Saturday, 13 June 2015
Jihad.......definition
Debabrata Sarkar
WHAT JIHAD IS
The Arabic word "jihad"
is often translated as
"holy war," but in a
purely linguistic sense,
the word " jihad" means
struggling or striving.
The arabic word for war
is: "al-harb".
In a religious sense, as
described by the Quran
and teachings of the
Prophet Muhammad (s),
"jihad" has many
meanings. It can refer to
internal as well as
external efforts to be a
good Muslims or believer,
as well as working to
inform people about the
faith of Islam.
If military jihad is
required to protect the
faith against others, it
can be performed using
anything from legal,
diplomatic and economic
to political means. If
there is no peaceful
alternative, Islam also
allows the use of force,
but there are strict rules
of engagement.
Innocents - such as
women, children, or
invalids - must never be
harmed, and any peaceful
overtures from the enemy
must be accepted.
Military action is therefore only one means of
jihad, and is very rare. To highlight this point,
the Prophet Mohammed told his followers
returning from a military campaign: "This day
we have returned from the minor jihad to the
major jihad," which he said meant returning
from armed battle to the peaceful battle for
self-control and betterment.
In case military action appears necessary, not
everyone can declare jihad. The religious
military campaign has to be declared by a
proper authority, advised by scholars, who
say the religion and people are under threat
and violence is imperative to defend them.
The concept of "just war" is very important.
The concept of jihad has been hijacked by
many political and religious groups over the
ages in a bid to justify various forms of
violence. In most cases, Islamic splinter
groups invoked jihad to fight against the
established Islamic order. Scholars say this
misuse of jihad contradicts Islam.
Examples of sanctioned military jihad include
the Muslims' defensive battles against the
Crusaders in medieval times, and before that
some responses by Muslims against
Byzantine and Persian attacks during the
period of the early Islamic conquests.
WHAT JIHAD IS NOT
Jihad is not a violent concept.
Jihad is not a declaration of war against
other religions. It is worth noting that the
Koran specifically refers to Jews and
Christians as "people of the book" who should
be protected and respected. All three faiths
worship the same God. Allah is just the Arabic
word for God, and is used by Christian Arabs
as well as Muslims.
Military action in the name of Islam has not
been common in the history of Islam.
Scholars says most calls for violent jihad are
not sanctioned by Islam.
Warfare in the name of God is not unique to
Islam. Other faiths throughout the world have
waged wars with religious justifications
Like · Reply · Report · 2 hours ago
Monday, 8 June 2015
F ridge
দেশপ্রেম২৪.কম, ডেস্ক :
রেসিপি : টমেটো-বিফ-কারি
দিন দিন আয়ত্বের বাইরে চলে যাচ্ছে আপনার দেহের ওজন। এরই মধ্যে ফ্যাট জাতীয় সব খাবার খাওয়া বাদ দিয়ে দিয়েছেন। খাবারের প্রতি লোভ থাকলেও সংবরণ করে চলেছেন অতি কষ্টে। অথচ প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে দেহ হয়ে পড়েছে একদম দূর্বল। কিন্তু, আপনাদের জন্য রয়েছে সুখবর! পছন্দের মাংস খাবেন, ওজন বাড়বে না বরং কমবে। তাই আসুন শিখে নেয়া যাক ওজন কমাতে বিশেষ পদ্ধতির মাংস রান্নার পদ্ধতি।
যা যা লাগবে
চর্বি ছাড়া মুরগী, গরু বা খাসির মাংস টুকরো আধা কেজি। লেবুর রস ২ চা চামচ, পিঁয়াজকুচি বড় ১ টি, কাঁচা মরিচ কুচি ২টি, রসুন মিহি কুচি ২ কোয়া, আদা মিহি কুচি ১ চা চামচ, ভিনেগার ১ চা চামচ, টক দই আধা কাপ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া আধা চা চামচ, গরম মশলা গুঁড়া আধা চা চামচ লবণ স্বাদমতো, তেল এক টেবিল চামচ।
যেভাবে করবেন
একটি বাটিতে মাংসের টুকরোতে লেবুর রস, কাঁচামরিচ কুচি, আদা রসুন কুচি, ভিনেগার আর পিঁয়াজ কুচি দিয়ে মেখে ১ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। অন্য একটি বাটিতে টক দই, লবণ, ধনে, জিরা, মরিচ, গরম মসলা গুঁড়া, তেল ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার মেখে রাখা মাংসের সঙ্গে মিশ্রণটি মিশিয়ে আরও ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে। একটি নন স্টিক পাতিলে করে মাঝারি আঁচে মেখে রাখা মাংস দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। মাংস থেকে পানি বের হতে থাকবে। পাঁচ মিনিট পর সামান্য একটু পানি দিয়ে মৃদু আঁচে আরও ১৫ মিনিট রান্না করতে হবে। ঝোল শুকিয়ে এলে মাংস নামিয়ে আনুন। যারা নিজেদের বেশি ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন তারা মজার এই খাবারটি খেতে পারেন একদম চিন্তা বাদেই। বরং খুশি থাকুন ওজন কমে যাওয়ার আশায়।
(দেশপ্রেম২৪.কম/এআর/১২:০৫পিএম/৯/৬/২০১৫ইং)
More News
ওজন কমাবেন, তাই বলে মাংস খাবেন না? জেনে নিন বিশেষ পদ্ধতির মাংস রান্নার পদ্ধতি
দেশপ্রেম২৪.কম, ডেস্ক :
রেসিপি : টমেটো-বিফ-কারি
দিন দিন আয়ত্বের বাইরে চলে যাচ্ছে আপনার দেহের ওজন। এরই মধ্যে ফ্যাট জাতীয় সব খাবার খাওয়া বাদ দিয়ে দিয়েছেন। খাবারের প্রতি লোভ থাকলেও সংবরণ করে চলেছেন অতি কষ্টে। অথচ প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভ........ বিস্তারিত
শুধু আলুর তৈরি অসাধারণ স্বাদের 'হ্যাশ ব্রাউন'
দেশপ্রেম২৪.কম, ডেস্ক : আলুর তৈরি ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, ওয়েজেস, চিপস, ললিপপ তো হরহামেশাই খাওয়া হয়ে থাকে। বেশ জনপ্রিয় ফাস্টফুড এই খাবারগুলো। কিন্তু শুধু আলুর তৈরি আরেকটি জনপ্রিয় খাবার রয়েছে যা স্বাদে সত্যিই অসাধারণ। অনেকেই ‘হ্যাশ ব্রাউন’........ বিস্তারিত
এই গরমে তৈরি করুন 'ব্রাউনি চকলেট আইস ক্রিম'
দেশপ্রেম২৪.কম, ডেস্ক : "গরমে ঠাণ্ডা খাবার"! আমাদের। আজকের রেসিপি ব্রাউনি চকলেট আইসক্রিম। আর রেসিপিটি পাঠিয়েছেন ইসরাত জাহান বিথী।
উপকরণ
ডিমের কুসুম -১ টি
তরল দুধ -১ কাপ
কর্ণফ্লাওয়ার- দেড় চা চামচ
কনডেন্সড মিল্ক - ১ কাপ
হুইপড ক্রি........ বিস্তারিত
ডিম ছাড়াই তৈরি করুন মজাদার 'চকলেট মুজ'
দেশপ্রেম২৪.কম, ডেস্ক : এই গরমে একটু ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা খাবার হলে কেমন হয় বলুন তো? তাহলে শিখে নিন মুনমুন মেহমুদের এগলেস চকলেট মুজ তৈরির রেসিপি। খুব মজার এই খাবারটি তৈরি করতে পারবেন কোন ডিম ছাড়াই!
Tips Fridge
চলুন তাহলে জেনে নিই কিছু সহজ টিপস
১। বাজার করার পর যে সকল জিনিস ফ্রিজে রাখবেন সেগুলো আগে আলাদা ভাবে গুছিয়ে নিন। তারপর রাখুন।
২। ফ্রিজ কখনোই বারবার খোলা ও বন্ধ করা ঠিক না। বাসায় বাচ্চা থাকলে ফ্রিজ লক করে রাখুন।
৩। সপ্তাহে একদিন অবশ্যই ফ্রিজের ভিতরে সমস্ত জিনিসপত্র বের করে ফ্রিজ বন্ধ করুন, তারপর ফ্রিজ পরিষ্কার করুন।
৪। কাঁচা বাজার আসার পর মাছ-মাংস, সবজি ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করুন তারপর প্রতিদিন রান্নার হিসাব অনুযায়ী গুছিয়ে রাখুন। এঁটে ঝামেলা অনেক কমে যাবে।
৫। যে দ্রব্যগুলো আগে ব্যবহার করবেন, তা ফ্রিজের নরমাল অপশনে রাখুন। এবং পরে যেগুলো ব্যবহার করবেন সেগুলো ডিপে রাখুন। সব দ্রব্য ডিপে রাখার প্রয়োজন নেই।
৬। ফ্রিজে আমরা কাঁচা মরিচ অনেক দিন সংরক্ষন করে রাখি। এবং অনেকদিন থাকার ফলে কাঁচামরিচ নষ্টও হয়ে যায়, তাই কাঁচামরিচ আনার পর বোটা ছাড়িয়ে একটি পরিষ্কার শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে কাচের কোন পাত্রে সংরক্ষন করুন। অনেকদিন ফ্রেশ থাকবে।
৭। ধনে পাতাও আমরা প্রায় সময়ই বেশি করে এনে রাখি। বিশেষ করে মাছের কোন রান্নায় ব্যবহার করি আমরা ধনে পাতা। তাই ধনে পাতাকেও যাতে আপনি বেশিদিন সংরক্ষণ করতে পারেন তার জন্য ধনে পাতা আনার পর গোড়া কেটে বক্স করে ফ্রিজে রাখুন ভালো থাকবে।
৮। বিশেষ করে গরমের সময় আমরা বোতলে করে ফ্রিজে ঠাণ্ডা পানি রাখি। এই ঠাণ্ডা পানির বোতলগুলো ব্যবহার করার পর উপরের দিকটা না ধুয়েই আমরা আবার তা ভরে ফ্রিজে রাখি। এতে করে আপনার ফ্রিজে জীবাণুর আক্রমন হতে পারে। তাই বোতলের বাইরের দিকটা সবসময় ধুয়ে তারপর রাখুন।
৯। ডিম আমাদের প্রতিদিনের জনপ্রিয় খাবার। একসাথে অনেক ডিম এনে তা ফ্রিজে রাখি। কিন্তু আমরা অনেকেই ডিম সরাসরি ফ্রিজে রাখার আগে পরিষ্কার করিনা। কিন্তু ডিমের উপরের অংশে থাকে অনেক ময়লা, যা থেকে ফ্রিজে অন্য খাদ্য দ্রব্যে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমন হওয়ার সম্ভবনা থাকে। তাই ডিম আনার পর তা কিছুক্ষণ খুব হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন তারপর ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে ফ্রিজে রাখুন।
১০। ফ্রিজে যেকোন খাবার রাখুন না কেন সবসময় ডেকে রাখুন কিংবা বক্সে করে রাখুন খাবার ফ্রেশ থাকবে।
ফ্রিজে খাবার সতেজ
ফ্রিজে খাবার সতেজ রাখার ১০টি অসাধারণ টিপস
Posted by achol
অনেকেরই এই অভিযোগ থাকে যে ফ্রিজে রাখা খাবার সতেজ থাকে না। সবজিগুলো কেমন শুকিয়ে যায়, রান্না করা খাবারে গন্ধ হয়ে যায় কিংবা এক খাবারের গন্ধ মিশে যায় অন্য খাবারের সাথে। অনেকেই বুঝে পান না কেন ফ্রিজে রাখা সত্ত্বেও দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে খাবার, কিংবা কেন ডিপ ফ্রিজে রাখা খাবারে স্বাদ মিলছে না মোটেও। এই সমস্ত সমস্যার সমাধান পেতে জেনে নিন ১০টি অসাধারণ টিপস। ফ্রিজে খাবার রাখা নিয়ে সকল ঝামেলা এবার ফুরালো।
১) সবজি পলিথিনের ব্যাগে রাখেন? এই কাজটি করবেন না মোটেও। সবজি রাখুন কাগজের প্যাকেটে কিংবা খবরের কাগজ দিয়ে মুড়ে। অনেকদিন সতেজ থাকবে।
২) কিছু খাবার একটু অন্যভাবে রাখে হয় ফ্রিজে। যেমন ধরুন মরিচের বোঁটা ফেলে রাখবেন, শাক কুটে রাখবেন, ধনে পাতা রাখবেন গোঁড়া সহ। শাকের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রাখার উপায় হচ্ছ একটু ভাপিয়ে রাখা। বেগুনের গায়ে মেখে রাখতে পারেন সামান্য একটু তেল।
৩) ফ্রিজের গায়ের সাথে লাগিয়ে কোন খাবার রাখবেন না। বিশেষ করে কোন রকমের তাজা ফলমূল বা সবজি তো একেবারেই না।
৪) মাখন তো ফ্রিজে রাখতেই হয়, ঘি-কেও ফ্রিজে রাখতে পারেন অনেকদিন ভালো রাখার জন্য। তবে দুটিই রাখবেন একদম এয়ার টাইট পাত্রে।
৫) আপনি জানেন কি, গুঁড়ো দুধ কিংবা চানাচুর-বিস্কিটের মত খাবার ফ্রিজে একদম সতেজ ও মুচমুচে থাকে? এক্ষেত্রে সবচাইতে ভালো হবে প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ করলে।
৬) ফ্রিজে যাই রাখুন না কেন, প্লাস্টিকের এয়ার টাইট বাক্সে সংরক্ষন করুন। এবং ফ্রিজে সর্বদা এক টুকরো কাটা লেবু রাখুন। মাঝে মাঝে বেকিং সোডা মেশানো পানি দিয়ে ফ্রিজ মুছে নিন। এতে এক খাবারের গন্ধ অন্য খাবারে প্রবেশ করবে না। ফ্রিজেও দুর্গন্ধ হবে না।
৭) ফ্রিজে যেমন মাংসই রাখুন না কেন, সেগুলো অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে একদম পরিষ্কার করে রাখুন। এটা মাংসে বাজে গন্ধ হবে না, অনেকদিন পর্যন্ত সতেজ থাকবে, স্বাদ থাকবে অক্ষুণ্ণ।
৮) মাছ ফ্রিজে রাখার রাখে ভালো করে কেটে বেছে, লবণ পানি দিয়ে ধুয়ে তবেই রাখুন। এতে স্বাদে কোন হেরফের হবে না। বেশ আঁশটে গন্ধ ওয়ালা মাছে সামান্য একটু ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন।
৯) ফ্রিজে কাটা পেঁয়াজ রাখতে চাইলে পেঁয়াজ একটি এয়ার টাইট বাক্সে রেখে সামান্য লবণ ছিটিয়ে দিন। তারপর বাক্সতি মুখ বন্ধ করে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে নিন। ব্যাগটি সিল করে ফ্রিজে রাখুন।
১০) ফ্রিজে ডিম রাখার সময় মোটা অংশটি নিচের দিকে ও সরু অংশটি ওপরে রাখুন। ডিম হাতলে না রেখে বাটিতে করে ফ্রিজের ভেতরে রাখুন। অনেকদিন ভালো থাকবে।
সুত্রঃ প্রিয় লাইফ
ফ্রিজ পরিষ্কার
শীতের সময়ে খাবার ভাল রাখার চিন্তা থাকে না। আর গরমকালে খাবার সংরক্ষণে ফ্রিজের তুলনা নেই। আবার ঠান্ডা খাবার ঝটপট গরম করে নিতে গৃহিণীর পছন্দ মাইক্রোওয়েভ ওভেন। তবে ফ্রিজ এবং ওভেন-এর যত্ন না নিলে হয়ে যাবে হিতে বিপরীত, নষ্ট হয়ে যাবে খাবার। আর এসব খাবার খেলে দেখা দিবে নানা ধরনের রোগ-ব্যাধি। তাই নিজে এবং পরিবারকে সুস্থ রাখতে এ দুটি যন্ত্রের যত্ন অতি প্রয়োজনীয়। কীভাবে ফ্রিজ ও ওভেন পরিষ্কার রাখবেন, তার কিছু টিপস জানাচ্ছেন মরিয়ম মনি।
ফ্রিজ হওয়া চাই শুষ্ক
শহুরে জীবনে গরমকালে পেটের সমস্যা বেড়ে যাওয়ার একটি প্রধান কারণ অপরিষ্কার ফ্রিজ। ব্যস্ত গৃহিণীরা আজকাল সপ্তাহ খানেকের খাবার একসঙ্গে রান্না করে ফ্রিজে রাখেন। তারা জানেন না, এই খাবার দুই দিনের মাথায় নষ্ট হয়ে যায়। জন্ম নেয় ব্যাকটেরিয়া। তবে একটি পরিষ্কার ফ্রিজ এই ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে অনেকখানি। আর সেজন্য যেসব কৌশল অবলম্বন করতে পারেন-
১. প্রথমেই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী নবটি বন্ধ করে নিন। ফ্রিজের পানি জমে যে ট্রে’তে, সেটিও বের করে পানি সরিয়ে নিন।
২. ফ্রিজে রাখা সব খাবার বের করে নিন। পানির বোতল থেকে শুরু করে প্যাকেটের মধ্যে রাখা মাছ-মাংসের মোড়কসহ সব সরিয়ে নিন।
৩. বাজারে যে তরল সাবান (লিকুইড সোপ) পাওয়া যায়, সেটি কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। ওই পানি দিয়ে ভালোমতো ধুয়ে নিন ফ্রিজের তাক, ড্রয়ারসহ সব টুকিটাকি অংশ।
৪. এরপর ঠান্ডা পরিষ্কার পানিতে ফ্রিজের তাক, ড্রয়ার ইত্যাদি অন্তত দুবার ধুয়ে ভালোমতো মুছে নিন। এক্ষেত্রে শুকনো তোয়ালে, বা নিউজপেপার কিংবা টিস্যু ব্যবহার করবেন।
৫. একইভাবে ধুয়ে মুছে নিন ফ্রিজের ভেতরের অংশ। খেয়াল রাখবেন ফ্রিজে যেন পানির একটি ফোঁটাও না থাকে। প্রয়োজনে ড্রায়ার ব্যবহার করুন।
৬. সব তাক ও ড্রয়ার ধুয়ে-মুছে সেট করুন আবার ফ্রিজে। চালু করার অন্তত ১৫ মিনিট পর খাবারগুলো আবার ফ্রিজে রাখবেন। সপ্তাহে অন্তত একদিন ফ্রিজ এভাবে পরিষ্কার করবেন।
৭. ফ্রিজে অতিরিক্ত খাবার পানি রাখবেন না, এতে ফ্রিজের ভেতরে পানি জমে ব্যাকটেরিয়া বাড়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়।
৮. মাছ-মাংস ফ্রিজে রাখার জন্য বড় বাক্স বা কনটেইনার ব্যবহার করুন। মাছের জন্য আলাদা ও মাংসের জন্য আলাদা বাক্স ব্যবহার করা উচিত। এতে করে ফ্রিজে গন্ধ তৈরি হবে না। সবজি রাখার ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারেন।
রক্ষণাবেক্ষণের ওপরেই নির্ভর করে ফ্রিজ আপনার খাবার কীভাবে সংরক্ষণ করবে। যেনতেন ভাবে ফ্রিজ ব্যবহার না করাই ভালো। আজকাল অনেক ফ্রিজে ‘ডিওডোরাইজার’ থাকে, যা খাবারের মান তো নষ্ট করেইনা বরং ফ্রিজটি রাখে দুর্গন্ধ মুক্ত। আর ফ্রিজের দরজায় খাবার পানির বোতল রাখলে দরজার তাক ঝুলে যেতে পারে। এতে করে ফ্রিজে বাতাস ঢোকে। যার ফলে ভেতরটা ঠিকমত ঠান্ডা হতে পারে না। এতে খাবার নষ্ট হয়ে যায়। তাই ফ্রিজের দরজার তাকে পানির বোতাল বা ভারী কিছু রাখবেন না। অনেক ফ্রিজেই ডালা না খুলে পানি ও বরফ বের করার ব্যবস্থা থাকে। তাই ফ্রিজ কেনার আগে এসব বিষয় খেয়াল করে নেয়া উচিত।
ওভেনের যত্ন নিন
রন্ধন শিল্পী কেকা ফেরদৌসী বলেন, “যদি প্রতিদিন ওভেন ব্যবহার করা হয় তাহলে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন পুরো ওভেন ফ্রিজের মতো আলাদা অংশগুলে খুলে পরিষ্কার করা দরকার। লিকুইড সোপ বা তরল সাবান ছাড়াও বাজারে ‘ওভেন ক্লিনার’ পাওয়া যায়। প্রয়োজনে সেটিও ব্যবহার করতে পারেন। শুধু ওভেন নয়, এতে ব্যবহৃত বাটি, ভেতরে বসানো পেয়ালাও পরিষ্কার রাখুন সমানভাবে। ওভেনের ভেতর খাবারের ছিটেফোঁটাও যেন পড়ে না থাকে, সে বিষয়ে খেয়াল রাখুন।”
ফ্রিজ, ওভেন বা যেকোন বৈদ্যুতিক যন্ত্র পরিস্কার করার সময় অবশ্যই যন্ত্রটির বৈদ্যুতিক সংযোগ তারটি প্লাগ থেকে খুলে রাখবেন।
Saturday, 30 May 2015
64 district of bd
দৈনিক ভুয়া নিউজ
"গল্পে গল্পে ৬৪ জেলা জেনে
নাও’’
দিনাজপুরের দিনার সাথে
ফরিদপুরের
ফরিদের বিয়ে
হয়।বিয়েতে কিশোরগঞ্জের
কিশোররা মিলে
নেত্রকোণার কোণাতে একটি
অনুষ্টানের
আয়োজন করে। ঠাকুরগাঁওয়ের
ঠাকুর,ব্রাহ্মণব াড়িয়ার
ব্রাহ্মণ
পরিবার,রাজবাড়ি র রাজ
পরিবারের
সদস্যরা অনুষ্ঠানে
যোগদান
করে।তারা টাঙ্গাইল থেকে
টাঙ্গাইলশাড়ী উপহার
দেয়। এই বিয়েতে কাজী ছিল
মুন্সিগঞ্জে মুন্সি।
বিয়েতে সাতক্ষীরার সাত
পরিবার,চাঁদপুরে র চাঁদ মিয়া
ও
গোপালগঞ্জের গোপাল উপস্থিত
ছিল।
লালমণিরহাট
বাজার থেকে বরপক্ষ
লালশাড়ী কিনে এনেছিল।
মৌলভীবাজারের মৌলভী
ভোলা
থেকে ভুল করে বরিশালের বড়ি
নিয়ে
এসেছিল।
হবিগঞ্জের নাম দেখে
জামাইয়েরহবি (শখ)
হয়েছিল,ঢাকা
থেকে টাকা কামাই
করে গাইবান্দা
থেকে গাই (গাভী)এবং বান্দরবন
থেকে বান্দর
(বানর)কিনে
সুনামগঞ্জে সুনামছড়িয়ে
দিয়ে
ছিল।
সে
জয়পুরহাটের মানুষের মন জয় করে
কুমিল্লা থেকে কুমির নিয়ে
বাড়ি
ফিরে এসেছিল।
পঞ্চগড়ের পঞ্চদানব
ময়মনসিংহ থেকে সিংহ এনে
রংপুরের
রং দিয়ে
সাজিয়ে বউকে
ভয় দেখিয়েছিল। পরে বউ পাবনার
পাগলা গারতে
পাগল অবস্থায়
ভর্তি হয়। পাগল হয়ে যাওয়ার পর
সে
সিলেটের
শ্লেট এবং
ঝালকাঠির কাঠি দিয়ে বাজনা
বাজাচ্ছিল এবং
খাগড়াছড়ির
মতো হাত,পা ছড়াছড়ি করছিল। তা
দেখে তার শ্বশুর
মানিকগঞ্জে মানিককে
নিয়ে পিরোজপুরের ডাক্তারকে
খবর
দিলেন।
ডাক্তার বললেন, তাকে
ঝিনাইদের জ্বিনে ধরেছে। তাই
ডাক্তর তাকে
চুয়াডাঙ্গার কমিরের
চুয়াল দিয়ে ওষুধ খাওয়াতে
বললেন।
পরে জামাই
কুষ্টিয়া থেকে মুষ্টি ভিক্ষা
করে বউয়ের অসুখ ভাল করল। বেশ
কয়েকদিন
পর তাদের ঘরে একটি মেয়ে
জন্ম নেয়। নীলফামারীর নীলা ও
জামালপুরের
জামাল মেয়েটিকে নাম
দেয় লক্ষ্ণীপুরের লক্ষ্ণী।
মেয়ের জন্য
তার বাবা খুলনা থেকে দোলনা
কিনে আনল।মেয়েটি প্রত্যেক দিন
ফেনীর
ফেন খাওয়াত। ফেন খেয়ে
মেয়ে বলত, মায়ের হাতে যশোর-এর
যশ
আছে।মেয়ের ইচ্ছা হল মাগুরার
মাগুর
খাওয়ার।তার বাবা
গাজীপুরের গাজীর কাছ থেকে
মাগুর
কিনে
আনার জন্য গেল ।গাজী বলল, সে
শেরপুরের
শের হিসেবে বিক্রি করবে।
কুড়িগ্রামের কুড়িঁ টাকা
দিয়ে তার বাবা মাগুর কিনে
আনল।
মেয়ে
বাগেরহাটে বাগ(বাগান) করার
সময়
তার হাত কেটে ফেলে। হাত থেকে
রাঙ্গামাটির
মত লাল রক্ত মাটিতে
পড়তে থাকে।মেয়েকে
তাড়াতাড়ি
নোয়াখালীর
খালি গাড়ি দিয়ে
নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ি
নাটোরের
নাট ঢিল হয়ে যায়,
ফলে সেখানে
দুঘটনা ঘটে। এতে ভৈরবে মানুষের
রব
পড়ে যায়।
তাকে নারায়গেঞ্জের
নারায়ণচন্দ্রের কাছে নিয়ে
গেল,
সে
বলে
তাকে কক্সবাজারের কক্সজারা
দিতে হবে। এবং চট্রগ্রামের চটি
জুতা
পরাতে হবে।
জুতার রং খাকবে
মাদারীপুরের মাদ রং। জুতা পরে
মেয়ে নওগাঁ
শহড়েরগাঁয়ে গেল।
আল্লাহ ও মেহেরপুরের লোকদের
মেহেরবানীতে তার পা ভাল হয়ে
যায়। মা-বাবা শরীয়তপুরের
শরীয়তের
বিধান
অনুযায়ী বরগুনার এক বরের সাথে
মেয়ের বিয়ে ঠিক করল।নরসিংদীর
নরেরা আগে
থেকে কথা
দিয়েছিল,তারা বিয়ের সময়
পটুয়াখালীর পটু নামে
একটি ছাগল
উপহার দিবে।সে ছাগলটিকে তার
নড়াইল এর মতবেশি
নড়াচড়া করতে
দিবে না।ছাগলটিকে বগুড়া থেকে
এনে চালের গুড়া
খাওয়াবে। এসময়
পটু সম্পর্কে তারা
চাঁপাইনবাবগঞ্জে
রনবাবদের মত
চাপা মারছিল।
এরপর তাদের বিয়ে কোন ঝামেলা
ছাড়াই সম্পন্ন
হয়েছিল। বলতে পার? কার
কার বিয়ে হল, বরযাত্রী কারা এল
এবং
উপহার কি কি
দিল.............
Monday, 18 May 2015
Abc
Part 2 :
kuch missing hai . Isko easy, Not complected nehi, user frindly kiya. 1st time isko samajh na, then it is Very easy technique. .
My lovely friends.. Waiting for reply.. BTST is 1day Sale POST.. No waiting, no Bidding, Seller Fix INCRESE slab, BUYER get Instant buy, And most imp that = during bidd, BUYER get Re purchase offer from Seller, BUYER Not bound to do these. And number of bidd alloted by saller, during trade he Ask to buy remain Number of Only bidd from Leading Seller. Why? If Seller don't get expected price for items he Sale, and going cheap deal but 2 more bidd Not enter by any 2nd BUYER, time is end after 1hr, (example) , then Seller can Ask remain 2 blank Bid from leading BUYER at the price of bidd INCRESE submited at start post.. How this possible? or how to Pay back to BUYER for remain bidd?
After get all member query, reply I get here, will be discuss again and solution also..
Monday, 27 April 2015
E buy rules
1) Approval time is 6:30 am to 11;30 pm .
NO POST VALID 11;30 PM TO 6:30 am ..( night shift CLOSED ,
2)READ SLAB % HERE:
Bidding Increment slab: (For all type auction)
-----+
slab:
Upto 99 : 10 rs
100 to 499: 30
500 to 999 : 50,
1000 to 1999: 70,
2000 to 4999: 100,
5090 to 9999 : 200,
Above 10,000: 300
Note:
above 3000 every deal, must be under my SECURITY SYSTEM..
BUYER PAY NEFT to Me, Seller Send Items to Buyer and inform me.. AFTER BUYER GET ITEMS SAFELY AND AS PER DESCRIPTION POSTED, I TRANSFER ONLINE PAYMENT TO SELLERS ACCOUNT..
BOTH SIDE are Charged 4% of the final amount ..
EXAMPLE: buyer send me 104 rs, after success deal, I'Ii transfer, 96 rs to seller..)
This is all about Safety , and security..AND BACK OFFICE EXPENSES ..
I THINK THIS SYSTEM MUST BE AGREED BY ALL MEMBERS..,
PLEASE SUGGEST IF U HAVE ANY BETTER OPTION..
-------------
DOCUMENTS: ( 1 ANY)
For sale your collection Only 1 document must , BANK PASSBOOK OR BANK DETAILS , ( snap of a cheque where name, branch, ac num print or both )
Send to : sifnc.fb@gmail.com.
Without member code, no post approved ..
Call/Whtsapp 9002000298
Asit b. CHATTERJEE,
( admin, Free service )
Update today: 22-march, 2015,
Effect from today..
নেপাল
Nepal 1 Rs Coin Mount Everest and "Sagarmatha
1 Rupee - Gyanendra Bir Bikram Nepali Coin
SELLING PRICE: Rs.22 per pic / (only 50 Pic Available) + 49 Shipping, (Combined Shipping Available)
.
Features
Country Nepal
Years 2064-2066 (2007-2009)
Calendar Nepalese (Vikram Samvat)
Value 1 Rupee
1 NPR = 0.010 USD
Metal Brass plated Steel
Weight 4 g
Diameter 20 mm
Thickness 1.8 mm
Shape Round
Obverse : Mount Everest and "Sagarmatha" (name of Everest in Nepali) as the inscription
Reverse - Nepal Map with mountains and value in English above and in Nepali below
Sunday, 26 April 2015
Bidding Slab
Here is how increments are determined:
Current High Bid
Increment
Rs. 0.01 - Rs. 99.99
Rs. 25.00
Rs. 100.00 - Rs. 499.99
Rs. 50.00
Rs. 500.00 - Rs. 999.99
Rs. 75.00
Rs. 1000.00 - Rs. 1999.99
Rs. 100.00
Rs. 2000.00 - Rs. 3999.99
Rs. 150.00
Rs. 4000.00 - Rs. 9999.99
Rs. 200.00
Rs. 10,000.00 - Rs. 24,999.99
Rs. 300.00
Rs. 25,000.00 - Rs. 49,999.99
Rs. 500.00
Rs. 50,000.00 - Rs. 99,999.99
Rs. 750.00
Rs. 100,000.00 and up
Rs. 2000.00
Note: A bidder may be outbid by less than a full increment. This would happen if the winning bidder's maximum bid beats the second highest maximum by an amount less than the full increment. Here's an example.
You're the first bidder and you place a maximum bid of Rs. 30.00. The bidding system will automatically bid on your behalf up to Rs.30.00 against other bidders. When a second bidder places a maximum bid of Rs 25.00, your bid will automatically be raised to Rs.30.00. When a third bidder bids Rs.60.00, this bidder becomes the high bidder because your maximum bid is only Rs.30.00. It seems that the third bidder should be required to bid in Rs.25 increments, which would be Rs. 85.00. But not in this case, because the third bidder needs only to exceed the next allowed bid amount of Rs.55.00 (Rs.30.00 plus Rs.25.00). Since Rs.60.00 is more than Rs.55.00, the third bidder satisfies the bid requirement. Experienced bidders often use this technique of bidding a few rupees over the bid increment.
A bid increment will go higher than the standard increment in two situations:
To meet the reserve amount
To beat a competing bidder's high bid
If you were bidding against another bidder's maximum bid, your bid had to meet the other bidder's maximum bid plus one paisa to become the current high bidder on the item.
Sometimes the item page will show that there are 2 bids, yet there is only one bidder. This happens when a member places more then one bid to increase his or her maximum bid amount. For example, if you are the first bidder on an item and you place a second bid to increase your maximum bid amount, the item page would show the current high bid at the opening bid amount, but would show that two bids have been placed on this item.
Friday, 24 April 2015
Info 20
★★★জেনে নিন অসাধারণ 20 টি
তথ্য___
1. পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক মানুষের
মস্তিষ্কে পরজীবি বাসা বেধে আছে।
`
`
2. নতুন কলম হাতে নিলে বেশিরভাগ
মানুষ তার নিজের নাম লিখে থাকে।
`
`
3. যে শিশুরা ছোটবেলায় খুব মিথ্যা কথা
বলে, বড় হয়ে সে সফল পেশাদার হয়।
`
`
4. মেয়েরা নীল রং এর শোওয়ার ঘর পছন্দ
করে এবং পুরুষরা সাদা।
`
`
5. কোনো নতুন অভ্যাস তৈরী হতে
মানুষের সময় লাগে মাত্র একুশ দিন।
`
`
6. মঙ্গল গ্রহকে লাল দেখায় কারণ এর
মাটি লোহার অক্সাইড (Fe2O3)
দিয়ে তৈরি।
`
`
7. মেয়েরা যতো মেধাবি হবে ততো
প্রজননে অক্ষম হবে।
`
`
8. হিটলার আজীবন নিরামিশিষি
ছিলেন এবং তার একটি শুক্রাশয় ছিলো।
`
`
9. যে ব্যক্তি সেপ্টেম্বর বা নভেম্ভর
মাসে জন্ম গ্রহণ করে তারা দীর্ঘায়ু হয়।
`
`
10. 96 শতাংশ কিশোর/কিশোরী
সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করার আগে
তার মোবাইল ফোনটা চেক
করে।
`
`
11. মহাকাশচারী হতে হলে আপনার
উচ্চতা 5'2'' এর কম এবং 5'7'' এর
বেশি হওয়া চলবে না।
`
`
12. মোবাইল ফোন চার্জ করার সময়
Airplane mode বা Flight mode
সেটিং করে দিলে তিন গুন কম সময়ে
চার্জ হবে।
`
`
13. মাদাম কুরি রেডিয়াম নামক
তেজস্ক্রিয় পদার্থ আবিষ্কারের জন্য
নোবেল পুরুষ্কার পান।
`
`
14. আয়নায় দেখার সময় আমরা নিজেকে
প্রায় ছয়গুণ বেশি সুন্দর
দেখি।
`
`
15. মেরু প্রদেশে বস্তুর ওজন 3 শতাংশ
কমে যায়।
`
`
16. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তিনটি দেশের
জাাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা।
বাংলাদেশ, ভারত এবং শ্রীলংকা।
`
`
17. Google প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 929
ডলার আয় করছে। বাংলাদেশি টাকায়
প্রায় 71533 টাকা প্রতি সেকেন্ডে।
`
`
18. পরপর মোট 480 টি কলা খেলে সে
ব্যক্তি পটাশিয়ামের ওভার ডোজের
কারণে মারা যাবে।
`
`
19. ফোনে কথা বলার সময় মানুষ
স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় তিনগুন
জোরে কথা বলে।
`
`
20. স্টাচু অব লিবার্টির জুতোর সাইজ 9.
Saturday, 18 April 2015
Ovijog....ans ready kor
১ মানুষের বানরে রূপান্তর (Quran 2:65)
২ পৌরানিক werewolves (ইয়াজুজ মাজুজ) দের পৃথিবীতে অবস্থান (Quran 21:96)
৩ আকাশ থেকে খাদ্যের আবির্ভাব (Quran 5:114-115)
৪ লাঠি নিক্ষেপের পর সাপ হয়ে যাওয়া (Quran 7:107)
৫ সোলেমানের জ্বিন আর পাখির সৈন্য থাকা (Quran 27:16-17, 20-22, 23)
৬ নবী ইউনুসের মাছের পেটে যাওয়া এবং প্রার্থনা করা (Quran 37:142)
৭ সোলেমানের পিপড়ার সাথে কথা বলা (Quran 27:18)
৮ পাখা যুক্ত ঘোড়ায় চড়ে মুহম্মদের স্বর্গে গমন (Quran 17:1)
৯ দেহের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ কতৃক মানুষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যদান (Quran 24:24)
১০ সমুদ্রের দুই ভাগ হয়ে যাওয়া (Quran 2:50)
১১ সোলেমান কতৃক বায়ুকে নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা (Quran 38:36)
১২ মৃত ব্যক্তি কতৃক তার খুনিকে চিহ্নিত করন (Quran 2:72)
১৩ দানবের সাথে মানুষের কথপোকথন (Quran 27:82)
১৪ দ্যুতিময় যাদুর হাত (Quran 20:22)
১৫ জড় পদার্থ (আকাশ ও পৃথিবী) কতৃক অস্বীকার জানানো (Quran 33:72)
১৬ মহাবিশ্বের সীমানায় সিদরাতুলমুন্তাহার নামক বৃক্ষ (Quran 53:13-18)
সংগৃহীত : Abdul Mamun ( দাঁড়িপাল্লা ধমাধম )
Hadis.....no war with non Muslims
‘হে লোক সকল, দাঁড়াও আমি তোমাদের দশটি বিষয়ে উপদেশ দেব। আমার পক্ষ হিসেবে কথাগুলো তোমরা মনে রাখবে। কোনো খেয়ানত করবে না, বাড়াবাড়ি করবে না, বিশ্বাসঘাতকতা করবে না, (শত্রুদের) অনুরূপ করবে না, ছোট বাচ্চাকে হত্যা করবে না, বয়োবৃদ্ধকেও না আর নারীকেও না। খেজুর গাছ কাটবে না কিংবা তা জ্বালিয়েও দেবে না। কোনো ফলবতী গাছ কাটবে না। আহারের প্রয়োজন ছাড়া কোনো ছাগল, গরু বা উট জবাই করবে না। আর তোমরা এমন কিছু লোকের সামনে দিয়ে অতিক্রম করবে যারা গির্জাগুলোয় নিজেদের ছেড়ে দিয়েছে। তোমরাও তাদেরকে তাদের এবং তারা যা ছেড়ে নিজেদের জন্য তাতে ছেড়ে দেবে। [মুখতাসারু তারীখি দিমাশক : ১/৫২; তারীখুত তাবারী]
কোনো মুসলিম যদি কোনো অমুসলিমের প্রতি অন্যায় করেন, তবে রোজ কিয়ামতে খোদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বিপক্ষে লড়বেন বলে হাদীসে এসেছে। একাধিক সাহাবী থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«أَلَا مَنْ ظَلَمَ مُعَاهِدًا، أَوِ انْتَقَصَهُ، أَوْ كَلَّفَهُ فَوْقَ طَاقَتِهِ، أَوْ أَخَذَ مِنْهُ شَيْئًا بِغَيْرِ طِيبِ نَفْسٍ، فَأَنَا حَجِيجُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
‘সাবধান! যদি কোনো মুসলিম কোনো অমুসলিম নাগরিকের ওপর নিপীড়ন চালিয়ে তার অধিকার খর্ব করে, তার ক্ষমতার বাইরে কষ্ট দেয় এবং তার কোনো বস্তু জোরপূর্বক নিয়ে যায়, তাহলে কিয়ামতের দিন আমি তার পক্ষে আল্লাহর দরবারে অভিযোগ উত্থাপন করব।’ [আবূ দাঊদ : ৩০৫২]
অপর এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, আবদুল্লাহ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَنْ قَتَلَ مُعَاهَدًا لَمْ يَرِحْ رَائِحَةَ الجَنَّةِ، وَإِنَّ رِيحَهَا تُوجَدُ مِنْ مَسِيرَةِ أَرْبَعِينَ عَامًا»
‘যে মুসলিম কর্তৃক নিরাপত্তা প্রাপ্ত কোনো অমুসলিমকে হত্যা করবে, সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। অথচ তার ঘ্রাণ পাওয়া যায় চল্লিশ বছরের পথের দূরত্ব থেকে’। [বুখারী : ৩১৬৬]
আরেক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, আবী বাকরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«مَنْ قَتَلَ مُعَاهِدًا فِي غَيْرِ كُنْهِهِ حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ»
‘যে ব্যক্তি চুক্তিতে থাকা কোনো অমুসলিমকে অসময়ে (অন্যায়ভাবে) হত্যা করবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন’। [আবূ দাঊদ : ২৭৬০; নাসাঈ : ৪৭৪৭, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
Friday, 10 April 2015
Abc
Asit Chaterji
Your basic info, and A address / photo id scan copy or only bank pass book 1st page, where address , account number / or current statement where address printed , any 1 send to sifnc.fb@gmail.com
Saturday, 4 April 2015
Jamai
দেখুন মুসলিমদের যারা গেদ্দার বলে তাদের আসল চেহারা
ভিতরে ভিতরে মামলা পুরা সেটিং
১) বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা অশোক সিংঘল নিজের মেয়ের বিয়ে “মুক্তার আব্বাস নাকভির” সাথে করিয়েছে
২)বিজেপির নেতা মুরলি “মনোহর যোশি” তার মেয়ের বিয়ে দিয়েছে “শাহানাওয়াজ হুসেনের” সাথে
৩) বিজেপির নেতা “সুভ্রময়ম স্বায়ামি” তার মেয়ে “সুভাষিনি” বিয়ে করেছে মুসলিমকে
৪)”নরেন্দ্র মোদির” ভাইজি বিয়ে করেছে মুসলিম কে
৫)”লাল কৃষ্ণ আদবানির” মেয়ে ২য় বিয়ে করেছে যাকে সে মুসলিম
৬শিব সেনার প্রমুখ “বাল ঠাকরে”-র নাতনি বিয়ে করেছে মুসলিম কে
৭) মুসলিমদের বিরুদ্ধে সব থেকে বেশি উগ্র ঘৃনিত ভাষনকারি প্রবিন তেঘরিয়া তার বোনের সাথে বিয়ে করা মুসলিম ছেলের সাথে এখনও আছে মধুর সুসম্পক।
তাহেলে কি এই ধমের ঠেকাধারিদের মুসলিম জামাই বেশি পছন্দ............।
2 hrs · গুরুচন্ডা৯ guruch...
Sci....newton
নাস্তিকতার বিপক্ষে বিজ্ঞান-ভিত্তিক যুক্তি-৩
নিউটনের গতিসূত্র অনুযায়ী বাহ্যিক কোনো বল প্রয়োগ করা না হলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির এবং গতিশীল বস্তু চিরকাল গতিশীল অবস্থাতেই থাকবে।
এদিকে বিজ্ঞানের বদৌলতে ইতোমধ্যে আমরা জেনে গেছি যে, এই মহাবিশ্বের প্রতিটি গ্রহ-উপগ্রহ গতিশীল অবস্থায় আছে। কিন্তু আজ থেকে প্রায় পনের বিলিয়ন বছর আগে এই গ্রহ-উপগ্রহগুলোর কোনো অস্তিত্ব ছিল না। তার মানে এই গ্রহ-উপগ্রহগুলো একটা সময় অস্তিত্বে এসেছে এবং একই সাথে গতিপ্রাপ্ত হয়েছে। তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগবে- গ্রহ-উপগ্রহগুলোকে গতিশীল করলো কোন্ শক্তি? নিউটনের গতিসূত্র অনুযায়ী বাহ্যিক কোনো বল প্রয়োগ ছাড়া গ্রহ-উপগ্রহগুলো গতিশীল হতে পারে না। তাহলে এই বিশাল বাহ্যিক শক্তি এলো কোথা থেকে? একই প্রশ্ন বিগ ব্যাং-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বিগ ব্যাং শুরু হওয়ার জন্য বাহ্যিক শক্তি এলো কোথা থেকে? নাস্তিকরা এই প্রশ্ন দুটির কোনো জবাব দিতে পারে না। আস্তিকীয় দৃষ্টিকোণ থেকে উত্তর হচ্ছে মহান স্রষ্টা-ই এই বাহ্যিক শক্তির উৎস।
Friday, 3 April 2015
Togaria
বিবেকানন্দ মুসলমানের এঠো কল্কে টেনেছিল তাতে স্বামিজির জাত জায়নি বরং তিনিছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ হিন্দু।রাজা রামমোহন রায় মুসলিম ছেলেকে লালন পালন করেছিলে তাতে কিন্তু তার জাত জায়নি তিনি মনিষি হিসেবে স্থান পেয়েছেন ইতিহাসে।নেতাজি যখন ভারত ছাড়ে তখন তার অঙ্গে ভুসিত হয়েছিল মুসলমানি পোশাক এবং তিনি মুসলমানের আতিথেয়তা গ্রহন করে ছিলেন।কবিগুরু রাখিবন্ধন উত্সবে মসজিদে ডুকে মুসলমান ভায়েদের হাতে রাখি পরিয়ে দিয়ে এসেছিলেন।এমন আরও অনেক উদাহরন আছে।আর কে এই প্রবিন তোগেড়িয়া জে হিন্দু ধর্মের বড়াই করে।যারা তোগেড়িয়ার পছনে অন্ধের মত ছুটেন তাদের উদ্দেশ্য করে বলছি আপনারিকি জানেন এই ঠেকাধারি ভন্ডের বোনের বিয়ে হয়েছে মুসলমান ছেলের সাথে এবং এখন পর্যন্ত তিনি বোন ও ভগ্নিপতির সংঙ্গে মধুর সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে।
Tuesday, 31 March 2015
কাস্টাড'
কাস্টার্ড
কাসটার্ড তৈরির জন্য লাগবে- দুধ ১/২ লিটার, মুরগির ডিম একটি, কাস্টার্ড পাউডার ২ টেবিল চামচ, কলা আধা কাপ, আঙুর আধাকাপ, আপেল কুচি আধা কাপ, আম টুকরো করে টাকা আধাকাপ, চেরি আধা কাপ, চিনি প্রয়োজন মতো।
যেভাবে তৈরি করবেন
একটি মাঝারি সাইজের হাড়িতে প্রথমে দুধ ফুটিয়ে নিন। এবার কাস্টার্ড পাউডার অল্প একটু পানিতে মিশিয়ে ওই মিশ্রনটি দুধে দিয়ে নাড়তে থাকুন। এবার একটি ডিম ভালো করে ফেটে দুধে দিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। ডিম দেয়ার আগেই দুধের মিশ্রনে কয়েক চামচ চিনি দিন। দুধের মিশ্রনটি ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে বাতাসে নিয়ে নেড়েচেড়ে ঠাণ্ডা করুন।
এবার একটি সবগুলো ফল রেখে তার ওপর দুধের মিশ্রনটি ঢেলে দিন। ওপরে কিছু বাদাম দিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। ঘণ্টাখানেক পর নামিয়ে পরিবেশন করুন।
ফালুদা
কিছু উপকরণ বাদে ফালুদা ও কাস্টার্ড তৈরিতে প্রায় একই রকম উপকরণ লাগে। তবে এটির স্বাদ কাস্টার্ড থেকে একটু আলাদা। ফালুদা তৈরিতে যেসব উপকরণ লাগবে-১ কাপ সাগুদানা, চিনি প্রয়োজন মতো, দুধ আধা লিটার, পেস্তাবাদাম, এক কাপ সিদ্ধ নুডলস, ভ্যানিলা আইসক্রিম, আপেল কুচি আধা কাপ, কলা আধা কাপ, আনার আধাকাপের একটু কম, বরফ টুকরো, দুই চামচ রুহআফজা (অনেকেই রুহআফজা পছন্দ করে না, সেক্ষেত্রে এটা না দিলেও চলবে)।
যেভাবে বানাবেন: দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করুন। সাগুদানা আধা লিটার পানিতে ফুটিয়ে নিন। এসময় সাগুদানা বারবার নাড়ুন যেনো লেগে না যায়। এবার একটি বড় সুন্দর পাত্রে দুধ, সাগুদানা, সেদ্ধ নুডুলস, ফল ও চিনি মিশিয়ে একটু নেড়েচেড়ে মিলিয়ে নিন। এবার তাতে আইসক্রিম, বরফের টুকরো ও রুহআফজা দিয়ে পরিবেশন করুন।
রোস্ট
মুরগির রোস্ট
উপকরণ : মুরগি ১ পিস, আদা-রসুন বাটা ৫ টেবিল চামচ, কাজুবাদাম ৫ টেবিল চামচ, টক দই ৪ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ ১৫০ গ্রাম, তেল ১৫০ গ্রাম, কাঁচামরিচ ১০ পিস, দুধ ২৫০ গ্রাম, মাওয়া ৫০ গ্রাম, জিরা গুঁড়া ১০ গ্রাম, ধনে গুঁড়া ১০ গ্রাম, টমেটো কেচাপ ২০ গ্রাম, সাদা গোলমরিচ ১০ গ্রাম, এলাচ ৫ পিস, দারুচিনি ৫ পিস, কিশমিশ ১০ গ্রাম, লবণ পরিমাণমতো, তেজপাতা ৫ পিস, জয়ত্রী ৫ গ্রাম ও জায়ফল আধা পিস।
প্রস্তুত প্রণালি : একটা মুরগি ৪ পিস করে কাটতে হবে। লবণ, হলুদ ও আদা-রসুন মাখিয়ে ভাজতে হবে। তারপর তেলের মধ্যে পেঁয়াজ, আদা ও রসুন বাটা দিয়ে ভুনতে হবে। এতে আরও কাঁচামরিচ, টক দই, কাজুবাদাম, কিশমিশ, সাদা গোলমরিচ দিয়ে ভুনতে হবে। ভুনা হলে এর মধ্যে ভাজা চিকেন দিয়ে সঙ্গে গুঁড়াদুধ, ঘি, গরম মসলা গুঁড়া, মাওয়া, গোলাপজল ও অল্প পরিমাণ পানি দিয়ে মুরগিটাকে আরও কিছুক্ষণ রান্না করে নামাতে হবে। সঙ্গে জাফরান পোলাও ও ভাজা কাজুবাদাম দিয়ে গরম গরম মুরগির রোস্ট পরিবেশন করুন।
Thursday, 26 March 2015
Foroz koi ti
নামাজের ফরজ____________ ১৩টি
ও ওয়াজিব_________ _____ ১৪টি
ওযুর ফরজ____________ __৪টি
গোসলের ফরজ ___________৩টি
মুসলমানের হক____________ ৬টি
রোজার ফরজ ___________৬০টি
তায়মুমের ফরজ ___________৩টি
দায়েমি সুন্নাহ________ ______১০টি
কোরানের সুরা___________ __১১৪টি
আয়াত___________ ____৬৬৬৬টি
মসজিদে প্রবেশের সুন্নাহ________
__৫টি
মসজিদ থেকে বাহিরের
সুন্নাহ_______৫
টি
পানি খাওয়ার সুন্নাহ________ ___৬টি
বিয়ের ফরজ____________ ___৩টি
হজ্জের ফরজ____________ ___৩টি
¤পবিত্র কুরআনের আলো এবং
হাদিসের বাণী¤
6 hrs · Public
Report
Like
Wednesday, 25 March 2015
Bd coin price
Sabab D. Sakib
1948-quatar paisa-price:-5000 tk.
1948-half paisa-price:-4000 tk.
1949-quatar paisa-price:-4500 tk.
1961-10 paisa-price:-1000 tk.[negotiateble]
1962-10 paisa-price:-900 tk.[negotiateble]
1965-10 paisa-price:-600 tk.[negotiateble]
1967-10 paisa-price:-500 tk.
1963-5 paisa-price:- 1200 tk.[negotiateble]
Edited · Like · Report · Aug 16, 2014
Sunday, 15 March 2015
Hadish
কওমি মাদ্রাসাই একমাত্র আদর্শ বিদ্যালয়
রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন , যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সলাতের পর ,৩৩ বার সুবহানাল্লাহ ,৩৩বার আলহামদুলিল্লাহ ,৩৩বার আল্লাহু আকবার এ নিয়ে মোট ৯৯বার হল,অতঃপর ১০০ পুরন করার জন্য "লা ইলাহ ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ,লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া 'আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর" পাঠ করবে ,তার গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে যদিও তা সমুদ্রের ফেনা রাশির সমতুল্যও হয় ।
Word
জানা থাকা ভালোঃ কিছু ইংরেজী শব্দ কেউ জানে কেউ জানেনা
---------------------
০১. Lollipop হলো সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ, যা কিবোর্ডে লিখতে শুধু ডান হাত ব্যবহৃত হয়।
০২. Dreamt একমাত্র ইংরেজি শব্দ, যার শেষে mt আছে।
০৩. queue একমাত্র ইংরেজি শব্দ, যার শেষের ৪ অক্ষর বাদ দিলেও একই উচ্চারণ হয়।
০৪. যেসব শব্দের প্রথম অক্ষর Q, তার সব শব্দে Q -এর পরে u আছে।
০৫. Typewriter সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ, যা কিবোর্ডে লিখতে শুধু ওপরের সারি ব্যবহৃত হয়।
০৬. Stewardesses হলো সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ, যা কিবোর্ডে লিখতে শুধু বাম হাত ব্যবহৃত হয়।
০৭. ইংরেজীতে vowel যুক্ত সবচেয়ে ছোট শব্দ হলো A (একটি) ও I (আমি)।
০৮. Abstemious, Facetious শব্দে সবগুলো vowel আছে। মজার ব্যাপার হলো শব্দের vowel ষগুলো ক্রমানুসারে (a-e-i-o-u) আছে।
০৯. Uncomplimentary শব্দে সবগুলো vowel আছে। মজার ব্যাপার হলো শব্দের vowel গুলো উল্টো ক্রমানুসারে (u-o-i-e-a) আছে।
১০. ইংরেজি madam, reviver শব্দ দুটিকে উল্টো করে পড়লেও অর্থ একই হবে।
১১. a quick brown fox jumps over the lazy dog বাক্যটিতে ইংরেজি ২৬টি অক্ষর আছে।
১২. ৮০কে letter marks বলা হয়। কারণL=12, E=5, T=20, T=20, E=5, R=18 (অক্ষরের অবস্থানগত সংখ্যা) সুতরাং ১২+৫+২০+২০+৫+১৮=৮০।
১৩. I am সবচেয়ে ছোট ইংরেজি বাক্য।
১৪. Executive, Future এমন দুটি শব্দ যাদের এক অক্ষর পর পর vowel আছে।
১৫. studz, hijak, nope, deft শব্দগুলোর প্রথম ৩টি অক্ষর ক্রমানুসারে আছে।
১৬. Almost সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ, যার বর্ণগুলো ক্রমানুসারে আছে।
Saturday, 14 March 2015
Allah=one
এবার গভেষনায় বেড়িয়ে এলো "আল্লাহ এক" তার গানিত্বিক রিপিটেশন [(Rep: পর্ব-3)] ______________________________________ পূর্বের জামানার মত এই আধুনিক যুগেও কুরআন নিয়ে অনেক গভেষনা চলছে। আর এই গভেষনায় বেরিয়ে এসেছে অবাক হওয়ার মত অনেক তথ্য সমূহ। কুরআনে আল্লাহ শব্দটি অনেক বার এসেছে তাই আমরা আজ "আল্লাহ" শব্দের ইংরেজিতে "ALLAH" এর গানিত্বিক রিপিটেশন দেখবো। প্রথমে বলে রাখি, A=1, B=2, C=3, D=4, E=....... এভাবে ধরা হয়েছে। এখন,, আল্লাহ এক তার গাণিতিক প্রমাণঃ L.H.S="ALLAH" A = 1 L = 12 L = 12 A = 1 H = 8 (1+12+12+1+8= 34) এবং R.H.S="ONE" O = 15 N = 14 E = 5 (15+14+5= 34) অতএব, ALLAH = ONE 34 = 34 L.H.S = R.H.S (proved) কি আশ্চার্য্য ব্যাপার ! এতেই প্রমাণিত হয় যে আল্লাহ এক, এবং ইসলামই একমাএ সর্ব শ্রেষ্ট ধর্ম।
Friday, 13 March 2015
Doctor n Engineer
●এক ইঞ্জিনিয়ার কিছুতেই চাকরি পেলনা।
তখন সে একটা ক্লিনিক খুলল আর
বাইরে লিখে দিল,
“৩০০ টাকায় যে কোন রোগের চিকিৎসা করান। চিকিৎসা না হলে এক হাজার টাকা ফেরৎ।“
এক ডাক্তার ভাবল এক হাজার টাকা রোজকার করার একটা দারুণ সুযোগ.....
সে সেই ক্লিনিকে গেল আর বলল
“আমার কোন জিনিষ খেতে গেলে তাতে কোন স্বাদ পাইনা।“
ইঞ্জিনিয়ার নিজের নার্সকে বলল, “২২ নাম্বার বক্স থেকে ওষুধ বার কর আর ৩ ফোটা খাইয়ে দাও।“
নার্স খাইয়ে দিল।
রুগী (ডাক্তার)– “আরে, এটা তো পেট্রোল।“
ইঞ্জিনিয়ার– “Congratulation .....
দেখলেন তো আমাদের ক্লিনিকের কামাল। আপনি টেস্টটা জিভে পেয়েগেছেন। এবার আমাকে আমার ৩০০ টাকা ফীটা
দিয়েদিন।“
কিন্তু ডাক্তার ভীষণ চতুর। ভাবল, একে টাইট করতে হবে, আর পয়সাটাও উসুল করতে হবে।
তাই আবার কিছুদিন পর সে সেই ক্লিনিকে এল।
ডাক্তার– “সাহেব, আমার মেমরী কমে গেছে। কিছুই মনে থাকেনা।“
ইঞ্জিনিয়ার– “নার্স, এনাকে সেই ২২ নাম্বার বক্স থেকে ৩ ফোটা দাও।“
রূগী (ডাক্তার)– “কিন্তু স্যার, ওটা তো স্বাদ ফিরে পাওয়ার ওষুধ।“
ইঞ্জিনিয়ার– “দেখলেন তো ওষুধ খাওয়ার আগেই আপনার মেমরী ফিরে এসেছে। দিন, আমার ৩০০ টাকা।“
এবার ডাক্তার বেশ রেগেই বাড়ি গেল আর আবার কিছুদিন পর ক্লিনিকে এসে বলল,
“স্যার, আমার দৃষ্টিশক্তি একেবারেই কমে গেছে। সবই খুব ঝাপসা দেখছি।“
ইঞ্জিনিয়ার– “এর কোন ওষুধ আমার কাছে নেই। এই নিন, আপনার ১০০০ টাকা।“
রুগী (ডাক্তার)– “কিন্তু এটা তো ৫০০ টাকার নোট।“
ইঞ্জিনিয়ার– “দেখুন, আপনার দৃষ্টিও ফেরৎ এসে গেছে। দিন আমার ৩০০ টাকা।“
Sunday, 22 February 2015
Coins.........
Note: In the * Red Color Mint Place Coins are Very Rare
Half (1/2) Anna
1950 Mumbai, Kolkata*(Rare)
1954 Mumbai, Kolkata*
1955 Mumbai, Kolkata
One Anna
1950 Mumbai
1954 Mumbai
1955 No Issue
Two Anna
1950 Mumbai
1954 Mumbai
1955 Mumbai*
One Pice (Horse Anna)
1950 Mumbai, Kolkata
1951 Mumbai, Kolkata
1952 Mumbai
1953 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1954 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1955 Mumbai, Hyderabad*
One Paisa - Copper and Brass
1957 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1958 Mumbai, Hyderabad
1958 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1960 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1961 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1962 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1963 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1964 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1 Paisa - Aluminum
1965 Mumbai, Hyderabad
1966 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1967 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1968 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1969 Mumbai*, Kolkata*, Hyderabad*
1970 Kolkata
1971 Hyderabad
1972 Mumbai, Hyderabad
Two Paise - Copper Nickel
1957 Mumbai, Kolkata
1958 Mumbai, Kolkata
1958 Mumbai, Kolkata
1960 Mumbai, Kolkata
1961 Mumbai, Kolkata
1962 Mumbai, Kolkata
1963 Mumbai, Kolkata
1964 Mumbai, Kolkata
Two Paise - Aluminium
1965 Mumbai*, Kolkata*
1966 Mumbai, Kolkata
1967 Mumbai, Kolkata
1968 Mumbai, Kolkata
1969 Mumbai*
1970 Kolkata
1971 Kolkata
1972 Kolkata, Hyderabad
1973 Kolkata, Hyderabad
1974 Kolkata, Hyderabad
1975 Kolkata, Hyderabad
1976 Mumbai, Hyderabad
1977 Mumbai, Hyderabad
1978 Mumbai, Hyderabad
1979 Hyderabad*
Three Paise - Aluminium
1964 Mumbai*, Kolkata*
1965 Mumbai*, Kolkata*
1966 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1967 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1968 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1969 Kolkata, Hyderabad*
1970 Kolkata
1971 Kolkata, Hyderabad
Five Paise - Copper Nickel
1957 Mumbai, Kolkata
1958 Mumbai, Kolkata
1959 Mumbai, Kolkata*
1960 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1961 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1962 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1963 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1964 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1965 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1966 Mumbai*, Kolkata*
Five Paise - Aluminium
1967 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1968 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1969 Mumbai*
1970 Mumbai*, Kolkata, Hyderabad
1971 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1972 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1973 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1974 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1975 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1976 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1977 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1978 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1979 Mumbai, Hyderabad
1980 Mumbai, Kolkata
1981 Kolkata, Hyderabad
1982 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1983 Kolkata, Hyderabad
1984 Kolkata, Hyderabad
1985 Mumbai, Kolkata*, Hyderabad
1986 Kolkata, Hyderabad
1987 Kolkata, Hyderabad
1988 Kolkata, Hyderabad
1989 Kolkata, Hyderabad
1990 Mumbai, Hyderabad
1991 Kolkata, Hyderabad
1992 Mumbai, Hyderabad
1993 Kolkata*, Hyderabad*
1994 Hyderabad*
Ten Paise - Alloy
1957 Mumbai, Kolkata
1958 Mumbai, Kolkata
1959 Mumbai, Kolkata
1960 Mumbai*
1961 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1962 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1963 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1964 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1965 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1966 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1967 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
Ten Paise - Brass
1968 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1969 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1970 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1971 Mumbai
Ten Paise - Aluminum (Big Size)
1971 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1972 Mumbai, Kolkata
1973 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1974 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1975 Mumbai, Kolkata
1976 Kolkata*
1977 Mumbai, Kolkata
1978 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1979 Mumbai, Hyderabad
1980 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1981 Mumbai, Kolkata
1982 Kolkata, Hyderabad
Ten Paise - Aluminum (Small Size)
1983 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1984 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1985 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1986 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1987 Kolkata, Hyderabad
1988 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1989 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1990 Mumbai*
1991 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1992 No Issue
1993 Kolkata*
Ten Paise - Stainless Steel (Small Size)
1988 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida, Foreign
1989 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1990 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1991 Kolkata, Hyderabad, Noida
1992 Noida*
1993 Hyderabad*
1994 No Issue
1995 No Issue
1996 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1997 Mumbai*, Kolkata*, Hyderabad*
1998 Mumbai*, Kolkata*
Twenty Paise - Brass
1968 Mumbai, Kolkata*
1969 Mumbai, Kolkata*
1970 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1971 Mumbai
Twenty Paise - Aluminum
1982 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1983 Kolkata, Hyderabad
1984 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1985 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1986 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1987 Kolkata, Hyderabad*
1988 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1989 Kolkata, Hyderabad*
1990 Kolkata, Hyderabad
1991 Kolkata, Hyderabad
1992 Hyderabad*
1993 No Issue
1994 Hyderabad*
1995 No Issue
1996 Hyderabad*
1997 Hyderabad*
Twenty Five Paise
1950 Mumbai*, Kolkata*
1951 Mumbai*, Kolkata
1954 Kolkata
1955 Mumbai*, Kolkata
1956 Kolkata
1957 Mumbai*, Kolkata*
1958 No Issue
1959 Mumbai, Kolkata
1960 Mumbai, Kolkata
1961 Mumbai, Kolkata
1962 Mumbai, Kolkata
1963 Mumbai, Kolkata
1964 Mumbai, Kolkata
1965 Mumbai, Kolkata
1966 Mumbai, Kolkata
1967 Mumbai*, Kolkata
1968 Kolkata*
Twenty Five Paise - Copper Nickel
1972 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1973 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1974 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1975 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1976 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1977 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1978 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1979 Mumbai, Kolkata*, Hyderabad*
1980 Mumbai*, Kolkata, Hyderabad
1981 Mumbai, Kolkata*, Hyderabad
1982 Mumbai*, Kolkata*
1983 Kolkata*
1984 Mumbai, Kolkata*, Hyderabad*
1985 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Foreign
1986 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1987 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1988 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1989 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1990 Mumbai*
Twenty Five Paise - Stainless Steel
1988 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida, Foreign
1989 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1990 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1991 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1992 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*, Noida
1993 Mumbai*, Kolkata*, Hyderabad*, Noida
1994 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*, Noida
1995 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1996 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1997 Mumbai*, Kolkata*, Hyderabad*, Noida
1998 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1999 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2000 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2001 Mumbai, Kolkata*, Hyderabad*, Noida
2002 Mumbai*, Kolkata*, Hyderabad*
Fifty Paise - Steel
1950 Mumbai*, Kolkata*
1951 Mumbai
1954 Kolkata
1955 Mumbai*
1956 Kolkata
1957 No Issue
1958 No Issue
1959 No Issue
1960 Mumbai, Kolkata
1961 Mumbai, Kolkata
1962 Mumbai, Kolkata
1963 Mumbai, Kolkata
1964 Kolkata
1965 No Issue
1966 No Issue
1967 Mumbai, Kolkata
1968 Mumbai*, Kolkata*
1969 Mumbai, Kolkata
1970 Mumbai, Kolkata
1971 Kolkata
Fifty Paise - Cupro-Nickel
1972 Mumbai, Kolkata
1973 Mumbai, Kolkata
1974 Mumbai, Kolkata
1975 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1976 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1977 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1978 Mumbai*, Kolkata*
1979 No Issue
1980 Mumbai*, Kolkata*
1981 No Issue
1982 No Issue
1983 Kolkata*
1984 Mumbai, Kolkata*, Hyderabad*
1985 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Foreign
1986 Mumbai*, Kolkata*
1987 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1988 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1989 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1990 Mumbai*
Fifty Paise - Stainless Steel (India Map)
1988 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida, Foreign
1989 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1990 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1991 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1992 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1993 Mumbai*, Kolkata, Hyderabad*, Noida
1994 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1995 Mumbai, Kolkata*, Hyderabad*, Noida
1996 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1997 Mumbai, Kolkata*, Hyderabad*, Noida
1998 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1999 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2000 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2001 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2002 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2003 Mumbai*
2004 No Issue
2005 No Issue
2006 No Issue
2007 Kolkata, Noida
2008 Mumbai, Noida
2009 Mumbai, Noida
2010 Kolkata, Hyderabad
Fifty Paise - Stainless Steel (Hand)
2008 Kolkata, Hyderabad, Noida
2009 Kolkata, Noida
2010 Kolkata
Fifty Paise - Stainless Steel (New Floral Pattern)
2011 New Pattern Coin Released - Mumbai, Kolkata, Hyderabad
2012 - No Issue
2013 - Kolkata
One Rupee - Big Size - Copper
1950 Mumbai*
1951 No Issue
1952 No Issue
1953 No Issue
1954 Mumbai*
1955 No Issue
1956 No Issue
1957 No Issue
1958 No Issue
1959 No Issue
1960 No Issue
1961 No Issue
1962 Kolkata
1963 No Issue
1964 No Issue
1965 No Issue
1966 No Issue
1967 No Issue
1968 No Issue
1969 No Issue
1970 Mumbai*
1971 No Issue
1972 No Issue
1973 No Issue
1974 No Issue
1975 Mumbai, Kolkata*
1976 Mumbai, Kolkata
1977 Mumbai
1978 Mumbai, Kolkata
1979 Mumbai, Kolkata*
1980 Mumbai, Kolkata
1981 Mumbai, Kolkata
1982 Mumbai
One Rupee - Small Size - Hexagon Patten Border - Steel
1982 Mumbai*
1983 Mumbai, Kolkata
1984 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1985 Mumbai, Kolkata, Foreign
1986 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1987 Mumbai, Kolkata, Hyderabad*
1988 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1989 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1990 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1991 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
One Rupee - Stainless Steel
1992 Mumbai, Hyderabad
1993 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1994 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1995 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1996 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1997 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida, Foreign
1998 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida, Foreign
1999 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida, Foreign
2000 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida, Foreign
2001 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida, Foreign
2002 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2003 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2004 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
One Rupee - Stainless Steel (Cross Coin)
2004 Mumbai*
2005 Mumbai, Kolkata*, Hyderabad*, Noida*
2006 Hyderabad, Noida
One Rupee - Stainless Steel (Ashoka Lion Symbol Coin)
2007 Mumbai, Kolkata*, Hyderabad*, Noida
2008 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2009 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2010 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2011 Kolkata, Hyderabad, Noida
One Rupee - Stainless Steel (New Rupees Symbol Coin)
2011 New Rs. Symbol Coin Released - Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2012 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2013 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2014 Mumbai
Two Rupees - Copper Nickel
1990 Mumbai, Kolkata*, Hyderabad*
1992 Mumbai*, Kolkata*, Hyderabad*
1993 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1994 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1995 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1996 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1997 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Foreign
1998 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida, Foreign
1999 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida, Foreign
2000 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida, Foreign
2001 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2002 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2003 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2004 Mumbai*, Kolkata*, Hyderabad*
Two Rupees - Stainless Steel (Cross Coin)
2005 Mumbai*, Kolkata*, Hyderabad*, Noida*
2006 Hyderabad, Noida
2007 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
Two Rupees - Stainless Steel (Ashoka Lion Symbol Coin)
2008 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2009 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2010 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2011 Hyderabad, Noida
Two Rupees - Stainless Steel (New Rupee Symbol Coin)
2011 New Rs. Symbol Coin Released - Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2012 New Rs. Symbol Coin - Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2013 New Rs. Symbol Coin Released - Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2014 New Rs. Symbol Coin Released - Mumbai
Five Rupees - Copper Nickel
1992 Mumbai*, Kolkata*, Hyderabad*
1993 Mumbai*, Kolkata*
1994 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
1995 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1996 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1997 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1997 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1998 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
1999 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida, Foreign
2000 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida, Foreign
2001 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2002 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2003 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2004 Mumbai*, Kolkata*, Hyderabad*
Five Rupees - Stainless Steel (Cross Coin)
2007 Kolkata*
Five Rupees - Stainless Steel (Wave - Ashoka Lion Symbol)
2007 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
2008 Mumbai, Kolkata, Hyderabad
Five Rupees - Brass (Ashoka Lion Symbol)
2009 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida*
2010 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
Five Rupees - Brass (New Rupee Symbol)
2011 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2012 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2013 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2014 Mumbai
Ten Rupees - Bi Metal
2005 Noida*
2006 Noida
2007 Noida*
2008 Noida
2009 Noida*
2010 Mumbai*, Noida
Ten Rupees - (New Rupee Symbol)
2011 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2012 Mumbai, Kolkata, Hyderabad, Noida
2013 Kolkata, Noida
2014 Mumbai
Friday, 20 February 2015
Tablig
ইলিয়াসী তাবলীগ পরিচিতি
লিখেছেন - রাসেল আহমেদ
বর্তমানে সকলের পরিচিত এবং তথাকথিত বড় দল হচ্ছে ইলিয়াস মেওয়াতির স্বপ্নে পাওয়া তাবলীগ। এ দলের লোকেরা সাধারণ মানুষদের বিভিন্ন মনোমুগ্ধকর কথামালার বেড়াজালে আবদ্ধকরে নিজেদের দল ভারী করার চেস্টা করে। এবং সাধারণ মানুষও এদের কথা শুনে এবং ফায়দা ফযিলতের কথা শুনে আকৃষ্ট হয়। কিন্তু বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ এই তাবলীগ জামাতের কুফরী আক্বীদা সম্পর্কে অবগত নয়।সাধারন লোকজন এদের আক্বীদা সম্পর্কে না জেনে শুধু এদের
দাওয়াতী কাজে যোগ দিয়ে নবীওয়ালা কাম করছে বলে গর্ববোধ করে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এই চিল্লাওয়ালা স্বপ্নেপ্রাপ্ত তাবলিগ হচ্ছে হাদীস
শরীফে বর্নিত খারেজী ফিরকা।
আসুন আমরা উক্ত খারেজী ফিরকা সম্পর্কে বর্নিত আলামত সমৃদ্ধ হাদীস
শরীফ খানা দেখি –
সাহাবী আবু সাঈদ খুদরী ও হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন যে, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "আমার বিদায়ের পর পূর্ব দেশগুলির মধ্যে হতে কোন একটি দেশ হতে আমার উম্মতের ভিতর হতে একটি দল বের হবে। এই দলের সদস্যগন হবে অশিক্ষিত এবং মূর্খ। এদের মধ্যে কোন শিক্ষিত লোক গেলে সেও হয়ে যাবে মূর্খের মত। তাদের বক্তৃতা হবে বহুগুনের ফযীলতের। তাদের মত বক্তৃতা বা বয়ান কারো হবে না। তাদের সকল আমলগুলা হবে খুবই নিখুত ও সুন্দর । তাদের নামাজের তুলনায় তোমাদের নামাজকে তুচ্ছ মনে করবে,তাদের রোজা দেখে তোমরা তোমাদের রোজাকে তুচ্ছ ও নগন্য মনে করবে। তাদের আমল দেখে তোমাদের আমলকে হেয় মনে করবে। তারা কোরআন শরীফ পড়বে কিন্তু তা তাদের গলার নিচে যাবে না। তারা কোরআনের উপর আমল বা কোরআন প্রতিষ্ঠার কোন চেষ্টাও করবে না। এদের আমল তোমাদের যতই আকৃষ্ট করুক না কেন, কখনোই এদের দলে যাবে না। কারন প্রকৃতপক্ষে এরা ইসলাম থেকে খারীজ, দ্বীন হতে বহির্ভূত । তীর যেমন ধনুক হতে বের হয়ে যায়, সে আর কখনো ধনুকের নিকট ফিরে আসে না। তেমনি এরা দ্বীন থেকে বেরিয়ে যাবে, আর কখনো দ্বীনের পথে, কোরআন সুন্নাহর পথে ফিরে আসবে না।"
দলীল-
√ ফতহুল বারী ১২ তম খন্ড ৩৫০ পৃষ্ঠা ।
√ মিরকাত শরীফ ৭ম খন্ড ১০৭ পৃষ্ঠা ।
এবং মজার বিষয় উল্লেখ্য হাদীস শরীফ খানা বাংলাদেশের সুপরিচিত দেওবন্দী আলেমদের অন্যতম শায়খুল হাদীস মৃত আজিজুল হক সাহেব তার মাসিক পত্রিকা
'রহমানী পয়গাম' এর এপ্রিল/২০০৩ সংখ্যার ১২৪৭ নং জিজ্ঞাসা-জবাবে সহীহ বলে উল্লেখ করছেন।
এখন জানার বিষয় হচ্ছে উল্লিখিত হাদীস শরীফে বর্নিত আলামত
বা লক্ষন সমূহ ইলিয়াসী তাবলিগীদের মধ্যে আছে কিনা ? এর জবাবে বলতে হয় উল্লিখিত হাদীস শরীফে খারেজী ফির্কার যতগুলা লক্ষন বর্নিত আছে তার সবগুলাই ইলিয়াসী তাবলীগ জামাতের মধ্যে বিরাজমান। আসুন আমরা বিশ্লেষণ করে দেখি -
১) প্রথমত বলা হয়েছে, "পূর্ব দেশ গুলির মধ্য হতে কোন একটি দেশ থেকে আমার
উম্মতের ভিতর থেকে একটি দল বের হবে। ”
→ দেখুন, প্রচলিত এই ছয় উছুলী চিল্লাওয়ালা স্বপ্নেপ্রাপ্ত তাবলীগ এর উৎপত্তি পূর্ব দেশ থেকে । অর্থাৎ ১৩৪৫ হিজরী সনে পূর্ব দেশ ভারতের মৌলবী ইলিয়াস মেওয়াতী ‘তাবলীগ জামাত’ নামক এই ছয় উছুলী তাবলিগ প্রবর্তন করে। বর্তমানেও ভারতের নিজামুদ্দিন বস্তিতে তাদের মূল মারকায বা ঘাটি রয়েছে । সূতরাং দিবালোকের মত প্রমান হলো যে, প্রচলিত ছয় উছুলী চিল্লাওয়ালা তাবলিগ জামাত
নামক দলটি পূর্ব দেশ থেকেই বের হয়েছে।
২) দ্বিতীয়ত বলা হয়েছে, "এই দলের সদস্য গন হবে অশিক্ষিত ও মূর্খ। এদের
মধ্যে কোন শিক্ষিত লোক গেলে সেও হয়ে যাবে মূর্খের মত।”
→ দেখুন, এ কথা সর্বজন স্বীকৃত যে, এই প্রচলিত চিল্লাওয়ালা তাবলীগীদের অধিকাংশ সদস্যই হচ্ছে অশিক্ষিত ও মূর্খ। এদের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস মেওয়াতী তার মলফুজাতে মূর্খ শ্রেণীর লোক দ্বারা দল ভারী করার কথা বলে গিয়েছে। আর মজার ব্যাপার এদের দলে কোন শিক্ষিত লোক গেলে সেও ধীরে ধীরে মূর্খে পরিনত হয়।
এরা ফাজায়েলে আমল ব্যতীত অন্য কোন কিতাব দেখতেও চায়না,পড়তেও চায় না। এবং ছয় উছুলের বাইরে অন্যকিছু তারা আলোচনাও করে না। তাই কোন শিক্ষিত লোক সেখানে গেলে পূর্ন ইলিম চর্চার অভাবে মূর্খে পরিনত হয়। আর সবচেয়ে মজার বিষয় এই চিল্লাওয়ালা তাবলীগীরা আলিমদের চাইতে মূর্খদের
বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে যা তাদের মুরুব্বী দের বক্তব্য দ্বারা প্রমানিত। যেমন- তাবলীগীদের বিশিষ্ট মুরুব্বী ইসমাঈল হোসেন দেওবন্দী তার কিতাবে লিখেছেন,
“অনেক স্থলে নবীগন পর্যন্ত হিদায়েতে বিরাট সংকটে ও বিপদে পড়িয়াছিলেন,তাই
অনেক স্থানে বিরাট আলেমও ফেল পড়িতেছে। কিন্তু মূর্খগন তথায় দ্বীন
জয় করিতেছে।”
দলীল-
√'তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব', ১১৬ পৃষ্ঠা।
সবাই একটু লক্ষ্য করুন তাবলীগ মৌলবী নিজেই স্বীকার করলো তাবলীগীদের অধিকাংশ মূর্খ। কারন তার কিতাবে মূর্খগন দ্বারা তাবলীগিদের বুঝিয়েছে। শুধু তাই নয়, তাবলিগীদের কিতাবে আরো আছে–
"মূর্খ লোক আমীর হওয়ার জন্য তিন চিল্লা যথেষ্ট । আর আলেম
দের জন্য প্রয়োজন সাত চিল্লা।”
দলীল-
√'তের দফা', ৭ পৃষ্ঠা ।
তারা আরো বলে থাকে-
“দ্বীন প্রচার শুধু আলেম দের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে দ্বীন ধ্বংস হয়ে যেত এবং যাবে। অর্থাৎ জাহেল লোক তাবলীগ করার কারনে দ্বীন টিকে ছিলো এবং ভবিষ্যতেও টিকে থাকবে। ”
দলীল-
√ 'তাবলীগ জামাতের সমালোচনা ও উহার সদুত্তর' ৯৫ পৃষ্ঠা ।
মূল : শা : আ: জাকারিয়া। অনুবাদ- মুহিববুর রহমান আহমদ।
এবার আপনারাই বিচার করুন
হাদীস শরীফে বর্নিত দ্বিতীয় লক্ষল
মিলে গেলো কিনা??
৩) তৃতীয়ত বলা হয়েছে, "তাদের বক্তৃতা হবে বহুগুনের ফযীলতের। তাদের মত
বক্তৃতা বা বয়ান কারো হবে না।”
→ এ কথা সারা দুনিয়াবাসীর জানা যে, প্রচলিত এই চিল্লাওয়ালা তাবলীগীরা তাদের বয়ানে শুধু ফজিলতের কথাই বলে। তাদের প্রতিটা সদস্যদের একটাই বুলি- "দ্বীনের রাস্তায় সময় লাগান, বহুত ফায়দা হবে, তিন চিল্লা মারেন বহুত ফায়দা হবে, গাস্ত করেন বহুত ফায়দা হবে, বয়ান শুনতে বসেন বহুত ফায়দা হবে" !!!
এই বহু ফায়াদা হবে এটা তাবলীগীদের একটা কমন ডায়ালগ। সেটাই কিন্তু হাদীস শরীফে বলা হয়েছে, তাদের বক্তৃতা হবে বহুগুনের ফযীলতের বা ফায়দার।”
যেমন কিরকম ফযীলতের কথা এরা বলে একটা উদাহরণ দিলে বুঝবেন।
এরা সাধারণ মানুষকে মসজিদে ডেকে নিয়ে বুঝায়- "গাশত কারীরা যে রাস্তা দিয়ে হেটে যায় সে রাস্তায় যে ঘাস হয়, সে ঘাস যে গরু খায়, সে গরুর দুধ বা গোশত যারা খাবে তারাও বেহেশতে যাবে, এতো ফায়দা হবে।”
তাদের বক্তব্যে আরো শোনা গেছে- "কিছু সময় গাশতে বের হওয়া শবে বরাত ও শবে কদরের রাতে হাজরে আসওয়াদকে সামনে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার চাইতেও
উত্তম।”
এবার চিন্তা করুন, হাদীস শরীফে বর্নিত লক্ষন এদের মধ্যে পাওয়া যায়
কিনা।
আর এসকল কথার সত্যতা তাদের মুরুব্বী দের কিতাবেই পাওয়া যায়।
তাবলীগ জামায়াত এর প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস মেওয়াতি তার
মালফুযাতে লিখেছে, "ফাযায়েলের মর্যাদা মাসায়েলের চাইতে বেশি।”
দলীল-
√ 'মলফুযাত', ১২৮ পৃষ্ঠা ২০১ নং মালফুজ।
√ 'তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব', ১০১ পৃষ্ঠা ।
তাদের অন্যতম মুরুব্বী মাওলানা নোমান আহমদ লিখেছে-
"সারা বছর প্রতি মাসে তিন দিন করে লাগালে পুরা বছর আল্লাহ্, রাস্তায় কাটানো হয়েছে বলে গন্য হবে। কারন প্রতি নেক কাজে দশগুন সাওয়াব হিসেবে একদিনের কাজে ত্রিশ দিনের সাওয়াব পাওয়া যাবে।”
দলীল-
√ 'হযরতজীর কয়েকটি স্মরনীয় বয়ান', ১৩ পৃষ্ঠা।
তারা ফায়দার কথা বলতে গিয়ে আরো বলে- "প্রচলিত তাবলীগ হচ্ছে নূহ আলাইহিস সালাম এর কিস্তির ন্যায়, তাতে যার উঠলো তারা নাজাত পেয়ে গেলো।”
দলীল-
√ 'তাবলীগ কা মুকিম কাম', ৩৯ পৃষ্ঠা ।
সূতরাং উপরোক্ত বিষয় গুলা থেকে এটাও প্রমান হলো, তারা ফযীলতের
কথা বেশি বলে ।
শুধু তাই নয়, এরা ফযীলত নিয়ে একের পর এক কিতাবও লিখে, যেমন-
ফাযায়েলে আমল, ফাযায়েলে ছদাকাত, ফাযায়েলে তাবলীগ ইত্যাদি আরো অনেক।
সূতরাং হাদীস শরীফে বর্নিত তৃতীয় লক্ষনও এদের মধ্যে পূর্নমাত্রায়
বিরাজমান এটা প্রমান হলো।
৪) চতুর্থত যেটা বলা হয়েছে, "তাদের সকল আমলগুলা হবে খুবই নিখুত ও সুন্দর।
তাদের নামাজের তুলনায় তোমাদের নামাজকে তুচ্ছ মনে করবে, তাদের রোজা দেখে তোমরা তোমাদের রোজাকে তুচ্ছ ও নগন্য মনে করবে। তাদের আমল দেখে তোমাদের আমলকে হেয় মনে করবে।”
→ এর পরিপ্রেক্ষিতে বলতে হয়, আপনারা একটু ভালো করে এদের আমলগুলো খেয়াল করবেন। দেখবেন লোক দেখানোর জন্য এমন ভাবে নামাজ পড়ছে যে, সিজদায় গেলে যেনো আর উঠতেই চায় না, রুকুতে গেলে আর উঠতেই চায় না….. সাধারন পাবলিক তখন ভাবে, আহা ! কতই না উত্তম ভাবে নামাজ পড়ছে। এদের প্রায় সবার কপালে কালো দাগ হয়ে গেছে। এরা বুঝাতে চায় তারা এতো নামাজ
পড়ে যে কপালে দাগ পরে যায় (মূলত সঠিক ভাবে নামাজ পড়লে ওই রকম দাগ কোন দিনও হবে না, এরা এই দাগ মাটিতে কপাল ঘষে বানায়) এবং এরা লোক দেখানোর জন্য ও দলে ভিড়ানোর জন্য এমন বিনয় প্রদর্শন করে যে, মানুষ মনে করে না জানি এরা কত ভালো !
আর এ কথায় হাদীস শরীফে বলা হয়েছে- "তাদের সকল আমলগুলা হবে খুবই
নিখুত ও সুন্দর। তাদের নামাজের তুলনায় তোমাদের নামাজকে তুচ্ছ মনে করবে, তাদের রোজা দেখে তোমরা তোমাদের রোজাকে তুচ্ছ ও নগন্য মনে করবে। তাদের আমল দেখে তোমাদের নিজেদের আমলকে হেয় মনে করবে। ”
সূতরাং হাদীস থেকে খারেজীদের চতুর্থ লক্ষন তাবলিগীদের মাঝে বিদ্যমান প্রমান হলো।
৫) পঞ্চমত বলা হয়েছে–"তারা কুরআনের উপর আমল বা কুরআন প্রতিষ্ঠার কোন
চেষ্টাও করবে না।"
→ এর প্রমানও এদের মধ্যে বিদ্যমান। এরা কোরআন শরীফের কোন হুকুম
প্রতিষ্ঠার কোন চেষ্টাই করে না। এদের একটাই কাজ সেটা হচ্ছে, গাট্টিবোচকা নিয়ে মসজিদে মসজিদে ঘোরা ফেরা করা আর মসজিদের মুসল্লিদের দাওয়াত দেয়া। অথচ সমাজে অসংখ্য বেনামাজি আছে, সুদ খোর আছে, দূর্নিতিবাজ আছে এদের বুঝাতে যায় না। এরা নিজেরাই হারাম নাজায়িয কাজে মশগুল, এমনকি এদের অনেকে সুদী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী পর্যন্ত করে। শুধু তাই নয়, দুনিয়াতে খিলাফত কায়েম হোক এ ব্যাপারে তাদের কোন প্রচেষ্টাই নেই। বরং খিলফতের ব্যাপারে মানুষকে নিরুৎসাহিত করে।
যেমন তাদের কিতাবে বর্নিত আছে–
"প্রচলিত তাবলিগ জামাতে জিহাদ পূর্নমাত্রায় বিদ্যমান বা ছয় উছুলী তাবলীগ হচ্ছে জিহাদে আকবর !”
দলীল-
√ 'তাবলীগে দাওয়াত কি এবং কেন', ৭৫ পৃষ্ঠা।
√ 'তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্',ব ১০৯ পৃষ্ঠা।
√ 'তাবলীগ জামায়াতের সমালোচনা ও তার জবাব', ৮৮ পৃষ্ঠা।
অর্থাৎ এই মসজিদে মসজিদে পিকনিক করাকে তারা জিহাদে আকবর বলে। এভাবে ইসলাম কায়েমের প্রচেষ্টা থেকে কৌশলে তারা মানুষকে সরিয়ে দিচ্ছে। আর তাছাড়া তাদের নেসাব ছাড়া তারা কোরআন শরীফ, হাদীস শরীফের কোন আলোচনাই করে না। সূতরাং হাদীস শরীফে বর্নিত- "তারা কুরআনের উপর আমল বা কুরআন প্রতিষ্ঠার কোন চেষ্টাও করবে না।” এই লক্ষনও তাবলীগ জামায়াতের মাঝে বিদ্যমান সেটা প্রমান হলো।
পরিশেষে হাদীস শরীফে বলা হয়েছে- "এদের আমল তোমাদের যতই আকৃষ্ট
করুক না কেন,কখনোই এদের দলে যাবে না। কারন প্রকৃতপক্ষে এরা ইসলাম থেকে খারীজ, দ্বীন হতে বহির্ভূত। তীর যেমন ধনুক হতে বের হয়ে যায়, সে আর কখনো ধনুকের নিকট ফিরে আসে না। তেমনি এরা দ্বীন থেকে বেরিয়ে যাবে,আর কখনো দ্বীনের পথে, কোরআন-সুন্নাহর পথে ফিরে আসবে না।" অর্থাৎ এরা দ্বীন ইসলাম থেকে খারীজ হয়ে গিয়েছে, চিরতরে পথভ্রষ্ট হয়ে গিয়েছে। এদের দলে বা এদের ডাকে সাড়া না দেওয়ার কথা হাদীস শরীফে কঠোর ভাবে বলা হয়েছে। উপরোক্ত হাদীস শরীফে বর্নিত খারেজীদের যাবতীয় লক্ষন চিল্লাওয়ালা তাবলীগীদের মধ্যে বিরাজমান স্পষ্ট ভাবে প্রমানিত হলো। এই প্রচলিত চিল্লাওয়ালা তাবলীগীরাই হচ্ছে হাদীস শরীফে বর্নিত জাহান্নামী খারেজী ফিরকা। এ প্রসঙ্গে হাদীস শরীফ বর্নিত
আরো কিছু অকাট্য প্রমান-
হযরত শারীক ইবনে শিহাব রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, "আমার প্রবল ইচ্ছে ছিলো যে, যদি আমি হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কোনও সাহাবীর সাক্ষাত পাই তবে উনাকে খারেজীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবো। সৌভাগ্যবশত এক ঈদের দিন হযরত আবু বারযাতুল আসলামী রদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাথে উনার কতক বন্ধু সমেত সাক্ষাৎ হলো। তখন আমি উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কখনো হুজুর পাকছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে 'খারেজীদের' সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছেন? তিনি বললেন, 'হ্যাঁ আমি আমার দুকানে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি এবং নিজ চোখে তাকে দেখেছি। একদা হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর খিদমতে কিছু মাল আসলো। তিনি তা বন্টন করে দিলেন। যে উনার ডানে ছিলো তাকেও দিলেন এবং যে উনার বামে ছিলো তাকেও দিলেন। কিন্তু যে উনার পিছনে ছিলো তাকে কিছুই দিলেন না। তখন এক ব্যক্তি পিছন
থেকে দাঁড়িয়ে বললো, হে মুহাম্মদ ! (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাল বন্টনে আপনি ইনসাফ করছেন না। ( নাউযুবিল্লাহ), লোকটি ছিলো কালো বর্নের নেড়ে মাথা, গায়ে ছিলো সাদা রং এর দুখানা কাপড়। তার কথা শুনে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভীষন রাগান্বিত হলেন এবং বললেন, আল্লাহ পাকের কসম ! তোমরা আমার পরে আর কোন ব্যক্তিকেই আমার চাইতে বেশি ইনসাফ কারী পাবে না। অতঃপর বললেন, শেষ জামানায় এমন একদল লোকের আবির্ভাব ঘটবে এ লোকটি তাদের একজন। তারা কোরআন শরীফ পড়বে কিন্তু তা তাদের কন্ঠনালীর নিচে নামবে না। অর্থাৎ অন্তরে বসবে না। তারা ইসলাম থেকে এরুপ বের হয়ে যাবে যেরুপ নিক্ষিপ্ত তীর শিকার ভেদ করে বের হয়ে যায়। তাদের পরিচয় হলো তারা হবে ন্যাড়া মাথা। অর্থাৎ সর্বদা মাথা মুন্ডন করবে।' "
দলীল-
√ নাসাঈ শরীফ
√ মিশকাত শরীফ ১ম খন্ড, কিতাবুল কিসাস, মুরতাদদের হত্যা সংক্রান্ত
অধ্যায়।
হাদীসে আরো বর্নিত আছে–
হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, "আমি হুজুর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, শেষ যামানায় এমন এক দলের আবির্ভাব হবে ( যে দলের সদস্যরা) বয়সে যুবক, নির্বোধ ও মূর্খ হবে। তাদের বয়ানে শ্রেষ্ঠতম কথা গুলোই বলবে। ”
দলীল-
√ বুখারী শরীফ
শায়েখ মুহিউদদ্দিন আব্দুর কাদীর জ্বিলানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি খারেজীদের পরিচয়
দিতে গিয়ে বলেন বলেন, "খারেজীদের আরেকটি দলের নাম হারুরীয়া। হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু আনহুর দল ছেড়ে কুফা হতে বের হয়ে হারুরা নামক স্থানে অবস্থান
নিয়েছিল। তাই এদের হারুরীয়া বলা হয়। হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এদের সম্পর্কে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন, এরা দ্বীন হতে এমন ভাবে বের হয়ে যাবে যেমন ধনুক হতে তীর বের হয়ে যায়। এরা কখনোই দ্বীনে ফিরে আসবে না। সত্যি এরা দ্বীন ইসলাম থেকে বের হয়ে গেছে। সত্য পথ পরিহার করেছে। ইসলামী খিলাফতের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছে এবং মুসলমান দের জান মাল হালাল মনে করেছে।
এরা তাদের দলভুক্ত নয় এমন লোকদের কাফির মনে করে থাকে। হুজুর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রিয় ছাহাবীগনের উপর জুলুম ও নির্যাতন করেছে এবং ছাহবীগনের হত্যা বা সমালোচনা বৈধ মনে করে। ”
দলীল-
√ 'গুনিয়াতুত তলেবীন', ৮৮ পৃষ্ঠা ।
উপরোক্ত হাদীস শরীফ সমূহের বর্ননা দ্বারা খারেজীদের আক্বীদা, আমাল ও বৈশিষ্ট্য থেকে যে সকল বিষয় পাওয়া যায় তা হলো-
(১) নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালামদের প্রতি বদ ধারনা অর্থাৎ নবী রসূল আলাইহিস সালাম গন ভুল করেছেন বা গুনাহ করেছেন বলে মনে করা।
(২) হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমগনের প্রতি বদ ধারনা। অর্থাৎ খারেজীরা হযরত সাহাবায়ে কিরাম গনের সমালোচনা করা বৈধ মনে করে।
(৩) হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর খাছ সুন্নত বাবরী চুলের বিরোধিতা করে মাথা ন্যাড়া করা বা মুন্ডন করা পছন্দ
করে।
(৪) অধিকাংশ সদস্য নির্বোধ ও জাহিল হওয়া।
(৫) তাদের বয়ান গুলো চমকপ্রদ হওয়া।
(৬) এরা এদের দলভুক্ত ব্যতীত অন্য সবাইকে কাফির মনে করে।
এবার আসুন দেখা যাক উল্লেখিত আক্বীদা, আমল, বৈশিষ্ট্য সমূহ প্রচলিত ছয়
উছুলী তাবলীগ জামায়াত এর মধ্যে আছে কিনা !!
(১) খারেজীদের মত চিল্লাওয়ালা তাবলিগীরাও হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামদের প্রতি সুধারনা রাখে না। বরং তাবলীগিদের আক্বীদা হচ্ছে- নবী-রসূল গন ভুল করেছেন, উনার গুনাহ করেছেন ইত্যাদি। আসুন আমারা প্রমাণ গুলা দেখি-
তাবলীগ জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস মেওয়াতী তার মালফুযাতের মধ্যে লিখেছে, "যখন তাঁহারা (নবী-রসূল আলাইহিস সালাম) সেই তালীম ও হেদায়েতের জন্য সাধারণ তবকার লোকদের সহিত মেলামেশা করিতেন তখন তাঁহাদের মোবারক ও নূরানী অম্তর সমূহে সেই সাধারণ লোকদের অন্তরের ময়লা ও আবর্জনা প্রতিফলিত হইত। অতঃপর নির্জনে বসিয়া জিকির ফিকিরের দ্বারা সেই আবর্জনা ধৌত করিয়া ফেলিতেন।”
দলীল-
√ 'মালফুজাত', ১১১ নং মলফুজ।
তাবলীগিদের মুরুব্বী দের দ্বারা লিখিত কিতাবে আছে- "হযরত আদম আলাইহিস সালাম গন্দম খেয়ে ভুল করেছেন।”
দলীল-
√ 'মালফুযাতে শায়খুল হাদীস', ২৩১ পৃষ্ঠা।
তাবলীগের অন্যতম গুরু ইসমাঈল হোসেন দেওবন্দী লিখেছে- "দাওয়াত বন্ধ করার কারনে আল্লাহ হযরত ইউনুছ আলাইহিস সালামকে অবশ্য গযবে ফেললেন। হযরত ইউনুছ আলাইহিস সালাম মাছের পেটে চল্লিশ দিন আবদ্ধ থেকে নিজ ভুল ত্রুটি স্বীকার করে তওবা করার কারনে বিপদ থেকে উদ্ধার পেলেন।” নাউযুবিল্লাহ !!
দলীল-
√ 'তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব', ৬২ ও ৮৯ পৃষ্ঠা।
এই খারেজী তাবলিগী মৌলবী আরো লিখেছে- "হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চল্লিশ দিন পর্যন্ত গারে হেরা পর্বতে থেকে আল্লাহ পাকের ধ্যান ও যিকিরের
চিল্লা দিলেন, যার ফলে তিনি কোরআন ও নবুওয়াত প্রাপ্ত হলেন।” নাউযুবিল্লাহ !!
দলীল-
√ 'তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব', ৮৯ পৃষ্ঠা।
উক্ত খারেজী ইসমাঈল হোসেন দেওবন্দী তার কিতাবে আরো লিখেছে- "হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দীর্ঘকাল পর্যন্ত ঈমানের তাবলীগ করে প্রথমে ঈমান পরিপোক্ত করিয়াছেন।”
দলীল-
√ 'তবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব', ৭০ পৃষ্ঠা।
উপরোক্ত দলীল দ্বার অকাট্যভাবে প্রমানিত হলো খারেজীদের প্রথম বৈশিষ্ট্য নবী-রসূল আলাইহিস সালামদের অবজ্ঞা এবং সমালোচনা করার এই বৈশিষ্ট্য তাবলীগিদের মাঝে শতভাগ বিদ্যমান।
(২) এরপর দ্বিতীয় যে বৈশিষ্ট্য সেটা হচ্ছে, হযরত সাহাবায়ে কিরাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুদের প্রতি বদ ধারনা করা এবং উনাদের সমালোচনা করা। খারেজীদের মত চিল্লাওয়ালা তাবলীগিরাও সাহাবায়ে কিরাম গনের সমালোচনা ও বদ ধারনা করে থাকে। এর কিছু প্রমান দেয়া হলো–
চিল্লাওয়ালা তাবলীগিদের অন্যতম মুরুব্বী ইসমাইল হোসেন দেওবন্দী লিখেছে
“লক্ষাধিক ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমগনের মধ্যে অধিকাংশই মূর্খ ছিলেন।”
নাউযুবিল্লাহ !!
দলীল-
√ 'তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব', ৯৩ পৃষ্ঠা।
√ 'শরীয়তের দৃষ্টিতে তাবলীগী নেছাব'।
√ 'তাবলীগ জামায়াতের প্রধান তর্ক ও ইচ্ছা'।
প্রচলিত তাবলীগীদের বিশ্ব আমীরের বয়ান সম্বিলিত কিতাবে লিখেছে- "কিছু ছাহাবী উহুদ যুদ্ধে ভুলের স্বীকার হয়ে চীজ আসবাব (গনীমতের মাল) এর দিকে দৃষ্টি দিয়ে গিরিপথ থেকে সরে এসে রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নির্দেশ অমান্য করায় উহুদ যুদ্ধে পরাজয় বরন করতে হয়েছে।”
দলীল-
√ 'হযরতজীর কয়েকটি স্মরনীয় বয়ান', ৫৩-৫৫ পৃষ্ঠা।
খারেজী ইসমাইল হোসেন দেওবন্দী লিখেছে- "হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমগনের ঈমান দীর্ঘকাল তাবলিগ করার কারনেই পরিপোক্ত বা মজবুত হয়েছে ।”
দলীল-
√ 'তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব', ৭০ পৃষ্ঠা।
উপরোক্ত দলীল দিয়ে দেখা গেলো প্রচলিত তাবলীগীরা খারেজীদের মত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম গনের সমালোচনা করে এবং তাদের অপনান সূচক কথা বলে। অতএব এ বৈশিষ্ট্যও তাবলিগীদের মধ্যে রয়েছে এটা প্রমান হলো।
(৩) এরপর তৃতীয়ত যেটা বলা হয়েছে, এরা সুন্নতী বাবরী চুল না রেখে সর্বদা মাথা ন্যাড়া বা মুন্ডন করবে। এটা খুবই মজার ব্যাপার এটা যাচাই করতে আপনারা ঢাকা কাকরাই আসেন, দেখবেন ন্যাড়া মাথার অনেক খারেজী ঘোড়াফেরা করছে।
এবং আমি নিজেও অসংখ্য বার তাবলীগী দের সেলুনে মাথা মুন্ডন করতে দেখেছি।
শায়খুল হাদীস আজিজুল হক এর 'রহমানী পয়গাম' এবং হাটহাজারীর আহম্মদ শফীর 'মাসিক মঈনুল ইসলাম' পত্রিকায় যতবার চুল রাখা সংক্রান্ত প্রশ্ন করা হয়েছে ততবার এরা উত্তর লিখেছে, "মাথা মুন্ডন কারা সুন্নত!”
দলীল-
√ মঈনুল ইসলাম মার্চ/২০০২ সংখ্যা।
অথচ সিয়া ছিত্তার হাদীসে শতশত হাদীস শরীফ আছে, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাবরী চুল রাখতেন।
কিতাবে বর্নিত আছে–
ﺍﻥ ﺍﻟﻤﺼﻄﻔﻲ ﻛﺎﻥ ﻻﻳﺤﻠﻖ ﺷﻌﺮﻩ ﻟﻐﻴﺮ ﻧﺴﻚ
অর্থ: প্রিয় নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজ্ব ব্যাতীত অন্য কোন
সময় উনার মাথা মুন্ডন করেন নাই।”
দলীল-
√ 'জামিউল ওয়াসিল ফি শরহে শামায়িল' ১/৯৯।
ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া ৯ম খন্ড ৯৩ পৃষ্ঠায় আছে- "মাথা মুন্ডন সুন্নত নয়।”
অথচ এই তাবলীগীরা মাথা মুন্ডন করে চকচকে করে রাখে। কারন মাথা মুন্ডন করাই হচ্ছে খারেজীদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ।
স্বয়ং হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খারেজীদের
লক্ষন বর্ননা করে বলেন–
ﺳﻴﻤﺎ ﻫﻢ ﺍﻟﺘﺤﻠﻴﻖ
অর্থ: মাথা মুন্ডন হচ্ছে এদের বিশেষ চিহ্ন ।”
দলীল-
√ মিশকাত শরীফ কিতাবুল কিসাস
সূতরাং খারেজীদের অন্যতম লক্ষন বা বৈশিষ্ট্য মাথা মুন্ডন বা ন্যাড়া করা তাবলী গীদের মাঝে বিদ্যমান। অতএব এ তৃতীয় বৈশিষ্ট্যও প্রমানিত হলো।
(৪) চতুর্থত যে বৈশিষ্ট্য, অধিকাংশ লোক নির্বোধ, মূর্খ, জাহিল হওয়া। এবিষয়ে এই নোটের প্রথম হাদীস শরীফের বিশ্লেষণে দলীল দেয়া হয়েছে । ওইখানে দেখুন।
(৫) পঞ্চমত যেটা বলা হয়েছে, এদের বক্তব্য হবে বহুগুনের ফযীলতে বা চমকপ্রদ। এ বিষয়েও এই নোটে প্রথম হাদীস শরীফের বিশ্লেষণে দলীল দিয়ে প্রমান করা হয়েছে । সেখানে আবার দেখুন।
(৬) ষষ্ঠত যেটা বলা হয়েছে, এরা নিজেদের ব্যতীত অন্য সবাইকে কাফির
মনে করবে। খারেজীদের মত চিল্লাওয়ালা তাবলীগিরা নিজেদের ব্যতীত সবাইকে অমুসলিম মনে করে। এদের ধরনা শুধু এরাই মুসলিম আর সবাই কাফির। এর প্রমান স্বয়ং তাবলিগীদের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস মেওয়াতির মালফুজাতে আছে। তিনি লিখেছে- "মুসলমান দুই প্রকার। একদল তাবলীগের জন্য হিজরত করবে । দ্বিতীয় দল নুছরত বা সাহায্য করবে। এ দু’দলই মুসলমান ।”
দলীল-
√ 'মালফুজাত', ৪৩ পৃষ্ঠা ৪২ নং মালফুজ।
√ 'দাওয়াত ও তাবলীগ কি ও কেন', ২১ পৃষ্ঠা ।
√ 'হযরতজীর কয়েকটি সম্মরনীয় বয়ান' ২/১১।
√ 'তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব', ১৭৪ পৃষ্ঠা।
উক্ত তাবলীগ প্রতিষ্ঠাতা স্পষ্ট বলেই দিলো, যারা তার স্বপ্নে পাওয়া তাবলীগি করবে এবং একাজে সাহায্য করবে তারাই মুসলমান। আর যারা করবে না তারা মুসলমান না। শুধু তাই নয়, তাবলীগ গুরু আম্বর আলী লিখেছে- "ছয় উছুল ভিত্তিক এবং তরতীব মোতাবেক সকল স্থানের সকল লোককে দাওয়াত দেয়া ফরজ বা জরুরী এবং এ দাওয়াত না দেওয়ার কারনে যারা ঈমানহারা হয়ে মারা যাবে, তাদের জন্য
যারা দাওয়াতের কাজ করবে না অথবা জড়িত থাকবে না, তাদেরকে আল্লাহ পাকের
কাছে জবাবদীহি করতে হবে এবং তারা পাকড়াও হবে।”
দলীল-
√ 'দাওয়াতে তাবলীগ', ৪৯ পৃষ্ঠা।
উক্ত দলীল থেকে দেখা যাচ্ছে, তাদের ভাষ্যমতে যারা তাদের স্বপ্নে প্রাপ্ত চিল্লাওয়ালা ছয় উছুলী তাবলীগ করবে না তারা ঈমানহারা হবে, জাহান্নামী হবে, মুসলমান
হতে পারবেনা ইত্যাদি। আর এরকম আক্বীদা একমাত্র খারেজী ফিরকাই পোষন করে।
খারেজীরাই বলে
Sunday, 15 February 2015
টুইটার কি? কেন ব্যববহার করতে হয়?.............. জানুন।
টুইটার একটি ব্যতিক্রমধর্মী সোস্যাল সাইট। যা দিয়ে আপনি সারাবিশ্বে আপনার বার্তাটি জানিয়ে দিতে পারবেন.....
উদাহরন- যেমন আপনার বার্তা আপনি @barakobama এভাবে লিখে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠিয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারবেন...
* ফেসবুকের সাথে টুইটারের একটি মৌলিক পাথর্ক্য হলো, টুইটার একটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত মাধ্যম। আপনার ফেসবুক পেজ আপনার ব্যক্তিগত সম্পত্তি, এবং আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ এতে প্রবেশ করতে পারবে না। টুইটার ঠিক উলটা, এখানে সবাই উঠান পেতে বসে থাকে কোনো কুটুম্ব আসার অপেক্ষায়।
কিন্তু লোকে কীভাবে জানবে আপনার বাড়ির ঠিকানা? ...
* পৃথিবীজুড়ে অনেক খোলা ময়দান থাকলেও আমরা শুধু আমাদের চেনা কিছু স্থানে যাই, সেখানে ঝুলিয়ে রাখা ব্যানার-ফেস্টূন সচরাচর দেখি। "Follow" করার ধারণাটি এভাবেই কাজ করে। আপনি টুইটারে যাকে "Follow" করবেন, শুধু তার নিজের বা তার সাথে জড়িত 'tweet' ক্রমাগত আপডেট হতে দেখতে পাবেন আপনার নীড়পাতায়। অন্য কেউও আপনার আপডেটগুলো তার নীড়পাতায় দেখতে পাবেন যদি তিনি আপনাকে "Follow" করেন।
Follow মানে আপনি কাউকে Follow করছেন...
Follower মানে আপনাকে যারা Follow করছে...
কিন্তু এমনিতেই দেখতে পেলে ফলো করা কেন?
* টুইটারে একটি শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে উঠে পারষ্পরিক সহায়তার মাধ্যমে। অ্যাকাউন্ট খুলবার পর আপনি একলা পড়ে থাকবেন কোনো এক কোণে। আরও অনেকেই আপনার মতোই অবস্থায় থাকবে। সমমনা মানুষদের ফলো করুন, আশা রাখুন যে তারাও আপনাকে ফলো-ব্যাক করবে। এই ইকো-সিস্টেমটি গড়ে না তুললে আপনি তাতক্ষণিক সংবাদ জানতে পারবেন না। একদম মাঠ পর্যায়ে তরতাজা খবর সরাসরি পৌঁছে দিতে পারা টুইটারের বড় শক্তি।
কিন্তু এই কমিউনিটির বাইরেও যে-কারও মনোযোগ আকর্ষণ করে কীভাবে বক্তব্য দেওয়া যায়? ...
* আর সব জায়গার মতো টুইটারেও আপনার একটি ঠিকানা আছে। সেটি ব্যবহার করে কেউ আপনার প্রতি বার্তা পাঠাতে পারবে। যেমন, কেউ "@rifatalam007 কী খবর?" লেখা মানে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমাকে সরাসরি কিছু বলা। আপনি @BBCNews লিখে শুরু করার অর্থ হলো বিবিসি তার নীড়পাতায় আপনার এই টুইট দেখতে পাবে, অর্থাৎ তাদের মনোযোগ আকৃষ্ট হবে। এই "@" চিহ্নটি ব্যবহার না করলে আপনার টুইট নিজের পাতাতেই পড়ে থাকবে, আপনার ফলোয়ার ছাড়া কেউ খেয়ালও করবে না।
কিন্তু এই ভাবে ছোটো ছোটো বালুকণা মিলে মহাদেশ গড়ে উঠবে...
ব্যাস, এই তো শিখে গেলেন টুইটিং। এবারে কিছু কৌশলগত কথা বলি।
- শুরুতেই#StepDownHasina লিখে সার্চ করুন। ফলাফল হিসাবে অনেকের টুইট দেখতে পাবেন। এদের মধ্যে সমমনাদের ফলো করুন। তাহলে যেকোনো বার্তা এদের মাধ্যমে ভূত-থেকে-ভূতে পদ্ধতিতে আপনার কাছে পৌঁছে যাবে।
- যে বা যারা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন খবর টুইট করছেন তাদের ফলো করুন, একটিমাত্র ক্লিকে "Re-Tweet" করে সেই বার্তা পৌঁছে দিন আপনার নিজের নেটওয়ার্কে।
-" @ "ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বরাবর পৌঁছে দিন আপনার বার্তা।
- চলমান আন্দোলনের ছবি তুলুন, সেই ছবি টূইটারের অ্যাপ ব্যবহার করে মাঠ থেকেই সরাসরি ওয়েবে প্রচার করে দিন। মুহূর্তে এটি পৌঁছে যাবে বিশ্ববাসীর কাছে। আপনার এই ক্ষুদ্র টুইট হয়ে যাবে আগামীর ইতিহাস।
- অন্য যেকোনো মাধ্যমের মতো এখানেও অনেক চোররা ওত পেতে বসে আছে। তারা আপনাকে উত্তক্ত করলে তা উপেক্ষা করুন। কোথাও এদের কু-মতলব চলতে দেখলে জবাব দিন।
- উল্লেখকৃত কিছু অ্যাকাউন্টকে ফলো করুন যাতে তাদের শেয়ার করা যেকোনো কিছু দ্রুত ছড়িয়ে দিতে পারেন, কিংবা উল্লেখযোগ্য কোনো ঘটনা সম্পর্কে তৎক্ষণাৎ জানতে পারেন। এভাবে আপনি নিজে কিছু না লিখেও আমাদের বার্তা বহুদূর পৌঁছে দিতে পারবেন।
- @BBCNews, @cnn, @Aljazera, @nytimes @whitehouse, @un, @statedept @HuffingtonPost, @amnesty, ইত্যাদি অ্যাকাউন্ট ফলো করে শুরু করুন। এই অ্যাকাউন্টগুলো বরাবর টুইট করলে শুরুতে "@" ব্যবহার করতে ভুলবেন না।
দ্রুত টুইটারে যোগ দিন। #StepDownHasina, #SaveDemocracy, #SaveBangladesh এই হ্যাশট্যাগগুলো ব্যবহার করুন বেশি বেশি করে।
আপনারা নিশ্চিৎভাবে জেনে রাখুন, টুইটার বর্তমান সময়ে সবচেয়ে শক্তিশালী স্বাধীন মাধ্যম বিশেষ করে যারা বিপ্লবকে মন-মননে সবসময় ধারন করে চলেন। এর সবচেয়ে সাম্প্রতিক উদাহরন মিশরের ঐতিহাসিক বিপ্লবী বিজয়ে টুইটারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। আজই এখন ই টুইটারে সাইন-আপ করুন।
টুইটারে মোবাইল থেকে সবচেয়ে সহজে যেকোন জায়গা থেকে যেকোন মুহুর্তে খুবই কম নেট খরচে স্টাটাস আপডেট দিতে পারবেন। কারন এখানে স্টাটাস লেখার সর্বোচ্চ লিমিট ১৪০ অক্ষর। যেমন (Food supply to Khaleda's office blocked, its ongoing 4th day! #Bangaldesh! @hrw @UN @amnesty
http://t.co/J3sBncoBMs http://t.co/YPH09lJpAS" ) এই টুইট-টাতে ১৪০ টা ক্যারেক্টার আছে। এরচেয়ে বড় একবারে লেখা যায় না। টুইটার চায় সংক্ষেপে মানুষ যেন মূল বার্তাটা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে পারে।
টুইটারে সাইনআপ করার পরে :
১. টুইটারের অনেক কিছুই ফেসবুকের মত। তবে অনেক সংক্ষিপ্ত ও গোছানো। আপনি প্রথমেই সমমনা ভাইদের Follow করুন। প্রত্যেকে প্রত্যেককে। এভাবে যদি মাত্র ১০০ জনের একটা নেটওয়ার্ক-ও গড়ে ওঠে, জেনে রাখুন তা ফেসবুকের ১০,০০০ ফ্যানের পেজের চেয়ে কার্যকর ও শক্তিশালী।
২. যেকোন টুইট (ঠিক ফেসবুকের স্টাটাসের মত তবে ওই ১৪০ অক্ষরের মধ্যে) ইংরেজীতে লিখুন। কারন আমরা ফেসবুক আমাদের নিজস্ব বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে চালাই কিন্তু টুইট করবো বিশ্বমিডিয়া ও বিশ্ববাসীকে আমাদের অবস্থা জানাবার জন্য। প্রথমে ইংরেজীতে অভ্যস্থ হতে কিছুটা কষ্ট হবে, ধীরে ধীরে শিখে যাবেন স্মার্টলি ইংরেজীতে মাত্র ১৪০ লেটারের মধ্যে কিভাবে সুন্দর করে একটা খবর ছড়িয়ে দেয়া যায়!
৩. পৃথিবীর প্রত্যেকটি নিউজ সাইট, বিখ্যাত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি ও সংগঠনের টুইটার একাউন্ট আছে। তারা নিয়মিত সার্বক্ষণিক লক্ষ্য রাখে সেখানে। তাদেরকে আপনার বার্তাটা পৌছে দেয়া খুব ই সহজ। তাদের নামের আগে @ সাইন যোগ করে কিছু বললেই তারা সেটা পেয়ে যাবে। যেমন, @BBC, @AlJazeera, @Ikhwanweb, Bangladesh government ordered cops to gun-shot on opposition party protesters!
৪. আপনি যে টুইটটা করছেন সেখানে যে শব্দগুলো আছে তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর আগে হ্যাশ (#) সাইন যোগ করুন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ন। হ্যাশ সাইন দিলে ওই শব্দটা ওই সংক্রান্ত সমস্ত টুইটের সাথে একটা লিঙ্ক করে দেবে। যেমন এভাবে লিখুন : #StepDownHasina, #StopJudicialKilling
৫. টুইটারে আপনি ফেসবুকে আপলোড করা যেকোন ছবি বা ভিডিওর লিঙ্ক পোষ্ট করতে পারেন, কিংবা সরাসরি টুইটারে ছবি আপ করা যায় অথবা twitpic.com নামের ওয়েবে টুইটার আইডির মাধ্যমেই লগিন করে ছবি+ভিডিও আপ করা যায় যা অটোমেটিকাল্লি শিরোনামসহ টুইটারে পোষ্ট হয়ে যাবে। টুইটারে লিঙ্ক পোষ্ট করলে তা নিজে থেকেই ছোট করে নেবে। তাই লিঙ্কে ওয়ার্ড সংখ্যা ১৪০ ছাড়িয়ে গেলেও টেনশন করার কিছু নেই। এসংক্রান্ত টেকি খুটিনাটি নিজেরাই শিখে ফেলবেন ২-৩ দিনের মধ্যে। কারন টুইটার খুবই সহজ একটা সাইট।
৫. এই হলো সংক্ষেপে টুইটার। সবান্ধবে আজই-এখন ই সবাই টুইটারে রেজিষ্ট্রেশন করুন। আওয়ামী -বামরা আমাদের চলমান আন্দোলন ও বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে প্রচুর অপপ্রচার চালিয়ে বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করছে প্রতিনিয়ত। আমাদের ওপর এটা নৈতিক ও জরুরী দায়িত্ব ওদের মিথ্যাচার ও অপকৌশলের জবাবে সত্য ও সুন্দরের বার্তাগুলো বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তরে পৌছে দেবার এই চমৎকার মাধ্যমটির পূর্ণ সদ্ব্যবহার করা।
সর্বশেষ, জেড ফোর্সের টুইটার লিংক- twitter.com/zforcebd
এবং আমাদের পথিকৃৎ কয়েকজন সিনিয়র ন্যাশনালিস্ট অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের টুইটার লিংক-
Kaptain Nimo - twitter.com/zcaptain_nimo
জাতির নানা - Twitter.com/jatir_nana
Ekjon Chele - twitter.com/ekjonchele
মেজর ডালিম - twitter.com/dalim1975
বিডি আইডল - twitter.com/bdidol
মাস্টার দা সূর্য সেন - twitter.com/masterda_surjo
আমার টুইটার লিংকঃ - twitter.com/rifatalam007
Saturday, 14 February 2015
Passport
প্রথম পর্ব: সবার আগে সরকারি পাসপোর্ট সেবা পোর্টালে নিজের নাম নথিভুক্ত করুন। এর জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। এই পাতাটি খুললে Register now অপশনে ক্লিক করুন। নাম নথিভুক্ত করতে নিজের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেশ করুন। এর পর আপনার ই-মেলে লগিং আইডি পৌঁছে যাবে। মেল চেক করে ফের পোর্টালের হোম পেজ-এ ফিরে আসুন।
দ্বিতীয় পর্ব: ই-মেলে পাওয়া লিঙ্কে ক্লিক করে আপনার অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভেট করুন। ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড টাইপ করুন। Apply for Fresh Passport অথবা Re-issue of Passpor লিঙ্কে ক্লিক করুন।
তৃতীয় পর্ব: যদি প্রথমবার পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে চান, তাহলে Apply for Fresh Passport লিঙ্কে ক্লিক করুন। সঙ্গে সঙ্গে আপনার স্ক্রিনের উপর ফর্ম খুলে যাবে। আপনার কাছ থেকে কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হবে এই ফর্মে। আবেদনপত্রটি সঠিক ভাবে ভর্তি করুন। ফর্ম ভর্তির সময় সতর্ক থাকুন, কারণ কোনও ত্রুটির কারণে প্রথম বার পাসপোর্ট প্রক্রিয়া বাতিল হলে ফের আবেদন করতে বেশ কিছু সময় লাগবে।
চতুর্থ পর্ব: নিজের পরিবার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। সমস্ত তথ্য ফর্মে লেখার পর তা 'সেভ' করে ফেলতে হবে। পরে এই পাতাটি খুলতে হলে আবার নিজের আইডি ও পাসওয়ার্ড দিতে হবে। তথ্য দেওয়ার পর পরের পাতায় যেতে হবে। এই পাতায় পরিবার সম্পর্কীয় তথ্য, ঠিকানা সম্পর্কীয় তথ্য এবং আপত্কালীন যোগাযোগের জন্য ফোন নম্বর দিতে হবে। পাতাটি 'সেভ' করে পরের পাতায় চলুন।
পঞ্চম পর্ব: View Saved/Submitted Applications স্ক্রিনে Pay and Schedule Appointment লিঙ্কে ক্লিক করে দেখা করার সময় বুক করুন। এবার ফর্মটি জমা (submit) করুন। ফর্ম জমা দেওয়ার পর আপনার স্ক্রিনে একটি নতুন উইন্ডো খুলবে। এখানে পাসপোর্ট তৈরির জন্য নির্ধারিত খরচ দিতে হবে। ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং অথবা সেভিংস ব্যাঙ্ক চালানের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে হবে।
ষষ্ঠ পর্ব: গোটা প্রক্রিয়া শেষ হলে Print Application Receipt লিঙ্কে ক্লিক করে জমা দেওয়া আবেদনপত্রটির প্রিন্ট নিন। এতে আপনার আবেদনপত্রের নম্বর এবং সাক্ষাত্কারের সময় উল্লেখ করা থাকবে।
সপ্তম পর্ব: নির্দিষ্ট দিনে পাসপোর্ট দপ্তরে আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় সমস্ত আসল নথি সঙ্গে নিয়ে যাবেন। দপ্তরে গোটা প্রক্রিয়া মিটবার এক সপ্তাহ পর নয়া পাসপোর্ট আপনার বাড়িতে পৌঁছে যাবে। পাসপোর্টের কপি মিলবে অনলাইনেও। মনে রাখবেন, ডাক বিভাগের গন্ডগোল অথবা এর মাঝে ছুটির দিন পড়লে দশ দিনের বদলে পনেরো দিনের মধ্যে পাসপোর্ট মিলবে।
Tuesday, 10 February 2015
Allah is one... Prove
#ধাপ১ তাকে প্রথমে বুঝাতে হবে এই বলে যে, ইসলাম অনুযায়ী আল্লাহ হচ্ছেন অদৃশ্য সত্তা, এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা। এই মহাবিশ্বের স্রষ্টাকে কোনোভাবেই আপনার সামনে নিয়ে এসে দেখানো সম্ভব নয়। এটা একটা যৌক্তিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিষয়। ব্যাপারটাকে যুক্তি ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বুঝতে হবে, উপলব্ধি করতে হবে। এখানে স্বচক্ষে দেখে বিশ্বাস করার কিছু নাই। বরঞ্চ স্বচক্ষে না দেখেও যুক্তি ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বিশ্বাস করার নামই হচ্ছে ঈমান। কাজেই আমি যদি আপনার সামনে আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ করতে নাও পারি তথাপি প্রমাণ হবে না যে, আল্লাহ বলে কিছু নাই। তাতে শুধু এটুকুই প্রমাণ হবে যে, আমার পক্ষে আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ করা সম্ভব নয়। ঠিক যেমন একটি রোবটের পক্ষে তার মেকারের অস্তিত্ব প্রমাণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু তাই বলে প্রমাণ হয় না যে, রোবটের মেকার বলে কিছু নাই।
এতটুকু বুঝানোর পর সে যদি যুক্তিবাদী ও সত্য সন্ধানী হয় তাহলে ব্যাপারটা নিয়ে চিন্তা করবে। আর তার উদ্দেশ্য যদি হয় আপনাকে হেয় করা বা 'অন্ধ বিশ্বাসী' প্রমাণ করা, সেক্ষেত্রে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে।
#ধাপ২ আপনি যেহেতু আল্লাহকে না দেখে বিশ্বাস করেন সেহেতু সে বলতে চাচ্ছে যে, আপনি একজন 'অন্ধ বিশ্বাসী'। অর্থাৎ তার 'সংজ্ঞা' অনুযায়ী না দেখে বিশ্বাস মানেই 'অন্ধ বিশ্বাস'। এই অবস্থায় তার প্রতি কিছু পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে তার এই অবস্থানকে গুঁড়িয়ে দিতে হবে। তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে যে, না দেখে বিশ্বাস মানেই যদি 'অন্ধ বিশ্বাস' হয় তাহলে সে নিজেও একজন অন্ধ বিশ্বাসী। এর পরও সে যদি ত্যানা পেঁচানো শুরু করে দেয় সেক্ষেত্রে আরো এক ধাপ এগিয়ে যেয়ে তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে যে, এই মহাবিশ্বের স্রষ্টায় বিশ্বাস কোনোভাবেই অন্ধ বিশ্বাসের মধ্যে পড়ে না। বরঞ্চ স্রষ্টায় অবিশ্বাসই একটি অন্ধ (অ)বিশ্বাস।
Thursday, 5 February 2015
Q...answer
1.প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই ? উঃ
রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
অল্পতুষ্টি অবলম্বন কর, ধনী হয়ে যাবে।
2.প্রশ্নঃ আমি সবচেয়ে বড় আলেম
(ইসলামী জ্ঞানের অধিকারী)
হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
তাক্বওয়া অবলম্বন কর (আল্লাহ্
ভীরুতা)
আলেম
হয়ে যাবে।
3.প্রশ্নঃ সম্মানী হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
সৃষ্টির কাছে চাওয়া বন্ধকর
সম্মানী হয়ে যাবে।
4.প্রশ্নঃ ভাল মানুষ হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
মানুষের
উপকার কর । 5.প্রশ্নঃ ন্যায়পরায়ণ হতে
চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
যা নিজের
জন্য পছন্দ কর তা অন্যের জন্যে ও পছন্দ
কর।
6.প্রশ্নঃ শক্তিশালী হতে চাই ? উঃ
রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
আল্লাহর
উপর ভরসা কর ।
7.প্রশ্নঃ আল্লাহর দরবারে বিশেষ
মর্যাদার
অধিকরী হতে চাই ? উঃ রাসূলুল্লাহ
সাঃ ইরশাদ করলেন,
বেশী বেশী আল্লাহ্কে স্মরণ (জিকির)
কর।
8.প্রশ্নঃ রিযিকের প্রশস্ততা চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
সর্বদা অযু অবস্থায় থাকো।.
9.প্রশ্নঃ সমস্ত দোয়া কবুলের আশা
করি ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
হারাম
খাবার হতে বিরত থাকো।
10.প্রশ্নঃ ঈমানে পূর্ণতা কামনা
করি ? উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ
করলেন,
চরিত্রবান
হও ?
11.প্রশ্নঃ কেয়ামত এর দিন আল্লাহর
সাথে গুনাহ্মুক্ত হয়ে সাক্ষাৎ
করতে চাই ? উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ
করলেন,
জানাবত
তথা গোসল ফরজ হওয়ার
সাথে সাথে গোসল
করে নাও ।
12.প্রশ্নঃ গুনাহ্ কিভাবে কমে যাবে ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
বেশী বেশী ইস্তেগফার (আল্লাহর নিকট
কৃত
গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রর্থনা) কর।
13.প্রশ্নঃ কেয়ামত
দিবসে আলোতে থাকতে চাই ? উঃ
রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন, জুলুম
করা ছেড়ে দাও।
14.প্রশ্নঃ আল্লাহ্ তা’য়ালার অনুগ্রহ
কামনা করি ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
আল্লাহর বান্দাদের উপর দয়া-অনুগ্রহ
কর ।
15.প্রশ্নঃ আমি চাই আল্লাহ্
তা’য়ালা আমার
দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
অন্যের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখ।,
16.প্রশ্নঃ অপমানিত
হওয়া থেকে রক্ষা পেতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
জিনা (ব্যাভিচার ইত্যাদি...)
থেকে বেঁচে থাকো। 17.প্রশ্নঃ
আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল
সাঃ এর
নিকট প্রিয় হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
যা আল্লাহ্
এবং তাঁর রাসূলের (সাঃ) এর নিকট
পছন্দনীয়
তা নিজের জন্য প্রিয় বানিয়ে নাও।
18.প্রশ্নঃ আল্লাহর একান্ত অনুগত
হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
ফরজ
সমূহকে গুরুত্বের সহিত আদায় কর।
19.প্রশ্নঃ ইহ্সান সম্পাদন
কারী হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন, এমন
ভাবে আল্লাহর এবাদত কর যেন
তুমি আল্লাহকে দেখছ
অথবা তিনি তোমাকে দেখছেন।
20.প্রশ্নঃ ইয়া ! রাসূলুল্লাহ সাঃ কোন
বস্তু
গুনাহ্ মাফে সহায়তা করবে ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন, ক)
কান্না (আল্লাহর নিকট কৃত গুনাহের
জন্য) খ) বিনয় গ) অসুস্থতা।
21.প্রশ্নঃ কোন জিনিষ দোযখের ভয়াবহ
আগুনকে শীতল করবে ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
দুনিয়ার
মুছিবত সমূহ । 22.প্রশ্নঃ কোন কাজ
আল্লাহর ক্রোধ
ঠান্ডা করবে ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ
করলেন, ....গোপন
দান এবং ...আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা।
23.প্রশ্নঃ সবচাইতে নিকৃষ্ট কি ? উঃ
রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ
করলেন, ...দুশ্চরিত্র
এবং ...কৃপণতা।
24.প্রশ্নঃ সবচাইতে উৎকৃষ্ট কি ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ
করলেন, ....সৎ চরিত্র, ....বিনয়, এবং
...ধৈর্য্য ।
25.প্রশ্নঃ আল্লাহর ক্রোধ থেকে
বাঁচার
উপায়
কি ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
মানুষের উপর রাগান্বিত হওয়া পরিহার
কর।
আল্লাহ্
তা'য়ালা আমাকে এবং সবাইকে আমল
করার তৌফিক দান করুন।
Friday, 30 January 2015
Darun.....
Mohammad Salahuddin
অনেক হিন্দু ধর্মালম্বি আস্ফালন করে বলেন যে ভারতে নাকি মুসলিমদেরকে প্রেসিডেন্ট,প্রধান বিচারপতি করা হয়েছে,এটা নাকি তাদের ঔদার্যবোধের প্রমান,কিন্তু এর পেছনে কি ধরনের চাণক্য বুদ্ধি কাজ করেছেও তথা আইওয়াশ করেছে তা অনেকেই জানেন না(ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে চাণক্য পণ্ডিতের জন্মস্থান আজকের পাকিস্তানে)
সে যাই হোক না কেন,দেখা যাক ভারতের এই (মুসলিম!!!) রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান বিচারপতিদের পরিচয়।
ভারতের প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রপতি হিসেবে চালানো হচ্ছে জাকির হোসাইনকে।যে কথাটি অনেকেই জানেন না সেটা হল জাকির হোসাইন ছিলেন একজন ফারসি অগ্নি উপাসক ধর্মের মানুষ,ফারসি নাম দিয়ে তাঁকে মুসলিম হিসেবে চালানো হচ্ছে।শুধু তাই নয় জাকির হোসাইন ছিলেন একজন চরম রকমের ধর্মবিদ্বেষী সেকুলার মানুষ।
মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ নামের এক ব্যাক্তিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান বিচারপতি উভয় পদে আসিন হতে দেখা গেছে।এই ব্যাক্তিটি বিয়ে করেছিলেন পুস্পা শাহ নাম্নী এক হিন্দু নারীকে।আপনারা সাইফ,সালমানের বাবা সেলিম খান,শাহরুখদের উদাহরণ দেখেছেন তারা হিন্দু নারী বিয়ে করে কি রকম মুসলিম হিসেবে আছে।
এপিজে আবুল কালাম এই তালিকার সবচেয়ে কুৎসিত উদাহরণ,যেই ব্যাক্তিটি ৭ বছর বয়সের পর থেকে কোনদিন মসজিদে যায়নি(Wings of Fire পড়ে দেখুন)।সকালে উঠে প্রতিদিন রামায়ন পড়ে,নিয়মিত মুর্তিপুজা করে,তাঁকে হিন্দু পেজগুলিতো বটেই আরএসএস ও হিন্দু বলেই দাবি করে।
প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া মির্জা হামিদুল্লাহ বেগ এবং আলতামাস কবির ছিল শিয়া ধর্মালম্বি।আর আজিজ মুসাব্বের আহমাদি ছিল কাদিয়ানি ধর্মের মানুষ।
এভাবেই এদেরকে মুসলিম হিসেবে চালানো হচ্ছে।
ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরসিদ ছিল কাদিয়ানি এবং কমিউনিস্ত রাজনীতির সাথে জড়িত।তার মেয়ে হিন্দু ছেলে বিয়ে করেছে।
বিজেপির কেন্দ্রিয় রাজনীতির সাথে জড়িত মুখতার আব্বাস নাকভি এবং শাহনেওয়াজ হুসাইন দুজনই শিয়া এবং হিন্দু নারী বিয়ে করেছে,সিকান্দার বখতের হালও হুবহু একই।মুখতার আব্বাস নাকভি বলেছিল যারা “বন্দে মাতরম” গাইবে না তাদের ভারতে থাকার অধিকার নেই, বুঝে দেখেন কত নেককার মুসলিম এরা।
ভারতের শিয়ারা কিভাবে মুসলিমদের উপরে ষড়যন্ত্র করেছে তা অনেকেই জানেন না
হযরত আওরঙ্গজেব(রহঃ)এর মৃত্যুর পরে ভারতে মুসরিক মারাঠা শক্তি প্রবল হয়ে ওঠে।তারা একের পর এক দক্ষিণ থেকে মধ্য ভারত জয় করে ফেলে।তারা ইসলামকে নির্মুল করতে বদ্ধপরিকর হয়ে ওঠে।তাদের সাথে যোগ দেয় শিখরাও।তখন শাহ অয়ালিইল্লাহ(রহঃ)এর আহবানে আফগান মহানায়ক আহমাদ শাহ আবদালি ১৭৬১ সালে মারাঠাদের মূল নেতাদের বলতে গেলে সবাইকে সহ ১ লক্ষ মারাঠা সেনাকে জাহান্নামের টিকেট ধরিয়ে দেন,১৭৬২ সালে ১২ হাজার শিখ সেনাকে হত্যা করে ১ লাখ শিখকে তিনি হত্যা করে শিখদের তেরোটা বাজিয়েছিলেন।কিন্তু যে কথাটি সবাই জানে না সেটা হল ভারতের শিয়ারাও সে সময়ে গাজি সালাউদ্দিন(রহঃ)এর বিরুদ্ধে ক্রসেডারদের সহায়তার ভুমিকার মত,১২৫৮ সালের হালাকু খানকে সহায়তার ভুমিকার মত ৫০০ বছর পরেও মুসলিমদের বিরুদ্ধে কুফরি শক্তিকে সহায়তা করেছিল।তাই শাহ অয়ালিইল্লাহ(রহঃ)মারাঠাদের মত শিয়াদের বিরুদ্ধেও জিহাদ ঘোষণা করেছিলেন।কারন এই শিয়ারা তখন মুসলিমদের বিরুদ্ধে মারাঠাদের সহায়তা করছিল এবং তারাও মুসলিম নিধনে মেতে উঠেছিল,তাই শাহ ওয়ালিউল্লাহ(রহঃ) আবদালিকে লেখা চিঠিতে মারাঠাদের সাথে শিয়াদের অত্যাচারের কথা এবং তাদের বিরুদ্ধেও মারাঠাদের মত জিহাদের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছিলেন।
ভারতের গত সংসদ নির্বাচনের আগে বিজেপি নেতা সুব্রামনিয়াম স্বামী বলেছিল যে শিয়া,কাদিয়ানি,সুফিরা বিজেপিকে সমর্থন করে,মোদী যে গুজরাটের শিয়া এলাকাগুলিতে সমর্থন পাচ্ছে সেকথাও ভারতের পত্রপত্রিকায় উঠে এসেছে বিভিন্ন সময়।বিভিন্ন সময়ে বিজেপি যে দাড়িটুপি ওয়ালা “মুসলিমদের” কে মোদীর সাথে এক অনুষ্ঠানে দেখিয়েছে তারা আসলে ছিল শিয়াদের বোহরা সম্প্রদায়ভুক্ত যারা আসলে অমুসলিম।শিয়া নেতা কালবে জাওয়াদ ও বিজেপিকে সমর্থন দেবার কথা প্রচ্ছন্নভাবে বলেছে নির্বাচনের আগে।এরা বিজেপিকে সমর্থন করে কারন তারা আসলে অমুসলিম। গুজরাতে মুসলিমদের দাঙ্গায় মার খাবার আরেকটি প্রধান কারন হচ্ছে গুজরাটে শিয়াদের সংখ্যা ভারতের অন্যান্য জায়গা থেকে তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি।হিন্দু এবং শিয়া মিলে গুজরাটে অমুসলিম জনসংখ্যা ৯০ ভাগের কাছাকাছি।তাই দাঙ্গাতে প্রশাসনের শত্রুতা এবং ৯০ ভাগ অমুসলিমের হামলার সামনে মুসলিমরা বিপদে পড়বে এটাই স্বাভাবিক।
মুলত এভাবেই শিয়া,কাদিয়ানি,সুফি,কমিউনিস্টদেরকে মুসলিম হিসেবে চালিয়ে মুসলিমদের প্রতি সুবিচার করার এবং মুসলিমদের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান বিচারপতি করার গোয়েবলসিয় প্রতারনা এভাবেই চলছে ভারতে।
ভারতের সাচার কমিশন রিপোর্তের মাধ্যমে বোঝা গেছে যে মুসলিমদের অবস্থা ভারতে কত করুণ।ব্রিটিশ আমলে ১৯৪৭ সালে ভারতের সরকারি চাকরীর ৩৪ ভাগ ছিল মুসলিমদের হাতে।কিন্তু ব্রিটিশরা চলে যাবার পর থেকে ভারতে মুসলিমের প্রতি বৈষম্য চালু হয় এবং সরকারি চাকরি থেকে মুসলিমদের অদৃশ্য হওয়া শুরু হয়।হিন্দুরা অনেকে বলে যে ভারতের মুসলিমরা নাকি ধর্মিয় গোঁড়ামির কারনে শিক্ষা থেকে পিছিয়ে আছে!!!কথাটা যে কতটা বানোয়াট তার প্রমান পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে যে পরিমাণ মুসলিম ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার তৈরি হয়েছে ভারতে তার ২০ ভাগের এক ভাগ মুসলিম ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার তৈরি হল না কেন?ভারতের মুসলিমরা কি পাকিস্তান/বাংলাদেশের মুসলিমদের চেয়ে বেশি ধার্মিক নাকি বেশী স্বাধীনভাবে ইসলাম পালন করতে পারে?আরএসএস বজরং শিবসেনার কারনে তো ভারতের মুসলিমরা ইসলাম নিয়ে টিকে থাকতেই হিমসিম খাচ্ছে,তাহলে কি করে ভারতের মুসলিমরা পাকিস্থান/ভারতের চেয়ে বেশি গোঁড়া মুসলিম হবে যে তারা শিক্ষা গ্রহণ করবে না?
আপনারা যারা পাশ্চাত্যে আছেন তারা পাশ্চাত্যে বসবাসরত অনেক মুসলিম পাকিস্তানি/বাংলাদেসি ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার পাবেন,কিন্তু ভারত থেকে আসা কোন মুসলিম ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার দেখেছেন পাশ্চাত্যে?দেখলেও কালেভদ্রে,অথবা সে সিয়া/কাদিয়ানি,এর কারন হিন্দুদের ইসলাম বিদ্বেষ, পাকিস্তানের পরমাণু বিজ্ঞানি আবদুল কাদিরের জন্ম ছিল ভারতের ভুপালে,পাকিস্তানে সেনাপ্রধান/রাষ্ট্রপতি/প্রধানমন্ত্রী এসেছে ভারতের মুসলিমদের মধ্যে থেকে,দেশভাগের আগে ভারতের আইসিএস মুসলিম অফিসারদের বেশিরভাগ এসেছিলেন এখনকার ভারত থেকে,তারাই পাকিস্থান/বাংলাদেসের উন্নয়নে অনেক ভুমিকা রেখেছিলেন দেশভাগের পরে আর আজ ভারতের সরকারি চাকরি,শিক্ষা সব জায়গাতে মুসলিমদের কোন অবস্থান নেই কেন?কেন ভারতের মুসলিমরা পাকিস্তান আর বাংলাদেশের মুসলিমদের থেকে পিছিয়ে পড়ল যেখানে কিনা ভারতের মুসলিমরা ব্রিটিশ আমলের আগে এগিয়েছিল?মাউন্তব্যাতেন পুর্ববঙ্গকে বলেছিলেন নোংরা ডোবা,যেখানে শিক্ষা/অবকাঠামো কিছু ছিল না,ব্রিটিশ আমলে পুর্ববঙ্গের মুসলিমদের চেয়ে এখনকার ভারতের মুসলিমরা শিক্ষা/অর্থ সবকিছুতে এগিয়ে ছিল,কিন্তু ব্রিটিশ আমলের পরে এই করুণ অবস্থা কেন হলো ভারতের মুসলিমদের?,আসল কারনটা হল ব্রিটিশ আমলের আগে পুর্ববঙ্গের মুসলিমরা ছিল হিন্দু জমিদারদের থাবার ভেতরে,ব্রিটিশ আমলের পরে হিন্দুদের বিদায়ের পরেই পুর্ববঙ্গের মুসলিমরা স্বাধীনভাবে বাঁচার/শিক্ষার সুযোগ পেয়েছিল,কিন্তু পুর্ববঙ্গের মুসলিমদের চেয়ে ভারতের মুসলিমরা ব্রিটিশ আমলের আগে শিক্ষায়/অর্থসম্পদে এগিয়ে থাকলেও ব্রিটিশ আমলের পরে ভারতীয় মুসলিমরা হিন্দু শাসনের জোয়ালে যাবার কারনে সবদিক থেকে নিগৃহীত হয়েছে।
Nabiji
Md Raihan Sharif wrote a new note: প্রসঙ্গ : মুহাম্মদ (সাঃ) ও আয়েশার বিয়ে.
হাদিস অনুযায়ী মুহাম্মদ (সাঃ) আনুমানিক ৫৩ বছর বয়সে ৯ বছর বয়সের আয়েশাকে বিয়ে করে ঘরে তোলেন। এর উপর ভিত্তি করে ইসলামবিদ্বেষীরা যে কত রকমের ব্যঙ্গ-চিত্র আর ব্যঙ্গ-কাহিনী ফেঁদে প্রচার করেছে, তার কোনো হিসাব নাই। ইসলামকে হেয় করার জন্য এটিই সম্ভবত সবচেয়ে বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে প্রথমেই ব্যাপারটাকে এভাবে চিন্তা করে দেখুন: ধরা যাক, আপনার বাবা'র বিরুদ্ধে স্বয়ং আপনার মা'র কোনো অভিযোগ নেই। আপনার নানা-নানী'র কোনো অভিযোগ নেই। এমনকি পাড়া-প্রতিবেশী ও দেশবাসীরও কোনো অভিযোগ নেই। অথচ আজ থেকে চৌদ্দশ' বছর পর আফ্রিকার কিছু লোকজন 'নারীবাদী' সেজে আপনার মা'র জন্য মায়াকান্না জুড়ে দিয়ে আপনার বাবা'কে বিভিন্নভাবে 'অপরাধী' বানানোর চেষ্টা করছে। ব্যাপারটা কেমন শুনাবে? নিঃসন্দেহে হাস্যকর, পাগলামী, ছাগলামী, মাতলামী, তাই নয় কি?
অনুরূপভাবে- মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর সাথে আয়েশার বিয়ে নিয়ে যেখানে স্বয়ং আয়েশার কোনো অভিযোগ ছিল না, আয়েশার পিতা-মাতা'র কোনো অভিযোগ ছিল না, আয়েশার আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর কোনো অভিযোগ ছিল না, এমনকি সেই সময়ের ইহুদী-খ্রীষ্টান-মুশরিক-নাস্তিকসহ সারা বিশ্বের কারোরই কোনো অভিযোগ ছিল না - সেখানে চৌদ্দশ' বছর পর এসে কিছু দু'পেয়ে হনু আয়েশার জন্য মায়াকান্না জুড়ে দিয়ে মুহাম্মদ (সাঃ)-কে একজন 'মস্তবড় অপরাধী'র কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। হনুদের মাথায় ঘিলু বলে কিছু থাকলে একটা ব্যাপার অন্তত বুঝা উচিত ছিল যে, মুহাম্মদ (সাঃ) যদি আয়েশাকে বিয়ে না করতেন তাহলে ইতিহাসে আয়েশার কোনো অস্তিত্বই থাকত না। অথচ যাঁর মাধ্যমে আয়েশা আজ ইতিহাসের পাতায় স্থান পেয়েছেন সেই আয়েশার পক্ষ নিয়ে তাঁকেই হনুরা 'অপরাধী'র কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। হনুরা আসলে মুহাম্মদ (সাঃ)-কে একই সাথে একজন 'অসৎ', 'লম্পট', ও 'নারীলোভী' ধরে নিয়ে চৌদ্দশ' বছর পর এসে তাঁর বিচার করছে। অথচ ব্যাপারটা আসলে পুরোপুরি উল্টো। মুহাম্মদ (সাঃ) যখন আয়েশাকে বিয়ে করেন তখন তিনি একাধারে সৎ, সত্যবাদী, বিশ্বস্ত, ও আল্লাহর রাসূল হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত। কাজেই মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর সাথে বিয়ের সময় আয়েশার বয়স যা-ই হোক না কেন (It doesn't matter), তাতে আয়েশার জন্য এযুগের হনুদের মায়াকান্না স্রেফ কুম্ভিরাশ্রু ছাড়া আর কী হতে পারে? এ যেন মায়ের চেয়ে সৎ-মায়ের দরদ-ই বেশি! এ প্রসঙ্গে মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর বিরুদ্ধে হনুদের অভিযোগগুলো দেখা যাক।
অভিযোগ: মুহাম্মদ ৫০+ বয়সে ৯ বছরের আয়েশাকে বিয়ে করেছিলেন। আধুনিক যুগের আইনে তাকে গ্রেফতার করে জেলের ভাত খাওয়ানো যায়। তাছাড়া আধুনিক যুগের আইন দিয়ে বিচার করলে মুহাম্মদ একজন ধর্ষক ও শিশুকামী প্রমাণ হয়।
হনুদের এই 'আধুনিক যুক্তি' অনুযায়ী সবার আগে আধুনিক যুগের রবীন্দ্রনাথ-সহ অনেককেই গ্রেফতার করে জেলের ভাত খাওয়ানো যায়। তাছাড়া একই 'যুক্তি' অনুযায়ী আধুনিক যুগের রবীন্দ্রনাথ-সহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিই ধর্ষক ও শিশুকামী প্রমাণ হয়। সেই সাথে হনুদের পূর্ব-পুরুষদেরও অনেকে হয়তো ধর্ষক ও শিশুকামী প্রমাণ হবে। কিন্তু হনুরা যেহেতু শুধুমাত্র ইসলামের নবীকেই আধুনিক যুগের আইনে গ্রেফতার করে জেলের ভাত খাওয়াচ্ছে, 'ধর্ষক' ও 'শিশুকামী' বানিয়ে দিচ্ছে, সেহেতু তারা স্রেফ ইসলামবিদ্বেষী ভণ্ড প্রমাণ হচ্ছে। তবে মুসলিমরা এই ধরণের ছাগলামী-মার্কা যুক্তিতে বিশ্বাস করে না।
কথায় বলে- খলের ছলের কোনো অভাব হয় না। হনুদের মধ্যে অতি ধূর্ত কেউ কেউ এই পর্যায়ে এসে 'যুক্তি' দিতে পারে এই বলে যে, মুহাম্মদ যখন আয়েশাকে বিয়ে করেন তখন মুহাম্মদের বয়স ছিল ৫০+ আর আয়েশার বয়স ছিল মাত্র ৯। কাজেই তাদের বয়সের পার্থক্য অনেক বেশি। এক্ষেত্রে জবাব হচ্ছে হনুরা যেহেতু আধুনিক যুগের আইন দিয়ে মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর সমালোচনা করছে সেহেতু আধুনিক যুগের আইনে ১৮ বছরের পর আর কোনো পার্থক্য করা হয় না - অর্থাৎ আধুনিক যুগের আইনে ১৮ যা ৫৮-ও তাই। কাজেই আধুনিক যুগের আইনে মুহাম্মদ (সাঃ) ও রবীন্দ্রনাথ-সহ আরো অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বিয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই।
অভিযোগ: মুহাম্মদ যখন আয়েশাকে বিয়ে করেন তখন তিনি একজন নবী ছিলেন, সাধারণ কেউ ছিলেন না।
ঠিক। তবে আয়েশাকে বিয়ের আগে মুহাম্মদ (সাঃ) সর্বপ্রথম ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছর বয়সের এক বিধবা নারীকে বিয়ে করে সেই নারীর স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত (অর্থাৎ দীর্ঘ ২৫ বছর) আর কাউকে বিয়ে করেননি। হনুরা এই বিয়ের কথা বেমালুম চেপে যায়। কেননা এই বিয়ে তাদের জন্য গলার কাঁটা হয়ে আছে। কাজেই মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর জীবনে যেমন ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছর বয়সের বিধবা নারীকে বিয়ে করে সেই নারীর স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আর কোনো বিয়ে না করার নজির আছে, তেমনি আবার ৫০+ বয়সে ৯ বছর বয়সের আয়েশাকে বিয়ে করার নজিরও আছে। আর এগুলোর সবই হাদিস-সিরাত অনুযায়ী। কোরআনে এগুলোর কিছুই উল্লেখ নেই। তাছাড়া এগুলো ঈমানের কোনো অঙ্গও নয়।
যাহোক, একমাত্র মনুসংহিতা ছাড়া আজ থেকে কয়েক দশক আগ পর্যন্তও কোনো দেশেই বিয়ের ব্যাপারে বয়স-সীমা নির্ধারণ করে কোনো রকম আইন-কানুন ছিল না। তবে বর্তমানে প্রায় সব দেশেই বিয়ের ব্যাপারে বয়স-সীমা নির্ধারণ করে কিছু আইন করা হয়েছে, যদিও সব দেশের বয়স-সীমা এক নয়। আজ থেকে কয়েক দশক পর হয়তো এই আইনগুলো আবারো সংশোধন করা হবে। যুগের প্রেক্ষাপটে এটা ঠিক আছে। অথচ বর্তমান যুগের কিছু মানুষের তৈরী করা সংজ্ঞা ও আইনের উপর ভিত্তি করে হনুরা মুহাম্মদ (সাঃ)-কে একজন 'শিশুকামী' ও 'ধর্ষক' বানিয়ে দিয়ে প্রচার করছে। হনুদের কথাবার্তা থেকে বুঝাই যায় তারা আসলে ইসলামের নবীর ঘাড়ে বন্দুক রেখে নিজেদের শিশুকামী ও ধর্ষকামী মনোভাব প্রকাশ করছে।
মুহাম্মদ (সাঃ) আজ থেকে চৌদ্দশ' বছর আগে কতগুলো বিয়ে করেছেন, কেমন বয়সী নারীদেরকে বিয়ে করেছেন --- ইত্যাদি বিষয়ে সেই সমাজের লোকজন কি কোনো কৈফিয়ত চেয়েছিল? না। তারা কি মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর কোনো বিয়ের বিরুদ্ধে ছিল? না। তাঁর কোনো স্ত্রীর পরিবারের লোকজন কি বিয়ের বিরুদ্ধে ছিল? না। মুহাম্মদ (সাঃ) কি কাউকে জোর করে বিয়ে করেছিলেন? না। তাহলে আজ কারা আয়েশার জন্য মায়াকান্না করে? আজ কারা কৈফিয়ত চায়? কাদের কাছে কৈফিয়ত চায়? এখানে কৈফিয়ত-টৈফিয়ত দেওয়ার আসলে কিছুই নাই।
নোট: বিয়ে করা বা না-করা, স্ত্রীর সংখ্যা, স্ত্রীর বয়স, ইত্যাদি বিষয়গুলো নবী হওয়া বা না-হওয়ার কোনো শর্ত নয়। কেউ বিয়ে না করেও নবী হতে পারেন। কারো একাধিক স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তিনি নবী হতে পারেন। কারো স্ত্রীর বয়স প্রচলিত বয়সের চেয়ে কম-বেশি হওয়া সত্ত্বেও তিনি নবী হতে পারেন। অতএব, সত্য সন্ধানীরা হনুদের এই ধরণের প্রপাগ্যাণ্ডা থেকে বিভ্রান্ত হবেন না বলেই বিশ্বাস।
1 hr · Public
Wednesday, 28 January 2015
Tagore
Md Raihan Sharif
বাংলা অন্তর্জালে মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর সাথে আয়েশা (রাঃ)-এঁর বিয়ে নিয়ে যারা বিদ্বেষপূর্ণ সমালোচনা করে তাদের প্রতি কিছু পাল্টা প্রশ্ন ও চ্যালেঞ্জ (অফেন্সিভ)।
বিদ্বেষপূর্ণ সমালোচনা: মুহাম্মদ ৫০ বছর বয়সে ৯ বছরের আয়েশাকে বিয়ে করেছেন। আধুনিক যুগের আইনে তাকে গ্রেফতার করে জেলের ভাত খাওয়ানো যায়।
পাল্টা চ্যালেঞ্জ: রবীন্দ্রনাথ ২২ বছর বয়সে ১২ (মতান্তরে ১১) বছরের মৃণালিনী দেবীকে বিয়ে করেছেন। তাহলে তোমাদের যুক্তি অনুযায়ীই আধুনিক যুগের রবীন্দ্রনাথকে সবার আগে গ্রেফতার করে জেলের ভাত খাওয়ানো উচিত, তাই নয় কি? আধুনিক যুগের আইনে কিন্তু ৫০/২২ এবং ৯/১২ এর মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই। কাজেই তোমরা আগে রবীন্দ্রনাথকে গ্রেফতার করে জেলের ভাত খাইয়ে তারপর ১৪০০ বছর আগের কাউকে জেলের ভাত খাওয়াইতে এসো, কেমুন? এই চ্যালেঞ্জটা নেয়ার মতো সৎ-সাহস কারো আছে কি?
বিদ্বেষপূর্ণ সমালোচনা: আধুনিক যুগের আইন দিয়ে বিচার করলে মুহাম্মদ একজন ধর্ষক ও শিশু নির্যাতনকারী হয়ে যায়।
জবাব: এক্ষেত্রেও আধুনিক যুগের আইন দিয়ে বিচার করলে সবার আগে আধুনিক যুগের রবীন্দ্রনাথ একজন ধর্ষক ও শিশু নির্যাতনকারী হয়ে যায়। সেই সাথে তোমাদের দাদা-নানা-গ্র্যান্ডদা'দের অনেকেই হয়তো ধর্ষক ও শিশু নির্যাতনকারী হয়ে যাবে। কিন্তু তোমরা যেহেতু রবীন্দ্রনাথ ও তোমাদের দাদা-নানা'দের ব্যাপারটা চেপে যেয়ে শুধুই ইসলামের নবীকে 'ধর্ষক' ও 'শিশু নির্যাতনকারী' বানিয়ে দিয়ে প্রচার করছ সেহেতু তোমরা প্রমাণিত ইসলামবিদ্বেষী ভণ্ড।
[নোট: বাংলা ইসলামবিদ্বেষীরা কিন্তু রবীন্দ্রনাথকে ইসলামের নবীর অনেক উপরে স্থান দেয়। তারা একদিকে ইসলামের নবীর বিরুদ্ধে ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়ায়, অন্যদিকে আবার কথায় কথায় রবীন্দ্রনাথের বাণী কোট করে। কেউ কেউ তো রবীন্দ্রনাথের কবিতার লাইনকে শিরোনাম বানিয়ে বইও লিখে।]
তাছাড়া বাংলা ইসলামবিদ্বেষীদের গুরুজী হচ্ছে ভণ্ডজিৎ রায়। ভণ্ডজিতের প্রথম স্ত্রী ঠিক কী কারণে অকালে মারা গেছে, এটা আজ পর্যন্তও কাউকে জানানো হয়নি। তার অন্ধ মুরিদদেরও কেউ তাদের গুরুজীর স্ত্রীর অকাল মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি! অতএব, তোমরা আগে তোমাদের গুরুজীর স্ত্রীর অকাল মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা করো। তারপর না হয় অন্য ধর্মের দিকে আঙ্গুল তুলতে আসো, কেমুন? ইসলামের নবীর কোনো স্ত্রী তো অন্তত অকালে মারা যায়নি। অন্যদিকে এই আধুনিক যুগে রবীন্দ্রনাথ ও ভণ্ডজিৎ উভয়ের স্ত্রীই অকালে মারা গেছে! অথচ বাংলা ইসলামবিদ্বেষীদের কাউকেই কিন্তু 'নারীবাদী' সেজে এই দুই 'অকাল-প্রয়াত' নারীর জন্য মায়াকান্না করতে দেখা যায়নি। পুরাই ভণ্ডামী আরকি।
Saturday, 17 January 2015
আর এস এস
R.S.S - রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ
আপনি হিন্দু,আপনার মহত্ত্ব কিসে?শুধু পুঁথিগত শাস্ত্রে?নাকি জীবনাচরণে?(তুলনামূলক ধর্মজিজ্ঞাসা)
ইসলাম ধর্মঃ-
১।হে মুমিনগণ! নিহতদের ব্যাপারে তোমাদের জন্য কিসাসের (খুনের বদলে খুন) বিধান দেওয়া হইয়াছে,স্বাধীন ব্যক্তির
বদলে স্বাধীন ব্যক্তি,ক্রীতদাস ও নারীর বদলে নারী।(কোরান-২/১৭৮)
হিন্দু ধর্মঃ-
১।যুদ্ধে স্বজনাদিগকে নিহত করিয়া আমি মঙ্গল দেখিতেছি না।হে কৃষ্ণ,আমি জয়লাভকরিতে চাহি না,সুখভোগও চাহি না।হে জনার্দন,পৃথিবীর রাজত্বের কথা দূরে থাক,ত্রৈলোক্য রাজ্যের জন্যই বা দুর্যোধনাধিকে বধ করিলে আমাদের কি সুখ হইবে?(গীতা-১/৩১ ,৩৫)
ইসলাম ধর্মঃ--
২।পুরুষ নারীর কর্তা,কারণ আল্লাহ্ তাহাদের এক-কে অপরের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করিয়াছেন এবং এইজন্য যে,পুরুষ তাহাদের ধন- সম্পদ ব্যয় করে।সুতরাং সাধ্বী স্ত্রীরা অনুগতা এবং লোকচক্ষুর অন্তরালে আল্লা যাহা সংরক্ষিত করিয়াছেন,তাহা হিফাযত করে।স্ত্রীদের মধ্যে যাহাদের অবাধ্যতার আশংকা কর
তাহাদের সদুপদেশ দাও,তারপর তাহাদের প্রহার কর।(কোরান-৪/৩)
হিন্দু ধর্মঃ----
২। হে বিদ্বানগণ!আপনারা জানিয়া রাখুন,আমাদের
স্বামী স্ত্রী উভয়ের হৃদয় জলের ন্যায় পরস্পর মিলিত থাকিবে।যেমন প্রাণবায়ু আমাদের নিকট প্রিয়,পরমাত্মা যেমন
সকলের প্রিয়,উপদেষ্টা যেমন শ্রোতাদের নিকট প্রিয়,আমাদের একের আত্মা অন্যের প্রতি সেইরূপ প্রিয় হইবে।(ঋগ্বেদ,১০/৮৫/৪৭)
ইসলাম ধর্মঃ---
৩। হে মুমিনগণ!তোমরা সেই সব বিষয়ে প্রশ্ন করিও না যাহা তোমাদের নিকট প্রকাশ হইলে তাহা তোমাদেরকে কষ্ট
দিবে।কুরআন নাযিলের সময় তোমরা যদি সেইসব বিষয়ে প্রশ্ন কর তবে উহা তোমাদের নিকট প্রকাশ করা হইবে।(কোরান-৫/১০১)
হিন্দু ধর্মঃ----
৩।গুরুচরণে দণ্ডবৎ প্রণাম দ্বারা নানা বিষয় প্রশ্নদ্বারা এবং গুরুসেবা দ্বারা সেই জ্ঞানলাভ কর,জ্ঞানী তত্ত্বদর্শী গুরু তোমাকে সেই জ্ঞান উপদেশ করিবেন।(গীতা-৪/৩৪)
ইসলাম ধর্মঃ----
৪।বল,‘হে সার্বভৌম শক্তির মালিক আল্লাহ!তুমি যাহাকে ইচ্ছা ক্ষমতা প্রদান কর এবং যাহার ইচ্ছা ক্ষমতা কাড়িয়া লও;যাহাকে ইচ্ছা তুমি ইজ্জত দান কর,আর যাহাকে ইচ্ছা তুমি হীন
কর।মুমিনগণ যেন মুমিনগণ ব্যতীত কাফিরদের বন্ধুরূপে গ্রহণ
না করে।আল্লাহ্ তো কাফিরদেরকে পছন্দ করেন না।(কোরান-৩/২৬,১৮,৩৩)
হিন্দু ধর্মঃ---
৪।আমি সর্বভূতের পক্ষেই সমান।আমার দ্বেষ্যও নাই,প্রিয়ও
নাই।কিন্তু যাহারা ভক্তিপূর্বক আমার ভজনা করেন তাঁহারা আমাতে অবস্থান করেন এবং আমিও সে সকল ভক্তেই অবস্থান করি।(গীতা-৯/২৯)
এতক্ষণের আলোচনায় এটাই প্রমাণ হল যে,আল্লা একটা স্বৈরাচারী,নারী বিদ্বেষী এবং তার একটা জাতের প্রতিই শুধু সহানুভূতিশীল।পক্ষান্তরে ভগবানের কাছে জাতি,ধর্ম,বর্ণ,নির্বিশেষে সবাই সমান,আল্লার মত শুধু একটা জাতির(মসলমান) উপর সহানুভূতিশীল নয়।আর এখানেই আমাদের হিন্দুর মহত্ত্ব।তাইতো স্বামী বিবেকানন্দ তার 'পার্টিক্যাল বেদান্ত' গ্রন্থে লিখেছেন,"আমি এমন পক্ষপাতদুষ্ট আল্লার সাথে চিরকাল যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত আছি।"
অতএব,গর্বের সাথে বল,আমি হিন্দু।জয় হিন্দ।বন্দে মাতারাম।
#জয়শ্রীরাম
#RSS
ইয়াহুদি
ইহুদিদের নবীর নাম হযরত মুসা (আ.)
এবং খ্রিস্টানদের হযরত ইসা (আ.)।
আচ্ছা,
আপনারা কী কখনও দেখেছেন ইহুদি-খ্রিস্টানদের এই নবীদেরকে নিয়ে মুসলমানরা কখনও ঠাট্টা-বিদ্রুপ করছে?
ঠাট্টা করা তো দূরের ব্যাপার-
কোন মুসলমান এই নবীদেরকে নিয়ে ঠাট্টা করার কথা কল্পনাতেও আনতে পারে না।
কারণ, সব নবীদের সম্মান করতে ইসলাম মুসলিমদের শিক্ষা দেয়।।
অথচ, এই সম্মানিত নবীদের শীষ্যরা কী করছে দেখুন!
তারা কন্টিনিউয়ালি ইসলামের নবীকে (স.) কটাক্ষ করে ব্যঙ্গচিত্র/কার্টুন ছেপে যাচ্ছে।।
Friday, 16 January 2015
Shari hebdo
আপনারা কখনো কি শুনছেন খুনী খুন করার পর তার আইডি কার্ড ফেলে যাবে এবং চিল্লায় চিল্লায়ে নিজ সংগঠনের নাম বলবে ? ফ্রান্সের শার্লী এবদো পত্রিকায় যে হতাহতের ঘটনাটা ঘটলো সেখানে নাকি খুনীরা তাদের আইডি কার্ড ফেলে গিয়েছিল এবং খুন করার পর ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় চিল্লায় চিল্লায়ে বলেছিল আমরা আল কায়েদা করি আমরা তালেবান করি। যারা প্যারিসের মত একটা জায়গায় এতবড় ঘটনা ঘটিয়ে ফেলল তারা কি এতই বোকা যে ঘর থেকে বের হবার সময় তারা তাদের আইডি কার্ড ঘরে না রেখে এসে সাথে করে নিয়ে আসবে আবার তা গাড়িতে ফেলে যাবে। শার্লী এবদো পত্রিকা নিয়ে তো সেই ২০০৬ সাল থেকেই ঝামেলা হচ্ছে। তখন থেকেই ঐ পত্রিকার সম্পাদক কার্টুনিস্টরা বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে ছিল। তো পুলিশ কি তখন ঘাস কাটছিল যখন বন্দুকধারীরা তাদের কে আক্রমন করতে এসেছিল ? মাত্র ২ জন বন্দুকধারী কিভাবে গুনে গুনে ১০ জন সাংবাদিককে হত্যা করল যারা সবাই একইদিন একই সময়ে পত্রিকার অফিসে ছিল। আর হ্যা সেদিন পত্রিকার সম্পাদকীয় বৈঠক চলছিল আর ঠিক সেইদিনই আক্রমন হল। বাইরের লোকেদের তো তা জানার কথা না কোনদিন সেই পত্রিকার সম্পাদকীয় বৈঠক হবে। প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদকীয় বৈঠক কোনদিন হবে এটা কি বাইরের কোন লোকের জানার কথা ? কই সালমান রুশদীকে তো কখনো লন্ডনের মুসলমানরা হত্যা করতে পারে নাই। কারন সালমান রুশদি লন্ডনের পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তায় থাকে। তসলিমা নাসরিনের উপরেও তো অনেকদিন ধরে ভারতের মুসলমানরা ক্ষ্যাপা। কিন্তু আজ পর্যন্ত ভারতের মুসলমানরা তসলিমা নাসরিনের টিকিটাও স্পর্শ করতে পারে নাই কারন ভারত সরকার বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে তসলিমা নাসরিন কে বাচিয়ে রেখেছে। তো তসলিমা নাসরিন, সালমান রুশদীর মত শার্লী এবদো পত্রিকার সম্পাদক কার্টুনিস্টরাও তো বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে ছিল। যেই ২ ভাইকে ফ্রান্স সরকার এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে হত্যা করেছে এদের মাঝে শেরিফ কোশী আগেই ফ্রান্সের এক কারাগারে ৩ বছর জেল খাটছে। তাই খুব সহজেই বুঝা যাচ্ছে পুলিশ এদের সম্পর্কে জানত এবং তারা আগে থেকেই গোয়েন্দা নজরদারিতে ছিল। তাইলে কিভাবে এই ২ ভাই সাইদ কোশী ও শরীফ কোশী প্যারিসের মত জায়গায় কালশনিকভ রাইফেল ও রকেট লাঞ্চার জোগাড় করল। যারা আগে থেকেই ৩ বছর জেল খাটল তাদের পক্ষে কি সম্ভব রকেট লাঞ্চার জোগাড় করা ? আমরাও তো বাংলা ভাই শায়খ আবদুর রহমান কে গ্রেফতার করেছিলাম কই আমরা তো তাদেরকে গুলি কর মারি নাই। বরং আমরা তাদেরকে গ্রেফতার করে জেএমবিদের আস্তানা খুজে বের করেছি। তাইলে ফ্রান্স সরকার কেন সাথে সাথে সাইদ কোশী ও শরীফ কোশী কে গুলি করে হত্যা করে ফেলল ? যেই আগুন পুরা টুইন টাওয়ার কে পুড়িয়ে ফেলল সেই আগুন নাকি টুইন টাওয়ারে হামলাকারী টেরোরিষ্টদের পাসপোর্ট পুড়াতে পারে নাই। টুইন টাওয়ার হামলায় কোন কোন জঙ্গী জড়িত ছিল তাদের নাম ঠিকানা নাকি সেই উদ্ধার হওয়া পাসপোর্ট থেকেই পাওয়া গিয়েছিল। twin tower এর হামলাটা ছিল একটা সাজানো নাটক। সামান্য ২ টা বিমানের আঘাতে স্টিলের তৈরি এতবড় বিল্ডিং মোমের মত গলে পরবে না। আমেরিকার প্রকৌশলী বিজ্ঞানীরাই প্রমান করেছেন যে স্বয়ংক্রিয় ভাবে টুইন টাওয়ারের ভিতরেই বিস্ফোরক রেখে টুইন টাওয়ার কে ধবংস করা হয়েছে এই ওয়েবসাইটে www.911truth.org টুইন টাওয়ার হামলা যে একটা সাজানো নাটক এরপক্ষে ১৪৮ টা প্রমান উপস্থাপন করা হয়েছে।
ইউরোপের সবচেয়ে বেশী মুসলমান আছে ফ্রান্সে ৫০ লাখ। এদের মধ্যে অর্ধেকই ফরাসী ধর্মান্তরিত মুসলিম। এই ৫০ লাখ মুসলমানদের কে চাকুরি বাকুরি থেকে বঞ্চিত করতেই ফ্রান্স সরকার এই সাজানো নাটকটা মঞ্চায়িত করল। আর একজন খুনী নাকী যেচে গেয়ে আত্মসমর্পন করেছে। জীবনে কখনো শুনছেন খুনী পালিয়ে না গেয়ে নিজে থেকে আত্মসমর্পন করে। সে যদি সত্যিই খুনী হত তাইলে তো সে ঐ ২ জনের সাথে পালিয়েই যেত। অর্থ্যাত্ খুব সহজেই বুঝা যাচ্ছে এই কার্টুনিস্টদের হত্যার পিছে ফ্রান্স সরকার জড়িত। ফ্রান্স কিছুদিন আগে ফিলিস্তিন কে স্বীকৃতি দিয়েছে। তখনই ইসরাঈল বলেছিল ফ্রান্স এই কাজটা ঠিক করে নাই। আর ইসরাঈলের এজেন্টরা তো এর আগেও বিভিন্ন জনের নামে ভুয়া পাসপোর্ট বানিয়ে ব্যবহার করেছিল এবং ধরাও পরেছিল। খুনীরা এতগুলি লোক খুন করে প্যারিস নগরী থেকে পালিয়ে গেল কিন্তু প্যারিসের পুলিশরা ব্যারিকেড দিয়ে বা চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের কে ধরতে পারল না এর কারন কি ? তারা নাকি আবার দেশের উত্তরাঞ্চলের দিকে পালিয়ে এক প্রিন্টিং প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের কে জিম্মি করে। তো তারা যে গাড়ি করে এতদূর চলে গেল ফ্রান্সের একটা পুলিশও তাদের কে ধরতে পারল না ইচ্ছা করেও ধরল না এটাই তো এখন মূল প্রশ্ন। অবস্থাদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে ফ্রান্সের পুলিশই চেয়েছিল এরকম একটা ঘটনা ঘটুক।
শার্লী এবদোর ঘটনায় একজন মুসলিম পুলিশ অফিসার মারা গেছে। উনার নাম হল আহমেদ মেরাবাত। উনি আলজেরীয় বংশোদ্ভদ একজন মুসলিম। Youtube এর ভিডিওতে দেখলাম ফ্রান্স সরকারের এজেন্টরা উনার মাথার খুব কাছ থেকে গুলি করে উনাকে শহীদ করেছে। এতবড় একটা পত্রিকা অফিসের সামনে মাত্র ২ জন পুলিশ অফিসার ছিল এটাও তো একটা সন্দেহজনক ব্যাপার। শার্লী হেবদো পত্রিকা আহমেদ মেরাবাতের বিশ্বাস কে সব সময় কটাক্ষ করলেও আহমেদ মেরাবাত শার্লী এবদো পত্রিকার নিরাপত্তা রক্ষার্থেই জীবন দিল। ১২ জন নিহত হবার ঘটনায় যেহেতু একজন মুসলমান মারা গেছে তাই খুব সহজেই বুঝতে পারছেন ফ্রান্সে এখন কি পরিমানে মুসলিম বাড়ছে। হ্যা সেই ৮০ এর দশক থেকেই ফ্রান্সে বহু লোক মুসলমান হচ্ছে। বাংলাদেশে প্রায়ই ফরাসি জামাত আসে। কাকরাইল মসজিদে যেয়ে দেখেন বহু ফরাসী মুসলমান বাংলার চাষাভুষা কৃষকের সাথে এক সাথে বসে দ্বীন ইসলাম শিখছে। ফ্রান্সের বহু গীর্জা এখন মসজিদে রুপান্তরিত হয়েছে। পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র ফ্রান্সেই বোরখা পড়লে মোটা অংকের ইউরো জরিমানা দিতে হয়। তাও আমাদের ফরাসী বোনরা হিজাব ছাড়ছ না। হান্টিংটন যেই সভ্যতার সংঘাতের কথা বলেছিলেন সেই সভ্যতার সংঘাত এখন জার্মানী, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডে জড়িয়ে পরেছে। ফ্রান্সে আছে ৫০ লাখ মুসলমান। জার্মানীতে আছে ৪০ লাখ মুসলমান আর ইংল্যান্ডে আছে ৩০ লাখ মুসলমান। এটা সরকারী হিসাব। বাস্তবে আরো বেশী হতে পারে। এই ইউরোপের মুসলমানদের মাঝে অর্ধেকই হচ্ছে সাদা চামড়ার মুসলমান যারা আঙ্গুল উচিয়ে তাদের দেশের পুজাবাদি system এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ইউরোপের মাটিতে খিলাফত কায়েম করতে চায়। আর এই সাদা চামড়ার মুসলমানদের কে হেনেস্থা করতেই এখন ইউরোপ সরকার নতুন নতুন জঙ্গী নাটকের আবির্ভাব ঘটাচ্ছে।
Subscribe to:
Comments (Atom)