্না জুড়ে দিয়ে আপনার বাবা'কে বিভিন্নভাবে 'অপরাধী' বানানোর চেষ্টা করছে। ব্যাপারটা কেমন শুনাবে? নিঃসন্দেহে হাস্যকর, পাগলামী, ছাগলামী, মাতলামী, তাই নয় কি?
অনুরূপভাবে- মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর সাথে আয়েশার বিয়ে নিয়ে যেখানে স্বয়ং আয়েশার কোনো অভিযোগ ছিল না, আয়েশার পিতা-মাতা'র কোনো অভিযোগ ছিল না, আয়েশার আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর কোনো অভিযোগ ছিল না, এমনকি সেই সময়ের ইহুদী-খ্রীষ্টান-মুশরিক-নাস্তিকসহ সারা বিশ্বের কারোরই কোনো অভিযোগ ছিল না - সেখানে চৌদ্দশ' বছর পর এসে কিছু দু'পেয়ে হনু আয়েশার জন্য মায়াকান্না জুড়ে দিয়ে মুহাম্মদ (সাঃ)-কে একজন 'মস্তবড় অপরাধী'র কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। হনুদের মাথায় ঘিলু বলে কিছু থাকলে একটা ব্যাপার অন্তত বুঝা উচিত ছিল যে, মুহাম্মদ (সাঃ) যদি আয়েশাকে বিয়ে না করতেন তাহলে ইতিহাসে আয়েশার কোনো অস্তিত্বই থাকত না। অথচ যাঁর মাধ্যমে আয়েশা আজ ইতিহাসের পাতায় স্থান পেয়েছেন সেই আয়েশার পক্ষ নিয়ে তাঁকেই হনুরা 'অপরাধী'র কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। হনুরা আসলে মুহাম্মদ (সাঃ)-কে একই সাথে একজন 'অসৎ', 'লম্পট', ও 'নারীলোভী' ধরে নিয়ে চৌদ্দশ' বছর পর এসে তাঁর বিচার করছে। অথচ ব্যাপারটা আসলে পুরোপুরি উল্টো। মুহাম্মদ (সাঃ) যখন আয়েশাকে বিয়ে করেন তখন তিনি একাধারে সৎ, সত্যবাদী, বিশ্বস্ত, ও আল্লাহর রাসূল হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত। কাজেই মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর সাথে বিয়ের সময় আয়েশার বয়স যা-ই হোক না কেন (It doesn't matter), তাতে আয়েশার জন্য এযুগের হনুদের মায়াকান্না স্রেফ কুম্ভিরাশ্রু ছাড়া আর কী হতে পারে? এ যেন মায়ের চেয়ে সৎ-মায়ের দরদ-ই বেশি! এ প্রসঙ্গে মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর বিরুদ্ধে হনুদের অভিযোগগুলো দেখা যাক।
অভিযোগ: মুহাম্মদ ৫০+ বয়সে ৯ বছরের আয়েশাকে বিয়ে করেছিলেন। আধুনিক যুগের আইনে তাকে গ্রেফতার করে জেলের ভাত খাওয়ানো যায়। তাছাড়া আধুনিক যুগের আইন দিয়ে বিচার করলে মুহাম্মদ একজন ধর্ষক ও শিশুকামী প্রমাণ হয়।
হনুদের এই 'আধুনিক যুক্তি' অনুযায়ী সবার আগে আধুনিক যুগের রবীন্দ্রনাথ-সহ অনেককেই গ্রেফতার করে জেলের ভাত খাওয়ানো যায়। তাছাড়া একই 'যুক্তি' অনুযায়ী আধুনিক যুগের রবীন্দ্রনাথ-সহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিই ধর্ষক ও শিশুকামী প্রমাণ হয়। সেই সাথে হনুদের পূর্ব-পুরুষদেরও অনেকে হয়তো ধর্ষক ও শিশুকামী প্রমাণ হবে। কিন্তু হনুরা যেহেতু শুধুমাত্র ইসলামের নবীকেই আধুনিক যুগের আইনে গ্রেফতার করে জেলের ভাত খাওয়াচ্ছে, 'ধর্ষক' ও 'শিশুকামী' বানিয়ে দিচ্ছে, সেহেতু তারা স্রেফ ইসলামবিদ্বেষী ভণ্ড প্রমাণ হচ্ছে। তবে মুসলিমরা এই ধরণের ছাগলামী-মার্কা যুক্তিতে বিশ্বাস করে না।
কথায় বলে- খলের ছলের কোনো অভাব হয় না। হনুদের মধ্যে অতি ধূর্ত কেউ কেউ এই পর্যায়ে এসে 'যুক্তি' দিতে পারে এই বলে যে, মুহাম্মদ যখন আয়েশাকে বিয়ে করেন তখন মুহাম্মদের বয়স ছিল ৫০+ আর আয়েশার বয়স ছিল মাত্র ৯। কাজেই তাদের বয়সের পার্থক্য অনেক বেশি। এক্ষেত্রে জবাব হচ্ছে হনুরা যেহেতু আধুনিক যুগের আইন দিয়ে মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর সমালোচনা করছে সেহেতু আধুনিক যুগের আইনে ১৮ বছরের পর আর কোনো পার্থক্য করা হয় না - অর্থাৎ আধুনিক যুগের আইনে ১৮ যা ৫৮-ও তাই। কাজেই আধুনিক যুগের আইনে মুহাম্মদ (সাঃ) ও রবীন্দ্রনাথ-সহ আরো অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বিয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই।
অভিযোগ: মুহাম্মদ যখন আয়েশাকে বিয়ে করেন তখন তিনি একজন নবী ছিলেন, সাধারণ কেউ ছিলেন না।
ঠিক। তবে আয়েশাকে বিয়ের আগে মুহাম্মদ (সাঃ) সর্বপ্রথম ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছর বয়সের এক বিধবা নারীকে বিয়ে করে সেই নারীর স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত (অর্থাৎ দীর্ঘ ২৫ বছর) আর কাউকে বিয়ে করেননি। হনুরা এই বিয়ের কথা বেমালুম চেপে যায়। কেননা এই বিয়ে তাদের জন্য গলার কাঁটা হয়ে আছে। কাজেই মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর জীবনে যেমন ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছর বয়সের বিধবা নারীকে বিয়ে করে সেই নারীর স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আর কোনো বিয়ে না করার নজির আছে, তেমনি আবার ৫০+ বয়সে ৯ বছর বয়সের আয়েশাকে বিয়ে করার নজিরও আছে। আর এগুলোর সবই হাদিস-সিরাত অনুযায়ী। কোরআনে এগুলোর কিছুই উল্লেখ নেই। তাছাড়া এগুলো ঈমানের কোনো অঙ্গও নয়।
যাহোক, একমাত্র মনুসংহিতা ছাড়া আজ থেকে কয়েক দশক আগ পর্যন্তও কোনো দেশেই বিয়ের ব্যাপারে বয়স-সীমা নির্ধারণ করে কোনো রকম আইন-কানুন ছিল না। তবে বর্তমানে প্রায় সব দেশেই বিয়ের ব্যাপারে বয়স-সীমা নির্ধারণ করে কিছু আইন করা হয়েছে, যদিও সব দেশের বয়স-সীমা এক নয়। আজ থেকে কয়েক দশক পর হয়তো এই আইনগুলো আবারো সংশোধন করা হবে। যুগের প্রেক্ষাপটে এটা ঠিক আছে। অথচ বর্তমান যুগের কিছু মানুষের তৈরী করা সংজ্ঞা ও আইনের উপর ভিত্তি করে হনুরা মুহাম্মদ (সাঃ)-কে একজন 'শিশুকামী' ও 'ধর্ষক' বানিয়ে দিয়ে প্রচার করছে। হনুদের কথাবার্তা থেকে বুঝাই যায় তারা আসলে ইসলামের নবীর ঘাড়ে বন্দুক রেখে নিজেদের শিশুকামী ও ধর্ষকামী মনোভাব প্রকাশ করছে।
মুহাম্মদ (সাঃ) আজ থেকে চৌদ্দশ' বছর আগে কতগুলো বিয়ে করেছেন, কেমন বয়সী নারীদেরকে বিয়ে করেছেন --- ইত্যাদি বিষয়ে সেই সমাজের লোকজন কি কোনো কৈফিয়ত চেয়েছিল? না। তারা কি মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর কোনো বিয়ের বিরুদ্ধে ছিল? না। তাঁর কোনো স্ত্রীর পরিবারের লোকজন কি বিয়ের বিরুদ্ধে ছিল? না। মুহাম্মদ (সাঃ) কি কাউকে জোর করে বিয়ে করেছিলেন? না। তাহলে আজ কারা আয়েশার জন্য মায়াকান্না করে? আজ কারা কৈফিয়ত চায়? কাদের কাছে কৈফিয়ত চায়? এখানে কৈফিয়ত-টৈফিয়ত দেওয়ার আসলে কিছুই নাই।
নোট: বিয়ে করা বা না-করা, স্ত্রীর সংখ্যা, স্ত্রীর বয়স, ইত্যাদি বিষয়গুলো নবী হওয়া বা না-হওয়ার কোনো শর্ত নয়। কেউ বিয়ে না করেও নবী হতে পারেন। কারো একাধিক স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তিনি নবী হতে পারেন। কারো স্ত্রীর বয়স প্রচলিত বয়সের চেয়ে কম-বেশি হওয়া সত্ত্বেও তিনি নবী হতে পারেন। অতএব, সত্য সন্ধানীরা হনুদের এই ধরণের প্রপাগ্যাণ্ডা থেকে বিভ্রান্ত হবেন না বলেই বিশ্বাস।
1 hr · Public
Wednesday, 28 January 2015
Tagore
Md Raihan Sharif
বাংলা অন্তর্জালে মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর সাথে আয়েশা (রাঃ)-এঁর বিয়ে নিয়ে যারা বিদ্বেষপূর্ণ সমালোচনা করে তাদের প্রতি কিছু পাল্টা প্রশ্ন ও চ্যালেঞ্জ (অফেন্সিভ)।
বিদ্বেষপূর্ণ সমালোচনা: মুহাম্মদ ৫০ বছর বয়সে ৯ বছরের আয়েশাকে বিয়ে করেছেন। আধুনিক যুগের আইনে তাকে গ্রেফতার করে জেলের ভাত খাওয়ানো যায়।
পাল্টা চ্যালেঞ্জ: রবীন্দ্রনাথ ২২ বছর বয়সে ১২ (মতান্তরে ১১) বছরের মৃণালিনী দেবীকে বিয়ে করেছেন। তাহলে তোমাদের যুক্তি অনুযায়ীই আধুনিক যুগের রবীন্দ্রনাথকে সবার আগে গ্রেফতার করে জেলের ভাত খাওয়ানো উচিত, তাই নয় কি? আধুনিক যুগের আইনে কিন্তু ৫০/২২ এবং ৯/১২ এর মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই। কাজেই তোমরা আগে রবীন্দ্রনাথকে গ্রেফতার করে জেলের ভাত খাইয়ে তারপর ১৪০০ বছর আগের কাউকে জেলের ভাত খাওয়াইতে এসো, কেমুন? এই চ্যালেঞ্জটা নেয়ার মতো সৎ-সাহস কারো আছে কি?
বিদ্বেষপূর্ণ সমালোচনা: আধুনিক যুগের আইন দিয়ে বিচার করলে মুহাম্মদ একজন ধর্ষক ও শিশু নির্যাতনকারী হয়ে যায়।
জবাব: এক্ষেত্রেও আধুনিক যুগের আইন দিয়ে বিচার করলে সবার আগে আধুনিক যুগের রবীন্দ্রনাথ একজন ধর্ষক ও শিশু নির্যাতনকারী হয়ে যায়। সেই সাথে তোমাদের দাদা-নানা-গ্র্যান্ডদা'দের অনেকেই হয়তো ধর্ষক ও শিশু নির্যাতনকারী হয়ে যাবে। কিন্তু তোমরা যেহেতু রবীন্দ্রনাথ ও তোমাদের দাদা-নানা'দের ব্যাপারটা চেপে যেয়ে শুধুই ইসলামের নবীকে 'ধর্ষক' ও 'শিশু নির্যাতনকারী' বানিয়ে দিয়ে প্রচার করছ সেহেতু তোমরা প্রমাণিত ইসলামবিদ্বেষী ভণ্ড।
[নোট: বাংলা ইসলামবিদ্বেষীরা কিন্তু রবীন্দ্রনাথকে ইসলামের নবীর অনেক উপরে স্থান দেয়। তারা একদিকে ইসলামের নবীর বিরুদ্ধে ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়ায়, অন্যদিকে আবার কথায় কথায় রবীন্দ্রনাথের বাণী কোট করে। কেউ কেউ তো রবীন্দ্রনাথের কবিতার লাইনকে শিরোনাম বানিয়ে বইও লিখে।]
তাছাড়া বাংলা ইসলামবিদ্বেষীদের গুরুজী হচ্ছে ভণ্ডজিৎ রায়। ভণ্ডজিতের প্রথম স্ত্রী ঠিক কী কারণে অকালে মারা গেছে, এটা আজ পর্যন্তও কাউকে জানানো হয়নি। তার অন্ধ মুরিদদেরও কেউ তাদের গুরুজীর স্ত্রীর অকাল মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি! অতএব, তোমরা আগে তোমাদের গুরুজীর স্ত্রীর অকাল মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা করো। তারপর না হয় অন্য ধর্মের দিকে আঙ্গুল তুলতে আসো, কেমুন? ইসলামের নবীর কোনো স্ত্রী তো অন্তত অকালে মারা যায়নি। অন্যদিকে এই আধুনিক যুগে রবীন্দ্রনাথ ও ভণ্ডজিৎ উভয়ের স্ত্রীই অকালে মারা গেছে! অথচ বাংলা ইসলামবিদ্বেষীদের কাউকেই কিন্তু 'নারীবাদী' সেজে এই দুই 'অকাল-প্রয়াত' নারীর জন্য মায়াকান্না করতে দেখা যায়নি। পুরাই ভণ্ডামী আরকি।
Saturday, 17 January 2015
আর এস এস
R.S.S - রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ
আপনি হিন্দু,আপনার মহত্ত্ব কিসে?শুধু পুঁথিগত শাস্ত্রে?নাকি জীবনাচরণে?(তুলনামূলক ধর্মজিজ্ঞাসা)
ইসলাম ধর্মঃ-
১।হে মুমিনগণ! নিহতদের ব্যাপারে তোমাদের জন্য কিসাসের (খুনের বদলে খুন) বিধান দেওয়া হইয়াছে,স্বাধীন ব্যক্তির
বদলে স্বাধীন ব্যক্তি,ক্রীতদাস ও নারীর বদলে নারী।(কোরান-২/১৭৮)
হিন্দু ধর্মঃ-
১।যুদ্ধে স্বজনাদিগকে নিহত করিয়া আমি মঙ্গল দেখিতেছি না।হে কৃষ্ণ,আমি জয়লাভকরিতে চাহি না,সুখভোগও চাহি না।হে জনার্দন,পৃথিবীর রাজত্বের কথা দূরে থাক,ত্রৈলোক্য রাজ্যের জন্যই বা দুর্যোধনাধিকে বধ করিলে আমাদের কি সুখ হইবে?(গীতা-১/৩১ ,৩৫)
ইসলাম ধর্মঃ--
২।পুরুষ নারীর কর্তা,কারণ আল্লাহ্ তাহাদের এক-কে অপরের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করিয়াছেন এবং এইজন্য যে,পুরুষ তাহাদের ধন- সম্পদ ব্যয় করে।সুতরাং সাধ্বী স্ত্রীরা অনুগতা এবং লোকচক্ষুর অন্তরালে আল্লা যাহা সংরক্ষিত করিয়াছেন,তাহা হিফাযত করে।স্ত্রীদের মধ্যে যাহাদের অবাধ্যতার আশংকা কর
তাহাদের সদুপদেশ দাও,তারপর তাহাদের প্রহার কর।(কোরান-৪/৩)
হিন্দু ধর্মঃ----
২। হে বিদ্বানগণ!আপনারা জানিয়া রাখুন,আমাদের
স্বামী স্ত্রী উভয়ের হৃদয় জলের ন্যায় পরস্পর মিলিত থাকিবে।যেমন প্রাণবায়ু আমাদের নিকট প্রিয়,পরমাত্মা যেমন
সকলের প্রিয়,উপদেষ্টা যেমন শ্রোতাদের নিকট প্রিয়,আমাদের একের আত্মা অন্যের প্রতি সেইরূপ প্রিয় হইবে।(ঋগ্বেদ,১০/৮৫/৪৭)
ইসলাম ধর্মঃ---
৩। হে মুমিনগণ!তোমরা সেই সব বিষয়ে প্রশ্ন করিও না যাহা তোমাদের নিকট প্রকাশ হইলে তাহা তোমাদেরকে কষ্ট
দিবে।কুরআন নাযিলের সময় তোমরা যদি সেইসব বিষয়ে প্রশ্ন কর তবে উহা তোমাদের নিকট প্রকাশ করা হইবে।(কোরান-৫/১০১)
হিন্দু ধর্মঃ----
৩।গুরুচরণে দণ্ডবৎ প্রণাম দ্বারা নানা বিষয় প্রশ্নদ্বারা এবং গুরুসেবা দ্বারা সেই জ্ঞানলাভ কর,জ্ঞানী তত্ত্বদর্শী গুরু তোমাকে সেই জ্ঞান উপদেশ করিবেন।(গীতা-৪/৩৪)
ইসলাম ধর্মঃ----
৪।বল,‘হে সার্বভৌম শক্তির মালিক আল্লাহ!তুমি যাহাকে ইচ্ছা ক্ষমতা প্রদান কর এবং যাহার ইচ্ছা ক্ষমতা কাড়িয়া লও;যাহাকে ইচ্ছা তুমি ইজ্জত দান কর,আর যাহাকে ইচ্ছা তুমি হীন
কর।মুমিনগণ যেন মুমিনগণ ব্যতীত কাফিরদের বন্ধুরূপে গ্রহণ
না করে।আল্লাহ্ তো কাফিরদেরকে পছন্দ করেন না।(কোরান-৩/২৬,১৮,৩৩)
হিন্দু ধর্মঃ---
৪।আমি সর্বভূতের পক্ষেই সমান।আমার দ্বেষ্যও নাই,প্রিয়ও
নাই।কিন্তু যাহারা ভক্তিপূর্বক আমার ভজনা করেন তাঁহারা আমাতে অবস্থান করেন এবং আমিও সে সকল ভক্তেই অবস্থান করি।(গীতা-৯/২৯)
এতক্ষণের আলোচনায় এটাই প্রমাণ হল যে,আল্লা একটা স্বৈরাচারী,নারী বিদ্বেষী এবং তার একটা জাতের প্রতিই শুধু সহানুভূতিশীল।পক্ষান্তরে ভগবানের কাছে জাতি,ধর্ম,বর্ণ,নির্বিশেষে সবাই সমান,আল্লার মত শুধু একটা জাতির(মসলমান) উপর সহানুভূতিশীল নয়।আর এখানেই আমাদের হিন্দুর মহত্ত্ব।তাইতো স্বামী বিবেকানন্দ তার 'পার্টিক্যাল বেদান্ত' গ্রন্থে লিখেছেন,"আমি এমন পক্ষপাতদুষ্ট আল্লার সাথে চিরকাল যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত আছি।"
অতএব,গর্বের সাথে বল,আমি হিন্দু।জয় হিন্দ।বন্দে মাতারাম।
#জয়শ্রীরাম
#RSS
ইয়াহুদি
ইহুদিদের নবীর নাম হযরত মুসা (আ.)
এবং খ্রিস্টানদের হযরত ইসা (আ.)।
আচ্ছা,
আপনারা কী কখনও দেখেছেন ইহুদি-খ্রিস্টানদের এই নবীদেরকে নিয়ে মুসলমানরা কখনও ঠাট্টা-বিদ্রুপ করছে?
ঠাট্টা করা তো দূরের ব্যাপার-
কোন মুসলমান এই নবীদেরকে নিয়ে ঠাট্টা করার কথা কল্পনাতেও আনতে পারে না।
কারণ, সব নবীদের সম্মান করতে ইসলাম মুসলিমদের শিক্ষা দেয়।।
অথচ, এই সম্মানিত নবীদের শীষ্যরা কী করছে দেখুন!
তারা কন্টিনিউয়ালি ইসলামের নবীকে (স.) কটাক্ষ করে ব্যঙ্গচিত্র/কার্টুন ছেপে যাচ্ছে।।
Friday, 16 January 2015
Shari hebdo
আপনারা কখনো কি শুনছেন খুনী খুন করার পর তার আইডি কার্ড ফেলে যাবে এবং চিল্লায় চিল্লায়ে নিজ সংগঠনের নাম বলবে ? ফ্রান্সের শার্লী এবদো পত্রিকায় যে হতাহতের ঘটনাটা ঘটলো সেখানে নাকি খুনীরা তাদের আইডি কার্ড ফেলে গিয়েছিল এবং খুন করার পর ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় চিল্লায় চিল্লায়ে বলেছিল আমরা আল কায়েদা করি আমরা তালেবান করি। যারা প্যারিসের মত একটা জায়গায় এতবড় ঘটনা ঘটিয়ে ফেলল তারা কি এতই বোকা যে ঘর থেকে বের হবার সময় তারা তাদের আইডি কার্ড ঘরে না রেখে এসে সাথে করে নিয়ে আসবে আবার তা গাড়িতে ফেলে যাবে। শার্লী এবদো পত্রিকা নিয়ে তো সেই ২০০৬ সাল থেকেই ঝামেলা হচ্ছে। তখন থেকেই ঐ পত্রিকার সম্পাদক কার্টুনিস্টরা বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে ছিল। তো পুলিশ কি তখন ঘাস কাটছিল যখন বন্দুকধারীরা তাদের কে আক্রমন করতে এসেছিল ? মাত্র ২ জন বন্দুকধারী কিভাবে গুনে গুনে ১০ জন সাংবাদিককে হত্যা করল যারা সবাই একইদিন একই সময়ে পত্রিকার অফিসে ছিল। আর হ্যা সেদিন পত্রিকার সম্পাদকীয় বৈঠক চলছিল আর ঠিক সেইদিনই আক্রমন হল। বাইরের লোকেদের তো তা জানার কথা না কোনদিন সেই পত্রিকার সম্পাদকীয় বৈঠক হবে। প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদকীয় বৈঠক কোনদিন হবে এটা কি বাইরের কোন লোকের জানার কথা ? কই সালমান রুশদীকে তো কখনো লন্ডনের মুসলমানরা হত্যা করতে পারে নাই। কারন সালমান রুশদি লন্ডনের পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তায় থাকে। তসলিমা নাসরিনের উপরেও তো অনেকদিন ধরে ভারতের মুসলমানরা ক্ষ্যাপা। কিন্তু আজ পর্যন্ত ভারতের মুসলমানরা তসলিমা নাসরিনের টিকিটাও স্পর্শ করতে পারে নাই কারন ভারত সরকার বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে তসলিমা নাসরিন কে বাচিয়ে রেখেছে। তো তসলিমা নাসরিন, সালমান রুশদীর মত শার্লী এবদো পত্রিকার সম্পাদক কার্টুনিস্টরাও তো বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে ছিল। যেই ২ ভাইকে ফ্রান্স সরকার এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে হত্যা করেছে এদের মাঝে শেরিফ কোশী আগেই ফ্রান্সের এক কারাগারে ৩ বছর জেল খাটছে। তাই খুব সহজেই বুঝা যাচ্ছে পুলিশ এদের সম্পর্কে জানত এবং তারা আগে থেকেই গোয়েন্দা নজরদারিতে ছিল। তাইলে কিভাবে এই ২ ভাই সাইদ কোশী ও শরীফ কোশী প্যারিসের মত জায়গায় কালশনিকভ রাইফেল ও রকেট লাঞ্চার জোগাড় করল। যারা আগে থেকেই ৩ বছর জেল খাটল তাদের পক্ষে কি সম্ভব রকেট লাঞ্চার জোগাড় করা ? আমরাও তো বাংলা ভাই শায়খ আবদুর রহমান কে গ্রেফতার করেছিলাম কই আমরা তো তাদেরকে গুলি কর মারি নাই। বরং আমরা তাদেরকে গ্রেফতার করে জেএমবিদের আস্তানা খুজে বের করেছি। তাইলে ফ্রান্স সরকার কেন সাথে সাথে সাইদ কোশী ও শরীফ কোশী কে গুলি করে হত্যা করে ফেলল ? যেই আগুন পুরা টুইন টাওয়ার কে পুড়িয়ে ফেলল সেই আগুন নাকি টুইন টাওয়ারে হামলাকারী টেরোরিষ্টদের পাসপোর্ট পুড়াতে পারে নাই। টুইন টাওয়ার হামলায় কোন কোন জঙ্গী জড়িত ছিল তাদের নাম ঠিকানা নাকি সেই উদ্ধার হওয়া পাসপোর্ট থেকেই পাওয়া গিয়েছিল। twin tower এর হামলাটা ছিল একটা সাজানো নাটক। সামান্য ২ টা বিমানের আঘাতে স্টিলের তৈরি এতবড় বিল্ডিং মোমের মত গলে পরবে না। আমেরিকার প্রকৌশলী বিজ্ঞানীরাই প্রমান করেছেন যে স্বয়ংক্রিয় ভাবে টুইন টাওয়ারের ভিতরেই বিস্ফোরক রেখে টুইন টাওয়ার কে ধবংস করা হয়েছে এই ওয়েবসাইটে www.911truth.org টুইন টাওয়ার হামলা যে একটা সাজানো নাটক এরপক্ষে ১৪৮ টা প্রমান উপস্থাপন করা হয়েছে।
ইউরোপের সবচেয়ে বেশী মুসলমান আছে ফ্রান্সে ৫০ লাখ। এদের মধ্যে অর্ধেকই ফরাসী ধর্মান্তরিত মুসলিম। এই ৫০ লাখ মুসলমানদের কে চাকুরি বাকুরি থেকে বঞ্চিত করতেই ফ্রান্স সরকার এই সাজানো নাটকটা মঞ্চায়িত করল। আর একজন খুনী নাকী যেচে গেয়ে আত্মসমর্পন করেছে। জীবনে কখনো শুনছেন খুনী পালিয়ে না গেয়ে নিজে থেকে আত্মসমর্পন করে। সে যদি সত্যিই খুনী হত তাইলে তো সে ঐ ২ জনের সাথে পালিয়েই যেত। অর্থ্যাত্ খুব সহজেই বুঝা যাচ্ছে এই কার্টুনিস্টদের হত্যার পিছে ফ্রান্স সরকার জড়িত। ফ্রান্স কিছুদিন আগে ফিলিস্তিন কে স্বীকৃতি দিয়েছে। তখনই ইসরাঈল বলেছিল ফ্রান্স এই কাজটা ঠিক করে নাই। আর ইসরাঈলের এজেন্টরা তো এর আগেও বিভিন্ন জনের নামে ভুয়া পাসপোর্ট বানিয়ে ব্যবহার করেছিল এবং ধরাও পরেছিল। খুনীরা এতগুলি লোক খুন করে প্যারিস নগরী থেকে পালিয়ে গেল কিন্তু প্যারিসের পুলিশরা ব্যারিকেড দিয়ে বা চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের কে ধরতে পারল না এর কারন কি ? তারা নাকি আবার দেশের উত্তরাঞ্চলের দিকে পালিয়ে এক প্রিন্টিং প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের কে জিম্মি করে। তো তারা যে গাড়ি করে এতদূর চলে গেল ফ্রান্সের একটা পুলিশও তাদের কে ধরতে পারল না ইচ্ছা করেও ধরল না এটাই তো এখন মূল প্রশ্ন। অবস্থাদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে ফ্রান্সের পুলিশই চেয়েছিল এরকম একটা ঘটনা ঘটুক।
শার্লী এবদোর ঘটনায় একজন মুসলিম পুলিশ অফিসার মারা গেছে। উনার নাম হল আহমেদ মেরাবাত। উনি আলজেরীয় বংশোদ্ভদ একজন মুসলিম। Youtube এর ভিডিওতে দেখলাম ফ্রান্স সরকারের এজেন্টরা উনার মাথার খুব কাছ থেকে গুলি করে উনাকে শহীদ করেছে। এতবড় একটা পত্রিকা অফিসের সামনে মাত্র ২ জন পুলিশ অফিসার ছিল এটাও তো একটা সন্দেহজনক ব্যাপার। শার্লী হেবদো পত্রিকা আহমেদ মেরাবাতের বিশ্বাস কে সব সময় কটাক্ষ করলেও আহমেদ মেরাবাত শার্লী এবদো পত্রিকার নিরাপত্তা রক্ষার্থেই জীবন দিল। ১২ জন নিহত হবার ঘটনায় যেহেতু একজন মুসলমান মারা গেছে তাই খুব সহজেই বুঝতে পারছেন ফ্রান্সে এখন কি পরিমানে মুসলিম বাড়ছে। হ্যা সেই ৮০ এর দশক থেকেই ফ্রান্সে বহু লোক মুসলমান হচ্ছে। বাংলাদেশে প্রায়ই ফরাসি জামাত আসে। কাকরাইল মসজিদে যেয়ে দেখেন বহু ফরাসী মুসলমান বাংলার চাষাভুষা কৃষকের সাথে এক সাথে বসে দ্বীন ইসলাম শিখছে। ফ্রান্সের বহু গীর্জা এখন মসজিদে রুপান্তরিত হয়েছে। পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র ফ্রান্সেই বোরখা পড়লে মোটা অংকের ইউরো জরিমানা দিতে হয়। তাও আমাদের ফরাসী বোনরা হিজাব ছাড়ছ না। হান্টিংটন যেই সভ্যতার সংঘাতের কথা বলেছিলেন সেই সভ্যতার সংঘাত এখন জার্মানী, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডে জড়িয়ে পরেছে। ফ্রান্সে আছে ৫০ লাখ মুসলমান। জার্মানীতে আছে ৪০ লাখ মুসলমান আর ইংল্যান্ডে আছে ৩০ লাখ মুসলমান। এটা সরকারী হিসাব। বাস্তবে আরো বেশী হতে পারে। এই ইউরোপের মুসলমানদের মাঝে অর্ধেকই হচ্ছে সাদা চামড়ার মুসলমান যারা আঙ্গুল উচিয়ে তাদের দেশের পুজাবাদি system এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ইউরোপের মাটিতে খিলাফত কায়েম করতে চায়। আর এই সাদা চামড়ার মুসলমানদের কে হেনেস্থা করতেই এখন ইউরোপ সরকার নতুন নতুন জঙ্গী নাটকের আবির্ভাব ঘটাচ্ছে।
Saturday, 10 January 2015
Parisssd
Rusho Karim
কৃতজ্ঞতা: শুভ্র আহমেদ
শার্লি এবদোয় এর ১২ মার্ডার নিয়ে ইসলাম বিদ্ধেষীদের লজ্জায় মাথা হেট হয়ে আছে। তাদের জন্য সুসংবাদ, এটাও ৯/১১ এর মতোই সাজানো গোছনো নাটক।
কাহিনী হলো, নবীজির কার্টুন একেছিলো কয়েক বছর আগে। এতো দিন তাদের মারার জন্য নাকি মানুষ ওয়েট করছিলো! মারলে তো সাথে সাথেই মারতে পারতো! এতো বছরের জ্বালা কি এতো দিন থাকে?
যে সন্ত্রাসীরা খুন করার নাটক করেছে, তারা চিৎকার করেছে, আলু আকবার আলু আলু আকবার ( বা এরকম কিছু)
কোনো বাচ্চা মুসলিমও তো এরকম ভাবে আল্লাহ্ বলে না। আলু আকবার আলু আকবার বলে কি বুঝিয়েছে অভিনেত্রীদের ধরলে জিজ্ঞেস করতাম।
যেই লোকটা ভিডিও করেছে, তার সঙ্গীর গায়ে Armor। যদি এটা Terrorist - এটাক হয়ে থাকে তাহলে ঐ লোকটি বর্ম পেলো কোথায়? সে কি তাহলে আগেই জানতো গুলা গুলী হবে? আসলে সে ঐখানে ভিডিও করতে গিয়েছে। তার গায়ে তো বর্ম থাকার কথা না!
দ্বিতীয় জিনিস হলো, ভিডিও গুলো একদম কারেক্ট পজিশন থেকে তোলা হয়েছে। এটাও কি সম্ভব?
তৃতীয়ত , সর্বশেষ জানুয়ারি মাসে একজন ইহুদী ধর্ম যাযকের কার্টুন আকা হয়। আর এই পত্রিকাটায় সব ধর্মের বিরুদ্ধেই কার্টুন একেছে। তাহলে এই দোষটা শুধু মুসলিমদের উপড়ে যাবে কেনো?
চতুর্থত, গানম্যান গুলি করতে এগিয়ে যাচ্ছে। একটা লোক ঠপ করে শুয়ে পড়লো, গানম্যান গুলী করতে করতে তার এক ফুট দুরুত্ব পর্যন্ত গুলি করতে যেতে থাকলো। গুলি করলো কিন্তু কোনো রক্তই পাওয়া গেলো না। এরপরে তাকে মেরে গানম্যান আবার গাড়িতে এলো। গাড়ি নিয়ে যখন ওখান দিয়ে যাচ্ছে তখন নিহত লোকটা গায়েব!
কি আশ্চর্যের কথা! হাসবো মা কাঁদব!
আমার সব কথার ভিডিও ফুটেজ সহ প্রমানঃ
http://youtube.com/watch?v=lfnGmT-UAms
http://youtube.com/watch?v=zriVAbO040c
http://youtube.com/watch?v=LePJNlQCS2o
http://youtube.com/watch?v=Yv0JAnk_gWg
http://youtube.com/watch?v=Yv0JAnk_gWg
Paris
শার্লি এবদোয় এর ১২ মার্ডার নিয়ে ইসলাম বিদ্ধেষীদের লজ্জায় মাথা হেট হয়ে আছে। তাদের জন্য সুসংবাদ, এটাও ৯/১১ এর মতোই সাজানো গোছনো নাটক।
কাহিনী হলো, নবীজির কার্টুন একেছিলো কয়েক বছর আগে। এতো দিন তাদের মারার জন্য নাকি মানুষ ওয়েট করছিলো! মারলে তো সাথে সাথেই মারতে পারতো! এতো বছরের জ্বালা কি এতো দিন থাকে?
যে সন্ত্রাসীরা খুন করার নাটক করেছে, তারা চিৎকার করেছে, আলু আকবার আলু আলু আকবার ( বা এরকম কিছু)
কোনো বাচ্চা মুসলিমও তো এরকম ভাবে আল্লাহ্ বলে না। আলু আকবার আলু আকবার বলে কি বুঝিয়েছে অভিনেত্রীদের ধরলে জিজ্ঞেস করতাম।
যেই লোকটা ভিডিও করেছে, তার সঙ্গীর গায়ে Armor। যদি এটা Terrorist - এটাক হয়ে থাকে তাহলে ঐ লোকটি বর্ম পেলো কোথায়? সে কি তাহলে আগেই জানতো গুলা গুলী হবে? আসলে সে ঐখানে ভিডিও করতে গিয়েছে। তার গায়ে তো বর্ম থাকার কথা না!
দ্বিতীয় জিনিস হলো, ভিডিও গুলো একদম কারেক্ট পজিশন থেকে তোলা হয়েছে। এটাও কি সম্ভব?
তৃতীয়ত , সর্বশেষ জানুয়ারি মাসে একজন ইহুদী ধর্ম যাযকের কার্টুন আকা হয়। আর এই পত্রিকাটায় সব ধর্মের বিরুদ্ধেই কার্টুন একেছে। তাহলে এই দোষটা শুধু মুসলিমদের উপড়ে যাবে কেনো?
চতুর্থত, গানম্যান গুলি করতে এগিয়ে যাচ্ছে। একটা লোক ঠপ করে শুয়ে পড়লো, গানম্যান গুলী করতে করতে তার এক ফুট দুরুত্ব পর্যন্ত গুলি করতে যেতে থাকলো। গুলি করলো কিন্তু কোনো রক্তই পাওয়া গেলো না। এরপরে তাকে মেরে গানম্যান আবার গাড়িতে এলো। গাড়ি নিয়ে যখন ওখান দিয়ে যাচ্ছে তখন নিহত লোকটা গায়েব!
কি আশ্চর্যের কথা! হাসবো মা কাঁদব!
আমার সব কথার ভিডিও ফুটেজ সহ প্রমানঃ
http://youtube.com/watch?v=lfnGmT-UAms
http://youtube.com/watch?v=zriVAbO040c
http://youtube.com/watch?v=LePJNlQCS2o
http://youtube.com/watch?v=Yv0JAnk_gWg
http://youtube.com/watch?v=Yv0JAnk_gWg
3 hrs · Dhaka, Bangladesh · Public
Report
Like
Comment
Share
22 people like this.
Muhammad Arif Hasan
nice conspiracy theory
Like · 1 · Report · 3 hours ago
Muhammad Zafir Alvi
#Alu_Facts #OnlyAluIsReal
Like · 1 · Report · 3 hours ago
Emad Uddin Limon
আমি সত্যি বিস্মিত ভিডিও গুলো দেখে!!
Like · 1 · Report · 3 hours ago
Shipu Sam
ei hoax niye ami por por koyekti post diyechilam and now - again http://www.conspiracyclub.co/2015/01/07/paris-fake-terrorism/
Paris Shooting Appears Fake (False-flag) | Conspiracyclub
conspiracyclub.co
Friday, 9 January 2015
Nastik
নাস্তিকদের প্রশ্ন: এতগুলো ধর্ম! কেমন করে তাহলে বুঝব কোন্ ধর্মটা সঠিক?
জবাব: ধর্মের ভিত্তি হচ্ছে ধর্মগ্রন্থ। ধর্মগ্রন্থ নাই তো ধর্মও নাই। ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী একটিই ধর্ম বা দ্বীন আছে, আর সেটি হচ্ছে ইসলাম। এ বিষয়ে কোরআনে লিখা আছে-
"নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন একমাত্র ইসলাম।" (কোরআন ৩:১৯)
নোট: ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থের কোথাও লিখা নাই যে, তাদের ধর্মের নাম ইহুদী ধর্ম বা জুদাইজম। খ্রীষ্টানদের ধর্মগ্রন্থের কোথাও লিখা নাই যে, তাদের ধর্মের নাম খ্রীষ্ট ধর্ম বা খ্রীষ্টিয়ানিটি। হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থের কোথাও লিখা নাই যে, তাদের ধর্মের নাম হিন্দু ধর্ম বা সনাতন ধর্ম। অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগ্রন্থেও সেই ধর্মের নাম লিখা নেই। অর্থাৎ একমাত্র ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্মের ধর্মগ্রন্থে সেই ধর্মের নাম পাওয়া যায় না। আর ধর্মগ্রন্থেই যদি কোনো ধর্মের নাম না পাওয়া যায় তাহলে বাস্তবে সেই ধর্মের কোনো অস্তিত্ব নাই, মানে ফেক্ ধর্ম আরকি।
Aisha....
নাস্তিকদের রসূল (স) আর আয়শা (র) এর বিয়ে নিয়ে সমালোচনার শেষ নেই।
একজন বুড়া কেন একজন ৬ বছরের নিরীহ শিশুকে বিয়ে করল,কেন নিজের প্রিয় বন্ধুর মেয়েকে বিয়ে করল,একজন মানুষ কীভাবে একজম বন্ধুর কন্যাকে বিয়ে করতে পারে.....আমারা কি এরকম কিছু করতে পারতাম কি না............ভ্যাঁ ভ্যাঁ ভ্যাঁ
আমার কথা-
১)রসূল (স) এর এ বিয়ে তে কোনো আপত্তি ছিল?
-না
২)আয়শা (র) এর এ বিয়ে তে কোনো সমস্যা ছিল?
-না
৩)আয়শা (র) এর মা-বাবার এ নিয়ে কোন আপত্তি ছিল?
-না
৪)সে সময়ের লোকজনের এ নিয়ে কোনো আপত্তি ছিল?
-না
৫)সে সময়ের অমুসলিমদের(খ্রিষ্টান,ইহুদী,প্যাগান) এ নিয়ে কোন সমস্যা ছিল?
-না
৬)সে সময়ের কোনো আইন ভঙ্গ হয়েছিল?
-না
৭)ভবিষ্যতে আয়শা (র) এই বিয়ে নিয়ে কোনো অভিযোগ করেছিলেন?
-না
এখন এ নাস্তিকদের সমস্যা কই?নাস্তিকদের চোখে নিজের মায়ের সাথে,বাবার সাথে,ভাইয়ের সাথে,বোনের সাথে,ছেলের সাথে,মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জোর করে জড়ানো কোনো সমস্যা না।একের পর এক গার্লফ্রেন্ড খায় টিসুর মতো ফেলে দেয়া কোন সমস্যা না।
একের পর এক মেয়ের সাথে লিভ টুগেদার করলে কোন সমস্যা না।
তবে ১৪০০ বছর আগেকার এক লোক এক মেয়েকে বিয়ে করল-যেখানে কি না ছেলে,মেয়ে,মেয়ের বাবা-মা,সে সময়ের লোকজন,আইনের কোনো অভিযোগ নেই সেখানে নাস্তিকদের হাজার সমস্যা।
বড়ই নীতিবান,আদর্শবান,যুক্তিবান মুক্তমনা হনুগণ বটে।
Friday, 2 January 2015
মাইতি
Susovan Maity
egulo ki ....... ?? কিছু বিদ্বেষপূর্ন আয়াত যা স্বয়ং আল্লাহ পাঠিয়েছেন ইহুদী ও খৃষ্ট্রানদের উদ্দেশ্যে ঃ ১, ইহুদী ও খৃষ্ট্রানরা দেবমূর্তি ও মিথ্যা দেবদেবীতে বিশ্বাসী (কোরান ৪:৫১) ২, ওরা (খৃষ্ট্রান ও ইহুদী) তারাই , যাদেরকে আল্লাহ অভিসপ্ত করেছেন (কোনার ৪:৫২) ৩, আল্লাহ খৃষ্ট্রানদের মাঝে বিদ্বেষ ও ঘুণা জাগ্রত করেছেন (কোরান ৫:১৪) ৪, ইহুদী ও খৃস্ট্রানরা পথ ভ্রষ্ট (কোরান ৫:৫৩) ৫ ,খৃষ্ট্রানরা দোজখের আগুনে পুড়বে ( কোরান ৫:৭২) ৬, ট্রিনিটির ব্যাপারে খৃষ্ট্রানরা ভ্রান্ত , যার জন্য কঠিন নরক যন্ত্রনা ভোগ করবে (কোরান ৫:৭৩) ৭, খৃষ্ট্রান , ইহুদী বা অবিশ্বাসীদের অভিভাবক নিযুক্ত করো না ( কোরান ৫:৫৭) ৮, ইহুদী ও খৃষ্ট্রানদের বন্ধুরুপে গ্রহণ করো না । যদি তোমরা তা করো , আল্লাহ তোমাদেরকে তাদের একজন মনে করবে (কোরন ৫:৫১) ৯, খৃষ্ট্রান ও ইহুদীরা পথ ভ্রষ্ট । আল্লাহ স্বয়ং তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেন (কোরান ৯:৩০) ১০, ধনী ও লোভী খৃষ্ট্রান সন্ন্যাসীদের জন্য ভয়ংকর নরক যন্ত্রনা অপেক্ষা করছে (কোরান ৯:৩৪) ১১, ইহুদী ও খৃষ্ট্রানরা সীমা লংঘনকারী(কোরান ৫:৫৯) ১২, অপকর্ম হলো ইহুদী রাব্বী ও খৃষ্ট্রান যাজকদের পরদশির্তা (কোরান ৫:৬৩) ১৩, আল্লাহ মোহাম্মদের উপর যা নাজিল করেছেন খৃষ্ট্রান ও ইহুদীদের তা অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে । না করলে আল্লাহ তাদেরকে বানর বা উল্লুকে পরিণতি করবেন , যেমনটা করেছিরেন সাবাথ ভংগকারীদের ক্ষেত্রে ( কোরান ৪:৪৭) ১৫, খৃস্ট্রান ও ইহুদদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাও যতদিন না অপমানে নত হয়ে বশ্যতা করে কর ( জিজিয়া) দেয় ( কোরান ৯:২৯)"...অমুসলমানদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লার পথে হিজরত করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না। (আল কুরানঃ ৪:৮৯) ১৬ " হে মুসলমানগণ, তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লা জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না।" (আল কুরানঃ ৫:৫১) ১৭ " ...আল্লাহ এমন এক সম্প্রদায় সৃষ্টি করবেন যাদেরকে আল্লাহ ভালবাসবেন এবং তারাও আল্লাহকে ভালবাসবে। তারা মুসলমানদের প্রতি সদয় হবে ও অমুসলমানদের প্রতি কঠোর হবে...।" (আল কুরানঃ ৫:৫৪) ১৮ "...ইহুদী-নাসারা এবং অন্যান্য অমুসলিমদের বন্ধু রূপে গ্রহণ করো না আর আল্লাহকে ভয় করো যদি তোমরা ইমানদার হয়ে থাকো।" (আল কুরানঃ ৫:৫৭) ১৯ "কোন বিশ্বাসী (মুসলমান) কে হত্যা করা কোন বিশ্বাসী (মুসলমানের)র জন্য সঙ্গত নয়...।" / "কোন অবিশ্বাসী (অমুসলমান) কে হত্যা করা কোন বিশ্বাসী (মুসলমানের)র জন্য অসঙ্গত নয়...।" (আল কুরানঃ ৫:৯২) 7 hrs · Unlike · 3
Darunnnn
এক ভদ্রমহিলার দাঁড়ি-কমা সম্বন্ধে কোন ধারণা নেই, তিনি তার স্বামীকে চিঠি লিখছেন:................
ওগো,
সারাটি জীবন শুধু বিদেশেই কাটাইলে এই ছিল। তোমার কপালে আমার পা। আরও ফুলিয়া উঠিয়াছে উঠানটা। জলে ডুবিয়া গিয়াছে ছোট খোকা। স্কুলে যাইতে চায় না ছাগলটা। তবু ঘাস খাইয়া ঝিমাইতেছে তোমার বাবা। পেটের অসুখে ভুগিতেছে বাগানটা। আমে ভরিয়া গিয়াছে ঘরের ছাদ। স্থানে স্থানে ফুটা হইয়া গিয়াছে গাভীর পেট। দেখিয়া মনে হয় বাচ্ছা দিবে করিমের বাপ। রোজ আধা সের দুধ দেয় বড় বউ। রান্না করিতে গিয়া হাত পুড়িয়া ফালাইয়াছে কুকুর ছানাটি। সারাদিন লেজ নাড়িয়া খেলা করে বড় খোকা। দাড়ি কাটিতে গিয়া গাল কাটিয়া ফেলিয়াছে নুরির মা। প্রসব বেদনায় ছটফট করিতেছে নুরির বাপ। বারবার ফিট হইয়া যাইতেছে ডাক্তার। সাহেব আসিয়া দেখিয়া গিয়াছেন। এমতাবস্থায় তুমি অবশ্যই বাড়ি আসিবে না। আসিলে অত্যন্ত কষ্ট পাইব।
তোমার ভানুমতি।
ফগুউধহক
আপনার কি মনে হয় ইসলামিক পশু জবাই পদ্ধতিটি খুব নি…ষ্ঠুর?
আসুন দেখা যাক, বিজ্ঞান কি বলে :
western world এ পশু জবাইয়ের প্রচলিত নিয়ম(CPB Method):
Captive bolt pistol(CPB ) নামের এক ধরনের যন্ত্র দ্বারা পশুর কপালে প্রচন্ড আঘাত করা হয়……ধারনা করা হয় এতে পশু unconcious হয়ে পড়ে এবং জবাইয়ের পর ব্যথা অনুভব করে না ……
গবেষণা :
জার্মানির Hanover University এর প্রফেসর Wilhelm Schulze এবং তার সহযোগী Dr. Hazim এর নেতৃত্বে একটি গবেষণা পরিচালিত হয় …গবেষনার বিষয়বস্তু ছিল : ১.western world এ প্রচলিত নিয়মে(CPB Method) এবং ২.ইসলামিক নিয়মে পশু জবাইয়ে পশুর যন্ত্রণা এবং চেতনাকে চিহ্নিত করা……
Experimental Setup:
brain এর surface কে touch করে পশুর মাথার খুলির বিভিন্ন জায়গায় surgically কিছু electrode ঢুকিয়ে দেয়া হয় …… পশুকে এরপর সুস্থ হওয়ার জন্য কিছু সময় দেয়া হয়……তারপর পশুগুলোকে জবাই করা হয়……কিছু পশুকে ইসলামিক নিয়মে আর কিছু পশুকে western world এর নিয়মে…… জবাই করার সময় electroencephalograph (EEG) এবং electrocardiogram (ECG) করে পশুগুলোর brain এবং heart এর condition দেখা হয়……
Result:
ইসলামিক পদ্ধতিতে জবাইয়ের ফলাফলঃ
১. জবাইয়ের প্রথম ৩ সেকেন্ড EEG graph এ কোন change দেখা যায় না ……তারমানে পশু কোন উল্লেখযোগ্য ব্যথা অনুভব করে না …
২. পরের ৩ সেকেন্ডের EEG record এ দেখা যায় , পশু গভীর ঘুম এ নিমগ্ন থাকার মত অচেতন অবস্থায় থাকে…… হঠাৎ প্রচুর পরিমানে রক্ত শরীর থেকে বের হয়ে যাবার কারনে brain এর vital center গুলোতে রক্তসরবরাহ হয়না………ফলে এই অচেতন অবস্থার সৃষ্টি হয়……
৩. উপরিউল্লিখিত ৬ সেকেন্ড এর পর EEG graph এ zero level দেখায় …… তারমানে পশু কোন ব্যথাই অনুভব করেনা ……
৪. যদিও brain থেকে কোন সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না , তবুও heart স্পন্দিত হচ্ছিল এবং তীব্র খিঁচুনি হচ্ছিল (spinal cord এর একটা reflex action) । এভাবে শরীর থেকে প্রচুর পরিমানে রক্ত বের হয়ে যাচ্ছিল এবং এর ফলে ভোক্তার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত মাংস নিশ্চিত হচ্ছিল ।
western world এ প্রচলিত পদ্ধতিতে(CPB Method) জবাইয়ের ফলাফলঃ
১. মাথায় প্রচন্ড আঘাত করার পরের মুহূর্তে পশুটিকে দৃশ্যত অচেতন মনে হচ্ছিল
২. কিন্তু EEG এর দ্বারা বোঝা যাচ্ছিল পশুটি খুব কষ্ট পাচ্ছে ।
৩. ইসলামিক পদ্ধতিতে জবাই করা পশুর তুলনায় CBP দিয়ে আঘাত করা পশুটির heart স্পন্দন আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল । যার ফলে পশুটির শরীর থেকে সব রক্ত বের হতে পারে নি । এবং ফলশ্রুতিতে, পশুটির মাংস ভোক্তার জন্য অস্বাস্থ্যকর হয়ে যাচ্ছিল ।
western world এর পদ্ধতি(CPB Method) এবং MAD COW রোগঃ
Texas A & M University এবং Canada এর Food Inspection Agency একটা পদ্ধতি(Pneumatic Stunning) আবিষ্কার করেছে যেটাতে একটা metal bolt পশুর brain এ fire করা হয় এবং এর ফলে brain এর টিস্যু পশুর সারা শরীরে ছড়িয়ে পরে । brain tissue এবং spinal cord হল Mad Cow আক্রান্ত গরুর সবচেয়ে সংক্রামক অংশ ।
এছাড়াও brain এবং heart এ electric shock এর মাধ্যমে পশুকে অচেতন করেও কিছু কিছু জায়গায় পশু জবাই করা হয় যেটা মাংসের quality এর উপর খুব খারাপ প্রভাব ফেলে ।
ভারতীয় পদ্ধতিঃ
ভারতে পশুর মাথা এক কোপে আলাদা করে ফেলা হয় । এতে করে ঐচ্ছিক পেশীগুলো হঠাৎ করে সঙ্কুচিত হয়ে পরে যা অনেক পুষ্টি সমৃদ্ধ তরল বের করে দেয় এবং heart হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শরীর থেকে রক্ত বের হতে পারে না , যা বের হওয়া স্বাস্থ্যকর মাংসের জন্য দরকার ।
এছাড়া ইসলামে spinal cord না কেটে শ্বাসনালী , এবং jugular vein দুটো কাটার
ব্যাপারে জোর দেয়া হয়েছে । এর ফলে রক্ত দ্রুত শরীর থেকে বের হয়ে যেতে পারে । spinal cord কাটলে cardiac arrest এর সম্ভাবনা থাকে যার ফলে রক্ত শরীরে আটকে যাবে যা রোগজীবানু এর উৎস ।
এখানে রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর একটি হাদীস মনে করিয়ে দেয়ার প্রয়োজন অনুভব করছিঃ “আল্লাহ সবাইকে দয়া করার হুকুম দেন । তাই যখন জবাই কর তখন দয়া কর । জবাই করার পূর্বে ছুরিতে ধার দিয়ে নাও যাতে পশুর কষ্ট কম হয়” । তিনি পশুর সামনে ছুরিতে শান দিতে বা এক পশুর সামনে আরেক পশুকে জবাই করতেও নিষেধ করেছেন । এই জিনিস্টা কুরবানীর সময় আমারা ভুলে যাই ।
সবশেষে , আমরা কি এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে পশু জবাই করার ইসলামিক পদ্ধতিটিই সবচেয়ে বিজ্ঞানসম্মত এবং পশু এবং পশুর মালিক উভয়ের জন্যই উপকারী?
Subscribe to:
Comments (Atom)