Tuesday, 23 December 2014

Duaaaaaa

বাংলাদেশ মুসলিম বীর যুবসংঘ প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন- এই দোয়া যে একবার পাঠ করবে,৭০ জন ফেরেস্তা ১০০ দিন পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে তার জন্য দোয়া করবে। "জাযাল্লাহ আন্না মুহাম্মাদাম মা-হুমা আহলুহ" {তাবারনী,তারগীব,তারহিম} এডমিন-‪#‎আত্মা‬

Saturday, 29 November 2014

Nomoshkar

একজন মুসলিম,হিন্দুকে নমষ্কার বলা হারাম! বাস্তব নমষ্কার কথাটারঅর্থ:-আমি আপনারপায়ে-মাথানত করলাম".(নাউযুবিল্লাহ) আমরা শুধু আল্লাহর নিকট মাথা নত করি, কোনো মানুষের নিকট না।। আমরা অনেকেই আমাদের হিন্দু শিক্ষককে 'নমস্কার ' বলে থাকি।।। আশা করি আজ থেকে এই কাজটি করা থেকে সবাই বিরত থাকবো।।। তবে আপনি তাকে 'আদাব' বলে সম্মান দিতে পারেন।। যদি আপনি শেয়ার করেন,তাহলে অনেক মুসলিমভাই-বোনরা জানতে পারবে। (ধন্যবাদ)

Thursday, 27 November 2014

Owahabi

Anti Wahabi - এন্টি ওহাবী ¶¶¶¶¶¶¶ইলিয়াসী তাবলিগীর মুখোশ উন্মোচন¶¶¶¶¶¶¶ √√ (১) মুসলমান মাত্র দু প্রকারের যারা তাবলীগের জন্য আল্লাহর রাস্তায় বের হয় এবং যারা তাদের সাহায্য করে। তৃতীয় আর কোন মুসলমান নেই। ( তাবলিগ জামাতের আমীর ইলিয়াস মালফুজাত -৪২নং)_ √√ (২)আল্লাহ তায়ালা আমাকে (ইলিয়াস)স্বপ্নে কুরআনের একটি আয়াতের ব্যাখ্যা এরূপ বলেছেন তোমরা তাবলীগীরা নবীগণের সমতুল্য, মানুষের জন্য তোমাদেরকে প্রকাশ করা হয়েছে,(মলফুজাত৫০নং)­____________ √√(৩) তাবলীগের তরিকা স্বপ্নে আমার উপর উন্মুক্তহয়েছে| (মালফুজাত নং৫০) √√ (৪)আমি ইলিয়াস রশিদ আহাম্মক গাঙ্গুহীর গৃহ হতে নবুয়তের উওরাধিকার (বেরাছত) পেয়েছি(মালফুজাত)_ √√(৫) নবী করিম (দ:) দিনের বেলায় কাফের ও মুশরিক লোকদের সাথে মেলামেশার কারনে তাঁর পবিত্র অন্তরে তাদের ময়লার দাগ পড়ে যেতো।। তাই রাত্রে জিকির ও এবাদতের মাধ্যমে তিনি ঐ ময়লা পরিষ্কার করতেন।(মলফুজাত ৭ম কিস্তি) এরপরেও যারা ইলিয়াসী তাবলীগির পক্ষে কথা বলতে চায় আমি শুধু তাদেরকে একটি কথা বলব আর তা হচ্ছে ইলিয়াসী তাবলিগীদের কপালে হেদায়াত নাই।।। .

Wednesday, 26 November 2014

M.ali

মুসলিমদের সন্ত্রাসবাদী তকমা কেন দেওয়া হচ্ছে ! *********************************************** আমেরিকার টুইন টাওয়ারে ৯/১১-এর হামলার পর থেকে ইহুদি-খ্রিস্টান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদী অপশক্তিবর্গের সুরে সুর মিলিয়ে ইহুদি-খ্রিস্টান লেখক, বুদ্ধিজীবী এবং সংবাদ মিডিয়াগুলোর সাংবাদিকদের মুখে একটি কথা প্রায়ই শোনা যায়। আর তা হলো- ‘বিশ্বের সব মুসলমান হয়তো সন্ত্রাসী নয়; কিন্তু সব সন্ত্রাসী মুসলমান। কথাটার প্রকৃত অর্থ হচ্ছে যে সন্ত্রাসবাদ মানে মুসলিম সন্ত্রাসবাদ ।সন্ত্রাসবাদী মানে মুসলিম ।যদিও এটা প্রমানিত হয়নি আমেরিকার টুইন টাওয়ারে ৯/১১-এর হামলা মুসলিম জঙ্গিদের কাজ । এতে বিশ্বের যে কোনো ধর্মের লোকেরা হয়তো মনে করতে পারেন, সন্ত্রাসবাদ যেন মুসলমানদের বৈশিষ্ট্য। আমরা মনে করি, প্রকৃত চিত্র পুরোপুরিভাবেই ভিন্ন। বাস্তব সত্য হলো মুসলিম সন্ত্রাসবাদের সৃষ্টিকর্তা ও মদতদাতা হলো আমেরিকা । আল কায়দা র সৃষ্টিকর্তা ও মদতদাতা হলো আমেরিকা । আই এস আই এস সৃষ্টিকর্তা ও মদতদাতা হলো আমেরিকা এবং ইজরাইল । সমগ্র বিশ্ব ব্যাপী একটা প্রবনতা চলছে মুসলিমদের সন্ত্রাসবাদী প্রমান করা । বাজারী পেটুয়া মিডিয়াগুলি এই ব্যাপারে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ।বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দল ,সরকার ও সাম্প্রাদায়িক শক্তিগুলি যেন তেন প্রকারে ছলে বলে কৌশলে মুসলিমদের সন্ত্রাসবাদী তকমা দিতে মরিয়া | আমাদের দেশ ভারতে ও এই প্রবনতা ভালো করে লক্ষ্য করা যাচ্ছে । বিজেপি ও তাদের সহযোগী উগ্র সাম্প্রদায়িক আর এস এস ,ভি এইচ পি সহ অন্য সাম্প্রদায়িক সংগঠন গুলি উঠেপড়ে লেগেছে মুসলিমদের জেহাদী , সন্ত্রাসবাদী তকমা দিতে ।এইসব কাজ সফলভাবে করতে তাদের সহযোগী পেটুয়া মিডিয়া গুলি মুসলিম বিরোধী প্রচারে যোগ্য সহযোগিতা করে যাচ্ছে । বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ও সোশ্যাল মিডিয়া র মাধ্যমে তারা মুসলিম বিরোধী মির্থ্যা প্রচার করে চলেছে । মুসলিমদের জেহাদী সন্ত্রাসবাদী প্রমান করার জন্য তারা নিত্য নুতন চক্রান্ত করে যাচ্ছে । সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা লক্ষ্য করলে ব্যাপারটা পরিস্কার বোঝা যাবে । বর্ধমানে বোরকাপরা এক মহিলাকে 'জঙ্গি' বলে অপমান করেছে বাস চালক ও কন্ডাক্টর। শুধু তাই নয়, ব্যাগ তল্লাশির অজুহাতে ওই মহিলার সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা ও সোনার গহনা লুটের অভিযোগও উঠেছে। বেশ কিছু অশালীন মন্তব্যও করা হয় ওই দম্পতিকে লক্ষ্য করে। কেঁদে ফেলেন সাওয়া পারভীন। পারভিনকে দেখে বলে, ‘এরা জঙ্গী। এদের ব্যাগগুলো ভালো করে দেখতে হবে।’ ওই দম্পতির অভিযোগ, তাদেরকে বলা হয়, ‘আপনারা আতঙ্কবাদী কি না সেটা বুঝব কি করে?’ স্বামীর সঙ্গে যাওয়া ওই মহিলার ব্যাগপত্র তন্নতন্ন করে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে নিজেদের ব্যবহারিক জিনিস ছাড়া অন্য কিছুই না পাওয়ায় তবেই তাঁদের যাওয়ার অনুমতি মেলে। বর্ধমান বিস্ফোরন কান্ড খাগড়াগড়ের একটি বাড়িতে হয়েছে ।বর্তমানে কেদ্রীয় বিজেপি সরকারের বিভিন্ন তদন্ত কারি সংস্থা বিস্ফোরণ নিয়ে তদন্ত করছে ।খুব ভালো কথা ।সন্ত্রাসবাদ নিপাত যাক ।সন্ত্রাসবাদীদের কোন ধর্ম নাই । সন্ত্রাসবাদীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক । ফাসি কাঠে ঝোলানো হোক ।ইসলামে সন্ত্রাসবাদের কোন স্থান নাই । কিন্তু বিজেপি মুখে দেশের সুরক্ষার কথা বলছে কিন্তু আসলে বিজেপি সন্ত্রাসবাদ দমনের নামে মুসলিম সমাজে একটা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরী করতে চাইছে ।মুসলিম সমাজ ও ধর্মকে কালিমালিপ্ত করতে ইচ্ছুক ।অন্যদিকে সংখ্যাগুরু মানুষের মনে মুসলিম ও ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে ভীতি ও অনাস্থা তৈরী করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়া যাচ্ছে । বিজেপির এসব করার পিছনে রাজনৈতিক অভিসন্ধি পরিস্কার ।বিজেপি পশ্চিম বাংলার ২০১৬ সালের নির্বাচন কে পাখির চোখ করে এগিয়ে যেতে চাইছে । মাদ্রাসা নিয়া সাম্প্রাদায়িক রাজনীতি করে মুসলিমদের দেশ বিরোধী .জেহাদী ,সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়ে বিজেপি মেরুকরণের রাজনীতির মাধ্যমে ২০১৬ সালে রাজ্যে ক্ষমতা দখল করাই লক্ষ্য ।বিভিন্ন কুত্সা ,মির্থ্যা প্রচার ও ,গুজব ছড়িয়ে তারা এই নোংরা খেলায় নেমেছে ।বিজেপির পেটুয়া মিডিয়া গুলি বিজেপির হয়ে কুত্সা করে চলেছে মুসলিমদের বিরুদ্ধে । মমতা অভিযোগ করেন যে খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পিছনে রয়েছে চক্রান্ত ।খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পিছনে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র'-এর হাত আছে। এদিকে কয় একদিন পূর্বে অন্য একটি ঘটনায় আদালতের নির্দেশ মেনে হারিয়ানায় স্বঘোষিত 'গডম্যান' রামপালকে গ্রেফতার করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে পুলিশ। তার আশ্রমের ভেতর থেকে ইট-পাথর এবং গুলি-বোমা ছোড়া হয় পুলিশকে লক্ষ্য করে। রামপালের সমর্থকদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে প্রায় ১০০ জন আহত হয়েছে। পুলিশ ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলে রামপালের সমর্থকরা পুলিশের ওপর পেট্রোল বোমা, অ্যাসিডের পাউচ এবং গুলি ছোড়ে। স্বঘোষিত ধর্মগুরু ভক্তদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা। ৫ মহিলা ও এক শিশুর মৃত্যু হয়।আক্রান্ত হয় সংবাদমাধ্যমও। গডম্যান রামপাল বাবাকে সুন্দরী ভক্তরা দুধ ঢেলে স্নান করিয়ে তৈরী হত ক্ষীরের প্রসাদ।আশ্রমের ভিতরে বহু মহিলাকে বিবস্ত্র করে নিগ্রহ করা হত।খুন সহ অপরাধমূলক কাজকর্মের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ভন্ড রামপাল বাবাকে। অবাধ যৌনলীলা ও সন্ত্রাসবাদীদের তীর্থক্ষেত্র ছিল রামপালের আশ্রম। মাওবাদীরা প্রশিক্ষণ দিত রামপালবাহিনীকে ও আর এস এসকে। ১০ হাজার লাঠি ,তেলের ট্যাংকার ও প্রচুর বুলেট-প্রুফ জ্যাকেট উদ্ধার রামপালের আশ্রমে| বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ,কমান্ডো পোশাক,রাইফেলের ডাঁই । রামপালের আশ্রমে বিস্ফোরক গ্রেনেড পাওয়া গেল। রামপালের আশ্রমটি আসলে সন্ত্রাসবাদী আখড়া ।রামপালের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদী মাওবাদী যোগ পাওয়া গেছে। মাওবাদীরা রামপাল বাহিনী ও আর এস এস কে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিত। তাহলে রামপাল আশ্রমে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মের এন আই এ তদন্ত হচ্ছেনা কেন ? মিডিয়া রামপালকে ভন্ড সাধু ,শয়তান ইত্যাদি নামে অভিহিত করছে কিন্তু সন্ত্রাসবাদী বলতে তাদের আপত্তি আছে! বিজেপি ও সরকার দায়সারা মন্তব্য করে ঘটনাকে এড়িয়ে যাচ্ছে । ইদানিং মিডিয়াতে রামপালের খবর আর দেখা যাচ্ছে না ।কিন্তু যদি এইধরনের ঘটনায় মুসলিম নাম জড়িত থাকত তাহলে মিডিয়া ,বিজেপি ও সরকারের অতি উত্সাহের সঙ্গে জেহাদী ,সন্ত্রাসবাদী ,আন্তর্জাতিক যোগ ইত্যাদি কথা খুব গুরুত্ত সহকারে বিবেচনা করা হত ।বিভিন্ন তদন্ত করি সংস্থা কে দিয়ে তদন্ত করা হত ! এটাকে দ্বিচারিতা ছাড়া আর কিবা বলা যায়! এবার একটু দেখে নেওয়া যাক সন্ত্রাসবাদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ।মুসলিম বিশ্বসহ তৃতীয় বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে একইরকম একটি কথা প্রচলিত আছে- ‘সব খ্রিস্টান খারাপ নয়; কিন্তু নিজেদের ভান্ডারে মজুদ রাখা লাখ লাখ টন মানববিধ্বংসী বোমা ফেলে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি ধ্বংস ও গণহত্যার জন্য খ্রিস্টান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদী অপশক্তিবর্গরাই দায়ী।’ সন্ত্রাস নতুন কিছু নয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দিচ্ছে, ১৮৮১ সালে সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হন রাশিয়ার ভ্যার দ্বিতীয় আলেকজান্ডার ও তার আশপাশে থাকা ২১ জন মানুষ। ১৯০১ সালে সন্ত্রাসীরা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ম্যাককিনলে ও ইতালির রাজা প্রথম হামবার্টকে হত্যা করে। অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্চডিউক ফ্লান্সিস ফার্ডিনান্দ সস্ত্রীক সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হওয়ার কারণেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়। এসব সন্ত্রাসী হামলা মুসলমানরা চালিয়েছে কী? সাধারণত রাজনৈতিক কারণে বেসামরিক জনগণ হত্যাকে ‘সন্ত্রাসবাদ’ বলা হয়। মাও সে তুং থেকে হো চি মিন ও ফিদেল কাস্ত্রো পর্যন্ত তাদের গেরিলারা বিপ্লবী আন্দোলন চালানোর সময় হাজার হাজার বেসামরিক মানুষকে হত্যা করে। বিপ্লব সফল না হওয়া পর্যন্ত তাদেরও সন্ত্রাসী বলা হতো। তবে এ কথা অকাট্য সত্য যে, তাদের সঙ্গে মুসলমানদের কোনো সম্পর্ক ছিল না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফিলিস্তিনে হাগানা, ইরগুন ও স্টার্ন গ্যাংয়ের মতো ইহুদি সম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলো আরব দেশগুলোতে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালায়। তারা বোমা মেরে হোটেল উড়িয়ে দেয়; শত শত নিরস্ত্র ফিলিস্তিনি মুসলমানকে হত্যা করে। ফিলিস্তিনের তৎকালীন ব্রিটিশ শাসকও এসব ইহুদি সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীকে সঠিকভাবেই সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। এসব ইহুদি সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর বহু সন্ত্রাসীই পরে ইসরায়েলের নেতা হয়েছেন। তাদের মধ্যে আছেন মোশেদায়ান, আইজ্যাক রবিন, সেনচেম বেগিন ও এরিয়েল শ্যারন; কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস, এসব ইহুদি সন্ত্রাসবাদী নেতাই পারে স্বাধীনতাকামী আরবদের সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করে। ১৯৬৮ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত জার্মানির বাদের মেইনহুফ গ্যাং শত শত মানুষকে হত্যা করে। তাদের মধ্যে জার্মানির ট্রুহ্যান্ডও রয়েছেন। ইতালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী আলদো মোরোকে সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘রেড ব্রিগেড’ প্রথমে অপহরণ করে তারপর হত্যা করেছে। জাপানের রেড আর্মি ও সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর এশিয়ার সংস্করণ। উম শিনরিকিওর মতো সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর জন্মস্থানও জাপান। ভুলে যাওয়ার কথা নয়, ১৯৯৫ সালে এই সন্ত্রাসীরাই টোকিওর পাতালরেলে হামলা চালিয়ে বহু লোককে হত্যা করে। আর ধর্মীয় পরিচয় ধরলে ইউরোপে আইরিশ রিপাবলিকান আর্মিকে বলতে পারি ক্যাথলিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন। বিগত প্রায় ১০০ বছর ধরে এই সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা চলছে। স্পেন এবং ফ্রান্সেও ইটিএ ও বাস্ক এর মতো সন্ত্রাসবাদী সংগঠন সক্রিয় রয়েছে। আফ্রিকার দেশগুলো অভ্যন্তরীণ সংঘাত, গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব ও গৃহযুদ্ধে এতটাই বিপর্যস্ত যে, সেখানে কোনো সংগঠনকে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে আখ্যা দেয়ার মতো কেউ কোনো সুযোগও পায় না। মহাদেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত এরা ছড়িয়ে আছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে কুখ্যাত উগান্ডার লর্ডস স্যালভেশন আর্মি। খ্রিস্টান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদী এ গোষ্ঠীটি শিশু-কিশোর ও কিশোরীদের হাতে অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ করতে পাঠাচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় তামিল টাইগাররা বিশ্বের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ও ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এই সন্ত্রাসবাদীরাই প্রথম শিশু-কিশোর-কিশোরীদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়। এরা সবাই হিন্দু সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদী। ভারতের হিন্দু সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদীদের পৃষ্ঠপোষকতায় তামিল টাইগাররা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তাদের হাতেই ১৯৮১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী নিহত হন। । তবে এরা কেউই সন্ত্রাসী নয়; কিন্তু ভারতে ডজন ডজন সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ভিনদ্রানওয়ের পাঞ্জাব মিলিট্যান্ট। এরা সবাই শিখ সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদী। আসামের উলফা। এরা হিন্দু সাম্পদায়িক সন্ত্রাসবাদী। এদের প্রধান লক্ষ্য মুসলমান নির্মূল করা। ত্রিপুরাও বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। আসামে বোড়োরাও বেশ শক্তিশালী। মিজোরামে খ্রিস্টান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদীরা বেশ কয়েক দশক ধরে একই ধরনের সন্ত্রাসী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। নাগাল্যান্ডের খ্রিস্টান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদীরাও এখন অনেক শক্তিশালী। বাংলাদেশের পার্বত্য খাগড়াছড়ি, পার্বত্য রাঙামাটি, পার্বত্য বান্দরবান, বৃহত্তর সিলেট, বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও বৃহত্তর দিনাজপুরে খ্রিস্টান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদীদের কয়েক ডজন সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। দেশি-বেদেশি অসংখ্য খ্রিস্টান মিশনারি ও এনজিও এদের মদদ দিয়ে যাওয়ার অসংখ্য খবর মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়াও ভারতের কয়েক ডজন হিন্দু সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর মদদে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের খুলনা জেলা থেকে উত্তরের পঞ্চগড় জেলা পর্যন্ত পদ্মা-যমুনার পশ্চিমপাড়ের জেলাগুলো নিয়ে তথাকথিত বঙ্গবন্ধু নাম দিয়ে এদেশের হিন্দু সাম্প্রদায়িক একটি সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী সন্ত্রাসী তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে বলে বিভিন্ন সময় পত্রপত্রিকায় একাধিক খবর প্রকাশিত হয়েছে। ভারতের ৬০০ জেলার মধ্যে প্রায় ২৮০ জেলায় মাওবাদীদের শক্ত অবস্থান রয়েছে। তাদের হাতে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর শত শত সদস্য নিহত হয়েছে। এদের নাম সেক্যুলার সন্ত্রাসী। সদস্য ও এলাকার আধিপত্য নিয়ন্ত্রণের দিক দিয়ে সেক্যুলার | আর সন্ত্রাসবাদ মুসলমানদের একচেটিয়া অধিকারও নয়। বিশ্বব্যাপী খ্রিস্টান, ইহুদি, হিন্দু, শিখ এমনকি বৌদ্ধদের মধ্যেও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদী অসংখ্য গোষ্ঠী রয়েছে। অপরদিকে তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী, অসাম্প্রদায়িক ও সেক্যুলার নামধারী সন্ত্রাসবাদীদের হাতেই বিশ্বের দেশে দেশে সবচেয়ে বেশি গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে। ইহুদি সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদী হাগানা, ইরগুন ও স্টার্ন গ্র্যাং সংস্থা, বাদের মেইনহুফ গ্যাং, জাপানের রেড আর্মি, উম শিনরিকিও, ইউরোপজুড়ে খ্রিস্টান ক্যাথলিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আইআরএ, স্পেন ও ফ্রান্সে ইটিএ ও বাস্ক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন, উগান্ডার খ্রিস্টান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী লর্ডস স্যালভেশন আর্মি, সুদানের দারফুরে খ্রিস্টান সাম্পদ্রায়িক সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী, রেড ব্রিগেড, তামিল টাইগার, ভারতের শিখ সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদী পাঞ্জাব মিলিট্যান্ট, ভারতের হিন্দু সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদী বজরং ও আরএসএস গোষ্ঠী, আসামের উলফা, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ডে খ্রিস্টান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদীদের অসংখ্য গোষ্ঠী এবং বাংলাদেশে হিন্দু ও খ্রিস্টান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদী অসংখ্য সংগঠনের সন্ত্রাসবাদী হাজার হাজার সন্ত্রাসী তৎপরতা চালালেও কিংবা গণহত্যা সংঘটিত করলেও ৯-১১-এর পর ইউরোপ ও আমেরিকানদের নাকি আশঙ্কা জাগে, তারা যে কোনো স্থানে হামলার শিকার হতে পারেন। তাই তারা পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই মুসলিম তথাকথিত জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে মানুষের মনোযোগ আকৃষ্ট করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা ইসরাইল, আফ্রিকা, উগান্ডা, সুদান, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, শ্রীলঙ্কা, জাপান, ভারত ও আমেরিকার সন্ত্রাসাবাদ নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না। কারণ ইহুদি, খ্রিস্টান, হিন্দু ও বৌদ্ধ সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদ এবং সন্ত্রাসবাদীরা নাকি তাদের জন্য হুমকি নয়। তারা বিশ্বময় প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে যে, একমাত্র মুসলমানরাই তাদের জন্য হুমকি। আর সে কারণেই বিশ্বের দেশে দেশে পশ্চিমা আধিপত্যবাদীদের ভাড়াটে এক শ্রেণীর মিডিয়া ও এলিটরা শুধু মুসলিম সন্ত্রাসবাদী দমনে আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছেন। তাই আমরা বলছি, আর কতদিন ওদের ঢোল বাজাবেন? আমেরিকা ,ইসরাইল ও সাম্রাজ্য বাদী শক্তি গুলি নিজেদের রাজনৈতিক ও ক্ষমতার লোভে মুসলিমদের সন্ত্রাসবাদী তকমা দিয়ে আরব সহ মুসলিম দেশ গুলি তে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার , খনিজ তেল সহ মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ লুট । আর ভারতে বিজেপি,,পেটুয়া মিডিয়া গুলি ও তাদের সহযোগীদের উদ্দেশ্য মুসলিমদের জেহাদী ,জামাতি ,দেশবিরোধী, বিপজ্জনক ,শত্রু , সন্ত্রাসবাদী তকমা দিয়ে মুসলিমদের উপর অত্যাচার ,নিপীড়ন ,দাঙ্গা ,ঘৃনা ,বিতাড়ন ও সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ এর রাজনীতি করা । ,

Tuesday, 25 November 2014

Karkare

‪#‎কারকারে‬ নিহতপ্রশ্ন, কী ভাবে ? সদ্যপ্রকাশিত একটি বই তুলেছে নানা প্রশ্ন৷ সেগুলি খতিয়ে দেখা দরকার৷ লিখছেন শাহনওয়াজ আলি রায়হান কাসভকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের রায় শোনানোর সময় বিচারপতি এম এল তাহালিয়ানি পরিষ্কার করে দেন যে , কার গুলিতে মুম্বই এ টি এস -এর প্রধান হেমন্ত কারকারে নিহত হয়েছেন , তা এখনও স্পষ্ট নয়৷ কারকারে হত্যার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির তদন্তে ব্যর্থ হয়েছিল মুম্বই পুলিশের ব্যালিস্টিক বিশেষজ্ঞরা৷ তাঁদের দক্ষতার উপর বিচারপতি তাহালিয়ানি উষ্মা প্রকাশ করেন৷ তিনি ঘটনার প্রতক্ষ্যদর্শী কন্সটেবল অরুণ যাদবের বয়ান পাল্টানোর ব্যাপারটিরও সমালোচনাও করেন৷ কারকারের বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটটি ‘খোয়া যাওয়ায় ’ হাজির করানো যায়নি আদালতে৷ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট জনসমক্ষে আনতে শুরুতে প্রবল অনিচ্ছা প্রকাশ করে মুম্বই পুলিশ৷ শেষ পর্যন্ত তা দিনের আলোয় আসে কারকারের পত্নী সবিতা কারকারের অক্লান্ত প্রচেষ্টায়৷ তার পরই উঠে আসতে থাকে বিভিন্ন রকম প্রশ্ন৷ কারকারের শরীরে পাঁচখানা বুলেটের ক্ষত থাকা সত্ত্বেও মাত্র দু’খানা বুলেটেরই হদিশ পাওয়া গেল ? যেটা কাঁধ দিয়ে ঢুকে বগল ফুঁড়ে বেরিয়ে গেল সেটার না হয় হদিস মেলেনি , বাকি দুটো ? ‘দোষী ’রা বাগে এলেও বন্দুকটা পাওয়া গেল না কেন ? সব শট্ই যে ক্লোজ -রেঞ্জ ! তবে কি কেউ গাড়ির মধ্যে বসেই ঠান্ডা মাথায় গুলি চালায় মুম্বাই এ টি এস -এর এই নির্ভীক পুলিশ অফিসারের দিকে ? ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কনস্টেবল অরুণ যাদব আদালতকে জানান , গাড়ি দখলে নেওয়ার পর পুলিশ অপারেটর যোগেশ পাতিলের ফোন বেজে উঠতেই কাসভ ওপেন ফায়ার করে৷ আরও জানান , দখলে নেওয়ার পর কিছু ক্ষণ চলেই গাড়ির টায়ার ফেটে যাওয়ায় বিধানভবনের সামনে পেঁৗছতেই কাসভ -ইসমাইলরা অন্য গাড়িতে চলে যায়৷ প্রশ্ন হচ্ছে , মৃতের ভান করে গাড়ির পিছন থেকে এত কিছু প্রত্যক্ষ করা কনস্টেবল অরুণ যাদব তাঁর পুলিশকে দেওয়া কারকারে হত্যার বয়ানে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো দেননি কেন ? অনেক পরে যখন তিনি কথাগুলো আদালতের সামনে তুলে ধরেন , তখন তাতে অসামঞ্জস্য ও অতিরঞ্জন খুঁজে পান বিচারপতি৷ আঁটুনিতে বজ্রপাতকংগ্রেস মহাসচিব দিগ্বিজয় সিং -এর দাবি , মৃত্যুর কয়েক ঘন্টা আগে হেমন্ত কারকারে তাঁকে ফোন করে হিন্দুত্ববাদিদের কাছ থেকে পাওয়া প্রাণসংশয়ের হুমকির কথা জানান৷ তর্কের খাতিরে ধরা যাক দিগ্বিজয়ের এই দাবির পিছনে রাজনৈতিক কারণই প্রকট৷ কিন্ত্ত একই আশঙ্কা কারকারে মৃত্যুর আগে তাঁর কাছেও জাহির করেছিলেন দাবি করে মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার জুলিও রিবেরি -ও কি এমন রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে চান ? সন্ত্রাসের গেরুয়া আবরণ উন্মোচন করে থ্রেট -কল পাওয়ার মতোই তো কাজ করেছিলেন মুম্বই এ টি এস -এর প্রধান ! মালেগাঁও (২০০৬,২০০৮ ), সমঝোতা এক্সপ্রেস (২০০৭), আজমের (২০০৭), মক্কা মসজিদ (২০০৭) একের পর এক বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে দেশ৷ টিভির পর্দায় হাজি রুমালে ঢাকা মুখ , কোমরে দড়ি বাঁধা মুসলিম যুবকগুলোকে দেখে আসমুদ্র হিমাচল যখন পলকের নিমেষে সিমি , ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের মুণ্ডপাতের ফয়সালা শোনাচ্ছে , আরব সাগরের তীরে তখন এক ব্রাহ্মণ -সন্তান তাঁর তদন্তকে সন্ত্রাস দমনের চেনা গত থেকে বের করে নিয়ে যাচ্ছেন৷ মালেগাঁও বিস্ফোরণে ব্যবহূত মোটর -সাইকেলের মালিকানার হাওলা দিয়ে যাকে গ্রেন্তার করলেন , সেই সাধ্বী প্রজ্ঞা উগ্র হিন্দুত্ববাদি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত৷ সেই লিড ধরে কারকারে নাগাল পেলেন স্বামী দয়ানন্দ পান্ডে , লেফট্যানেন্ট কর্ণেল শ্রীকান্ত পুরোহিত , স্বামী অসীমানন্দ , ইন্দ্রেশ কুমার , সুনীল যোশী , রামচন্দ্র কাসাংগরা প্রমুখ আর এস এস , ভি এইচ পি , সনাতন সংস্থা , হিন্দু জনজাগৃতি সমিতি , অভিনব -ভারত -এর ঘনিষ্ঠদের৷ থেমে গেল মসজিদ আর দরগার সামনে বোমা হামলা৷ তবে সমালোচনা থেকে পরিত্রাণ পেলেন না কারকারে৷ নরেন্দ্র মোদির জবানিতে দেশদ্রোহী , ‘সামনা ’-এ বালাসাহেব লিখলেন ‘আমরা তাঁর মুখে থুতু নিক্ষেপ করি ’৷ সাধ্বী প্রজ্ঞার হয়ে তদ্বির করতে প্রধানমন্ত্রীর দরবারে ‘লৌহপুরুষ ’ লালকৃষ্ণ আদবানি৷ তবু থামানো গেল না তাঁর তদন্ত৷ গেরুয়া সন্ত্রাসের (সৌজন্য তদানীন্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম ) যে জট তিনি সবে খুলতে শুরু করেছিলেন তাঁর দৈর্ঘ্য-প্রস্থ নানা রাজ্যে ছড়ানো৷ উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে , মহারাষ্ট্রের মালেগাঁও ও গুজরাটের মোডাসা বোমা -বিস্ফোরণে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির ‘কো -অর্ডিনেটেড ইফোর্ট’ খুঁজে পান কারকারে৷ ভালই এগোচ্ছিল হেমন্ত কারকারের তদন্ত৷ তার পরই হঠাত্ ২৬/১১ –র রাতে থেমে গেল সব কিছু৷ যদি না থামত ?নন্দঘোষের প্রস্থানপরে এস এম মুশরিফ মুম্বই হামলা সম্পর্কিত নথিগুলোর ব্যাখ্যা -বিশ্লেষণ করে জানান , জঙ্গিহানার আঁচ ইন্টিলিজেন্স ব্যুরো (আই বি ) অন্তত ঘটনার পাঁচ দিন আগেই পেয়েছিল৷ এমন কী জঙ্গিদের আসার রাস্তাও নাকি তারা জানত৷ তার পরও আই বি সম্ভাব্য জঙ্গিহানার কোনও তথ্যই মুম্বই পুলিশকে দেয়নি৷ বরং উপকূল রক্ষীদের দেয় , যার চৌহদ্দি অনেকটাই সীমিত৷ মুশরিফ মনে করেন গোয়েন্দাদের ব্যর্থতা মুম্বই হামলার একটা বড় কারণ৷ এক দিকে তাজ , ট্রাইডেন্ট , সি এস টি জঙ্গিহানার শিকার হতে থাকে৷ অন্য দিকে বেশ কিছুদিন ধরে তক্কে তক্কে থাকা গেরুয়া সন্ত্রাসবাদীরা অশান্ত শহরের ঘোলা পরিবেশে বন্দুক দেগে সরিয়ে ফেলেন তাদের পথের কাঁটা কারকারেকে৷ একই রাতে যুগপত্ দু’টি ষড়যন্ত্র ? বিশ্বাস করতে কেমন একটা লাগছে ? তবে কারকারে হত্যার এই ‘দেশি -লিংক ’ দাবির সাপেক্ষে মহারাষ্ট্র পুলিশের প্রাক্তন আই জি , এস এম মুশরিফ কিন্ত নথি ঘেঁটে প্রচুর প্রমাণ দিয়েছেন তাঁর ৩১৯ পাতার ‘হু কিলড্ কারকারে ’ বইয়ে৷ তার পরও যদি কারও মনে হয় কাসভের সঙ্গেই ইয়েরওয়াড়া জেলের কবরটাই দাফনস্ত হয়ে গিয়েছে কারকারে হত্যার সব গুনাহ্? বাকি সব কন্সপিরেসি থিয়োরি ? মুশরিফের জবাব , আমারটা বিকল্প তত্ত্ব , যা তদন্তের দাবি রাখে৷ মুম্বই পুলিশের ব্যালাস্টিক বিশেষজ্ঞদের ব্যর্থতা , প্রতক্ষ্যদর্শী কনস্টেবল অরুণ যাদবের বয়ানের অসামঞ্জস্যতা , বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটটির গায়েব হওয়া , সর্বোপরি বিচারপতি তাহলিয়ানির অসন্ত্তষ্টিও তো একই দাবির দিকে নিয়ে যায়৷ আমরা কি সেই দাবি তুলব ? নাকি ‘নন্দঘোষে ’র ফাঁসির জাতীয় আত্মতুষ্টিতে ‘অন্যদের ’ সব দোষ দেখেও না দেখার উত্সবে মাতব ?৷ 1 hr · Edited · Public Unlike Page · Report

জিম নাওয়াজ

Md Zim Nawaz কবীর সুমন ও পরিচয় পাত্রের পরিচয় উদ্ঘাটনঃ সেই ভাবে পরিচয় ছিল না। এখন বিখ্যাত! ক্ষুরধার যুক্তিতে মহীরুহের কুপোকাত! পাল্টা যুক্তিতে দাঁড় করানোর প্রচেষ্টা। বিফল! আত্মতুষ্টি- উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু যুক্তি খন্ডন করতে অপারগ! সাময়িক ভাবে যুদ্ধক্ষেত্র (ফেবু) থেকে পলায়ন! শুভেচ্ছা বার্তায় ইনবক্স ভর্তি। এই জয় ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে! কেনই বা থাকবে না! পরাজিত লোকটির নাম সুমন। ধর্মান্তরিত মোল্লা কবীর সুমন! সুমন আজ জেহাদিদের পৃষ্ঠপোষক! জেহাদি মাতা মমতার প্রশংসক! সংবাদ মাধ্যমের সমালোচক! ইসলামের প্রচারক! জেহাদিদের হয়ে প্রেস কনফারেন্সের নায়ক! তাই তাকে তো ধরাশায়ী হতেই হবে। কিন্তু হঠাৎ করে পরিচয় পাত্ররা জেগে উঠলেন কেন? কেনই বা যুদ্ধ ঘোষণা করলেন- সুমনের বিরুদ্ধে? কবীর সুমন তো এর আগেও কথিত জংলী জঙ্গি মাও ছত্রধরের হয়ে গান লিখেছেন! মমতা দেবীর কড়া সমলোচনা করেছেন। বিক্ষুব্ধ টি এম সি হয়েছেন। তখন পরিচয়দের পরিচয় জানা যায়নি। হয়তো তারা আনন্দিতই হয়েছিলেন! তাই তারা ছিলেন বেপাত্তা! সত্যি কথা বলতে সুমন সব বলতে পারেন! সব করতে পারেন! কিন্তু মুসলিমদের হয়ে কথা বলতে পারেন না। কারণ মুসলিমরা সন্ত্রাসবাদির জাত! কবীর সুমন কি সত্যি সত্যিই জেহাদিদের তাবেদারী করেছেন? মিডিয়াকে আক্রমন এবং মমতা সরকারের হয়ে সওয়াল কি উদ্দেশ্য প্রণোদিত? আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের মধ্যে থেকে কবীর সুমন এবং পরিচয় বাবুর চিঠি বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করবো। খাগড়াগড় কান্ড নিয়ে বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়। প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার খবরের বহর দেখে মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক যে- বাংলা বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে। বোমা বানাতে গিয়ে দুজন নিহত। এক শাকিল গাজী এবং অন্যজন স্বপন মন্ডল ওরফে শোভন মন্ডল। ইতিমধ্যেই গোয়েন্দা সুত্র উল্লেখে মিডিয়া মারফৎ আমরা শাকিলের জীবন বৃত্তান্ত জেনেছি। অজ্ঞাত কারণে জানতে পারিনি- স্বপন মন্ডল ওরফে শোভন মন্ডলের কুণ্ডলী। পত্রপত্রিকার খবরা খবর এবং টিভিতে বিদগ্ধজনদের আলোচনায় মৃত দুজনের মধ্যে শাকিল বহু চর্চিত হলেও ব্রাত্য থেকে গেছেন স্বপন মন্ডল ওরফে শোভন মন্ডল। ঘুণাক্ষরেও তার নামটি উচ্চারিত হয় না। খাগড়াগড় কান্ডের সাথে প্রথমে যোগ হয় আল কায়দার। এরপর সিমি- আই এম- আসাম রাজ্যের অখ্যাত সন্ত্রাসী মুসলিম সংগঠন সহ একাধিক নাম। অবশেষে সর্বসম্মতিক্রমে জে এম বি অর্থাৎ জামায়াতুল মুজাহিদিন নামক সংগঠনের সম্পৃক্ততায় শীলমোহর পড়ে। খাগড়াগড় কিন্তু খাগড়াগড়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে নি। সন্ত্রাসের জাল উদ্ঘাটিত হয় একাধিক মাদ্রাসায়। মিডিয়ার প্রচারে মনে হতে থাকে মাদ্রাসাগুলি সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর। এবার দেখে নেওয়া যাক- মাদ্রাসা নিয়ে মিডিয়ার প্রচার এবং অপপ্রচারঃ আলোচনায় প্রথমে শিমুলিয়া মাদ্রাসার নাম উঠে আসে। গোয়েন্দাদের তদন্তের আগেই মিডিয়া রিপোর্ট তৈরি করে ফেলে। বলা হতে থাকে এই শিমুলিয়া মাদ্রাসা থেকে শতাধিক আত্মঘাতী ছাত্রী প্রশিক্ষিত হয়েছে এবং তাদের বিয়ে হয়েছে অন্য প্রশিক্ষিত ইসলামিক সন্ত্রাসবাদি যুবকদের সাথে।টিভির পর্দায় দেখানো হতে থাকে ১০ কাঠা জমির উপর টালির ছাউনি দেওয়া মাটির ছয়টি ঘর নিয়ে তৈরি আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত সন্ত্রাসী ট্রেনিং সেন্টারটি! দেখানো হতে থাকে মাটির ঘরে নীচের দিকে থাকা জানালাগুলি ( যদিও মাটির ঘরের জানালা সাধারণত নীচের দিকেই থাকে)। বলা হতে থাকে এই জানালাগুলি দিয়েই নাকি চলতো বন্দুক প্রশিক্ষণ! কিছু টিনের বাক্স দেখানো হয় (হোষ্টেল-মেসে ছাত্র ছাত্রীরা এরকম টিনের বাক্স ব্যবহার করে থাকে) । সন্দেহ করা হয় সেগুলিতে অস্ত্র মজুত থাকার কথা। নূরানি কায়দার বই দেখিয়ে বলা হতে থাকে জেহাদি বই। হয়তো আল কায়দা আর নূরানি কায়দা মিডিয়া একাকার করে ফেলেছে! অবশেষে এন আই এ স্নিফার কুত্তা নিয়ে মাদ্রাসায় ব্যাপক তল্লাশি চালায়। দুখানা পুকুরের জল চেঁছে ফেলা হয়। কটা ছেঁড়া বস্তা আর পচা ন্যাকরা উদ্ধার হয়। পাশের গ্রামের ইমাম সাহেবকে দিয়ে সন্দিহান আরবি উর্দুতে লেখা জেহাদি বইগুলি এন আই এ অনুবাদ করায়। দেখা যায়- সেগুলি সিলেবাসেরই বই। নাহ- এগুলি মিডিয়া আর প্রচার করেনি। এবিপি আনন্দ (বর্তমানে অনেকেই যাকে বিজেপি প্রচারক বলে মনে করছে) - শিমুলিয়া মাদ্রাসার এক ছাত্রীর সরাসরি সাক্ষাতকার সম্প্রচার করে। সাক্ষাতকারটি নিয়েছিলেন বিখ্যাত এবিপির সুমন। মেয়েটি ভোর থেকে রাত্রিতে ঘুমানো পর্যন্ত মাদ্রাসা জীবনের রুটিং বলেছিল। ছাত্রীটির নিষ্পাপ কথা শুনে একবারও মনে হয়নি যে- সে মিথ্যা বলছে। সুমনের গোয়েন্দাগিরি প্রশ্নের উত্তরে কোথাও সন্ত্রাসবাদের ট্রেনিং এর আভাস পাওয়া যায় নি। মেয়েটি শুধু বলেছিল মাদ্রাসায় ঢোকার পরে ঈদের ছুটি পর্যন্ত ২মাস বাইরে বের হতে দেওয়া হয়নি। ২১বছরের ছাত্রীটির উত্তরে সুমনের আকাঙ্ক্ষা পুরণ না হওয়ায় সুমন তাকে ৪ থেকে ৫ বার বাচ্চা মেয়ে বলে সম্বোধন করে। ২১ বছরের ছাত্রী বাচ্চা মেয়ে! সাক্ষাৎকারের পরে ব্রেকিং নিউজ হিসেবে দেখানো হতে থাকে- ২মাস বাইরে বের হতে না দেওয়ার কথা। বলা হতে থাকে এটি নাকি চাঞ্চল্যকর তথ্য! আমি নিজে আল-আমীন-মিশনের ছাত্র ছিলাম। আমাদের মিশনেও ছুটি ছাড়া ক্যাম্পাসের বাইরে বের হওয়া নিষিদ্ধ। আমার জানা প্রায় সব আবাসিক গুলিতেই একই নিয়ম। এই বিষয়টি এবিপির না জানার কথা নয়। তার পরেও ব্রেকিং নিউজ... এরপর লালগোলার মকিম নগরের মাদ্রাসার কথা উঠে আসে। তার সাথে আরো অসংখ্য মাদ্রাসার নাম। ইতিমধ্যে ৫০০টির বেশি মাদ্রাসাতে তল্লাশি করা হয়েছে। সেগুলি থেকে একটি সূতলি বোমা পর্যন্ত উদ্ধার হয়নি। কিন্তু মাদ্রাসা নিয়ে মিডিয়ার কুৎসা থেমে থাকে নি। মাদ্রসাগুলির পরিকাঠামো, সিলেবাস, আধুনিক শিক্ষা, ভূতভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা হতেই পারে। কিন্তু অস্বীকার করার উপায় নেই যে সেগুলি শিক্ষা কেন্দ্র। একরাতে যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে পুলিস ঢুকলে হোক কলরব বলে কোলকাতার আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে দেওয়া হল। এই মোল্লা কবীর সুমন সেদিন পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। সেদিন কিন্তু পরিচয় বাবুর মত লোকেরা তাঁকে মাথায় তুলে নেচেছিলেন। আজ যখন মাদ্রাসা নামক শিক্ষা কেন্দ্রগুলির অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সুমনবাবু সোচ্চার হয়েছেন তখন তাকে এই পরিচয় বাবুরাই সন্ত্রাসবাদিদের পৃষ্ঠপোষক বলছেন! কেন এই দ্বিচারিতা? যাদবপুর ইউনিভার্সিটি পাঁচতারা সেই জন্যে? যাদবপুর ইউনিভার্সিটিও তো কথিত মাওবাদিদের আখাড়া বলে প্রচারিত! মাদ্রাসাগুলিতে এতীম মিস্কিন সমাজের নিন্মবিত্ত গরীব ছেলে মেয়েরা পড়ে সেই জন্যেই কি তাদের পক্ষে কথা বলা যাবে না? নাকি সেগুলি মুসলিমদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাই সেগুলি পক্ষে কথা বলা বারণ? কথা বললেই কি সন্ত্রাসবাদি মৌলবাদী ট্যাগ খেতে হবে? যাইহোক হিন্দুত্ববাদীরা এবং তাদের দোসর গণমাধ্যমগুলি মানুষের মনে বদ্ধমূল ধারণা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে যে এই মাদ্রসাগুলি সন্ত্রাসবাদীদের আঁতুড়ঘর। ভবিষ্যতে মাদ্রাসার ১৬ বছর বয়সের ছাত্র আমিরুদ্দিন খানের মত অসংখ্য মাদ্রাসার ছাত্রকে পুড়িয়ে মারা হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না আর এর বিরুদ্ধেই কবীর সুমনের প্রতিবাদ। এবার পরিচয় পাত্রের খোলা চিঠির বিষয়ে আসা যাকঃ পরিচয় বাবু আপনার পুরো চিঠি পড়ার পরে অনুধাবন করলে সহজেই বোঝা যায় যে আপনি প্রগতিশীল মানসিকতার আড়ালে নিজের উগ্র হিন্দুত্ববাদী মানসিকতা গোপন খেলা খেলেছেন। যুক্তি তৈরি হয় তথ্য এবং তথ্যের উপর ভিত্তি করে। আপনি তথ্য জালিয়াতি করেছেন। যেখানে তথ্য জালিয়াতি থাকে সেখানে যুক্তি নয় বরং কুযুক্তি প্রতীয়মান হয়। কবীর সুমন বাবুর মত বিদগ্ধ লোক আপনার কুযুক্তি খন্ডন না করে আপনাকে পাত্তা না দিয়ে একদম সঠিক কাজ করেছেন। আমি এখানে আপনার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাবো আপনি তথ্য সন্ত্রাস চালিয়ে কিভাবে নিজের মত প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন। তার আগে বলে নেওয়া ভালো আপনার মধ্যে সৌজন্যতাবোধ নামক কোন বিষয় অবশিষ্ট নেই। আপনি যুক্তি যাই দেখান না কেন- শ্রী-জানব বা ঈদ-পুজার শুভেচ্ছা বার্তা বিনিময় করেন না। এই সম্বোধনগুলি বা শুভেচ্ছা বার্তার মধ্যে ধর্ম নয়, থাকে সৌজন্যবোধ। এর মধ্যে বিভাজন থাকে না, থাকে আন্তরিকতা। আপনি পশ্চিম বাংলাতে বিজেপির বাড়বাড়ন্তের জন্যে মমতা ব্যানার্জীকে দায়ী করেছেন। আপনি প্রমান করতে চেয়েছেন মমতা ব্যানার্জীর সাথে জামাত ই ইসলামের আঁতাত এর কথা। আপনি দেখাতে চেয়েছেন পশ্চিম বাংলাতে জামাত ই ইসলামের অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধির হিসেব। আপনার মত প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে আপনি মূলত পাঁচটি বিষয়ের অবতারনা করেছেন। ১) পুলিশের সহায়তায় জামাত ই ইসলাম বাংলাদেশ হাই কমিশনের সামনে জনসভা করে। ২) ময়দানে জামাত ই ইসলাম যুদ্ধাপরাধে দোষী সাব্যস্ত জামাতি সাঈদী-নিজামীর মত রাজাকারদের পক্ষে পুলিশের সহায়তায় জনসভা করে। ৩) শাহবাগের সমর্থনের মিছিলে পুলিশ বাঁধা দেয়। ৪) জামাতিদের বাঁধায় মমতা ব্যানার্জীর তিস্তা চুক্তির বিপক্ষে মত প্রদান। ৫) মুর্শিদাবাদে জামাত ই ইসলামের নব রাজনৈতিক সংগঠন ডাব্লু পি আই ১২% ভোট পায়। এছাড়াও আপনি বহু বিতর্কিত বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন এবং কবীর সুমনকে দোষারোপ করেছেন। সেগুলিতে আপনি অর্ধসত্য কথা বলেছেন। অর্ধসত্য কথা মিথ্যার চেয়ে ভয়ংকর। সেগুলিও আমি আমার সাধ্যমত আলোপাত করার চেষ্টা করবো। তার আগে প্রথমে আপনার ৫টি পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করা যাক। প্রথম পয়েন্ট অনুযায়ী পুলিশের সহায়তায় জামাত ই ইসলাম বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধে দোষী সাব্যস্ত জামাতি রাজাকারদের পক্ষে বাংলাদেশ হাই কমিশনের সামনে জনসভা করে। একেবারে মিথ্যা কথা। আপনাকে চ্যালেঞ্জ করলাম- আপনি এটা প্রমান করে দেখান। জামাত ই ইসলামকে বাংলাদেশ হাই কমিশনের সামনে কোনও জনসভা করতে দেওয়া হয় নি। পশ্চিম বাংলার প্রথম সারির ১১টি মুসলিম সংগঠন একটি জনসভা করেছিল। ১১টি সংগঠনের মধ্যে জামাত ইসলামী হিন্দের নামটাই ছিল না। সেই জনসভা বাংলাদেশ হাই কমিশনের সামনে করা হয়নি। মমতা দেবীর প্রশাসনের ১০ গাড়ী র্যানফ অনেক আগেই তাদের আটকে দেয়। বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধে দোষী সাব্যস্ত জামাতি রাজাকারদের পক্ষে ১১টি সংগঠন সেই জনসভা করেনি। তারা সেই জনসভা করেছিল বাংলাদেশে ইসলাম অবমাননাকারী কুলাঙ্গার ব্লগারদের বিরুদ্ধে। যে কুলাঙ্গাররা দিনের পর দিন আল্লাহ, ইসলাম, মোহাম্মদ (সঃ), কুরাণ এবং হাদিসকে অকথ্য অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে চলছিল। আপনার এরকম বিকৃত মিথ্যা অপপ্রচারের জন্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত। দ্বিতীয় পয়েন্ট অনুযায়ী ময়দানে জামাত ই ইসলাম যুদ্ধাপরাধে দোষী সাব্যস্ত জামাতি সাঈদী-নিজামীর মত রাজাকারদের পক্ষে পুলিশের সহায়তায় জনসভা করেছিল। আপনার একথাটিও সর্বৈব মিথ্যা। আপনি যে জনসভাটির কথা বলতে চেয়েছেন সেটিতেও জামাত ই ইসলাম হিন্দ নামটি ছিল না। সেই জনসভা ময়দানে নয়, শহীদ মিনার ময়দানে হয়েছিল। পশ্চিম বাংলার প্রথম সারির ১৫ টি মুসলিম সংগঠন এই জনসভা করেছিল। এই অধিকাংশ সংগঠনই নীতিগতভাবে জামাত ই ইসলাম হিন্দ বিরোধী। সেখানে তাদের জনসভা করা হয়েছিল বাংলাদেশের বহুল বিতর্কিত আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল কৃত সাঈদীর বিরুদ্ধে ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে, রায় পরবর্তিতে একসপ্তাহের মধ্যে পুলিশের গুলিতে ২০০ জনের মৃত্যু এবং মানবধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে এবং বাংলাদেশে ইসলাম অবমাননাকারী কুলাঙ্গার ব্লগারদের বিরুদ্ধে। এই জনসভা বাংলাদেশ জামাত ই ইসলামের নায়েব সাঈদীর পক্ষে নয়, বরং ইসলামিক স্কলার- এশিয়া মহাদেশের অন্যতম সেরা তাফসীরে কুরান আল্লামা দিলোয়ার হোসেন সাঈদীর পক্ষে সমাবেশ হয়েছিল। এই সমাবেশের জন্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সমস্ত অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। সুতরাং এখানেও আপনি ইচ্ছাকৃত তথ্য বিভ্রাট ঘটিয়েছেন। এখানেও আপনার ক্ষমা চাওয়া উচিত। তৃতীয় পয়েন্ট অনুযায়ী আপনি বলেছেন- শাহবাগের সমর্থনের মিছিলে পুলিশ বাঁধা দেয়। এখানেও আপনি মিথ্যার প্রশ্রয় নিয়েছেন। নন্দন চত্বরে গোটা পঞ্চাশেক মানুষের জমায়েতে সভা হয়েছিল। পুলিশের প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়ায় সেই সভা হয়। সমস্ত টিভি চ্যানেলগুলি সেই সভা সম্প্রচার করে। পরের দিন পত্রপত্রিকাতে ঢালাও করে এই খবর ছাপা হয়। পুলিশের বাঁধা দেওয়ার কথা কোথাও দেখানো হয় নি বা লেখা হয় নি। এই অকাট মিথ্যার জন্যে কি আপনি ক্ষমা চাইবেন না? চতুর্থ পয়েন্ট অনুযায়ী আপনি বলেছেন- জামাতিদের বাঁধায় মমতা ব্যানার্জীর তিস্তা চুক্তির বিপক্ষে মত প্রদান করেছেন। আপনি কি করে জানলেন? মমতা দেবী কি আপনাকে বলেছেন? বাংলা দেশের জামাত ই ইসলামী কি তিস্তা চুক্তি বিপক্ষে? আপনি আপনার কথার সমর্থনে একটি প্রমান দেখান যে বাংলা দেশের জামাত ই ইসলামী তিস্তা চুক্তি বিপক্ষে। আপনার ক্ষমতা নেই। হ্যাঁ একথা সত্যি যে মমতা ব্যানার্জীর তিস্তা চুক্তির বিপক্ষে মত প্রদান করেছেন। তিনি জামাতের সাথে আলোচনা করে নয়, বরং তাঁর মন্ত্রীসভার সদস্য উত্তর বঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী গৌতম দেবের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। এটি ছিল তাঁর রাজনৈতিক পদক্ষেপ। যে রাজনৈতিক পদক্ষেপের ভিত্তিতে বিগত বাম সরকার তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়ন করেনি। যে রাজনৈতিক পদক্ষেপের ভিত্তিতে সেখ হাসিনা তলানীতে ঠেকা জন সমর্থন পুনঃ উদ্ধারের তাগিদে ভোটের তিন মাস আগে তিস্তা চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। সেজন্যেই একাধিকবার তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী দিপু মনিকে ভারত সফরে পাঠিয়েছিলেন। তাই আপনি অনুমান করে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এখানেও মিথ্যার বেসাতি করেছেন। পঞ্চমতঃ আপনি পরিসংখ্যান দিয়ে বলেছেন- মুর্শিদাবাদে জামাত ই ইসলামের নব রাজনৈতিক সংগঠন ডাব্লু পি আই ১২% ভোট পায়। এই তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন মশাই? এই তথ্য দেখলেই বোঝা যায় আপনি প্রবীন তোঘাড়িয়ার সুযোগ্য সন্তান। আপনি সম্ভবত মুর্শিদাবাদের জঙ্গীপুর লোকসভা নির্বাচনের কথা বলতে চেয়েছেন! ২০১২ সালে জঙ্গীপুর লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে ডাব্লু পি আই মাত্র ৪.৯০% ভোট পায়। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ১% এরও কম ভোট পায়। ১% এর কম ভোটকে আপনি ১২% বানিয়ে ফেললেন! আপনি একজন জোচ্চোর ধাপ্পাবাজ মিথ্যাবাদী। ছিঃ এইভাবে মিথ্যা তথ্যের উপর ভিত্তি করে আপনি সুমনবাবুকে আপনার যুক্তি খন্ডন করতে বলেন। সুমন বাবু তাতে সাড়া না দেওয়ায় আপনি কাপড় তুলে ধেই ধেই করে নাচছেন! সুমন বাবুর মত লোক আপনার কথার উত্তর দিতে পারেনি একথা প্রচার করে আবার পোষ্ট করছেন! এতো দেখছি লজ্জার মাথা খেয়েছেন। (চলবে)

Tuisii

বিষয় : বিজ্ঞান (সকল বোর্ড) প্রশ্ন কয়েক সেট, তাই সব গুলা পড়তে হবে। Main বই এর শূন্যস্থান ১.বিদ্যুত্ চমকানোর পেছনে — কাজ করে। উত্তর: তড়িত্ শক্তি২. সাইকেল চালাতে — কাজ করে। উত্তর: পেশি শক্তি৩. বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালালে — রূপান্তরিত হয়।উত্তর: তড়িত্ শক্তি আলোক শক্তিতে৪. শক্তি — করা যায় না। উত্তর: সৃষ্টি বা ধ্বংস৫. পদার্থ— দিয়ে গঠিত।উত্তর: পরমাণু৬. তাপ দিলে পদার্থের—পরিবর্তন ঘটে। উত্তর: দশা বা অবস্থার৭. কঠিন দশায় পদার্থের পরমাণুগুলো নির্দিষ্ট অবস্থানে— থাকে।উত্তর: সাজানো৮. কাজ করার সামর্থ্যকে — বলে।উত্তর: শক্তি৯. শক্তি হচ্ছে পরিবর্তনের —।উত্তর: সংঘটক বা এজেন্ট১০. কয়লা ও হীরা উভয়ই— দিয়ে তৈরি। উত্তর: কার্বন১১. আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির একটি লক্ষ হলো পদার্থের— জানা।উত্তর: বৈশিষ্ট্য১২. আলো—পদ্ধতিতে সঞ্চারিত হয়। উত্তর: বিকিরণ।অধ্যায়-৬১. সুস্থ সবল দেহের জন্য — গ্রহণ করা প্রয়োজন।উত্তর: সুষম খাদ্য।২. বয়স ও কাজ করার ধরন অনুযায়ী দেহের — ভিন্ন হয়। উত্তর: চাহিদা।৩. ছোট ও বড় সকলেরই সুষম খাদ্য —। উত্তর: প্রয়োজন।৪. অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণে দেহ — হয়ে পড়ে। উত্তর: ভারী।৫. দেহের চাহিদা মিটানোর জন্য খাদ্যের — উপাদানই পরিমাণমতো দরকার। উত্তর: ৬টি। ৬. দেহের বিভিন্ন কাজের জন্য — পরিমাণ বেশি লাগে। উত্তর: পানির।৭. খাদ্যের প্রধান উপাদান — টি।উত্তর: ৩। ৮. সব খাদ্যসামগ্রী বছরের — পাওয়া যায় না।উত্তর: সব সময়।৯. মাছ, মাংসতে পানি বেশি থাকায় — শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায় না। উত্তর: রোদে।১০. মাছ, মাংস, ফল — সংরক্ষণ করা যায়। উত্তর: ফ্রিজে।১১. — পদ্ধতি নানা রকমের হয়।উত্তর: বৈজ্ঞানিক।১২. বরফ জমানো ঠান্ডায় খাদ্যে — জন্মায় না। উত্তর: জীবাণু। অধ্যায়-৭১। আমাদের চারপাশে বিভিন্ন — ছড়িয়ে আছে।উত্তর: রোগজীবাণু।২। রোগজীবাণু — চোখে দেখা যায় না। উত্তর: খালি।৩। কিছু রোগজীবাণু — মাধ্যমে ছড়ায়। উত্তর: পানির।৪। আমাদের জীবনে — অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তর: পানি।৫। পানি যদি — না হয় তবে এর মাধ্যমে কিছু রোগ ছড়ায়।উত্তর: নিরাপদ।৬। বায়ুবাহিত রোগ —। উত্তর: বসন্ত।৭। যক্ষ্মা প্রতিরোধের জন্য শিশুকে — টিকা দিতে হয়। উত্তর: বিসিজি।৮। সোয়াইন ফ্লু একটি — রোগ।উত্তর: সংক্রামক।৯। — মশার কামড়ে গোদ রোগ হয়। উত্তর: কিউলেক্স।১০। এনোফিলিস জাতীয় — কামড়ে ম্যালেরিয়া হয়। উত্তর: স্ত্রী মশার।১১। সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে — থাকতে হবে।উত্তর: পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন।১২। হাঁচি- কাশি হলে মুখ — দিয়ে ঢাকতে হবে। উত্তর: রুমাল। . সূর্য একটি —। উত্তর: নক্ষত্র।২. সূর্যের মতো অসংখ্য নক্ষত্র আছে —। উত্তর: ছায়াপথে। ৩. বিজ্ঞান চর্চার নির্দিষ্ট কোনো — নেই।উত্তর: পদ্ধতি।৪. — প্রধান উপায় হলো পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা করা।উত্তর: আবিষ্কারের।৫. আমাদের নিকটতম নক্ষত্র হলো —। উত্তর: সূর্য। ৬. — পরিবর্তন ঘটছে সূর্যের জন্য। উত্তর: দিনরাত্রির।৭. সূর্য থেকে আমাদের প্রয়োজনীয় সব — পাচ্ছি। উত্তর: শক্তি।৮. সূর্য একটি বিশাল —।উত্তর: গ্যাসপিণ্ড।৯. চাঁদ পৃথিবীর চেয়ে অনেক —।উত্তর: ছোট।১০. পৃথিবী আপন অক্ষের উপরে দিনে — পাক খায়।উত্তর: একবার।১১. পৃথিবীতে দিন ও রাত্রি হয় — গতির ফলে।উত্তর: আহ্নিক।১২. যে পথে পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে তা —।উত্তর: উপবৃত্তাকার।১৩. পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরছে এক পাশে একটু —।উত্তর: হেলে।১৪. পৃথিবীর মেরুরেখাটি কক্ষের সঙ্গে — ডিগ্রি কোণ করে আছে।উত্তর: ১৫. সূর্যের আলো একসঙ্গে চাঁদের — আলোকিত করে।উত্তর: অর্ধেকটা। লাইক দিয়ে কমেন্টে ধন্যবাদ জানালে আমরা খুশি হয়ে বাকি প্রশ্নটা খুবি শ্রিঘ্রই দিব নিচের পেইজে দিব। ঘুরে আসুন এই পেজে ↓↓↓↓↓

Fhuii

★ পাটিগণিত অনুঃ১਀ প্রশ্ন নম্বর : ১,গ ২,খ ৩, গ ৪, ঘ উদাঃ ৩ অনুঃ২.১਀ প্রশ্ন নম্বর : ১,৮,১০,১৩,১৪,১৭ উদাঃ ৬ অনুঃ২.২਀ প্রশ্ন নম্বর : ৬,৮,১০ উদাঃ৪ অনুঃ৩਀ প্রশ্ন নম্বর : ১০,১১,১২,১৪,১৮,২৩,২৭ উদাঃ ১০,১১ **বীজগণিত** অনুঃ৪.১਀ প্রশ্ন নম্বর : ৫,৬,৮,৯,১০,১২,১৩(ক) (খ) উদাঃ ১৫ অনুঃ৪.২਀ প্রশ্ন নম্বর : ২(v),৪,৬,১০,১২, ১৩,১৪,১৫(খ),১৬ উদাঃ ২৪,২৬ অনুঃ৪.৩਀ প্রশ্ন নম্বর : ৯,২২,৩১,৩৪,৩৫,৩৬ অনুঃ৪.৪਀ প্রশ্ন নম্বর : ১৮,১৯,২৫

Monday, 24 November 2014

Sryihfh

প্রাথমিক সমাপনি পরীক্ষার-২০১৪ বিষয়ঃ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়। ১০০% # কমন ***গুরুত্বপূর্ণ***সাজেশন । # বহু_নির্বাচনী_প্রশ্ন । ১. মুজিবনগর সরকার কবে শপথ নিয়েছিল? ক. ২৫ এপ্রিল ১৯৭১খ. ১০ এপ্রিল ১৯৭১ গ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ঘ. ২০ এপ্রিল ১৯৭২ ২. মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন? ক. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম গ. তাজউদ্দীন আহমেদ ঘ. মওলানা ভাসানী। ৩. কোনটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস? ক. ৭ মার্চখ. ২৬ মার্চ গ. ১৭ এপ্রিল ঘ. ১৪ ডিসেম্বর ৪. ১৯০৫ সালে কী হয়েছিল? ক. সিপাহী বিদ্রোহখ. বাংলাভাগ গ. ভারত বিভক্তিঘ. ফকির- সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ৫. কে নবজাগরণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন? ক. ক্ষুদিরামখ. চিত্তরঞ্জন দাশ গ. তিতুমীর ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ৬. কোন সালে ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়? ক. ১৯৪৫ খ. ১৯৪৭ গ. ১৯৪৯ ঘ. ১৯৫০ ৭. মহাস্থানগড়ে বাংলার কোন প্রাচীন নগরের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে? ক. পানাম নগরখ. পুণ্ড্রনগর গ. পান্ডুয়াঘ. ভাসুবিহার ৮. ওয়ারী-বটেশ্বরের কয়েক কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকায় কী পাওয়া গেছে? ক. ছাপাঙ্কিত মুদ্রাখ. পোড়া মাটির ফলক গ. ইস্পাতের ঢালঘ. পিতলের থালা- বাসন ৯. কোন রাজার শাসন আমলে সোমপুর মহাবিহার নির্মিত হয়? ক. গোপালখ. দেবপাল গ. ধর্মপাল ঘ. মহীপাল ১০. বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য জাতীয় ফসল কোনটি? ক. ধান খ. গম গ. ভুট্টা ঘ. আলু॥

Rfhifgi

ইনশাআল্লাহ কমন পড়বে PSC বাংলাদেশের ও বিশ্বপরিচয় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন 13page- ক, খ 22page- ক,গ 47page- ক 55page- ঘ,ঙ 64page- ক 70page- ক,খ 78page- খ 94page- ঘ শূন্যস্থান 12page- খ 21- খ 32-খ 46- খ 54- খ 70- ঘ 77-চ 82- খ 94- খ,ঘ 103- খ,ঘ 113-খ টিক চিহ্ন 54page- 1.1 থেকে 1.4 69- 1.1 থেকে 1.5 81-1.1,1.2 86-1.1,1.2,1.4 93-1.1 থেকে 1.4 102- 1.1,1.2 113- 1.1,1.5 মোট ৪০টা এখানে ২২টা আছে।।। ২টা বেশী দেয়া।।। মানে এখানে ২০টা আছে।। আর ২০টা পরে।। প্রশ্ন ১. মনেকর গতসপ্তাহে তুমি বাংলাদেশের কোন ১টি ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করেছি, এই সম্পর্কে ৫টি বাক্য লিখ ২। বুদ্ধিজীবী কারা? বুদ্ধিজীবী হত্যার ২টি কারণ ও ২টি ফলাফল লিখ ৩। নিরাপদ পানি কাকে বলে? নিরাপদ পানি পানি করা প্রয়োজন কেন? নিরাপদ পানি পান করার ৩টি উপায় লেখ ৪। বৌদ্ধ বিহার কোথায় অবস্থিত? ৫। বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত? ৬। পলাশীর যুদ্ধ করবে হয়েছিল? ৭। ১৯০৫সালে কি হয়েছিল? ৮। নারী উন্নয়নের ৫টি কারণ লিখ ৯। মুজিবনগর সরকারের কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? ১০। মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিল? বি.দ্র. এখানকার কিছু প্রশ্ন সংক্ষিপ্ত প্রশ্নে থাকতে পারে।। যদি পেইজটি আপনার কোনো উপকারে আসে তাহলে পেইজে লাইক বাড়াতে সহায়তা করবেন । এটা আমাদের দাবি থাকলো আপনাদের কাছে

Ffhio

পিএসসি-২০১৪ বিষয়ঃ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিঃদ্রঃ ১০০% কমন।। দয়াকরে সবাই শেয়ার করুন।। শূন্যস্থান পূরন : পৃঃ ১২ - খ পৃঃ ২১ - ২ এর ক পৃঃ ৪৬ - ২ এর খ পৃঃ ৫৪ - ২ এর খ পৃঃ ৭৭ - ২ এর চ পৃঃ ৮২ - ২ এর গ পৃঃ ৯৪ - ২ এর খ, ঘ পৃঃ ১০৩ - ২ এর খ , ঘ সঠিক উত্তর: পৃঃ ২১ - ১.১ পৃঃ ৩২ - ১.৪ পৃঃ ৬৩ - ১.৪ পৃঃ ৭৭ - ১.১ , ১.৫ পৃঃ ৮১ - ১.১ পৃঃ ৮৬ - ১.২ , ১.৪ পৃঃ ১০২ - ১.১ পৃঃ ১০৩ - ১.২ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন: পৃঃ ১৩ - ক , খ পৃঃ ২২ - ক ,গ পৃঃ ৪৭ - ক পৃঃ ৫৫ - ঘ পৃঃ ৬৪ - ক পৃঃ ৭০ - ক , খ পৃঃ ৭৮ - খ পৃঃ ৯৪ – গ

কামিল

PSC match (অংক) গণিত১,২,৩,৫ ও ১৩ নং প্রশ্নসহ মোট ১০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে১। যোগ্যতাভিত্তিকবহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরi) যে সংখ্যা দ্বারা গুণ করা হয়তাকে কী বলে ?(ক) গুণক (খ) গুণ্য (গ) গুণফল (ঘ) গুণনীয়কii) যে সংখ্যা দ্বারা ভাগকরা হয়তাকে কী বলে ? ক) ভাজক (খ)ভাজ্য (গ) ভাগফল (ঘ)ভাগশেষiii) ৬টি চেয়ার ৩০০০ টাকায়এবং ৩টি টেবিল ২৪০০ টাকায়ক্রয়করা হলো। তাহলে মোট কতটাকারচেয়ার—টেবিল ক্রয় করা হলো ?(ক) ৪৪০০ (খ) ৫০০০ (গ) ৫৪০০ (ঘ) ৫৬০০iv) একই জাতীয় একাধিক রাশিরগড়নির্ণেয়র জন্য রাশিগুলোর যোগফলকে রাশিগুলোরসংখ্যা দ্বারা কী করতে হয় ?(ক) যোগ (খ) বিযোগ (গ) গুণ ঘ) ভাগv) ৪০, ৬০ ও ৭৫ এর গ.সা.গু.কোনটি ?(ক) ৪ (খ) ৫ (গ) ১০ (ঘ) ১৫vi) ০ থেকে ৯ পর্যন্ত এক অঙ্কেরসংখ্যাগুলোকে গণিতেরভাষায়কী বলা হয় ?(ক) প্রক্রিয়া প্রতীক (খ) সম্পর্কপ্রতীক (গ) সংখ্যা প্রতীক (ঘ)অক্ষর প্রতীকvii) যে ভগ্নাংশের লব বড় হর ছোটসেটি কোন ধরনের ভগ্নাংশ?(ক) প্রকৃত (খ) অপ্রকৃত (গ) মিশ্র (ঘ)সমলবviii) দশমিক ভগ্নাংশে দশমিকচিহ্নেরবামে কোনো অঙ্কনা থাকলে ঐ স্থানে কোনসংখ্যাটি বসালে সংখ্যারমানেরকোনো পরিবর্তন হয় না ?(ক) শূন্য (খ) এক (গ) দুই (ঘ) দশix) ৯.৭৮৯×১৫ এর গুণফল কোনটি ?(ক) ১৪৯.০৩৫ (খ) ১৪৫.৮৩৫ (গ)১৪৬.০৩৫ (ঘ) ১৪৬.৮৩৫x) কোনটি সত্য নয় ?(ক) ক্যালকুলেটর হিসাব —নিকাশেরএকটি সহায়ক যন্ত্র(খ) কাজ শুরুর আগে অফ টিপতে হয় ।(গ) অচল (বন্ধ) ক্যালকুলেটরে ৫ ও ৭এর যোগফল নির্ণয়করতে হলে ৫টি বোতামটিপতে হয়।ঘ) ক্যালকুলেটরে ৩২ টি বোতামথাকে।২। সংক্ষেপে উত্তর দাও ঃ ১ ×১০ =১০ক) ৩০-৫০ শ্রেণির ব্যবধান কত ?খ) নিঃশেষে বিভাজ্যনা হলে ,ভাজক নির্নয়েরসুত্রটি কী ?গ) ৯,৪,০,২,৪,অঙ্কগুলো একবারব্যবহারকরে গঠিত ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি কত ?ঘ) ১৮ এর সবকটি গুণণীয়ক লিখ ?ঙ) কয়েকটি সমহর বিশিষ্টভগ্নাংশেরমধ্যে কোনটি বড় হবে। চ) ৩টি কলসের দাম ১৮ টাকা হলে ২টিরদাম কত?ছ) ১ এয়র সমান কত বর্গমিটার?জ) ঐকিক নিয়ম কাকে বলে?ঝ) ৭৫ টাকার ৪% কত?ঞ) শতকরা কাকে বলে? ৩। ৫ বছরপূর্বে পিতা ও পুত্রের বয়সেরসমষ্টি ৬২ বছর ছিল। পিতারবর্তমান বয়সপুত্রের বর্তমান বয়সের ৩ গুন ।২ ×৫=১০ক) কয় মাসে এক বছর ?খ) পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সেরসমষ্টি কত ?গ) পিতা ও পুত্রেরবর্তমান বয়সেরসমষ্টি পুত্রের বর্তমান বয়সের কতগুন ?ঘ) পুত্রের বর্তমান বয়স কত ?ঙ) পিতার বয়স পুত্রের বয়সঅপেক্ষা কতবেশি ?৪। পিতা ও পুত্রের বয়সেরসমষ্টি ৯৬ বছর । পিতার বয়স পুত্রেরবয়সের ৩ গুন হলে ,কারবয়স কত ? ১০৫। সুমন ১০ টি বিষয়ে গড়ে ৭০ নম্বরপেল। আর শাওন ১০টি বিষয়ে মধ্যে ৬টিতে গড়ে ৮০ ও ৪টিতে গড়ে ৫০ নম্বরপেল। ২ × ৫=১০ক) ৬ ও ৪ গুণকরে গুণ্য, গুণক ও গুণফল চিহ্নিতকর।খ) সুমন মোট কত নম্বর পেল। গ) শাওন ৬টি বিষয়ে মোট কত নম্বর পেল।ঘ) শাওন ১০ টি বিষয়ে মোট কতনম্বরপেল।ঙ) দুইজনের মধ্যে কে কতনম্বরবেশি পেল।৬। কোন বৃহত্তমসংখ্যা দ্বারা ১২৯,২৩৬ ও৩৬৪ কে ভাগদিলে যথাক্রমে ৩,৫ ও ৭অবশিষ্ট থাকবে ?া কে লঘিষ্ঠ সমহর বিশিষ্টভগ্নাংশেপ্রকাশ কর । ১০৮। একজন শিক্ষক ৬০.৬০ টাকা ডজনদরে ৩৯৩.৯০ টাকারকমলা কিনে ১৩ জনশিক্ষাথীরমধ্যে সমানভাবে ভাগকরে দিলেন। তাহলে প্রত্যেকশিক্ষাথী কয়টি করে কমলা পেল ?১০৯। এক ব্যাক্তি ৬%ক্ষতিতে একটি খাসি বিক্রয়করল। খাসিটির বিক্র য়মূল্য ৩১৯৬টাকা হলে,ক্রয়মূল্য কত ।১০। রশিদ বেপারি ২৮৯কেজি চালথেকে মতিনের কাছে ১২৭কেজি ৬৭৫গ্রাম এবং তপনের কাছে ৩৯কেজি ১২৫গ্রাম চাল বিক্রি করলে তারকাছে কী পরিমান চালথাকবে ? ১০১১। ৮৭৪৫০ মিনিটকে বছর, মাস,দিন ওঘন্টায় পরিণতকর। ১০১২। নিচে ২০টি দোকানেরদৈনিকবিক্রয় তথ্য (টাকার)দেওয়া হলো।উপাত্তগুলো বিন্যস্ত কর : ১০১২৫,২০০,১৭০,২২৫,৩২৫,২৭০,১৮০,২১০,৩০০,৩১৫,৩৯০,২৫০,২৬০,২২০,২৭০,৩৭৫,৩১৫,২২০,২৫০,২৭০।১৩। ক) চোখেরআন্দাজে একটি সামান্তরিক আঁকযার একটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৪ সে.মি.এবং পাশের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৩সে.মি.। এদের বিপরীত বাহুদুইটিরদৈর্ঘ্য মাপ এবং প্রত্যেকজোড়া বিপরীত কোণেরপরিমাপনির্ণয় কর। ৪খ) চিত্রসহসংজ্ঞা লিখ( যে কোন দুইটি) ২ × ৩= ৬বিষমবাহু ত্রিভুজ, আয়ত★বি:দ্র: কোন বিষয়ের কোনবোর্ডের প্রশ্ন কমেন্ট ফাষ্ট।.★যারা শর্ত পূরন করবে,তাদেরইনবক্সে প্রশ্ন দেওয়া হবে।★শর্ত গুলু হল:-১. পেইজটিতে লাইক দিতে হবে।২. পোস্ট টি লাইক দিতে হবে।৩. কমেন্ট করতে হবে।৪. অবশ্যই শেয়ার করতে হবে।★আমি Notifications এরমাধ্যমে দেখতে পাই, যারা শর্তগুলা সঠিক ভাবে পুরন করলো।★শর্ত গুলা সঠিক ভাবে পুরনকরলে ১০০% তাদের ইনবক্সে ফাঁসহওয়া প্রকৃত প্রশ্ন দেওয়া হবে।★পূর্বের পোস্ট গুলো দেখুন★BADকমেন্ট করবেন তো প্রশ্ন MISSকরবেন★

Friday, 21 November 2014

Darun....

80 কে letter marks বলা হ্য় কারণL=12, E=5,T=20,T=20, E=5,R=18(অক্ষরের অবস্হানগত সংখ্যা) সুতরাং 12 5 20 20 5 18=80 ☞ ইংরেজি madam ও reviver শব্দকে উল্টো করে পড়লে একই হবে। ☞ “a quick brown fox jumps over the lazy dog” বাক্যটিতে ইংরেজি ২৬টি অক্ষর আছে। ☞ “ i am” সবচেয়ে ছোট ইংরেজি বাক্য। ☞ “Education” ও “Favourite”শব্দ সবগুলো vowel আছে। ☞ “Abstemious ও Facetious”শব্দে সবগুলো vowel আছে।মজার ব্যাপার হল শব্দের vowel গুলো ক্রমানুসারে ( a-e-i- o-u) আছে। ☞ ইংরেজি Q দিয়ে গঠিত সকল শব্দে Qএ পরে u আছে। ☞ Rhythm সবচেয়ে দীর্ঘ ইংরেজি শব্দ যার মধ্যে vowel নই

Faltu

নীতিগত বিশ্লেষন. তখন সবে ইউনিভারসিটি তে ভর্তি হয়েছি । ইউনিভারসিটিতে ভর্তি হওয়ার পর বহুমুখি চাপে অবস্থা খারাপ। ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার পর কোন সংঘটনেই বাদ দিই নাই। ফটোগ্রাফি থেকে শুরু করে ট্যুর ক্লাব, নাটক,ফিল্ম,গান,রক্তদান সংঘটন ও বাদ রাখিনি। যে ছাত্রলীগকে দুচোখে দেখতে পারিনা হলে সিট পাবার জন্য তাদের সাথেও দহরম-মহরম সম্পর্ক গড়ে উঠল।পড়ালেখার সাথে এই সব চাপ ও গড়ে উঠল। ফলাফল স্বরূপ কোনদিন রাত ৮ টার আগে রুমে ফেরা হয় না। এম্নিতেই আমি এত ব্যস্ত মানুষ তার উপর বেরসিক স্যার রা এসাইন্মেন্ট দিলে কেমন লাগে !! শুক্রবার সকাল-সকাল লাইব্রেরি তে গেলাম এসাইন্মেন্ট করার জন্য। যেয়ে দেখি রায়হান একান্ত মনে কি একটা বই পরছে।কাছে যেয়ে দেখলাম হুমায়ুন আজাদের এর একটা বই নাম ‘নারী’। ব্যাটা আঁতেল!! পড়ার বই পড়ার টাইম পাইনা আর ও আউটবই পড়ে।যাই হোক, কাছে যেয়ে বললাম, - কিরে দোস্ত, এসাইন্মেনট কমপ্লিট ? - না, এখনও করি নাই। - করবি না ? - হুম, করব। আজিব ছেলে।আমি ওর মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝি না।কিছুদিন আগেও শিবির এর সাথে যুক্ত ছিল।শুরুর দিকে সেই একটিভ।নিজে তো ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে অই সময় সাথে যাদেরকে পাই তাদের ও জোর করে নামাজ পড়তে নিয়ে জাই।তাই আমি নামাজের টাইমে সাধারনত ওর কাছে ঘেঁষতাম না।তবে ইদানিং ও অনেক চেঞ্জড। আগের মত ডিস্টার্ব করে না।ফেসবুকে দেখি মাঝে মাঝে নাস্তিক্যবাদী কমেন্টস দে।তার যন্ত্রণা থেকে বাঁচলেও তার নামাজ ছেড়ে দেয়ার কথা শুনে অনেক মর্মাহত ছিলাম।একটু পর জুমার আযান দিল।আমি রায়হানকে জিজ্ঞাসা করলাম,‘নামাজ পড়বি না ?’ -না,তুই যাবি না ? - আমি আগের সপ্তাহে নামাজ পরেছি তাই এ সপ্তাহে যাব না।তাছারা পড়া ও আছে।পরপর ৩ সপ্তাহ মিস হয়ে গেলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। আর মুসলিম ক্যাটাগরিতে থাকতে পারব না রায়হান হেসে বলল,এত কষ্ট করে নামাজ পড়ার কি দরকার? ৩ শুক্রবার পর ‘লা ইলাহা’ পড়ে ফেললেই তো হয়ে যাই। ওর কথা শুনে মেজাজ খারাপ হয়ে গেল । বেশি জ্ঞান অর্জন করতে গিয়ে নিজের কত বড় ক্ষতিটাই না করে ফেলল । শেষ পর্যন্ত নাস্তিক হয়ে গেল ? মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম , আজকে যদি ওর ভুল ধারনা টা না ভাঙ্গি তবে আমার নামেই চেঞ্জ করে ফেলব । তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, তুই যে এভাবে চেঞ্জ হয়ে গেলি এতে কারো প্রভাব আসে? রায়হান বলল, হ্যাঁ আবার না -মানে ? -আসলে,আমি ছোটকাল থেকেই এসব নিয়ে চিন্তাভাবনা করতাম। -তাই নাকি? তো তোর চিন্তা ভাবনা টা শুনি -চিন্তা ভাবনা তো অনেক বিশাল ব্যাপার। হঠাট করে কত্থেকে শুরু করব?তুই যেটা জানতে চাস বল,আমি উত্তর দি আমি প্রশ্ন করলাম, তোর মাথায় এসব চিন্তাভাবনা কেম্নে আসল? - আসলে ক্লাস-সিক্স, সেভেনে থাকার সময় আমার মাথায় প্রথম এ চিন্তা টা আসছে, যদি আমাদের কে আল্লাহ বানায়,তাহলে আল্লাহ কে কে বানাইসে? - শুন, সৃষ্টিজগত অনেক বিশাল ও বিচিত্র। আমরা এর ০.১ ভাগ ও জানি না।এত ক্ষুদ্র জ্ঞান নিয়ে ঈশ্বরকে খুজতে যাওয়া বোকামি ছাড়া আর কিছুই না।এতদিন মানুষের ধারনা ছিল শুন্য থেকে কিছু সৃষ্টি হতে পারে না কিন্তু quantum physics প্রমান করছে শুন্য থেকেও কিছু সৃষ্টি হতে পারে।৫০০ বছর আগের ধারনার সাথে এখন কার মানুষের ধারনা অনেক চেঞ্জ, আর ৫০০ বছর পর দেখা যেতে পারে বিজ্ঞান এতদিন যা সঠিক ভাবসিল তা ভুল ! একটা পিঁপড়ার পক্ষে তার জ্ঞান দিয়ে যেমন এটম বম্ব এর ধ্বংস ক্ষমতা বুঝা সম্ভব না , তেমনই আমাদের জ্ঞান দিয়ে ঈশ্বর এর অস্তিত্ব প্রমান করা সম্ভব না। - ঈশ্বর এর অস্তিত্ব নাই তাতো প্রমানের বিষয় না, ঈশ্বর এর অস্তিত্ব আছে কিনা তাই তো প্রমান এর বিষয় । আমরা একটা জিনিস দেখিনা,ধরতে পারি না,গন্ধ পাই না,কোন অনুভবেই করতে পারি না, তাহলে তা আমরা বিশ্বাস করব কেন?-সে অসহিষ্ণু ভাবে বলল আমি পাল্টা যুক্তি দেখালাম,আমরা তো বাতাস ও দেখি না,তার মানে কি বাতাস নেই ? রায়হান বলল ,আমরা বাতাস না দেখলেও অনুভব করতে পারি তাই বিশ্বাস করি।একটা লোক এসে তোকে বলল আল্লাহ আছে, তুই তার কথা কোন প্রমান ছাড়া বিশ্বাস করবি কেন? আমি যদি বলি,আমি আকাশে উড়তে পারি তাহলে তুই প্রমান ছাড়া তা বিশ্বাস করবি? -তুই প্রুফ চাস ? জানিস,আধুনিক বিজ্ঞান কুরানের কত বাণী প্রমান করেছে। কিসুদিন আগে কোন একটা প্রতিষ্ঠান পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ নিয়ে জরিপ করেছে,তারা দেখেছে,একমাত্র কুরান ছাড়া পৃথিবীর সকল ধর্মগ্রন্থ বিকৃত হয়েছে। -কারেকশন প্লিস,হিন্দু ধর্মগ্রন্থ বেদ ও বিকৃত হই নাই আমি শুনে একটু অবাক হলাম,তুই কি শিওর? রায়হান ও দেখলাম এ ব্যাপারে শিওর না,তাই আর জানা হল না। আমি বললাম, ধুর হিন্দু ধর্ম একটা ধর্ম হল নাকি? ওদেরকে যদি জিগাস, তোরা কয়টা ভগবানে বিশ্বাস করিস,কেও বলবে একটা ,কেও তিনটা আবার কেও বা লক্ষ-লক্ষ দেব-দেবিতে বিশ্বাস করে । -তোমরা মুসলিম রাও তো অসংখ্য ভাগে বিভক্ত,কেও সুন্নি,কেও বা শিয়া।অনেকে হানাফি মাযহাব ফলো করে ,অনেকে শাফেয়ি। আর একদল আরেক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তাদের নামায হচ্ছে না,তারা দোজখি হবে।হাহা... -আমার মতে সবগুলা মাযহাব এই সঠিক। প্রত্যেকের উচিত সবগুলা মাযহাব পড়ার পর যার যেটা সঠিক মনে হওই সেটা মানা।এতটুকুই এনাফ । -হাহা... তাই নাকি?? –রায়হান এর কণ্ঠে উপহাস এর সুর -হুম...আল্লাহ অনেক দয়ালু।তুই জানিস,আল্লাহ সমস্ত দয়া-মায়া কে আল্লাহ ১০০ ভাগ করে নিজের কাছে ৯৯ ভাগ রেখে বাকি ১ ভাগ সমস্ত সৃষ্টি জগতে বন্টন করে দিয়েছেন। রায়হান হাসতে হাসতে বলল,আল্লাহ যদি এতই দয়ালু হত তাহলে আল্লাহ নিজের কাছে ১ ভাগ রেখে বাকি ৯৯ ভাগ সবার মধ্যে ভাগ করে দিত। তার কথা শুনে রাগ উঠল।বললাম ,এসব নিয়ে হাসিঠাট্টা করা উচিত না পরে পস্তাতে হবে । তুই চিন্তা করতে পারতেছিস না,তুই কত ভাগ্যবান যে আল্লাহ তোকে মুসলমান ঘরে জন্ম দিয়েছে আর তুই ..... রায়হান বলল,আমিতো এ কারনে আল্লার কাছে সন্তুষ্ট হওয়ার কিছু দেখি না,বরং অনেকের রাগ হওয়ার কথা কারন একজন মানুষ শুধুমাত্র মুসলিম বলেই সে যত পাপ করুক না কেন সে জান্নাতে যাবে আর শুধুমাত্র একজন মানুষ হিন্দু, খ্রিষ্টান বা অন্য কোন ধর্মের পরিবার এ জন্মগ্রহন করার কারনে সে যতই ভাল হোক না কেন সে দোজখে যাবে এটা কোন রুলস হল? -তোকে কে বলছে মুসলিমরা দোজখে যাবে না? -না, দোজখে তো জল্বে ,কিন্ত সীমিত সময়ের জন্য তারপর সবাই বেহেস্তে যাবে,কিন্তু অন্য ধর্মবলাম্বীরা চিরকালেই দোজখে জ্বলবে। যতসব ফাউল নিয়ম !! আমি বললাম,ঠিকেই তো আছে।আচ্ছা , তুই বল,তুই যদি তোর বাপ কে বাপ বলেই স্বীকার না করিস,তোর বাপ কি তোকে ঘরে রাখবে -এই দুইটা কথা এক হোল নাকি? -এক হবে না কেন?,আমি পাল্টা প্রশ্ন করলাম -আমরা আমাদের বাবা কে কোন কারন ছাড়া অবিশ্বাস করব কেন ? যদিও আমরা সরাসরি জানতে পারি না, কে আমাদের পিতা,কিন্তু সমাজ আমাদের বলে ,দেখাই দেই।তাছারা আমাদের সমাজ এ প্রতিদিন কত মানুষই তো বাবা,মা হচ্ছে ।একটি সন্তান এর পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব স্বীকার করে আক্ষরিক অর্থে তার কোন লাভ হচ্ছে না।এ প্রকৃতির সব প্রানিই তাদের নিজ নিজ সন্তান কে ভালবাসে এর কারন থেকে তারা তা করছে, যদিও এর কিছু ব্যাতিক্রম আছে।আবার অনেক বন্ধ্যা দম্পতি সন্তান কে দত্তক নে,কিন্তু সন্তান রা তাদেরকে নিজের বাবা-মা ভেবে না এটা আরেকটা ব্যাপার। কিন্তু আল্লাহ আমাদের অভিভাবকত্ব দাবি করলেও প্রকৃতিতে এমন কোন চিহ্ন দেখি না, যা দেখে আমি বুঝব আল্লায় আমাদের অভিভাবক। -তোকে কিছু বলব ভাবছিলাম কিন্ত বলে লাভ নাই, তোকে এখন যত যুক্তিই দেখাই না কেন তুই বুঝবি না,আল্লাহ পবিত্র কুরানে তোদের মত লোকের কথা বলেছেন। তোদের অন্তরে আল্লাহ সিলমোহর মেরে দিয়েছেন।ভাল কথা বললেও টা তোদের কান দিয়ে যাবে না। রায়হান স্মিত হেসে বল্ল,বন্ধু,তাহলে তো এটা আমার দোষ না ,আল্লার দোষ কারণ আল্লায় আমাদের অন্তর এর দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন । তারপর আবার বলল,আচ্ছা তুই কি ‘বিষাদসিন্ধু’ বইটা পরেছিস ? আমি না বললাম। -ও ,আমি এখন তোকে সংক্ষেপে এর কাহিনী বলি,রাসুল(স) একদা মন খারাপ করে বসে ছিলেন, তা দেখে অন্য সাহাবীরা বল্ল,হুজুর,আপ্নার মন খারাপ কেন? তিনি উত্তর দিলেন, তোমাদের মধ্যে এক জনের ছেলে আমার দুই নাতি হাসান- হোসেন কে হত্যা করবে ? সাহাবীরা তাকে আবার জিজ্ঞাসা করল কে সে ব্যক্তি? কিছুক্ষন পিড়াপিড়ির পর তিনি উত্তর মুয়াবিয়া(র) এর নাম নিলেন।তা শুনে মুয়াবিয়া(র) বিয়া না করার সিদ্ধান্ত নিল।রাসুল(স)তাকে বুঝালেন এটা আল্লার ইচ্ছা আর প্রকৃত মুসলিম হিসেবে তার উচিত আল্লার ইচ্ছা বাস্তবায়নে সহায়তা করা কিন্ত তিনি তার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। কিছুদিন পর মুয়াবিয়া (র)এর কঠিন রাগ হল এবং তার একমাত্র চিকিৎসা স্ত্রী সহবাস।আত্মহত্যা মহাপাপ বলে তিনি বাধ্য হয়ে ৮০ বছরের এক বুড়ি কে বিয়ে করে ।পরবর্তিতে তাদের সন্তান এয়াজিদ হাসান,হোসেন কে হত্যা করল । - তো - এখন বল , এখানে এয়াজিদ এর কি দোষ ? আল্লার ইচ্ছাই ছিল by hook or crook এয়াজিদের হাতেই তারা মারা যাবে । আমি বললাম , এই প্রশ্নের একটা সুন্দর উত্তর ডাঃ জাকির নায়েকের পাইছিলাম । তাকে একজন প্রশ্ন করেছিল , সব কিছুই তো আল্লার ইচ্ছাতে ঘটে তাহলে আমাদের অপরাধ টা কী । উত্তরে তিনি বলেন , একজন শিক্ষকের কাছে কিছু ছাত্র পড়ত ।তিনি তার একটি ছাত্রকে দেখে ভবিষ্যতবাণী করেন , এই ছেলেটা ফার্স্ট হবে , ওই ছেলেটা সেকেন্ড এবং আরেকটা ফাকিবাজ ছাত্রকে দেখিয়ে বলল ছেলেটা এবার ও ফেইল করবে । ফলাফলের দিন দেখা গেল শিক্ষকের ভবিষ্যতবাণী সত্যি সত্যি ফলে গেল । কিন্তু তার মানে এ নয় যে , যে ছেলেটা প্রথম হইছে তার কোন ক্রেডিট নাই বা যে ফেইল করছে তার কোন ব্যর্থতা নাই ।অনেক বছর পড়াতে পড়াতে কে কি করতে পারে শিক্ষক এই ক্ষমতা অর্জন করেছে । আল্লাহ একই সাথে আমাদের ভুত-ভবিষ্যত জানে । যেমন ধর , একটি দিমাত্রিক বস্তুর পক্ষে তার মাত্রায় থেকে তার পুরা দুনিয়া বুঝা সম্ভব না । তুই কার্টুনের কমিক্স পরছিস কখন ? রায়হান বলল , হুম ,পড়ছি - ধর , একটা কার্টুন বইয়ে একটা ছবি আছে যে , একটা বিড়াল শুয়ে আছে , আর একটা ইদুর তার পাশে হেটে যাচ্ছে । দিতীয় ছবিতে বিড়ালটি ইদুরকে ধাওয়া করছে এবং তৃতীয় ছবিতে বিড়াল ইদুরকে ধরে ফেলছে । তুই একসাথে তিনটা ছবিই দেখতে পারতেছিস । পড়ার আগেই , শেষে কি হবে বুঝতে পারতেছিস । তেমনি আল্লাহ হইত ইনফিনিটি মাত্রার । আমরা কি করি বা করব তা তার পক্ষে বুঝা কোন ব্যাপারেই না । রায়হান বলল , সরি দোস্ত তোর হাইপোথিসিস এর সাথে একমত হতে পারছি না । - কেন ? - একজন ছেলে কেমন হবে তা তার পরিবেশের উপর নির্ভর করে । যেসব ছেলে বস্তিতে থাকে ; মদ , গাজা ,নেশার আখড়া থেকে বড় হয়ে উঠে তারা পরবর্তিতে সন্ত্রাসী হচ্ছে । আবার যারা একেবারে ভদ্র ফ্যামিলি থেকে উঠে আসছে , জীবনে চুরি-চামারি , ফন্দি-ফিকির এসবের সাথে অপরিচিত তারা এগুলা পরেও করতে পারে না । আমি বললাম , কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় , একই পরিবারের একজন ছেলে ডাক্তার আরেকজন ডাকাইত । একজন প্রচন্ড পরিশ্রমী আরেকজন জন্মের আলসে । রায়হান , এখানে জেনেটিক্সের অনেক ব্যাপার-স্যাপার আছে । এইচ.এস.সি তে মেন্ডেলের সুত্রগুলা পড়িস নাই ? একই প্যারেন্টস থেকে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যপুর্ন সন্তান হতে পারে । আসলে , একজন মানুষ হল একেবারে ভ্রুণ অবস্থা থেকে শুরু করে পরবর্তিতে তার উপর ক্রিয়াশীল বিভিন্ন ঘটনার রেসাল্ট বা আউটপুট । কোন একটা জায়গায় পড়ছিলাম , বড় বড় সন্ত্রাসীদের কি একটা ক্রোমসাম থাকে যা অন্যদের থাকে না - তার মানে আমি কোন অপরাধ করলে এটা আমার দোষ না , আমি বলব আমার জেনেটিক্যাল প্রব্লেম ছিল , হাহ … - জেনেট্যাকেলি তুমি কিছু বৈশিষ্ট্য পাবা কিন্তু অপরাধ প্রবণতা মেইনলি পরিবেশ থেকে । তোমাকে ভাল পরিবেশে থাকার চেষ্টা করতে হবে । - কিন্তু তোর যুক্তি অনুসারে ভাল হয়ে থেকে কি লাভ ? ঈশ্বর-আল্লাহ কিছুই তো নেই । এ জন্যই ধর্ম দরকার , বুঝেছিস ? ধর্ম না থাকলে এতদিনে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যেত । আর ইসলাম হল সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম । আজকে যদি আমাদের দেশে ইসলাম এর আইন প্রতিষ্ঠিত থাকত তাহলে এত হিংসা-বিদ্বেষ থাকত না । - আফ্রিকার কয়েকটা দেশে ইসলাম এর আইন প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল আর পরবর্তিতে ওই দেশগুলার অবস্থা আর খারাপ হইছে । তবে এটা ঠিক অতীতে ধর্ম সমাজে রীতি-নীতি রক্ষার্থে কিছুটা ভুমিকা রেখেছে কিন্তু বর্তমানে ধর্মের প্রয়জনীয়তা তেমন নাই । কারাগারে যেয়ে দেখ , যতসব চোর-ডাকাত, ক্রিমিনাল আছে তারা প্রায় সবাই সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করে এবং এটাও মনে করে তাদের কৃতকর্মের শাস্তি পেতে হবে তারপরেও তারা ক্রাইম করে । যেমন অনেকে বাসে উঠি এক যায়গা থেকে কিন্তু ভাড়া কম দেয়ার জন্য আরেক যায়গার নাম বলে । ১০টা বাজে অফিসে এসে সাইন করি ৮.৫৫ । কিন্তু ইংল্যান্ডে তুই এরকম করতে পারবি না । যে জাইগার টিকেট কাতছিস সেখানে যেয়ে কার্ড ঢুকালে দরজা খুলবে । অফিসে কয়টার সময় গেছিস তা অটমেটিক্যালি কম্পিউটারে উঠে যায় । আমি বললাম , ঠিকাছে , কিন্তু নাস্তিকদের তুলনায় আস্তিকরা নিয়ম-কানুন তো একটু বেশি মানে ।আর আস্তিকদের তুলনায় নাস্তিকরা তাড়াতাড়ি ভেঙ্গে পড়ে , কারণ আস্তিকদের শেষ পর্যন্ত একটা লাস্ট ভরসা থাকে যা নাস্তিকদের থাকে না । বিজ্ঞানের পাশাপাশি ধর্ম থাকলে আরো ভাল না । রায়হান বলল, যারা ভাল তারা এম্নিতেই ভাল । পুন্য সঞ্ছয় হবে এ ভেবে তারা ভাল কাজ করে না ।আর যেটা বললি ,আস্তিকদের শেষ ভরসা থাকে , সে কারণে তারা ব্যর্থ হয় বেশি । তারা অল্পতেই হাল ছেড়ে দিয়ে সৃষ্টিকর্তার আশায় বসে থাকে কিন্তু নাস্তিকরা জানে নিজের কাজ নিজেকেই করতে হবে , গায়েবী ভাবে কোন কাজ হবে না । তবে সব মানুষকে এক প্রকার নাস্তিক বলা যায় , যেমন একজন ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীর সাথে অকারণে ঝামেলা করি না কিন্তু এক ওয়াক্ত নামায না পড়লে লক্ষ-লক্ষ বছর দোযখী আগুনে জ্বলতে হবে জেনেও আমরা নির্বিকারভাবে নামায ছেড়ে দিই । - তুই কি বলতে চাস , ধর্মের কোন ভাল গুনেই নাই ? - ধর্মের কিছু ভাল দিক আছে , তবে এটার খারাপ দিক আরো বেশি । ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার কারণে দাঙ্গায় প্রতিদিন পৃথিবীতে মানুষ মারা যাচ্ছে , কোটি কোটি টাকার সম্পদ-হানি হচ্ছে । আর ধর্মীয় আচার যেমন হজ্জ্ব , কোরবানি , তীর্থযাত্রা পালন , মাদ্রাসা ,মসজিদ-মন্দির প্রতিষ্ঠা ,ইমামদের বেতন এসবে কত টাকা নষ্ট হচ্ছে আর মানুষ মারা যাচ্ছে তা বাদেই দিলাম । আমি হাল ছেড়ে দিয়ে বললাম , আমার এত কিছু জানার দরকার নাই, আমি শুধু এতটুকু জানি ইসলাম ধর্মই সত্য ধর্ম । আধুনিক বিজ্ঞান ও তাই বলে । ডাঃ জাকির নায়েকের লেকচারগুলা দেখিস । তিনি খুব সুন্দর করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রমাণ করেন যে ইসলামেই সত্য ধর্ম । রায়হান এবার বিরক্ত হয়ে গেল , বলল , ওই জোকার নায়েকের নাম আমার সামনে নিবি না তো । শালা পুরাই একটা ভন্ড । শব্দের অর্থ ইচ্ছামত পরিবর্তন করে যা খুশী তাই বলে । - তাই নাকি ? তিনি এমন কি করছেন ? - ওনার সব ভন্ডমীর কথা বলতে গেলে সারারাত পার হয়ে যাবে তারপরেও শেষ হবে না । তোকে কতগুল সিম্পল উদাহরণ দিচ্ছি । প্রাচীনকাল তেকে যতগুলো কোরানের তাফসির আছে সবগুলাতে বলা ‘দুহাহা’ শব্দের অর্থ বিস্তৃত । কিন্তু উনি এটার অর্থ পালটিয়ে বলেন এর অর্থ নাকি উট পাখির ডিম এবং কোরানেই সর্বপ্রথম বলা হয় পৃথিবী দেখতে ডিম্বাকার । কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে পৃথিবী দেখতে মোটেও ডিম্বাকার নয় । তারপর কোরানে আল্লাহ বলেন , একজন মানুস ভাল কাজ করলে তা যতই ক্ষুদ্র হক না কেন আল্লাহ তাকে তার পুরষ্কার দিবেন আর খারাপ কাজ করলে তা যত সুক্ষ্ম হোক না কেন আল্লাহ তাকে শাস্তি দিবেন । নিশ্চয়ই আল্লাহ সুক্ষ্মাতিসুক্ষ্ম ব্যাপারেও খোজ-খবর রাখেন । আর জোকার নায়েক বলেন এখানে অণু-পরমাণুর খোজ-খবর রাখেন বলছেন । তার মানে কোরান , ডাল্টনের ১২০০ বছর আগে অণু-পরমাণুর ধারনা দেন । কিন্তু তুই তো লাইনগুলা শুনে বুঝতে পারতেছিস এখানে কেমিস্ট্রির অনু-পরমাণুর কথা বলেন নাই । রায়হানের কথা শুনে একটু বিব্রত হলাম । আমতা-আমতা করে বললাম ,ডাঃ জাকির নায়েক তো আর ইসলাম না , সাধারণ একজন মানুষ । তার ভুল-ভ্রান্তি হতেই পারে । এর থেকে প্রমাণ হয় না ইসলাম ভুল । রায়হান বলল , হুম , এর থেকে প্রমাণ হই না ইসলাম ভুল কিন্তু ইসলাম যদি আসলেই সত্যি ধর্ম হত তাহলে এর মদ্ধ্যে কোন কন্ট্রাডিকশন থাকত না । বিজ্ঞানগত ভুলের কথা বাদেই দিলাম । ইসলামের বেসিক জিনিষগুলা নিয়ে তুই যদি নীতিগত বিশ্লেষন করে দেখিস তাহলে অনেক অসঙ্গতি দেখতে পারবি - যেমুন - ঠিকাছে, তোকে কয়েক্টা উদাহারণ দিচ্ছি এক. কোরানে আমরা পড়ি , আল্লাহ এমন একজন সত্তা যে সর্বশক্তিমান এবং তার কোন ক্ষুত-পিপাসা, বিশ্রাম বা কোন কিছুরেই প্রয়োজন নেই । কিন্তু আদম (আ) সৃষ্টির ইতিহাস এ আমরা দেখি তাকে সৃষ্টির করার আগে আল্লাহ অস্থিরতাই ভুগছিলেন !! তা দেখে ফেরেশ্তারা তাকে প্রশ্ন করলে তিনি জবাব দেন , তিনি আদম সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন !! যা আল্লাহর সব সৃষ্টির নাম জানবে । কিন্তু আমরা কোরান থেকে জানতে পারি আল্লাহর কোন কিছুর প্রয়োজনীয়তা নাই তাহলে তিনি কেন অস্থিরতা অনুভব করবেন বা আদম সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবেন ? দুই. যাদের কেউ দাম দে না তারা যেমনি সারাক্ষন নিজের ঢোল নিজে পিটাই চাপা মারে আর চাই যে গল্পগুলা আমরা বিশ্বাস করি , এইটা সেইটা খাওয়ায় ঠিক তেমনি কোরানে আমরা দেখি ,আল্লাহ সারাক্ষণ নিজের প্রশংসা করছেন আর আমাদের জান্নাতের লোভ দেখিয়ে প্রশংসা ভিক্ষা চাচ্ছেন । এইটা আর যাই হোক কোরানে বর্ণিত তার গুনের সাথে যায় না । তিন . আদম গন্ধম ফল খাওয়ার কারনে শাস্তিস্বরুপ তাকে পৃথিবীতে নির্বাসন দেওয়া হয় । তাদেরকে বেহেশ্তে আসার জন্য পুন্য সঞ্ছয় করতে বলা হয় । কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে তাদের শাস্তি আমাদের ও কেন ভোগ করতে হচ্ছে । চার. চার নাম্বার নীতিগত বিশ্লেষন হল ইসলামের বিভিন্ন আইন-কানুনে টেকনিক্যাল ভুল আছে । যেমন , জুম্মার নামায ইচ্ছা করে পরপর তিন শুক্রবার না পড়লে সে আর মুসলিম থাকে না । কিন্ত আবার লা ইলাহা পড়লেই একজন মানুষ মুসলিম হয়ে যায় । তাহলে মুসলিমত্বের লাইসেন্স রি-নিউ করার জন্য জুম্মা পড়ার কি দরকার ? লা ইলাহা পড়ে ফেল্লেই হয়ে যায় । পাঁচ কুরানে বলা হয়েছে আল্লাহ সর্বশক্তিমান । তিনি যা চান তাই পারেন । তিনি 'কুন' বলা মাত্র সবকিছু হয়ে যায় । কিন্ত বাস্তবে এমন কোন সত্তা থাকা সম্ভন নয় । একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিচ্ছি , আল্লাহ কি এমন একটি পাথর বানাতে যা তিনি নিজেই তুলতে পারবেন না ? এর উত্তর ২টি হতে পারে হ্যা অথবা না । যদি উত্ত হ্যা হয় তাহলে এমন একটি পাথর আছে যা আল্লাহ তুলতে পারে না অথজচ তিনি দাবি করছেন তিনি সব পারেন । আর উত্তর না হইলে তো কিছু বলার নাই আমার :P ছয়. তোদের পাপ-পুন্যের স্কেল্টা আমার কাছে এপ্রোপ্রিয়েট মনে হই না ।পাপ-পুন্য হল আপেক্ষিক ব্যাপার ।ইসলাম ধর্মে চারিত্রিক গুনাবলী, ভেতরের সৌন্দর্য্য থেকে ধর্মীয় আচার পালনের উপর বেশী গুরত্ব দেয়া হয় । যেমন , তাবলীগের ছেলেদের দেখ । তারা সারাদিন নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকে , প্রচন্ড পরিমাণ আত্ম-কেন্দ্রিক এবং কারো কোন উপকারে আসে না । কিন্তু তারা বেহেস্তে যাবে কারন তারা নামায পরে । আবার , কিছু কিছু ছেলে আছে যারা সবসময় অন্যদের মাতিয়ে রাখে , আশে-পাশের কাউকে দুঃখী হতে দে না । কেউ বিপদে পড়লে তারা এমনভাবে ছোটাছুটি করে যেন প্রব্লেমটা তাদের নিজের । এ ধরনের ছেলেদের সবাই অন্তর থেকে পছন্দ করলেও আল্লাহ পছন্দ করেন না । কারন , বেশিরভাগ সময় দেখা যায় তারা নামায পড়ে না । আবার ধর , কোন একটা মেয়ে ইরানের তীব্র রক্ষণাত্মক পরিবারে জন্মগ্রহন করেছে ।স্বাভাবিকভাবে দেখা যায় সে মেয়েটা সারাজীবন বোরকা পড়ে চার দেয়ালের মাঝে কাটায় দিসে কিন্তু সেই মেয়েটিই যদি আমেরিকায় জন্মগ্রহন করত তাহলে হইত সেখানকার মেয়েদের মত শর্ট ড্রেস পড়ত । ইসলাম ধর্ম অনুসারে প্রথম ক্ষেত্রে জান্নাতে এবং দ্বিতীয় ক্ষেত্রে জাহান্নামে যাওয়ার কথা ।আরেকটা উদাহরণ দিই , একজন লোক দেশের প্রেসিডেন্ট হইছে । চারিদিকে ক্ষমতাশালী লোকদের প্রেশারে সে দুর্নীতির আশ্রয় নিল । তার শাসনে দেশের লোক অতিষ্ঠ এবং সে নিজেকে হাবিয়া দোজখের উপযোগী করে ফেলে । সে একই ব্যাক্তি যদি কোন স্ট্রীক্ট প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকুরি করত তাহলে হইত সারাজীবন বাধ্য হয়ে সৎভাবে কাটিয়ে দিত ।বিষয়টা অনেকটা এমন হয়ে গেসে , ক্লাস ফাইভের কিছু ছাত্রের এক্সাম নেয়া হচ্ছে । কেউ পাইছে ক্লাস ওয়ানের কোয়েশ্চেন পেপার , কেউ বা সেভেনের , কেউ বা টেনের । ছয়. কোরানে আছে জান্নাতে একজন মানুষ যা চাই তাই পাই । যদি ২ জন মানুষ কোন খেলা খেলে তাহলে কে জিতবে ? আরেকটা ব্যাপার হল , জান্নাতে যা চাই তাই যদি পাওয়া যায় নিচের স্তরের জান্নাতিরা তো চাইবে শহীদদের মত জান্নতুল ফেরদৌসে মুহাম্মদ (স) এর বাড়ির পাশে থাকবে । আর সুখ জিনিষ টা হচ্ছে চারিদিকের মানুষের সাপেক্ষে তোর অবস্থান । তুই যদি গ্রামে থাকিস তাহলে দেখবি হয়তো তোর ২১ ইঞ্ছি টেলিভিশন দেখার জন্য সবাই ছুটে আসছে আবার গুলশানে থাকলে হয়তো তোর ৪২ ইঞ্ছি এল.ই.ডি টি.ভি নিয়ে তুই মন ছোট করে বসে আছিস । অন্যের কাছে নিজেকে প্রমাণ করার সু্যোগ নেই , ক্লাসে ফার্স্ট হয়ে তাক লাগানো যায় না যেখানে , নিজের ক্ষমতা দেখানো যায় না যেখানে , সব কিছু নিয়ম-মাফিক চলে যেখানে সেখানে আনন্দ নেই । আর যেখানে আনন্দ নেই সেখানে সুখ ও নেই । সাত. তিনি যে প্রচন্ড হিংসুটে ও প্রতিহিংসাপরায়ন তা কোরানে না লিখলেও আমরা তার কর্ম-কান্ড থেকে তার এই বৈশিষ্ট্যের কথা জানতে পারি ।যদিও প্রাথমিকভাবে বলা হয় , ভাল লোকেরা জান্নাতে এবং খারাপ লোকেরা জাহান্নামে যাবে কিন্তু আমরা দেখতে পাই যে অনেক ভাল মানুষ শুধুমাত্র অন্য ধর্মাবলম্বী হওয়ার কারনে জাহান্নামে যাবে । সেখানে তাদের শাস্তির বর্ননা শুনলে তোর এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ থাকবে না এটা যে কোন অসুস্থ মানুষের প্রলাপ । আর যাই হোক , এমন কোন সত্তার মনে হবে না যে পরম দয়ালু । আমি তাকে এ পর্যায়ে একটু বাধা দিলাম ।বললাম, আসলে প্রব্লেমটা হচ্ছে তোরা এ জিনিষগুলা গুলিয়ে ফেলিস ।আল্লাহ যেমনি রাহমানুর রাহীম ঠিক তেমনি ন্যায়বিচারক ও ।ধর , কেউ তোর বাবাকে হত্যা করছে কিন্তু ইহকালে সে শাস্তি পাই নাই ।তুই কি চাস না তার শাস্তি হওয়া দরকার ? আল্লাহ পরকালে তার শাস্তি নিশ্চিত করেন । আল্লাহ অনেক সময় তার সাথে যে অন্যায় করা হয়ছে তা ক্ষমা করে দেন কিন্তু একজন মানুষ যদি আরেকজন মানুষের সাথে অপরাধ করে তা ভুক্তভোগী মানুষটা যতক্ষন ক্ষমা না করে আল্লাহ ক্ষমা করেন না । - হুম , যে একটা মার্ডার করছে তাকে শাস্তিস্বরুপ একবার মারা যায় , দুবার মারা যায় কিন্তু সারাজীবন দোজখের আগুনে জ্বালানো কোন শাস্তি হতে পারে না । তাছাড়া , যারা অন্য ধর্মবলাম্বী তাদেরকে বিনা কারনে কেন শাস্তি দিবেন - ঠিকই তো আছে । আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করেছেন , পৃথিবীতে থাকার জন্য পর্যাপ্ত আলো,বাতাস,পানি দিয়েছেন , এতো অনুগ্রহ করেছেন আর তারা সে আল্লাহর নাফরমানি করে অন্য কারো উপসনা করলে তো আল্লাহর রাগাটাই স্বাভাবিক । ধর , তুই কারো একটা উপকার করলি সে তা তো স্বীকার করলই না বরং তোর বিপক্ষে কথা বলে । তাহলে কি তুই রাগবি না ? রায়হান বলল, আরে ব্যাপারটা তো এমন নয় যে ,যারা হিন্দু বা অন্য ধর্মবলাম্বী তারা জানে আসলেই আল্লাহ তাদের সৃষ্টিকর্তা কিন্তু আল্লাহর সাথে তাদের কোন শত্রুতা আছে বলে তারা অন্য কার উপাসনা করে । তুই এখন ইসলামের পক্ষে কথা বলতেছিস কিন্তু এই তুই এই যদি হিন্দু বা খ্রিষ্টান পরিবারে জন্মগ্রহন করতি ৯৯% এর ও বেশি সম্ভাবনা তুই ওই ধর্মের পক্ষে কথা বলতি । আজকাল মানুষ নিজের ধর্ম সম্পর্কে তেমন কিছু জানে না , অন্য ধর্ম তো দুরের কথা । সো, ধর্ম চেঞ্জ করবে কেম্নে ? আমি বললাম , আরে , আল্লাহ আমাদের সৃষ্টিকর্তা , আমাদের মালিক ,আমরা তার গোলাম । তার সৃষ্টি নিয়ে তিনি যা ইচ্ছা করবেন । তুই প্রশ্ন তুলার কে ? রায়হান বলল , এটা ঠিক বলছিস । সৃষ্টিকর্তা ভালই হতে হবে এমন কে বলছে ?সৃষ্টিকর্তা খারাপ ও তো হতে পারে । এমন ও হতে পারত , আমাদের দিন-রাত অমানষিক কষ্ট দিয়ে তিনি আনন্দ নিচ্ছেন ।কিন্তু তখন তিনি ডিরেক্ট বলতে পারতেন , আমি তোদের সৃষ্টিকর্তা , আমার যা ইচ্ছা তা করব তোদের সাথে । কোন মিথ্যা কথা বলার প্রয়োজন পড়ত না । কিন্তু কোরান শরীফে আল্লাহ নিজেকে বলতেছে একরকম কিন্তু তার আচরন অন্যরকম । মিথ্যা কথা বলতে পারা কোন ক্ষমতা নয় বরং ল্যাকিংস । আমরা কখন মিথ্যা কথা বলি ? ধর , আমি এমন কোন কাজ করলাম যা তুই পছন্দ করিস না কিন্তু তোর কাছে কোন কারনে আমি ধরা । তখন হইত আমাকে মিথ্যা বলতে হবে । আচ্ছা , তোদের সমস্যাটা কি ? এত ধর্ম থাকতে তোরা সারাদিন ইসলাম ধর্মের পিছনে পড়ে থাকিস কেন ? - আসলে আমি তো ইসলামিক ব্যাক-গ্রাউন্ড থেকে উঠে আসছি , এ ধর্ম সম্পর্কে অনেক কিছু জানি তাই এটা নিয়েই লিখি । তুই যদি কলকাতার মুক্তমণা সাইট গুলা দেখিস তাহলে তাদের লেখায় কেবল হিন্দু ধর্মের দোষ-ত্রুটি গুলো উঠে আসছে ।ইসলামিক অপবিজ্ঞানের মত হিন্দু ধর্মের ও অপবিজ্ঞান আছে যদিও এগুলো ইসলামিক অপবিজ্ঞানের মত এত শাখা-প্রশাখা অর্জন করতে পারে নি কারন ইসকন বা এই সঙ্ঘটন গুলো তেমন ফান্ডিং পাই না । মিডল ঈস্ট এর দেশগুলো মরিস বুকাইলির মত আরো অনেক বিজ্ঞানিকে কিনতে গিয়ে ধরাও খায়ছিল । আমি এসাইন্মেন্ট না করে উঠে গেলাম । বললাম, সন্ধ্যা হয়ে গেসে ,আমি উঠলাম । কিন্তু তোর সব প্রশ্নের উত্তর একদিন না একদিন তোকে দিবই ।

Tuesday, 18 November 2014

ফেকু

Fekubook Tuesday, 18 November 2014 Encyclopedia of BJP's UTurns Modi ji is the greatest Prime Minister India ever produced! See how hard he is working! He has achieved so much in 6 months that no other PM in Indian History dream of!!!! Wait a minute... Do you also think so?? Take a deep breath and think..think deeply about 3 election promises fulfilled by Modi Govt in 6 months. What happened? You can't!!! Hmmm..ok tell me any 2 promises he fulfilled. Whaatttt.. still nothing coming in your mind?? OK this is the last chance.. name any single promise..any promise????....??? You know what..You have gifted destiny of this country in the hand of someone who is the biggest U-Turn master of Indian political history and with the funds he has in his pocket to buy media, you will actually never know about his U-Turns!!!! So here I am creating an encyclopedia of his U-Turns so that you can think upon of your decision of voting for BJP in the hope of Acche Din: 1) Article 370 2) FDI 3) Railway Fare hike before bypassing railway budget 4) Uturn on subsidy on electricity bills in Delhi. 5) UTurn on creating new jobs 6) Meeting with Kashmir Separatists for political benefits. 7) UTurn on the amount of Black Money in Swiss Banks. 8) UTurn on Vadra. BJP is in government from 11 months in Rajasthan and 6 months in Center. Now also in Haryana. Not a single action against Robert Vadra. He still enjoy VVIP security and special privilege at Airports. BIGGEST UTurn. 9. From cleaning Ganga in 3 years to making plan for cleaning Ganga in 3 years. Finally settling up with some 18 year plan after getting slapped by Supreme Court. 10) UTurn on Vadra by newly appointed Haryana BJP CM in less than 24 hours of taking the oath! Amazing!!! 11) Taking support of NCP to form government in Maharashtra. Naturally Corrupt Party is no more corrupt! 12) Deregulation of Diesel Prices. 13) Removal of Rs1000 notes. Its nonsense but Modi ji had different view when he was not PM. 14) Disclosing names of Black Money Account holders. 15) UTurn on of Pak's Ceasefire violation and Chinese infiltration. 16) Italian Submarines. They are out of this country now under Modi government. 17) Compensation to 1984 Riot victims. UTurn in just 1 day after announcing this. 18) Stand on women's security. Rape accused Minister in Cabinet. 19) Arun Jaitley refused to public Henderson Report after promising it during LS election. 20) UTurn on Adhaar Card. These are just the few examples of the UTurn Modi Govt took in last 6 months. They have not fulfilled a single election promise yet and all they done is to take credit of work done by previous govt, whether its Train to Jammu or Mars Mission or Jan Dhan Yojana. PR events are not governance and as soon as you accept it, it will be good for the country.

Oopoprochar

কিছুদিন আগে আমি একটা হিন্দু পেইজে ঢুকে দেখলাম, হিন্দুরা অপপ্রচার করছে, হিন্দুদের সতীদাহ প্রথার উৎস নাকি মুসলমানরা। মুসলমানদের হাত থেকে হিন্দু বিধবাদের বাচাতেই নাকি সতীদাহ প্রথা চালু হয়। আসতাগফিরুল্লাহ। অথচ প্রকৃত সত্য হচ্ছে, হিন্দুদের এ বর্বর প্রথা মোঘল বাদশাহগণ বিভিন্ন আইন করে বন্ধ করেছিলেন এবং মুসলমানদের কৃপার কারণেই হিন্দু বিধবারা আজ জীবন্ত দগ্ধ হওয়া থেকে রক্ষা পায়। একই ভাবে বিভিন্ন সময় মুসলমানদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস বিকৃত করে ফেলা হয়, উদ্দেশ্য ১- মুসলমানদের প্রকৃত শিক্ষা থেকে সরিয়ে দেয়া, ২- মুসলিম হিরোদেরকে জিরো বানানো ৩- মুসলমানদের শত্রুদেরকে হিরো বানানো। একটি উদাহরণ দিলে বুঝতে সহজ হবে। যেমন ইমাম হুসাইন রদ্বিয়াল্লাহু’র শাহাদাতের ঘটনার সাথে জড়িত তিনটি চরিত্রের দিকে লক্ষ্য করুন: ১) ঘৃণ্য কাফির ইয়াজিদ লানতুল্লাহি আলাইহি। অথচ একটি মহল থাকে তাবেয়ী, ভালো লোক হিসেবে প্রচার করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ মিন জালিক। ২) ঘৃণ্য কাফির সিমার লানতুল্লাহি আলাইহি। অথচ ভ্রান্ত শিয়া আকিদা বিশিষ্ট মীর মোশাররফ হোসেন তার বিষাদসিন্ধু নামক গল্পে মিথ্যা দাবি করে বসে: সিমারকে জান্নাতে না নিয়ে নাকি ইমাম হুসাইন রদ্বিয়াল্লাহু নিজেই জান্নাতে জাবেন না। নাউযুবিল্লাহ মিন জালিক।যা পুরোটাই মিথ্যা। ৩) হযরত মুখতার সাকাফি রহমতুল্লাহি। এ ব্যক্তি ইমাম হুসাইন রদ্বিয়াল্লাহু’র শাহাদাতের সাথে জড়িত প্রত্যেককে কঠিন শাস্তি দিয়েছিলেন। এমনকি যারা মারা যায়, তাদের কবরের উপর বেত্রাঘাত পর্যন্ত করেছিলেন। অথচ এক বীরকে বিকৃত করে পরবর্তী বিকৃত ইতিহাস রচনা হয়, মুখতার সাকাফি রহমতুল্লাহি নাকি শেষ বয়সে নিজেকে নবী দাবি করেন। নাউযুবিল্লাহ মিন জালিক, যা পুরোটাই মিথ্যাই। উদ্দেশ্য এক মুসলিম হিরোকে জিরো বানয়ে দেয়া। শুধু একটি বিষয় নয়, মুসলমানদের ইতিহাস বিকৃত করা কাফিরদের একটি পুরাতন স্বভাব, যা প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়। যেমন পাক-ভারত উপমহাদেশে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন সূচনাই হয়েছিলো মুসলমানদের দ্বারা। মুসলমানদের মধ্যে এর সূচনা করেছিলেন হযরত সাইয়্যিদ আহমেদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি। তিনি বালাকোটের ময়দানে শিখ ও মুনাফিকদের চক্রান্তে শহীদ হন। উনার মুরীদ হযরত মীর তীতুমীর রহমতুল্লাহি বাশেরকেল্লায় ইংরেজ বিরোধী জিহাদে শাহাদাত লাভ করেন। কিন্তু কট্টর ইসলাম বিদ্বেষী ইংরেজ লেখক উইলিয়াম হান্টার তার The Indian Musalmans নামক বইয়ে ইতিহাস বিকৃত করে এবং আহমেদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহিকে ওহাবী বলে মিথ্যা প্রচার করতে থাকে। পরবর্তী কালে উইলিয়াম হান্টারের পথ ধরে ইংরেজ তৈরীকৃত মৌলভী রেজা খা ইতিহাস আরো বিৃকত করে মুসলমানদের গৌরভ উজ্জল ব্রিটিশ বিরোধী মুজাহিদদের কাফির বলে ফতওয়া দেয় এবং ব্রিটিশ বিরোধী জিহাদকে অনুচিত বলে দাবি করে। কূটচক্রীদের মূল লক্ষ্য ছিলো মুসলমানদের গৌরভ উজ্জল ব্রিটিশ বিরোধী ইতিহাস লুকিয়ে ফেলা। এজন্য দেখবেন এখন মুসলমানরাই ব্রিটিশ বিরোধী ইতিহাস টানতে গেলে মুসলমানদের নাম খুজে পায় না, নিয়ে আসে গান্ধী, ক্ষুদিরাম, প্রীতিলতা কিংবা সূর্যসেনের মত কট্টর ইসলামবিদ্বেষী হিন্দুদের নাম। যদিও এরা আসলে ব্রিটিশ বিরোধীতায় কেউই ছিলো না। তার মানে, মুসলমানদের ইতিহাস লুকিয়ে ফেলার ঘৃণ্য চক্রান্ত হয়ে গেছে, যদিও মুসলমানরা সে সম্পর্কে পুরোই বেখবর।

Somossa

আপনি বিপ্লবী হওয়ার স্বপ্ন দেখলে সমস্যা নেই কিন্তু আমি জিহাদী হওয়ার স্বপ্ন দেখলেই সমস্যা ! আপনি গনতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে সমস্যা নেই কিন্তু আমি খিলাফাহ প্রতিষ্ঠা করতে চাইলেই সমস্যা ! আপনি চে গুয়েভারাকে ফলো করে দাড়ি রাখলে সমস্যা নেই কিন্তু আমি মুহাম্মদ স. কে ফলো করে দাড়ি রাখলেই সমস্যা ! আপনি ইসলামের বিরোধীতা করলে সমস্যা নেই কিন্তু আমি ইসলামের সৌন্দয্য নিয়ে কথা বললেই সমস্যা ! আপনি লিভ-টু-গেদার করলে সমস্যা নেই কিন্তু আমি বিয়ে করতে চাইলেই সমস্যা ! আপনি আমার নবীকে নিয়ে বাজে কথা বললে সমস্যা নেই কিন্তু আমি আপনার নেতাকে নিয়ে সত্য বললেই সমস্যা ! .................................................................... ইসলাম নিয়া আপনার এত সমস্যা কেরে ?????????????????????

Monday, 17 November 2014

70 Kobira Gunahs

জেনে নিন ৭০টি কবিরা গুনাহ ।.....................................................................সত্তরটি কবীরা গুনাহ নিম্নরূপ:১. শিরক করা ৷২. মানুষ হত্যা করা ৷৩. জাদুটোনা করা ৷৪. নামাজে অবহেলা করা ৷৫. যাকাত না দেয়া ৷৬. বিনা ওজরে রমজানের রোযা ভঙ্গকরা ৷৭. সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হজ্বনা করা ৷৮. পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া ৷৯. রক্ত সম্পর্কীয়আত্মীয়তা ছিন্ন করা ৷১০. যিনা-ব্যভিচার করা ৷১১. লাওয়াতাত বা সমকামিতা করা ৷১২. সুদের আদান-প্রদান ৷১৩. ইয়াতিমের মাল আত্মসাত্করা এবং তাদের ওপরজুলুম করা ৷১৪. আল্লাহ ও রাসূলেরপ্রতি মিথ্যারোপ করা৷১৫. ধর্মযুদ্ধের ময়দানথেকে পলায়ন৷১৬. শাসক কর্তৃক জনগণের ওপর জুলুম৷১৭. গর্ব-অহংকার৷১৮. মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া৷১৯. মদ্যপান৷২০. জুয়া খেলা৷২১. সতী-সাধ্বী নারীকে ব্যভিচারেরঅপবাদদেয়া৷২২. গনীমতের মাল আত্মসাত্ করা৷২৩. চুরি করা৷২৪. ডাকাতি করা৷২৫. মিথ্যা শপথ করা ও আল্লাহছাড়া অন্যকারো নামে শপথ করা৷২৬. জুলুম বা অত্যাচার করা৷২৭. জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করা৷২৮. হারাম খাওয়া ও যেকোন হারামপন্থায় সম্পদউপার্জন ও ভোগদখল করা৷২৯. আত্মহত্যা করা৷৩০. কথায় কথায় মিথ্যা বলা৷৩১. বিচারকার্যে দুর্নীতিরআশ্রয় নেয়া৷৩২. ঘুষ খাওয়া৷৩৩. পোশাক-পরিচ্ছদে নারী-পুরুষেরসাদৃশ্যপূর্ণবেশভূষা৷৩৪. নিজ পরিবারেরমধ্যে অশ্লীলতা ওপাপাচারেরপ্রশ্রয়দান৷৩৫.তালাকপ্রাপ্তা মহিলাকে চুক্তিভিত্তিকহিলা বিয়ে করা৷৩৬. প্রস্রাব থেকে পবিত্রনা থাকা৷৩৭. রিয়া বা লোক দেখানোরউদ্দেশ্যে সৎকাজ করা৷৩৮. দুনিয়াবী উদ্দেশ্যে ইলমবা জ্ঞান অর্জনকরা এবং সত্যগোপন করা৷৩৯. আমানতের খেয়ানতবা বিশ্বাসঘাতকতা৷৪০. দান-খয়রাতের খোটা দেয়া৷৪১. তকদিরকে অবিশ্বাস করা৷৪২. কান পেতে অন্য লোকের গোপনকথা শোনা৷৪৩. চোগলখুরি করা৷৪৪. বিনা অপরাধে কোনমুসলমানকে অভিশাপ ও গালি দেয়া৷৪৫. ওয়াদা খেলাফ করা৷৪৬. গণকের কথায় বিশ্বাস করা৷৪৭. স্বামীর অবাধ্য হওয়া৷৪৮. প্রাণীর প্রতিকৃতি আঁকা৷৪৯. বিপদে উচ্চঃস্বরে বিলাপকরা৷ ৫০. বিদ্রোহ, দম্ভ ও অহংকারপ্রকাশ৷৫১. দাস-দাসী দুর্বল শ্রেণীর মানুষএবং জীবজন্তুরসাথে নিষ্ঠুর আচরণ করা৷৫২. প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া৷৫৩. মুসলমানদের কষ্ট ও গালি দেয়া৷৫৪. আল্লাহর বান্দাদের কষ্টদেয়া৷৫৫. অহংকার ও গৌরব প্রকাশে টাখনুরনিচে পোশাকপরা৷৫৬. পুরুষের স্বর্ণ ও রেশমী কাপড়পরিধান করা৷৫৭. মনিবের কাছ থেকে গোলামেরপলায়নবা বৈধকর্তৃপক্ষকে অস্বীকার করা৷৫৮. আল্লাহ ছাড়া অন্যকারো নামে পশু-পাখি যবেহকরা৷৫৯. যে পিতা নয়, তাকে জেনে-শুনে পিতা বলে পরিচয়দেয়া৷৬০. ঝগড়া ও বাদানুবাদ করা৷৬১. প্রয়োজনের অতিরিক্তপানি অন্যকে না দেয়া৷৬২. মাপে এবং ওজনে কম দেয়া৷৬৩. আল্লাহর আজাব ও গজবসম্পর্কে উদাসীনহওয়া৷৬৪. আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হওয়া৷৬৫. বিনা ওজরে জামায়াত ত্যাগকরা এবং একাকী নামাজ পড়া৷৬৬. ওজর ছাড়া জুমআএবং জামায়াত ত্যাগ করার ওপরঅটল থাকা৷৬৭. উত্তরাধিকারীদেরমধ্যে শরীয়তবিরোধী ওসিয়তকরা৷৬৮. ধোঁকাবাজি, ছলচাতুরি,প্রতারণা করে মানুষঠকানো৷৬৯. মুসলমানদের ক্ষতি সাধনেরউদ্দেশ্যে গোয়েন্দাগিরি করা এবং তাদেরগোপনীয়বিষয় অন্যদের কাছে প্রকাশকরে দেয়া৷৭০. রাসূলের সাহাবাদেরকাউকে গালি দেয়া৷আল্লাহ আমাদের এই সকলকবিরা গুনাহথেকে হেফাজত করুন।আমিন

Friday, 14 November 2014

Faraz gosol

ফরজ গোসলের ব্যাপারে----- ***যে সব কারণে গোসল ফরজ হয়ঃ ১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে। ২. নারী-পুরুষ মিলনে (সহবাসে বীর্যপাত হোক আর নাই হোক)। ৩. মেয়েদের হায়েয-নিফাস শেষ হলে। ৪. ইসলাম গ্রহন করলে(নব-মুসলিম হলে)। ***ফরজ গোসলের সঠিক নিয়মঃ ১. গোসলের জন্য মনে মনে নিয়্যাত করতে হবে। বাড়তি মুখে কোন আরবি শব্দ উচ্চারণ করে নিয়্যাত করা বিদ’আত। ২. প্রথমে দুই হাত কব্জি পর্যন্ত ৩ বার ধুতে হবে। ৩. এরপর ডানহাতে পানি নিয়ে বামহাত দিয়ে লজ্জাস্থান এবং তার আশপাশ ভালো করে ধুতে হবে। শরীরের অন্য কোন জায়গায় বীর্য বা নাপাকি লেগে থাকলে সেটাও ধুতে হবে। ৪. এবার বামহাতকে ভালো করে ধুইয়ে পেলতে হবে। ৫. এবার ওজুর নিয়মের মত করে ওজু করতে হবে তবে দুই পা ধুয়া যাবে না। ৬. ওজু শেষে মাথায় তিনবার পানি ঢালতে হবে। ৭. এবার সমস্ত শরীর ধোয়ার জন্য প্রথমে ৩ বার ডানে তারপরে ৩ বার বামে পানি ঢেলে ভালোভাবে ধুতে হবে, যেন শরীরের কোন অংশই বা কোন লোমও শুকনো না থাকে। নাভি, বগল ও অন্যান্য কুঁচকানো জায়গায় পানি দিয়ে ধুতে হবে। ৮. সবার শেষে একটু অন্য জায়গায় সরে গিয়ে দুই পা ৩ বার ভালোভাবে ধুতে হবে। ***মনে রাখতে হবেঃ ১. পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল এবং মহিলাদের চুল ভালোভাবে ভিজতে হবে। ২. এই নিয়মে গোসলের পর নতুন করে আর ওজুর দরকার নাই, যদি ওজু না ভাঙ্গে।

Tuesday, 11 November 2014

এন আই এ

m.firstpost.com/politics/rss-involved-in-terror-blasts-in-india-says-home-secretary-598195.html see List of Chargesheeted Accused Status from NIA web page Samjhauta Express Blast case http://www.nia.gov.in/NIA-CasesAccusedNames/DLI/2010/09-2010-NIA-DLI.aspx http://www.nia.gov.in/NIA-Cases/DLI/2010/09-2010-NIA-DLI(CH).pdf Mecca Masjit Bomb Blast Case http://www.nia.gov.in/NIA-Cases/DLI/2011/02-2011-NIA-DLI.aspx List of Chargesheeted Accused Status http://www.nia.gov.in/NIA-Cases/DLI/2011/02-2011-NIA-DLI(CH).pdf MALEGAON- I BOMB BLAST http://www.nia.gov.in/NIA-Cases/DLI/2011/03-2011-NIA-DLI.aspx List of Chargesheeted Accused Status http://www.nia.gov.in/NIA-Cases/DLI/2011/03-2011-NIA-DLI(CH).pdf Bomb blast of Dargah Sharif, Ajmer http://www.nia.gov.in/NIA-Cases/DLI/2011/04-2011-NIA-DLI.aspx List of Chargesheeted Accused Status http://www.nia.gov.in/NIA-Cases/DLI/2011/04-2011-NIA-DLI(CH).pdf Details of cases from NIA web page http://www.nia.gov.in/niacase.aspx GOA Bomb Blast Case http://www.nia.gov.in/NIA-Cases/DLI/2009/07-2009-NIA-DLI.aspx

Monday, 10 November 2014

মেরাজ

মেরাজের ঘটনা বয়ান করতে গিয়ে নবীজী (সা.) বলেন, ‘আমার কাছে দুজন ফেরেশতা আসলেন, আমি উম্মেহানির ঘরে ঘুমন্ত ছিলাম। তারা আমাকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে বাইতুল্লাহর কাছে হাতীমের ভিতরে নিয়ে গেলেন। সেখান থেকে যমযম কুয়ার কাছে আমাকে নেয়া হল। সেখানে আমার সীনা চাক বা বক্ষ বিদারণ করা হল। আমার সীনা ফেড়ে তার মধ্য থেকে কলব বা হার্টটাকে বের করা হল। কলব ফেড়ে তা থেকে কি একটা বস্তু বের করা হল। তারপর যমযমের পানি দিয়ে কলবটাকে ধুয়ে আবার যথাস্থানে স্থাপন করে দেয়া হল’। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ মুখে বলতে ছিলেন, ‘দুজন ফেরেশতা আমার কাছে এসেছিলেন। তারা আমাকে বাইতুল মুকাদ্দাস নিয়ে যান। সেখান থেকে সপ্তম আসমানের উপর পর্যন্ত আমি পৌঁছি। আল্লাহর দরবার পর্যন্ত পৌঁছি। আল্লাহর সাথে কথা হয়েছে। আল্লাহপাক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করে দিয়েছেন’। (কুরআন-হাদীসের আলোকে শবে মেরাজ এবং মেরাজের ঘটনা-মাওলানা হেমায়েত উদ্দীন) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দাওয়াত ও তাবলীগের সাফল্য তখন অত্যাচার নির্যাতনের মাঝামাঝি পর্যায় অতিক্রম করে চলছিল, আর দূর দিগন্তে মিটিমিটি তারার আলো দেখা যাচ্ছিলো। এ সময় মেরাজের ঘটনা ঘটে। এ মেরাজ কবে সংঘটিত হয়েছিলো এ সম্পর্কে সীরাত বিশেষজ্ঞদের মতভিন্নতা রয়েছে। যেমন- এক. তাবারী বলেন, যে বছর নবী সাইযেদুল মোরসালীনকে নবুয়ত দেয়া হয়, সেই বছরই মেরাজ সংঘটিত হয়। দুই. নবুয়ত লাভের পাঁচ বছর পর মেরাজ সংঘটিত হয়েছে। ইমাম নববী, ইমাম কুরতুবী এ অভিমতকে প্রাধান্য দিয়েছেন। তিন. নবুয়তের দশম বর্ষের ২৭ শে রজব তারিখে মেরাজ সংঘটিত হয়েছে। আল্লামা মনসুপুরী এ অভিমত গ্রহণ করেছেন। চার. হিজরতের ১৬ মাস আগে, নবুয়তের দ্বাদশ বছর রমযান মাসে মেরাজ অনুষ্ঠিত হয়। পাঁচ. হিজরতের এক বছর দুই মাস আগে, নবুয়তের ত্রয়োদশ বর্ষের মহররম মাসে সংঘটিত হয়। ছয়. হিজরতের এক বছর আগে নবুয়তের ত্রয়োদশ বর্ষের রবিউল আউয়াল মাসে হয়েছে। উল্লিখিত বক্তব্যসমূহের মধ্যে তিনটি সঠিক বলে মেনে নেয়া হয়। কেননা, পাঞ্জেগানা নামায ফরয হওয়ার আগেই হযরত খাদিজা (রা.) এর ইন্তেকাল করেছিলেন। আর এ ব্যাপারে সবাই একমত পাঞ্জেগানা নামায মেরাজের রাতে ফরয হয়েছে। সেই হিসেবে মা খাদিজার মৃত্যু নবুয়তের দশম বর্ষের রমযান মাসে হয়েছে। কাজেই মেরাজের ঘটনা এর পরেই ঘটেছে, আগে নয়। শেষোক্ত তিনটি বক্তব্যের কোনোটিকে প্রাধান্য দেয়ার মতো, দলিল প্রমাণ পাওয়া যায় নি। অবশ্য সূরা ইসরা (বনী ইসরাঈল) এর পূর্বাপর আলোচনা থেকে অনুমিত হয়, মেরাজের ঘটনা মক্কী জীবনের একেবারে শেষ দিকে সংঘটিত হয়। আল্লামা মনসুপুরী অভিমত হিসেবে নবুয়তের দশম বর্ষের ২৭ শে রজব তারিখে মেরাজ সংঘটিত হয় বলে যে রেওয়াজ আছে সেটাকেই বর্তমানে আমাদের দেশে প্রাধান্য দেয়া হয়। সে যাই হোক। বিশ্বনবী (সা.) জীবনে মেরাজ সংঘটিত হয়েছিল এটা ১০০% সত্য ঘটনা এতে বিন্দু মাত্র সন্দেহ করার অবকাশ নাই কোরআন ও হাদীসের আলোকে। আর কোরআনে পরিচয় কোরআন নিজেই করিয়ে দিচ্ছেন এভাবেই সুরা বাকারার প্রথম আয়াতেই। ‘আলিফ, লাম, মীম। জা-লিকাল কিতাবু লা-রাইবা-ফি’। অর্থ-‘(তিনটি অক্ষরের অর্থ আল্লাহপাকই ভালো জানেন) ইহা সেই কিতাব যাহাতে কোনো সন্দেহ নাই।’ অনেক রেওয়াতে আছে নবীজী (সা.) এর জীবনে হজরত জিব্রাঈল (আ.) প্রায় ২৪ হাজার বার তাঁর কাছে আগমন করেন।এর মধ্যে মাত্র ২ (দুই) বার হজরত জিব্রাঈল (আ.) নিজ চেহারায় নবীজী (সা.) এর কাছে আগমন করেছিলেন। হজুর (সা.) ততোক্ষণ কথা বলে নি যতক্ষণ হজরত জিব্রাঈল (আ.) কিছু না বলেছেন। হজরত জিব্রাঈল আমিন ফেরেশতা ততোক্ষণ কথা বলেন নি যতক্ষণ মহান আল্লাহপাক তাঁকে কিছু না বলেছেন। অতএব আমার আপনার নবী, বিশ্বনবী (সা.) মহান আল্লাহপাকের নির্দেশ ছাড়া একটি কথাও উচ্চারণ করে নি। সুতরাং বিশ্বনবী (সা.) এর নিজ মুখে মেরাজের ঘটনা বয়ান করার অর্থ হচ্ছে মহান আল্লাহপাকের কথাগুলোই তিনি বর্ণনা করতে ছিলেন। তাঁর ব্যক্ত করা ঘটনাকে কোনো মুসলমান অস্বীকার করার কথা কল্পনাও করতে পারে না। বোরাকের বর্ণনা যে বাহনে করে হুজুর (সা.) কে মেরাজে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তার নাম বোরাক। হাদীস শরীফে এভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, ‘এটা একটা সাদা রংয়ের জানোয়ার, যা গাঁধার চেয়ে একটু বড়, খচ্চরের চেয়ে একটু ছোট। তার গতি হল দৃষ্টির শেষ সীমা যতদূর যায় ততোদূরে এক এক কদম রাখে’। মানুষের দৃষ্টিসীমা কতদূর যায় তা কী কেউ বলতে পারে? পারে না। মানুষের একটা মন আছে এটা সবাই জানেন। কিন্তু সেই মনের সাক্ষাত কী কেউ পেয়েছেন? মনের একটা গতি আছে তা সবাই অনুভব করেন। তা না হলে নিমিষেই কীভাবে মন পাড়ি দেয় হাজার হাজার মাইল? এই মনের গতিবেগ কত তা আমরা জানি না। যে আল্লাহপাক আমাদের মনকে সৃষ্টি করেছেন সেই আল্লাহপাকই বিশ্বনবী (সা.) কে বোরাকে করে উর্ধ্বলোকে ভ্রমণ করিয়েছেন যা সূরা বনী ইসরাঈলের প্রথম আয়াতের শেষের দিকে বর্ণনা করা হয়েছে এভাবে, ‘যার পরিবেশ তিনি করেছিলেন বরকতময়; নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা’। সুতরাং কাল্পনিক ভাবে আঁকা বোরাকের ছবি ঘরে রেখে ঈমানকে নষ্ট করবেন না। কারণ বোরাক রঙ তুলি দিয়ে আঁকার মত কোনো বাহন নয়। ‘মেরাজ’ শব্দের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে ‘সিঁড়ি’। বাইতুল মোকাদ্দাস থেকে আসমানের দিকে আরোহণের সময় একটা চলন্ত সিঁড়ি আসে। বিশ্বনবী (সা.) হজরত জিব্রাইলে (আ.) সাথে বোরাকসহ সেই চলন্ত সিঁড়িতে করে উর্ধ্ব জগতে উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। ইবনে কাইয়েম লিখেছেন, ‘সঠিক বর্ণনা অনুযায়ী জানা যায়, নবী সাইয়েদুল মোরসালীন (সা.) কে সশরীরে বোরাকে তুলে হজরত জিব্রাঈল (আ.) এর সঙ্গে মসজিদে হারাম থেকে বায়তুল মাকদেস পর্যন্ত ভ্রমণ করানো হয়। তিনি এখানে অবতরণ করেন আর মাসজিদের দরজার কড়ার সাথে বোরাক বেঁধে রাখেন এবং সকল নবীব ইমাম হয়ে দুরাকাত নামায পড়ান’। এখানে উল্লেখ্য, সেদিন বাইতুল মাকদাসে আল্লাহপাক পৃথিবীতে যত নবী রাসূল প্রেরণ করেছিলেন তাদের সমস্ত রূহ সশরীরে সেদিন ঐ মসজিদে উপস্থিত ছিলেন। হজুর (সা.) এর ইমামতি করার মাধ্যমেও নবী-রাসূলগণের মধ্যেও তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ পায়। তিনি যে দুরাকাত নামায পড়িয়েছিলন তা পাঞ্জেগানা নামায নয়। সেটা ছিল হজরত ইব্রাহিম (আ.) এর তরীকা মোতাবেক নামায। মেরাজে গমণের সময় যে সব নবীদের সাথে হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সা.) সাক্ষাত হয় তাঁরা হলেন- প্রথম আসমানে মানব জাতির আদি পিতা হজরত আদম (আ.) সাথে। হজরত আদম (আ.) সাথে সালাম বিনিময়ের মাধ্যমে তাঁর ডান দিকে নেককার এবং বাম দিকে পাপীদের রূহ বিশ্বনবী (সা.) কে দেখানো হয়। দ্বিতীয় আসমানে হজরত ইয়াহইয়া ইবনে যাকারিয়া এবং হজরত ঈসা (আ.) এর সাথে সাক্ষাত হয়। তৃতীয় আসমানে হজরত ইউসূফ (আ.), চতুর্থ আসমানে হজরত ইদরিস (আ.), পঞ্চম আসমানে হজরত হারুন (আ.), ষষ্ঠ আসমানে হজরত মূসা (আ.) এবং সপ্তম আসমানে হজরত ইব্রাহিম (আ.) এর সাথে বিশ্বনবী (সা.) এর সাক্ষাত হয়। প্রত্যেকটি আসমানের দরজা হজরত জিব্রাঈল (আ.) খোলান এবং বিশ্বনবী (সা.) সাথে তাঁদের পরিচয় করিয়ে দেন অতপর তাদের মধ্যে সালাম আদান প্রদান হয়। হজুর (সা.) আসমানে অবস্থানরত নবী (আ.) গণকে সর্বপ্রথম সালাম দেন এবং তাঁরা বিশ্বনবী (সা.) কে মারহাবা বলে মোবারকবাদ জানান। এরপর হজুর (সা.) কে হজরত জিব্রাঈল (আ.) বোরাকে করে সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত নিয়ে। কোনো রেওয়াতে আছে এখানে আরেকবার হজুর (সা.) কে ‘সিনা চাক’ (ফার্সী শব্দ) করা হয়। সপ্তম আসমানে হুজুর (সা.) এর সন্মুখে বায়তুল মামূর মসজিদ উন্মোচন করা হয়। যে মসজিদকে ফেরেশতাগণ তওয়াফ করতে আছেন। হাদীস শরীফের এক বর্ণনায় এসেছে প্রতিদিন কমপক্ষে ৭০ হাজার ফেরেশতা এই বায়তুল মামূর মসজিদ তওয়াফ করেন এবং যে দল তওয়াফ করেন সে দলের আর পুনরায় ভাগ্য হবে না এই মসজিদকে আবার তওয়াফ করতে। এখানে চিন্তা বিষয় হচ্ছে, তাহলে মহান আল্লাহপাক কত লক্ষ কোটি ফেরেশতা সৃষ্টি করেছেন তার হিসেব শুধু আল্লাহপাকই জানেন। সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত যাওয়ার পর হজরত জিব্রাঈল (আ.) নবীজী (সা.) কে জানালেন, এরপর একহাত জায়গা অতিক্রম করার ক্ষমতা আল্লাহপাক তাঁকে দেন নি। যদি তিনি এই কাজটি করেন তাহলে তাঁর শরীরের নূরের ছয়শত পাখা আল্লাহপাকে নূরের তাজাল্লিতে জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। বিশ্বনবী (সা.) কে এরপর রফরফ নামক বিছানায় করে আরশে আযীমে নিয়ে যাওয়া হয়। (সুবহানল্লাহি ওয়া বিহামদিহী) মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহপাক ও পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব বিশ্বনবী (সা.), যাকে আল্লাহপাক ‘আমার হাবীব’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন আরশে আযীমে তাদের সাক্ষাতের মূহুর্তে কেমন দৃশ্যের ও কী হয়েছিল তা আমার মত মানুষ তা বর্ণনা করার যোগ্যতা রাখে না। আমাদের মনে রাখতে হবে, মেরাজ নিয়ে মহান আল্লাহপাক ও তাঁর প্রিয় নবী (সা.) যা বলেছেন এই বাইরে কেউ যদি কোনো কথা বলে থাকেন সেটা আমাদের বিশ্বাস করার কোনো অবকাশ নেই। কেননা উক্ত স্থানে তখন মহান আল্লাহপাক ও তাঁর রাসূল (সা.) এবং অগনিত ফেরেশতারা ছাড়া আর কেউ উপস্থিত ছিলেন না। আর ফেরেশতারা আল্লাহর হুকুম ছাড়া কোনো কথা বলার যোগ্যতা রাখেন না। অতএব কোরআন ও হাদীসের বাইরে কোনো ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য হতে পারে তা যতই যুক্তিযুক্ত বা মনোলোভা হোক না কেন। আমি শুধু মেরাজে নিয়ে হজুর (সা.) কে কি কি দেখানো হয়েছিল এবং মহান আল্লাহপাক তাঁকে কী উপহার দিয়েছিলেন সেই বিষয়গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ্। সম্মানিত পাঠকদের একটি কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই তাহলো- সিদরাতুল মুনতাহার পরে হজরত জিব্রাঈল (আ.) যদি এক কদম অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করতেন তাহলে তার শরীর জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যেত বলে তিনিই ব্যক্ত করেছেন। সেখানে আমার আপনার নবী, বিশ্বনবী (সা.) কে মহান আল্লাহপাক সম্পূর্ণ সুস্থ শরীরের আরশে আযীমে নিয়ে গেলেন সেই নবীকে শুধুই মাটির মানুষ মনে করে তত্ত্ব উপস্থাপন করলে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত হবে সে বিচার সম্মানিত পাঠকদের হাতে। মেরাজের যে সব জিনিস নবীজী (সা.) দেখানো হয়ঃ- ১। আল্লাহপাকের সমস্ত সৃষ্টিকূলের রহস্য দেখানো হয়। আল্লাহপাকের শক্তির পরিধি কত বিস্তৃত তাঁর সৃষ্টি কত বিশাল ও অদ্ভুত তা দেখানো হয়। ২। জান্নাত দেখানো হয়। ৩। জাহান্নাম দেখানো হয় ৪। নহর দেখানো হয়। দুটো জাহেরী দুটো বাতেনী। ৫। জাহান্নামের ফেরেশতাদের সরদার মালেক কে দেখানো হয়। ৬। সুদখোর, যেনাকারীদের শাস্তি দেখানো হয়। এছাড়াও মহান আল্লাহপাক তাঁর হাবীবকে যা ইচ্ছা করেছেন তাই দেখিয়েছেন এই বিষয়ে বর্ণনা করার অবকাশ নেই। মেরাজের মাধ্যমে মহান আল্লাহপাক যা যা নবীজী (সা.) দিয়েছিলেনঃ- ১। মহান আল্লাহপাকের সাক্ষাত লাভ। আমরা যারা নামাজের মধ্যে তাশাহুদ পাঠ করি অর্থাৎ আত্তাহিয়াতু পাঠ করি এই তাশাহুদটাই মহান আল্লাহপাক ও আমাদের নবীজী (সা.) এর মধ্যে কথোপকথন হয়েছিল আরশে আযীমে। সেই তাশাহুদ আমরা আজো নামাজের মাঝে পড়ে থাকি। ২। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ উপহার দেওয়া হয়, ফরজ করা হয়। (৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়লে ৫০ ওয়াক্ত নামাজের সওয়াব দেয়া হয়।) এখানে মেরাজ থেকে ফেরার পথে নবীজী (সা.) এর সাথে হজরত মূসা (আ.) সাথে সাক্ষাতের বিষয়বস্তু বিস্তারিত তুলে ধরলাম না। পাঠক মাত্রই তা জানেন বিধায়। ৩। সারা পৃথিবীর সৃষ্টিকূলের মধ্যে মানবজাতিকে সৃষ্টির সর্বশ্রেষ্ঠ হিসেবে সম্মান প্রদান। সপ্তম আকাশ পেরিয়ে মাটির নির্যাস থেকে সৃষ্টি হুজুর (সা.) কে মহান আল্লাহপাক আরশে আযীমে নিজের কাছে ডেকে নিয়ে এই সম্মান দিয়েছেন। যে সম্মানের গর্বিত সমস্ত মানবজাতি। ৪। মহান সৃষ্টিকর্তার ১৮ হাজার মাখলুকাতের সৃষ্টির রহস্য রজনীর একটি অতি স্বল্পতম সময়ের মধ্যে আমার আপনার নবী, বিশ্বনবী (সা.) কে দেখিয়ে আবার দুনিয়ায় সস্মানের সাথে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছিলেন মহান আল্লাহপাক। নবীজী (সা.) মেরাজ থেকে ফিরে দেখেন, তিনি যে দরজা দিয়ে বেড়িয়ে গিয়েছিলেন, সেই দরজাটার খিড়কি তখনও দুলছে। যে পানি দিয়ে অজু করে গিয়েছিলেন সেই অজুর পানি তখনও নিচে গড়াচ্ছে! মহান আল্লাহপাকের কাছে এটা কিছুতেই অসম্ভব নয় সব আহ্নিক গতি, বার্ষিক গতিকে স্তব্ধ করে করে দিয়ে নবীজী (সা.) কে মেরাজ করানো। জামানার মোজাদ্দের হজরত শাহ্ চন্দ্রপুরী নকশ্বন্দী মোজাদ্দেদী (র.) বলেছেন, ‘সময়েরও বরকত আছে, যা বিশ্বনবী (সা.) এর মেরাজের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে’। ৫। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য অনেক কিছু নবীজী (সা.) কে মেরাজের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে যা আলোচনাকে সংক্ষিপ্ত রাখার স্বার্থে বর্ণনা করা হল না। মেরাজের স্বীকৃতি মেরাজ থেকে ফিরে নবীজী (সা.) যখন ফজরের নামাজের পর তা বর্ণনা করতে ছিলেন, তখন কোরায়েশরা তাকে হাসি-বিদ্রুপের মাধ্যমে তামাশা করতে থাকে। তারা নবীজী (সা.) এর প্রিয়ভাজন হজরত আবু বকরের কাছে গিয়ে ঘটনা বলতে থাকে। হজরত আবু বকর তাদের কাছে জানতে যান, ‘আগে বলো কে এই কথা বর্ণনা করছে?’ তখন কোরায়েশরা বলতে তোমার নবী মুহাম্মদ। তখন হজরত আবু বকর বলেন, ‘যদি আমার নবী এই কথা বলে থাকেন, তাহলে তিনি সত্য বলেছেন’। হজরত আবুবকরের এই স্বীকার উক্তির মাধ্যমেই তাঁকে ‘সিদ্দিক’ অর্থাৎ সত্যবাদী উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তখন থেকেই হজরত আবু বকরের নামের শেষে সিদ্দিক উপাধি যুক্ত হয়ে আবু বকর সিদ্দিক (রা.) হয়। এরপর কাফেররা বসে থাকে নি। তারা পুনরায় নবীজী (সা.) বিব্রত করতে ফিরে আসে তাঁর কাছে। নবীজী (সা.) কে প্রশ্ন করা হয় বাইতুল মাকদাসের দরজা, জানালা, সিঁড়ি নিয়ে। যদিও মেরাজের উদ্দেশ্য বাইতুল মাকদাসের জানালা, দরজা, সিঁড়ি গুনে রাখার মধ্যে ছিল না, তবুও কাফেরদের এমন প্রশ্নের উত্তর জানাতে মহান আল্লাহপাক হজরত জিব্রাঈল (আ.) এর মাধ্যমে পুরো বাইতুল মাকদাস মসজিদটিই হুজুর (সা.) সন্মুখে নিয়ে আসেন। হাদীসে এসেছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘অতঃপর আল্লাহপাক বাইতুল মুকাদ্দাসকে আমার চোখের সামনে তুলে ধরলেন, আর তারা যা জিজ্ঞাসা করছিল আমি দেখে দেখে গণনা করে করে তার উত্তর দিয়ে যাচ্ছিলাম’। তারপরেও কাফেররা তা বিশ্বাস না করে বরং তাঁকে যাদুকর হিসেবে আখ্যায়িত করে। এখানে ঈমান ও হেদায়েত দেয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণই আল্লাহপাকের হাতে ন্যস্ত। সুতরাং অবিশ্বাসীদের মহান আল্লাহপাক হেদায়েত দেন নি। মহাপবিত্র আল কোরআন হচ্ছে ‘সর্বকালের বিস্ময়ময় বিজ্ঞান’। মেরাজের সত্যতা আজ বিজ্ঞান শুধু স্বীকার করে ক্ষান্ত হচ্ছে না, চিকিৎসা শাস্ত্রে ওপনে হার্ট সার্জারি আবিষ্কার মেরাজের পথে হুজুর (সা.) এর ‘সিনা চাক’ এর ঘটনা থেকেই এসেছে। বিজ্ঞানীদের রহস্যময় মহাকাশ গবেষণায় মেরাজের সত্যতা আজ প্রমাণিত। কেন বললাম মেরাজ না হলে মুসলমান চিনতাম না শরিয়তে যতগুলো হুকুম হজুর (সা.) উম্মতের ওপর নাযিল হয়েছে তার সবই পবিত্র কোরআনের আয়াতের মাধ্যমে নাযিল হয়েছে। একমাত্র শরিয়তে হুকুম ‘নামায’ যা মেরাজের রজনীতে মহান আল্লাহপাক আমাদের প্রিয় নবী, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, নবীদের নবী, আখেরি নবী, সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আরশে আযীমে ডেকে নিয়ে উপহার হিসেবে দিয়েছেন অর্থাৎ উম্মতে মুহাম্মদের জন্য সালাহ্ বা নামায এক মহামূল্যবান উপহার তাঁর সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে। এ জন্য হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে- ‘আস্সালা-তু মী’রাজুল মু’মিনীন’ অর্থাৎ নামাজ হচ্ছে মুমিনীনের মেরাজ। পূবের্ই উল্লেখ করেছি মেরাজের রজনীতে মহান আল্লাহপাক ও নবীজী (সা.) সামনা সামনি বসে যে তাশাহুদ পাঠ করেছিলেন সেই তাশাহুদ (আত্ত্বাহিয়াতু) আমরা আজো নামাযের মাধ্যমে পাঠ করি। এক কথায় মেরাজে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের মধ্যে যা যা ঘটেছিল আজোও একজন মুমিনীনের সাথে মহান আল্লাহপাকের নামাজের মাধ্যমে তাই ঘটে। এর বেশি আর বর্ণনা করার দরকার আছে বলে আমি মনে করি না। তিরমিজী শরীফের হাদীসে আছে, ‘একজন মুসলমান ও একজন কাফেরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামাজ’। আমাদের মাযহাবের ইমামগণ উক্ত হাদীসের ব্যাখ্যা দিয়েছেন এভাবে, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত ত্যাগ করলো সে কুফরি করলো। কুফরি আর শিরকের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। ক্রমাগত কুফরের মধ্যে লিপ্ত থেকে কেউ মুসলমান থাকার যোগ্যতা রাখে না। কুফুরকারী তওবা করে কালেমা পড়ে পুনরায় ইসলামের মধ্যে দাখিল না হলে সে মুসলমান থাকবে না। সুতরাং বলা যায় নামাযই একজন মুসলমানের পরিচয়। আমি মানুষ চিনি এভাবে যে নামাজ আদায় করে তাকে মুসলমান হিসেবে।

Chillah

ইলিয়াসী তাবলীগ ও রাসূল - সঃ এর তাবলীগ ইলিয়াসী তাবলীগ জামায়াতের কার্যকলাপ ২ ইলিয়াস মেওয়াতী সপ্নে এই তাবলীগ জামায়াতের কার্যকলাপ পেয়েছেন এবং রাসুল (সঃ) প্রণীত পাঁচ উসুল বাদ দিয়ে ছয় উসুল আবিষ্কার করেছেন। তার মালফুজাত বইয়ের ৫০ নাম্বার মালফুজাত খুব মনোযোগ দিয়ে পাঠ করলেই এই জামায়াতের আসল উদ্দেশ্য বেরিয়ে আসবে। রাসুলের (সঃ) সপ্ন ওহীরুপে গণ্য হয়, কিন্তু অন্য কোনও ব্যক্তির সপ্ন ওহী হিসাবে গণ্য হয় না। কিন্তু ইলিয়াস মেওয়াতী তার নিজের সপ্নকে নবুয়াতের অংশ বানাতে চায় (দেখুন মালফুজাত গ্রন্থের ৫০ নাম্বার মালফুজাত)। ইলিয়াসী তাবলীগ জামায়াত করতেন এমন এক ভাইয়ের বাড়ির কাছেই তাবলীগ জামায়াতের মারকাজ ও মসজিদ। এই মসজিদের সামনেই হিন্দু ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বাড়ি, মসজিদ থেকে সেই বাড়িতে যেতে ১-২ মিনিটের পথ। কিন্তু ভুলক্রমেও মারকাজ মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, পরিচালনা পরিষদের কেউই কোনও দিনও হিন্দু বা খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের কাছে ইসলামের দাওয়াত নিয়ে যায় না। তারা বলে হিন্দু-খ্রিস্টান থেকে দূরে থাকতে হবে, অথচ এই মারকাজ থেকে দূর দুরান্তে তাবলীগীরা দাওয়াত দেয়ার জন্য চলে যায়, কিন্তু ঘরের কাছের অমুসলমানরা ইসলামের দাওয়াত পায় না। এই একতরফা তাবলীগ করা কি তাবলীগ নাকি তাবলীগের নামে লুকোচুরি। উক্ত ব্যক্তি রাহবার হিসাবে একবার তাবলীগ জামায়াতের গাশতে বের হয়ে একটু সামনে আগালে একজন হিন্দু লোক আসল, তিনি মুতাকাল্লেমকে বললেন যে, উনি একজন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক, উনাকে দাওয়াত দেয়া যায় কিনা। জবাবে মুতাকাল্লেম বললেন যে না না তাকে ডাকা যাবে না। হিন্দু-খ্রিস্টান থেকে দূরে থাকলে ইসলামের দাওয়াত দিব কাদেরকে ? নবী করীম (সঃ) অমুসলমানদের মুসলমান করেছেন। অথচ নবিওয়ালা কাজের দাবীদার ইলিয়াসী তাবলীগ জামায়াতের অনুসারীরা অমুসলমানদের দ্বীনের দাওয়াত দেয়া তো দুরের কথা এদের কাছ থেকে দূরে থাকতে বলে। আমরা যদি হিন্দু-খ্রিস্টানদের দাওয়াত না দেই তাহলে মুসলমান বানাব কাদেরকে ? অথচ খ্রিস্টান মিশনারির মাধ্যমে খ্রিস্টানরা তো ঠিকই খ্রিস্ট ধর্মের প্রচার ও প্রসারের কাজ করে যাচ্ছে। ইলিয়াসী তাবলীগ জামায়াতের মিশন কি ভিন্ন নাকি ? কি সেই গোপন মিশন ? ইলিয়াসী তাবলীগ জামায়াতের অনুসারীরা বলে তিন চিল্লাহ দিলে নাকি জান্নাতে যাওয়া যাবে। শুধুমাত্র তিন চিল্লাহ দিলেই যদি জান্নাতে যাওয়া যায় তাহলে তো পাপীদের আরও সুবিধা, কারন পাপী ও অসৎ ব্যক্তি মনে মনে বলবে সারা জীবন পাপ করে জীবনে তিনটি চিল্লাহ দিব, তাহলেই সব পাপ খতম ! তিন চিল্লাহ দেওয়া অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় চিল্লাহ দেয়ার পরও চরিত্র সংশোধিত হয় নি, চিল্লাহ দেয়া পর্যন্তই শেষ। অনেককে দেখা যায় চিল্লাহ শেষ করে বাড়িতে আসার পর ঊর্ধ্বে সাত দিন সালাত আদায় করে, তারপর আবার পূর্বের অবস্থানে ফিরে যায়। আবার অনেককে দেখা যায় তিন চিল্লাহ দিয়ে এসেছে, মুখে লম্বা দাড়ি, গায়ে লম্বা আলখেল্লা কিন্তু পনের দিন পর গায়ের লম্বা কোর্তা তো উধাও এমনকি মুখের দাড়ি পর্যন্ত নেই, ক্লিন শেভ করেছে। তার সালাত আদায় করা ছুটে গেছে, সে হয়ত মনে মনে ভেবেছে তিন চিল্লাহ যখন দিয়েছি তাহলে তো আমি নিশ্চিতভাবেই জান্নাতি, আমার আর ইবাদতের দরকার নেই (নাউযুবিল্লাহ !)। এদের অনেকেই বলে থাকে তাবলীগ জামায়াতে সময় না লাগালে নাকি জীবনই বৃথা !!! আশ্চর্য তাহলে আমাদের পূর্ববর্তী যারা এই ইলিয়াসী তাবলীগ জামায়াত আবিষ্কার হওয়ার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করেছেন...তারা সকলেই জাহান্নামী ? অনেকেই পিতা-মাতা, স্ত্রী, সন্তান-সন্ততিকে একা ফেলে, তাদেরকে কষ্ট দিয়ে চিল্লায় চলে যায়, এভাবে চিল্লায় যাওয়া কি মানবিক দৃষ্টিতে উচিৎ ? পরিবারের সদস্যদের হোক আদায় না করে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করে তাবলীগ জামায়াত করে কি শরিয়া সম্মত ? তাবলীগ জামায়াতের ভক্ত অনেকে ঈদের আগে চিল্লায় চলে যান বাড়ি ফিরে আসেন ঈদের পর কিন্তু স্ত্রী, সন্তানদের জন্য কিছু কেনাকাটা পর্যন্ত করেন না। এমনকি গোশত বা শেমাই পর্যন্ত ক্রয় করে দিয়ে যান না, এরকম তাবলীগ করা কি সমীচীন ? অনেকে আবার হজ্জ থেকে ফিরে এসে বাড়িতে প্রবেশ না করেই চিল্লায় চলে যান অথচ তার প্রধান কর্তব্য ছিল দীর্ঘদিন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার কারনে পরিবারের হক আগে আদায় করা। ইলিয়াসী তাবলীগীরা চিল্লাহ দেয় মসজিদে। রাসুল (সঃ) কোনও দিন মসজিদে চিল্লাহ দিয়েছেন কি ? সাহাবায়ে কেরামগন (রাঃ), তাবেইন, তাবে তাবেইন, পূর্বের ইমাম গন, অলিরা কি মসজিদে চিল্লাহ দিয়েছেন ? ইতিহাস থেকে জানা যায় যে রাসুল (সঃ) চিল্লাহ দিয়েছেন হেরা গুহায়। বাড়ির কাছে পবিত্র হেরেম শরিফ থাকা সত্ত্বেও তনি সেখানে না গিয়ে হেরা গুহায় গিয়েছেন। হজরত আদম (আঃ) চিল্লাহ দিয়েছেন আরাফাতের ময়দানে। হজরত মুসা (আঃ) চিল্লাহ দিয়েছেন তুর পাহাড়ে। আল্লাহ্‌র অলিরা চিল্লাহ দিয়েছেন নির্জন জঙ্গলে, খাজা মইনুদ্দিন চিশতী (রহঃ) চিল্লাহ দিয়েছেন পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত হজরত দাতা গঞ্জে বকস (রহঃ) এর মাজার সংলগ্ন এলাকায়। শেখ ফরিদ (রহঃ) চিল্লাহ দিয়েছেন চট্টগ্রামের ষোলশহরের চশমা পাহাড়ে। হজরত বায়েজিদ বোস্তামি (রহঃ) চিল্লাহ দিয়েছেন চট্টগ্রামের নাছিরাবাদ পাহাড়ে। হজরত শাহ আলী বাগদাদী (রহঃ) চিল্লাহ দিয়েছেন মিরপুরের নিজ খানকাহতে। রাসুল (সঃ), সাহাবাগন (রাঃ), তাবেইন, তাবে তাবেইন, ইমাম, অলিগন থেকে মসজিদে চিল্লা দেয়ার কোনও প্রমাণই পাওয়া যায় না। তাবলীগীরা এটা কোথায় পেলেন, কোন দলীলে মসজিদে চিল্লাহ দেয় ? হয়ত নতুন দলীল বা যুক্তি তারা সৃষ্টি করেছে। চিল্লাহ হল একাধারে কমপক্ষে চল্লিস দিন জনমানব থেকে দূরে গিয়ে আল্লাহ্‌র ধ্যান সাধনা তথা আত্মশুদ্ধি করা। মসজিদ কি জনমানব থেকে দূরে নাকি কাছে ? তারপরও উনারা মসজিদে একাধারে তিন দ্বীনের বেশী থাকেন না, এক মসজিদে তিন দিন থাকলে তের মসজিদে হয় উনচল্লিশ দিন। বাকি আর একদিন তারা কোথায় থাকে ? হয়ত আসা যাওয়ায় একদিন ব্যয় হয়, এই যদি হয় তাহলে তো চিল্লাহ হল না হল উনচিল্লাহ ! নামে চিল্লাহ কিন্তু কাজে উনচিল্লাহ, এ হল লুকোচুরি।

Monday, 3 November 2014

সিগারেট=হারাম

সিগারেট খাওয়ার শারী’ইয়ী হুকুম কি? সিগারেট খাওয়া কি মাকরূহ নাকি হারাম? উত্তর: সিগারেট খাওয়া হারাম। যে সমস্ত হুজুররা সিগারেট খাওয়াকে “মাকরূহ” বলে ফতোয়া দেয় তাদের সিগারেট সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান নেই। সিগারেটের ক্ষতির পরিণাম সম্পর্কে তাদের ধারনা নেই তাই তারা সিগারেট খাওয়াকে “মাকরূহ” বলে ফতোয়া দেয়। এতে দোষটা আসলে তাদের পুরোপুরি না। কেননা কুরআন ও হাদিসে সিগারেট সম্পর্কে কোন কথা বলা হয় নি। যে সমস্ত হুজুররা সিগারেট খাওয়াকে “মাকরূহ” বলে ফতোয়া দেয় তাদের এই ফতোয়ার অন্যতম কারন ঐ সমস্ত বিদআতি হুজুররা অধিকাংশই পানখোর। তারা যদি সিগারেটকে হারাম বলে ফতোয়া দেয় তবে সাধারণ মানুষ বুঝে ফেলবে এবং জিজ্ঞাস করবে-আপনি যে পান খাচ্ছেন সেটাও তামাক আর আমি যে সিগারেট খাচ্ছি সেটাও তামাক, আপনি হুজুর বিধায় আপনারটা জায়েজ হলে গেল আর আমারটা হারাম হয়ে গেল। তাই ঐ সমস্ত বিদআতি হুজুররা সিগারেট খাওয়াকে “মাকরূহ” বলে ফতোয়া দেয়। তবে বিনা জর্দাতে যদি কেউ পান খায় তবে সেটা হালাল হবে। পান এবং সিগারেট খাওয়া এমন একটি বদ অভ্যাস যা নিজের ক্ষতির পাশাপাশি অন্যের ক্ষতি করে থাকে। সিগারেটের বর্জনকৃত ধোঁয়া অন্য মানুষের নাকে দিয়ে তাঁর ফুসফুসে প্রবেশ করে ফলে সেই লোকটির ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারো কি কোন অধিকার আছে অন্যের ক্ষতি করা? যারা পান খায় তাদের মুখের জর্দার গন্ধে অন্য মানুষের তাদের সাথে কথা বলতে কষ্ট হয়। তাদের পানের পিক অনেক সময় অন্যের জামা-কাপড় নষ্ট করে, তারা সুন্দর পরিবেশকেও পানের পিক দ্বারা নষ্ট করে। আর বিনা কারনে অন্যকে কষ্ট দেয়া ও ক্ষতি করা একটি মারাত্মক কাবিরা গোনাহ। মহান আল্লাহ্ বলেন- "যারা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে কষ্ট দেয়, তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে। (সুরা আল আহযাবঃ ৫৮) বস্তুত জর্দা-সিগারেট খাওয়াই হারাম। তার দলীল- মহান আল্লাহ্ বলেন- "তোমাদের জন্য পবিত্র বস্তু হালাল করে আর অপবিত্র বস্তু হারাম করা হয়েছে।' (সূরা আরাফ :১৫৭) এবার আপনিই বলুন সিগারেট কি পবিত্র বস্তু নাকি অপবিত্র বস্তু? আর সিগারেটের মত দ্রব্যের প্রভাব যে কত টা করুণ তা আমাদের সকলেরই জানা। তাই এমন একটি নিকৃষ্ট খাদ্য কি করে জায়েজ হতে পারে? মহান আল্লাহ্ আরো বলেনঃ "তোমরা নিজেদেরকে হত্যা করো না।" (সুরা নিসাঃ ২৯) আমরা সবাই জানি আত্মহত্যা করা মহাপাপ। অথচ এটাও আমরা সবাই জানি যে, সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকে- "ধূমপান মৃত্যু ঘটায়।/ ধূমপানের কারনে স্ট্রোক হয় ইত্যাদি। সিগারেটের মূল উপাদান হচ্ছে- তামাক। তামাক একটি খুবই ঘাতক বস্তু। এই তামাক মানুষের শরীরে কান্সার হওয়ার জন্য যথেষ্ট। আর তামাকের ধোঁয়াতে নিকোটিন ছাড়াও আরো প্রায় চার হাজার রকমের রসায়নিক দ্রব্য থাকে। এইগুলি উৎপন্ন হয় তামাকের পোড়ার জন্য, তাছাড়া সিগারেট তৈরীর সময় তামাক পাতায় নানারকমের কেমিক্যাল বা রসায়নিক দ্রব্য মেশান হয়, সেইসব কেমিক্যালের পোড়ার সময় নানা প্রতিক্রিয়ার জন্য হাজার রকমের রসায়নিক দ্রব্য তৈরী হয়। যেটা সবচেয়ে বেশী ক্ষতি করে সেটা হ’ল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কনিকা যেগুলি বায়বীয় বা গ্যাসের আকারে বেরিয়ে আসে। এ ছাড়া কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস ও টার (অনেকটা আলকাতরার মত) রসায়নিক জিনিষও বেরিয়ে আসে সেটাও মানব দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। গবেষণায় জানা গেছে ধূমপানের কারনে হয়, ১. ফুসফুসে ক্যান্সার, কিডনীতে ক্যান্সার, ব্ল্যাড ক্যান্সার ইত্যাদি। ২. হাই ব্লাড প্রেশার ৩. অ্যাজমা ৪. ইম্পাইসেমা ৫. ব্রঙ্কাইটিস ৬. ব্রেন ষ্ট্রোক ইত্যাদি এমন আরো মারাত্মক রোগ হয়। তাই এমন মরন ঘাতী একটা বস্তু কি করে হালাল হতে পারে? অতএব একথা এখন প্রমানিত যে- তামাক, জর্দা, বিড়ি, সিগারেট, গুল ইত্যাদি খাওয়া হারাম। “সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল”। (সুরা ইসরাঃ ৮১)